রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৯ পি.এম
সুনাম ও রোগীদের আস্থায় ডা. তহুরা, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় অপপ্রচার নয় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
বরিশাল প্রতিনিধি: গাইনি ও প্রসূতিবিদ্যা (Gynecologist & Obstetrician), বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ও সার্জন হিসেবে বরিশালে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন ডা. তহুরা আক্তার। রোগীদের একটি বড় অংশের কাছে তিনি দায়িত্বশীল, সদালাপী, মানবিক ও আন্তরিক চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিনের রোগী ও তাঁদের স্বজনদের অনেকেই তাঁর চিকিৎসাসেবা, রোগীদের প্রতি আন্তরিকতা এবং প্রয়োজনের সময় পাশে থাকার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে তুলে ধরেছেন।
রোগীদের ভাষ্য, ডা. তহুরা চিকিৎসার সময় পর্যাপ্ত সময় দিয়ে তাঁদের সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ দেন। অনেক রোগী তাঁকে সহজে যোগাযোগযোগ্য চিকিৎসক হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। জরুরি প্রয়োজনে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি পরিস্থিতি অনুযায়ী সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করেন বলেও জানিয়েছেন তাঁর দীর্ঘদিনের রোগীদের কেউ কেউ। তাঁদের মতে, প্রসূতি ও সিজারিয়ান সেবার ক্ষেত্রেও তিনি তুলনামূলকভাবে সাধ্যের মধ্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
বরিশাল নগরীর কেডিসি এলাকার তেল ব্যবসায়ী সোহেল খান জানান, তাঁর দুই সন্তানের জন্মের সময় তিনি ডা. তহুরা আক্তারের পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন এবং উভয় ক্ষেত্রেই সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়। তাঁর ভাষ্য, ওই দুই চিকিৎসা-পর্বে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো অনিয়ম বা গাফিলতি লক্ষ্য করেননি।
সোহেল খান জানান, চিকিৎসার সময় ডা. তহুরার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ও আচরণ নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ইতিবাচক ছিল। চিকিৎসা ব্যয়ের ক্ষেত্রেও একবার তাঁকে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি জানান।
সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা প্রসঙ্গে সোহেল খান বলেন, “আমি আমার পরিবারের চিকিৎসার সময় যে অভিজ্ঞতা পেয়েছি, সেটিই বলতে পারি। কোনো অভিযোগ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে প্রকাশ করা উচিত বলে মনে করি।”
এই দীর্ঘদিনের পেশাগত সুনাম ও রোগীদের আস্থার মধ্যেই সম্প্রতি বরিশালের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসাধীন এক প্রসূতি রোগীর মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর নাজিয়া রহমান মাইশা নামে ওই প্রসূতির সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং পরবর্তীতে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা ও চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে।
তবে ডা. তহুরার দীর্ঘদিনের রোগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের একটি অংশ মনে করেন, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা-ঘটনার প্রকৃত কারণ যথাযথ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তাঁদের মতে, একটি দুঃখজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের চিকিৎসাসেবা ও পেশাগত সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করার আগে ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।
কোনো চিকিৎসকই চান না তাঁর চিকিৎসাধীন কোনো রোগী মৃত্যুবরণ করুন। একটি রোগীর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একটি পরিবারের আশা, ভালোবাসা ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন। তাই সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও যখন একটি জীবন হারিয়ে যায়, সেই বেদনা শুধু স্বজনদের নয়, চিকিৎসকের হৃদয়েও গভীরভাবে দাগ কাটে। একজন চিকিৎসক জীবন বাঁচাতে জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে চেষ্টা করেন। কিন্তু জীবন-মৃত্যুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মানুষের হাতে নয়, মহান আল্লাহর হাতে।
একজন চিকিৎসকও একজন মানুষ। তাঁরও অনুভূতি আছে, দায়িত্ববোধ আছে এবং একজন রোগীকে সুস্থ করে তাঁর প্রিয়জনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা আছে। বিশেষ করে প্রসূতি চিকিৎসার ক্ষেত্রে একজন মা ও তাঁর সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা চিকিৎসকের জন্য শুধু পেশাগত দায়িত্ব নয়, একই সঙ্গে একটি গভীর মানবিক দায়বদ্ধতাও।
ডা. তহুরার রোগী ও পরিচিতজনদের একটি অংশের অভিযোগ, একটি মহল তাঁর দীর্ঘদিনের পেশাগত সুনাম ও রোগীদের আস্থার কারণে ঈর্ষান্বিত হয়ে সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে অতিরঞ্জিত বা একতরফা প্রচারণা চালাচ্ছে। এমনকি কিছু সাংবাদিককে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তাঁদের অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা উচিত। একই সঙ্গে অভিযোগকারী, রোগীর স্বজন, চিকিৎসক, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা-নথি ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদনসহ সব পক্ষের বক্তব্য ও তথ্য বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। এতে যেমন রোগীর পরিবারের ন্যায়বিচারের দাবি গুরুত্ব পাবে, তেমনি প্রমাণ ছাড়া কোনো চিকিৎসকের পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।
জীবন-মৃত্যু মহান আল্লাহর হাতে। চিকিৎসাক্ষেত্রে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আবেগ, গুজব, অনুমান বা একতরফা বক্তব্যের ভিত্তিতে কোনো চিকিৎসককে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত নয়। প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রয়োজন তথ্য, প্রমাণ, নিরপেক্ষ তদন্ত ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রমাণভিত্তিক মূল্যায়ন।
ডা. তহুরার দীর্ঘদিনের রোগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে তাই দাবি উঠেছে, অপপ্রচার নয়, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। অভিযোগ সত্য হলে দায় নির্ধারণ করা হোক। আর অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে একজন চিকিৎসকের পেশাগত সুনাম অযথা ক্ষুণ্ন করার প্রচেষ্টাও বন্ধ করা হোক।
সমালোচনা হোক তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা অপপ্রচার নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রিটিশ পুলিশ যুক্তরাজ্যের একটি মার্কিন বিমানঘাঁটি এলাকা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের বিরুদ্ধে ইরানে হামলায় ব্যবহৃত হওয়ার সন্দেহ রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিস্ফোরক আইনে অপরাধ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির অভিযোগে।
সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা জানাচ্ছে, রবিবার ভোরে স্থানীয় সময় গ্লুচেস্টারশায়ার ওয়েলফোর্ড এলাকায় তিনটি সন্দেহজনক যানবাহনের খবর পাওয়ার পর সশস্ত্র পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচজনকে আটক করে। পরে কাউন্টার টেররিজম পুলিশ ঘটনাটির তদন্তে যুক্ত হয়। গাড়িগুলো ঘিরে ৪০০ মিটার নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে এবং সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ দল সেগুলো পরীক্ষা করছে।
ঘটনার পর আশপাশের প্রায় ৮৫টি বাড়ির বাসিন্দাকে নিরাপত্তার কারণে সরিয়ে নেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পাঁচজনই হেফাজতে আছেন।
কাউন্টার টেররিজম পুলিশের সিনিয়র ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর ভিকি ইভান্স বলেছেন, "তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।"
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ঘাঁটিটি হলো রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি। ব্রিটিশ সরকারের অনুমোদনে যুক্তরাষ্ট্র এই ঘাঁটি থেকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
জুলাই মাসে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ব্যবহৃত কোনো ঘাঁটি বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বড়ভাগ গ্রামের বহুল আলোচিত রবিউল ইসলাম শেখ ওরফে পাইচো (৫৫) হত্যা মামলার আসামি মারুফ শেখকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে যশোরের কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের গ্রাম্য বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। কাশিয়ানী সদর বাজারের চায়ের দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে রবিউল ও তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রবিউল গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত রবিউল ইসলাম শেখ টগরবন্দ ইউনিয়নের বড়ভাগ গ্রামের সাত্তার শেখের ছেলে। তিনি কাশিয়ানী সদর বাজারে চায়ের দোকান চালাতেন।
এর আগে গত ২৬ জুন একই ইউনিয়নের বড়ভাগ পূর্বপাড়া গ্রামের উকিল শেখের বাড়ির সামনে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় কলেজছাত্র সুমন শেখ (২৪)কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সুমন ছিলেন রবিউল ইসলামের ভাতিজা। তিনি আলাউদ্দিন শেখের ছেলে এবং কাশিয়ানী এম.এ. খালেক ডিগ্রি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বড়ভাগ গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও গ্রাম্য বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে একাধিক সংঘর্ষ, হামলা-পাল্টা হামলা ও মামলা হয়েছে।
সুমন হত্যা মামলায় কয়েকজন আসামি গ্রেপ্তারের পর সম্প্রতি জামিনে বের হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান। তবে তাঁদের কেউ রবিউল হত্যাকাণ্ডে জড়িত কি না, তা পুলিশ নিশ্চিত করেনি।
উল্লেখ্য, আড়াই মাসের ব্যবধানে একই বিরোধের জেরে চাচা-ভাতিজা দুজন নিহত হওয়ায় বড়ভাগ গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল সরোয়ার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে যশোরের কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে মামলার আসামি মারুফ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন ফুটবলের নতুন বিস্ময়বালক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাভান সুলিভান যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ফুটবল দলে অভিষিক্ত হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে মাঠে নামার সময় তার বয়স ছিল ১৬ বছর ৩৬৩ দিন, যা তাকে যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষ সিনিয়র জাতীয় ফুটবল দলের জার্সিতে এই কীর্তি গড়ার সুযোগ করে দেয়।
এই অভিষেকের ফলে, তিনি ২০০৬ সালে ফ্রেডি অদুর পর যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের চতুর্থ কনিষ্ঠতম খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। পাশাপাশি, গত দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী আন্তর্জাতিক ফুটবলার হিসেবে তিনি রেকর্ড বইয়ে নাম লেখাতে সক্ষম হয়েছেন।
ওরাল্যান্ডোতে পেরুর বিপক্ষে অনুষ্ঠিত একটি প্রীতি ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে তিনি মাঠে প্রবেশ করেন। এই ম্যাচে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪-১ ব্যবধানে সহজ জয় অর্জন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী নগরীতে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে আব্দুল বারী (২৮) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শনিরাজশাহীতে মাদক নিয়ে বিরোধের অভিযোগ যুবককে হত্যাবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নগরীর ডিঙ্গাডোবা বাকীর মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত বারী ওই এলাকার বদরুল্লাহর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, কয়েক দিন ধরে বহিরাগত কিছু যুবক ওই এলাকায় মাদক বিক্রি করছিল। শনিবার বিকেলে এ নিয়ে তাদের সঙ্গে বারীর বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে গভীর রাতে প্রায় ৫০ জন যুবক বারীকে তাঁর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় বলে জানান স্থানীয়রা।
তাঁদের দাবি, বাড়ির বাইরে নেওয়ার পর ওই যুবকদের সঙ্গে বারীর ফের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
জানতে চাইলে রাজপাড়া থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকান্ডের ঘটেছে বলে তিনি শুনেছেন। রবিবার দুপুরে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্ত করা হয়েছে। এ ব্যপারে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানান ওসি।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ