০৬:৫৬ এম
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মহিপুর তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে সেতুর পাশাপাশি রংপুর-কাকিনা সড়ক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যা থেকে তিস্তায় পানি বৃদ্ধির কারণে সেতুটির উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের রক্ষা বাঁধে ধস নামে। রাত ১০টা পর্যন্ত ৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে। এর ফলে সেখানে প্রায় ৬০ ফুট গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থার কারণে মহিপুর সেতু ও কাকিনাগামী সড়কের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, গত বছর বাঁধটির প্রায় ১০০ ফুট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছিল। তখন এলজিইডি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁধের উজানে বাঁশের পাইলিং করে এটি রক্ষার চেষ্টা করেছিল। তবে পরবর্তী সময়ে টেকসই কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। যার ফলে এবার পানির তীব্র স্রোতে সেই পাইলিং ভেঙে পড়েছে।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে সাঁওতাল শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষাদান দেখে মুগ্ধ নরওয়ের প্রতিনিধি দল
এ বিষয়ে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হাদী বলেন, ‘গত বছর ভাঙনের সময় আমি এলজিইডিকে ব্লক দিয়ে বাঁধটিকে টেকসই করার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তারা শোনেননি। ১৪ লাখ টাকা খরচ করে বাঁশের পাইলিং করা হয়েছিল। এবার সেটিও ভেসে গেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সেতুর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে। সরকারি অর্থ অপচয়ের জন্য এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।’
গঙ্গাচড়া উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুর রহমান জানান, ‘গত বছর ঢাকা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শে পাইলিং করা হয়েছিল। নতুন করে ভাঙনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এছাড়া গংগাচড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইইউ) জেসমিন আক্তার বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে গুলি করে হত্যা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন