ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজশাহীতে সাঁওতাল শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষাদান দেখে মুগ্ধ নরওয়ের প্রতিনিধি দল


রাজশাহীতে সাঁওতাল শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষাদান দেখে মুগ্ধ নরওয়ের প্রতিনিধি দল

রাজশাহীতে আদিবাসী সাঁওতাল শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষাদান পদ্ধতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পরিদর্শন করে নরওয়ে থেকে আসা উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল অভিভূত হয়েছেন। এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নরওয়ের ক্রিস্টিয়ানস্যান্ড মিউনিসিপ্যালিটির ডেপুটি মেয়র সেলথ বেকবান ও ডাগ ভিগে, এবং এতে ৬ সদস্য রয়েছেন। বর্তমানে তারা রাজশাহী সফর করছেন।

স্ট্রোমি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং রাজশাহী ক্রিস্টিয়ানস্যান্ড ফ্রেন্ডশিপ কমিটির যৌথ উদ্যোগে এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে। সফরের অংশ হিসেবে বুধবার (২৮ অক্টোবর) তারা পরিবেশ ও সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থা ‘ন্যাশনাল এজেন্সি ফর গ্রিন রিভ্যূলেশন’ এর বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

প্রতিনিধি দলটি এদিন সকালে রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার শিমলা দীঘিপাড়া বহুভাষিক শিক্ষা স্কুলে পৌঁছালে সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গ্রামের সাঁওতাল জনগোষ্ঠী ও শিক্ষার্থীরা ঐতিহ্যবাহী সাঁওতাল নাচ ও গানের মাধ্যমে বিদেশি অতিথিদের স্বাগত জানান। সাঁওতাল রীতি অনুযায়ী অতিথিদের পা ধুইয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

বরণ পর্ব শেষে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আদিবাসী ছেলে-মেয়েদের মাতৃভাষায় শিক্ষা গ্রহণের পদ্ধতি সরাসরি শ্রেণিকক্ষে বসে পর্যবেক্ষণ করেন। তারা প্রতিটি শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলেন এবং তাদের পড়াশোনার খোঁজখবর নেন। একটি প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠীর শিশুদের জন্য এমন ব্যতিক্রমী ও কার্যকরী শিক্ষাদানের ব্যবস্থা দেখে অতিথিরা অত্যন্ত আনন্দিত ও মুগ্ধ হন।

পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা মন্তব্য করেন, "একটি জাতির সবচেয়ে বড় পরিচয় ও সম্পদ হলো তার ভাষা। মুখের ভাষা যদি হারিয়ে যায়, তবে সেই জাতিও একদিন পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাবে।" সাঁওতাল শিশুরা যে তাদের নিজের ভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করতে পারছে, তা সত্যি প্রশংসনীয় এবং এটি তাদের সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে অনন্য ভূমিকা রাখবে। পরিদর্শন শেষে অতিথিরা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গ্রুপ ছবিতে অংশ নেন।

এনএজিআর-এর নির্বাহী পরিচালক জনাব স্টেফান সরেন এই পরিদর্শনের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "আমাদের নিজস্ব ভাষায় পরিচালিত এই ব্যতিক্রমী স্কুলটি পেয়ে স্থানীয় সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর মানুষ অত্যন্ত খুশি ও কৃতজ্ঞ।" এনএজিআর দ্বারা পরিচালিত ব্যতিক্রম বহুভাষিক শিক্ষা স্কুল ২০ পরিচালনা করছে। মেননাইট সেন্ট্রাল কমিটির অর্থায়নে ১৫টি এমএলই স্কুল ও ষ্ট্রমে ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং খ্রিষ্টিয়ানসেন্ড রাজশাহী ফ্রেন্ডশীপ কমিটি দ্বারা মোট পাঁচটি এমএলই স্কুল পরিচালনা করছে।

আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মা নদীর চরের দখল নিয়ে কাকন ও কালু বাহিনীর মধ্যে চার ঘণ্টা গোলাগুলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


পদ্মা নদীর চরের দখল নিয়ে কাকন ও কালু বাহিনীর মধ্যে চার ঘণ্টা গোলাগুলি

কুষ্টিয়া ও পাবনা সীমান্তের সংলগ্ন পদ্মা নদীতে বালুচরের দখল এবং আধিপত্য বিস্তারের কারণে দুটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা চার ঘণ্টা ধরে কাকন ও কালু বাহিনীর মধ্যে এই সংঘর্ষ চলেছে। দুই পক্ষের মধ্যে অন্তত দেড় শতাধিক রাউন্ড গুলি বিনিময়ের খবর পাওয়া গেলেও পুলিশ এখনও কোনো হতাহতের নিশ্চিত তথ্য জানাতে সক্ষম হয়নি।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার অন্তর্গত পদ্মা নদীর ডিগ্রির চর এলাকার কলাবাগান কালু বাহিনীর দখলে ছিল। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে কুষ্টিয়া অংশের পদ্মা-গড়াই মোহনা থেকে কাকন বাহিনীর সদস্যরা একটি ট্রলারে করে এসে ডিগ্রির চর লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলিবর্ষণ শুরু করে। চরের দখল নিতে মরিয়া কাকন বাহিনীর হামলার প্রতিক্রিয়ায় কালু বাহিনীর সদস্যরাও প্রতিরোধ গড়ে তুললে উভয় পক্ষের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ শুরু হয়। স্থানীয় নৌকার মাঝিরা জানান, বিকেল ৪টার দিকে কাকন বাহিনীর বহরে অস্ত্র ও লোকজনসহ আরও দুটি ট্রলার যোগ হলে গোলাগুলির মাত্রা বৃদ্ধি পায়। সংঘর্ষ চলাকালে চরের মাঠে ৩০ থেকে ৩৫ জন কৃষক কাজ করছিলেন। গুলির শব্দে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের মহানগর ট্যাগ এলাকাসহ আশপাশের জনপদে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আকস্মিক এই গোলাগুলির সময় পদ্মা নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় সদর উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে একটি অভিযান চলছিল। ওই অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা আক্তার জানান, নৌকায় ওঠার পরপরই তাঁরা একাধিক গুলির শব্দ শুনতে পান। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়ে নিরাপত্তাসহ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় নদীতে তিন থেকে চারটি স্পিডবোটকে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চলাচল করতে দেখা যায়। এদিকে, বুধবার সকাল থেকে এই গোলাগুলির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলের দিকে অগ্রসর হন। ঈশ্বরদীর লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শরিফুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে গুলির শব্দ বন্ধ হওয়ার পর সেখানে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

এ বিষয়ে রাজশাহী নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে গোলাগুলির খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম এবং পুলিশের জনবলও বেশ সীমিত। লক্ষ্মীকুণ্ডা পুলিশ ফাঁড়ির মাত্র ১১ জন সদস্যের মধ্যে চারজন মৎস্য অভিযানে নিয়োজিত ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং চরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টাকে প্রতিহত করতে খুব শিগগিরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য ইউনিটের সমন্বয়ে বড় পরিসরে অভিযান চালানো হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, খোলপেটুয়া নদীর বাঁধে ৩০০ ফুট ভাঙন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, খোলপেটুয়া নদীর বাঁধে ৩০০ ফুট ভাঙন

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বন্যাতলায় খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে প্রায় ৩০০ ফুট এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে শুরু হওয়া এই ভাঙনে নদীর দিকে একটি বড় অংশ বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন ক্রমেই মূল বেড়িবাঁধের দিকে অগ্রসর হওয়ার কারণে বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ রক্ষার কাজে নেমেছেন। জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেড়িবাঁধের বাইরে ওয়াপদা সড়কসংলগ্ন প্রায় ১০০ ফুট চরের মতো অংশ ছিল। ঝড়ের পর ওই অংশে ভাঙন শুরু হয়। পরে তা ছড়িয়ে প্রায় ৩০০ ফুট এলাকাজুড়ে বিস্তৃত হয়। এতে চরের প্রায় ১০০ ফুট অংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। মূল ওয়াপদা সড়কের প্রায় ৩০ ফুট ঢালও ভেঙে নদীতে চলে গেছে। বর্তমানে ভাঙন মূল সড়কের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

ভাঙনের খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতাপনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদের মাইকে স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ রক্ষার কাজে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। পরে পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রিয়াছাদ আলীসহ আশপাশের এলাকার পাঁচ শতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

বর্তমানে ভাঙনস্থলে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে। পাশেই অন্য কাজের জন্য আগে থেকে প্রস্তুত রাখা জিও ব্যাগ স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে এবং অর্থের বিনিময়ে শ্রমিক নিয়োগ করে ভাঙনস্থলে ফেলা হচ্ছে। তবে ভাঙনের গতি ও বিস্তৃতি নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না স্থানীয়দের।

স্থানীয় এনজিওকর্মী মাওলানা জাহিদুল ইসলাম বলেন, বেড়িবাঁধের ভেতরের পাশে থাকা লেকটি ভাঙনের অন্যতম কারণ। ভাঙন দিয়ে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করলে তালতলা বাজার, কুড়িকাহুনিয়া, প্রতাপনগর ফাজিল মাদ্রাসা, আল-আমিন মহিলা মাদ্রাসা, বন্যাতলা, বন্যাতলা স্কুল ও দরগাতলার আইটিসহ প্রতাপনগর এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হতে পারে।

মাওলানা রিয়াছাদ আলী বলেন, সম্প্রতি কুড়িকাহুনিয়ায় দেখা দেওয়া ভাঙনের তুলনায় বন্যাতলার ভাঙনের পরিধি প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। এখানেও ভাঙনের গতি অনেক বেশি। তবে ভাঙনস্থলের ৪০০ ফুটের মধ্যে কয়েক হাজার জিও ব্যাগ প্রস্তুত থাকায় প্রতিরোধকাজে কিছুটা সুবিধা হচ্ছে। কুড়িকাহুনিয়ার মতো এখানেও বেড়িবাঁধের ভেতর দিয়ে সমান্তরালভাবে একটি গভীর লেক রয়েছে বলে জানান তিনি।

পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাতক্ষীরা বিভাগ-২-এর অধীন ৭/২ নম্বর পোল্ডারে আকস্মিক এ ভাঙনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা। তবে কর্মকর্তারা পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী বাঁধ রক্ষার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আপাতত কিছু প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে খোলপেটুয়া নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। তাই ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগে প্রশ্রয় দিত আ.লীগ, এখন দিচ্ছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ পি.এম


আগে প্রশ্রয় দিত আ.লীগ, এখন দিচ্ছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মাদক নিয়ন্ত্রণ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ব্যর্থতা নিয়ে বিএনপি সরকারের সমালোচনা করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, "আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মাদককারবারিদের প্রশ্রয় দিতেন, এখন বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ঠিক একই ধরনের অভিযোগ উঠছে।" এ পরিস্থিতিতে পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে অক্ষম হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজ এলাকা সম্পর্কেও মাদক নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পৌর মিলনায়তনে এনসিপির রাজবাড়ী জেলা শাখার আয়োজনে সাংগঠনিক অগ্রগতি পর্যালোচনা ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনকেন্দ্রিক পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "বর্তমান বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।"

এছাড়া ব্যাংকিং খাতে উল্লেখযোগ্য সংস্কার না হওয়া এবং ব্যাংক ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা কমে যাওয়ার বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, "বিএনপির ছত্রছায়ায় সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।"

মতবিনিময় সভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির সাংগঠনিক অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে করণীয় নির্ধারণের বিষয়েও আলোচনা হয়।

এ সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সারজিস আলম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, আবীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুর রহমান অপু এবং সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইয়েদ জামিল।

এ সময় ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামলা হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বিপর্যয়ের আশঙ্কা: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ পি.এম


হামলা হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বিপর্যয়ের আশঙ্কা: ইরান

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরায়েলের যে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ বা হামলা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে এক ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। সম্প্রতি মস্কোয় অনুষ্ঠিত গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোটের (জিইসিএফ) সম্মেলনের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

আব্বাস আরাঘচি উল্লেখ করেন, পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা শুধু এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য নয়, বরং বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহকারী এবং ভোক্তা উভয়ের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি এই অঞ্চলে সামরিক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের ওপর।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং ইরানে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে কোনো ধরনের সামরিক হামলা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “যেকোনো কিছুই ঘটা সম্ভব।”

অন্যদিকে, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত নিজেদের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো পুনরায় সচল বা মেরামত করার চেষ্টা করছে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)। সংস্থাটির প্রধান রাফায়েল গ্রোসি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন যে, হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ওই পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণের কোনো পদক্ষেপের ইঙ্গিত আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থাটির নজরে আসেনি।

এদিকে ইয়েমেনের হুথি সমর্থিত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম দেশটির মোচা বন্দর এলাকা এবং আম রান প্রদেশের হারফ সুফিয়ান জেলায় বেশ কয়েকটি বিমান হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। তবে এই বিমান হামলা কারা চালিয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত নিশ্চিত করা হয়নি। সূত্র: আল আরাবিয়া, তাসনিম নিউজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%