সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৫ পি.এম
মার্কিন বিমানবাহিনীর এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের ওয়েপন সিস্টেমস অফিসার কর্নেল 'ডুড ৪৪ ব্রাভো' ইরানের মাটিতে যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর প্রায় ৫০ ঘণ্টা গুরুতর আহত অবস্থায় একা লুকিয়ে থাকার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। তিনি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের '৬০ মিনিটস' প্রোগ্রামে জানান, প্যারাশুট ব্যর্থতার কারণে তীব্র গতিতে মাটিতে আছড়ে পড়ে তার মেরুদণ্ড ও হাত ভেঙে গেলেও তিনি মনের জোরে পাহাড়ে আত্মগোপন করে ছিলেন। পরবর্তীতে বিশেষ উদ্ধারকারী দলের সহায়তায় তিনি নিরাপদে ফিরে আসেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২ এপ্রিল ইরানের একটি কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মার্কিন বিমানবাহিনীর ‘এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল’ যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত হয়। ওই দুই আসনের যুদ্ধবিমানে পাইলট ‘আলফা’ এবং ওয়েপন সিস্টেমস অফিসার ‘ব্রাভো’ (যিনি মার্কিন বাহিনীর একজন কর্নেল) ছিলেন। এ কারণে বিমানে থাকা দুই কর্মকর্তা প্যারাসুট নিয়ে ইরানের ভূখণ্ডে অবতরণ করতে বাধ্য হন।
বিমানে আচমকাই ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করে। ব্রাভোর কথায়, ‘মনে হয়েছিল একটি প্রচণ্ড গতির মালবাহী ট্রেন এসে সজোরে ধাক্কা দিল বিমানে।’ দ্রুতই পরিষ্কার হয়ে যায়, জেটটিকে আর বাঁচানো সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে দু’জনকেই ইজেক্ট করতে হয়।
বিমানের পাইলট, যাকে ‘আলফা’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার হন। তবে অস্ত্র ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ‘ব্রাভো’ দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। নিরাপত্তাজনিত কারণে তার প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
মাঝআকাশে প্যারাশুটের দিকে তাকিয়ে ব্রাভো দেখতে পান, সেটি ঠিকমতো খুলছে না। সেই মুহূর্তের কথা মনে করে তিনি বলেন, ‘আমি উপরে তাকিয়ে দেখলাম প্যারাশুট খুলছে না। সেটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মুহূর্ত।’
তাঁর অনুমান, ওই অবস্থায় প্যারাশুট ছাড়া প্রতি ঘণ্টায় ৭০ থেকে ১০০ মাইল গতিবেগে প্রায় ৫ মাইল দূরে গিয়ে ছিটকে পড়েন। পাহাড়ি এলাকায় আছড়ে পড়ায় ভেঙে যায় তাঁর পিঠের শিরদাঁড়া, একটি হাতও। কাঁধেও লাগে গুরুতর চোট। কেটে ছড়ে যায় মাথা ও মুখ। শুরু হয়ে যায় রক্তক্ষরণ।
এত আঘাতের পরেও থামেননি ব্রাভো। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, শত্রু এলাকায় এক জায়গায় থাকলে ইরানের বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে যাবেন। সেই সময় প্রায় ১ হাজার ৫০০ ইরানি সেনা ও সশস্ত্র গোষ্ঠী তাঁর খোঁজে ওই ১০ মাইলের মধ্যে তল্লাশি চালাচ্ছিল। টিভিতে তাঁর মাথার দামও ঘোষণা করা হয়। ব্রাভো বলেন, ‘ইরানি টেলিভিশনে বন্দি হিসেবে নিজের মুখ দেখানোর ভয়েই আমি থামিনি।’
সামনে ছিল পাহাড়ে ঘেরা একটি উপত্যকা। ভাঙা পিঠ ও হাত নিয়েই তিনি প্রায় ৭ হাজার ফুট উঁচু একটি জায়গায় উঠে যান। পরে পাহাড়ের একটি খাঁজে আশ্রয় নেন। খাবার বা পানি প্রায় কিছুই ছিল না। তার উপরে যন্ত্রণা কয়েকগুণ বেড়ে যায় ঠান্ডায়।
অল্প অল্প বিশ্রাম নিয়ে অকুতোভয় ওই মার্কিন অফিসার বারবার অবস্থান বদল করেন। যাতে ইরানি বাহিনীর নজর এড়িয়ে সঙ্কেত পাঠাতে থাকেন। প্রায় ২৪ ঘণ্টা তিনি কোথায় আছেন খোঁজ ছিল না মার্কিন বাহিনীর কাছে।
অন্যদিকে আমেরিকায় তখন শুরু হয়ে গিয়েছিল বিশাল উদ্ধার অভিযানের পরিকল্পনা। গত ৪৬ বছরে এই প্রথম ইরানের অভ্যন্তরে ঢুকে কোনও মার্কিন সেনা উদ্ধার অভিযান চালায়।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে মাঝরাতে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের খবর জানানো হয়। সিদ্ধান্ত হয়—দু’জন সেনাকে খুঁজে বের করতেই হবে। শতাধিক সেনা, বহু বিমান ও ড্রোনকে কাজে লাগানো হয়। আমেরিকান বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের মাটিতে ৯০ জনের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবে। আকাশে ছিল শতাধিক যুদ্ধবিমান ও ড্রোন।
ব্রাভোকে খুঁজে বের করতে গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। তাঁদের গতিবিধি চিহ্নিত করতে গোপন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি ইরানি বাহিনীকে বিভ্রান্ত করতে ডিসেপশন ক্যাম্পেনও চালানো হয়। তাঁর লুকিয়ে থাকার জায়গার কাছে ইরানের আইআরজিসি বাহিনীর উপরে মার্কিন বিমানবাহিনী হামলা চালায়। এর পরেই শুরু হয় চূড়ান্ত উদ্ধার অভিযান।
শেষ পর্যন্ত প্রায় ৫০ ঘণ্টা পরে ব্রাভোর কাছে পৌঁছায় মার্কিন উদ্ধারকারী দল। সেই মুহূর্তটিকে নিজের জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। বাড়ি ফেরার পরে স্ত্রীকে ফোন করে নিজের বেঁচে থাকার খবর জানান ব্রাভো। তাঁর মতে, এই ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত বেঁচে ফেরার গল্প নয়—এর মধ্যে রয়েছে প্রশিক্ষণ, সহযোদ্ধাদের আস্থা, নেতৃত্ব এবং ‘কাউকে পিছনে না ফেলে আসার’ মার্কিন সামরিক প্রতিশ্রুতির উদাহরণ। এত চোট-আঘাত, যন্ত্রণা সত্ত্বেও মনের জোর হারাননি তিনি। উদ্ধারকারী দল যখন তাঁর কাছে পৌঁছায়, ব্রাভো মুখ ফুটে একটি কথাই বলেছিলেন— ‘চলো যাওয়া যাক।’ মার্কিন সেনার এই অভিযান ও তাঁর বেঁচে ফেরা দুটোকেই শুরু একটা কথাতেই ব্যাখ্যা করছেন বিশেষজ্ঞরা— ‘মিরাকল।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোণায় মোটর সাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দেয়ালে ধাক্কা লেগে এক মোটর সাইকেল চালক নিহত হয়েছেন।
মর্মান্তিক এ ঘটনাটি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে নেত্রকোণা-কেন্দুয়া সড়কের সদর উপজেলার মদনপুর এলাকায় ঘটেছে।
নিহত ফারুক আহমেদ ভূঁইয়া, যিনি কেন্দুয়া পৌরসভার চন্দ্রগাতী গ্রামের মৃত জমুর উদ্দিন ভুঁইয়ার সন্তান।
নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের জানিয়েছেন, সকালে ফারুক আহমেদ নিজ বাড়ি থেকে নেত্রকোণা সদরে আসার পথে মদনপুর বাজারের দক্ষিণ পার্শ্বে মোবাইল টাওয়ার মোড়ে বাইকের গতি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাকা দেয়ালের সাথে ধাক্কা লাগে। এ সময় স্থানীয়রা তাকে মারাত্মক আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরো জানান, নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের লালপুর-বাগাতিপাড়া নির্বাচনী এলাকায় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল দিনব্যাপী বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করার কাজ করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের মধ্যে সরকারি সহায়তার চেক বিতরণ করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণও বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বয়স্ক, বিধবা ও অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল মন্তব্য করেন, "আর কোনো মা-বাবা তাদের ন্যায্য হক থেকে বঞ্চিত হবেন না।" তিনি আরও বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
এরপর প্রতিমন্ত্রী বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে তিনি আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক একটি সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং স্থানীয় বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
দিনব্যাপী এসব কর্মসূচিতে বাগাতিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামসুল ইসলাম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র দাসসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফরিদপুরের দুই বোনকে ভারতে পাচার করে অসামাজিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগে মো. শহীদ শেখ (৫০) নামের এক ব্যক্তি আদালতের মাধ্যমে দুই ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড পেয়েছেন। আদালত একই সঙ্গে তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করার নির্দেশও দিয়েছে।
ফরিদপুরের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত শহীদ শেখ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গজারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুসারে, ২০১১ সালের ২৯ জুলাই ফরিদপুরের একটি জুট মিলে কর্মরত ২০ ও ১৮ বছর বয়সী দুই বোনকে ভালো চাকরির প্রলোভন দিয়ে ভারতে পাচার করেন শহীদ শেখ, যিনি তাদের সহকর্মী ছিলেন। পরে সেখানে তাদের অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয়।
এ ঘটনায় ওই বছরই ১৩ আগস্ট তরুণীদের বাবা বাদী হয়ে শহীদ শেখ ও তার স্ত্রীকে আসামি করে সালথা থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় দেন। তবে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় শহীদ শেখের স্ত্রীকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কলকাতায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভালে বাংলাদেশের দুটি চলচ্চিত্র পুরস্কৃত হয়েছে। ‘জয়া আর শারমিন’ নামক চলচ্চিত্রটি, যা পরিচালনা করেছেন পিপলু আর খান, সেরা পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের ‘বিমল রায় গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। একই উৎসবে মকবুল চৌধুরী পরিচালিত প্রামাণ্যচিত্র ‘মামুন : ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’ পেয়েছে বিচারকদের বিশেষ স্বীকৃতি ‘জুরি মেনশন’ হিসেবে।
এবারের উৎসবটি ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব ইন্ডিয়ার (এফএফএসআই) পূর্বাঞ্চল শাখার আয়োজনে কলকাতার নন্দন-৩ প্রেক্ষাগৃহে ৮ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
‘জয়া আর শারমিন’-এর প্রযোজক আবু শাহেদ ইমন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই স্বীকৃতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি উৎসবে চলচ্চিত্র সমালোচক, নির্মাতা ও দর্শকদের উষ্ণ সাড়ার কথাও উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, "এই পুরস্কার ছবির শিল্পী ও কলাকুশলীদের জন্য যেমন উৎসাহের, তেমনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।"
জানা গেছে, ছয় দিনের এই উৎসবে মোট ৩৮টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রতিযোগিতা বিভাগে ১৯টি ছবি অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, ইরান, স্পেন, জার্মানি, কোস্টারিকা, পর্তুগাল, ব্রাজিল, ভেনেজুয়েলা ও উজবেকিস্তানের চলচ্চিত্রগুলো উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে।
বিচারক প্যানেলে ছিলেন অধ্যাপক উজ্জ্বল চক্রবর্তী, রীতা দত্ত ও প্রদীপ কেনচানুরু।
পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে দ্বিতীয় সেরা ছবির ‘বিমল রায় সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে ভারতের অসমিয়া ভাষার চলচ্চিত্র ‘রিভার টেলস’, পরিচালনা করেছেন পঙ্কজ বরা। একই বিভাগে জুরি মেনশন পেয়েছে শ্রীলঙ্কার চলচ্চিত্র ‘প্যানট্রাম’, যা পরিচালনা করেছেন নাদিয়ে ওয়াসালামুদালিআরাচ্চি।
প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে সেরা ছবির ‘হরিসাধন দাশগুপ্ত গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে রণজিৎ রায় পরিচালিত ‘ডলস ডোন্ট ডাই: পুতুলনামা’। দ্বিতীয় সেরা প্রামাণ্যচিত্রের ‘হরিসাধন দাশগুপ্ত সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছে দীপ ভূঞা পরিচালিত ‘রিভার স্টিল ফ্লোজ’।
অন্যদিকে স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র বিভাগে সেরা ছবির ‘চিদানন্দ দাশগুপ্ত গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে ড. ধৃতিশ্রী সরকার পরিচালিত ‘দ্য টেল অব কথা’। একই বিভাগে দ্বিতীয় সেরা ছবির ‘চিদানন্দ দাশগুপ্ত সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে মোহাম্মদ সাজাদ মোতাহারিজাদেহ পরিচালিত ইরানি চলচ্চিত্র ‘সাডেনলি রাইজ’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ