ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাজেটে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে ১৮,১১৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব


বাজেটে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে ১৮,১১৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১৮ হাজার ১১৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রস্তাবিত এই বাজেটটি উপস্থাপন করেন।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ ছিল ১২ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। ওই অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে বরাদ্দ ছিল ১২ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তিগুলো বৈশ্বিক অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এবারের বাজেটে অটোমেশন ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে উদ্ভূত সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ অনুযায়ী, বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য সাধনের জন্য এসটিইএম (সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাথেমেটিক্স) শিক্ষাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া এবং গবেষণাকে সরাসরি বিশ্ব বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আমরা প্রচলিত গবেষণার গণ্ডি পেরিয়ে রিসার্চ টু মার্কেট (আর টু এম) এবং ইনোভেট টু মার্কেট (১২এম) কৌশল গ্রহণ করেছি। এর মাধ্যমে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি বা পণ্যগুলোকে সরাসরি বাণিজ্যিকীকরণে সহায়তা করার ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়াও মহাকাশ গবেষণা, সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি এবং ভূমিকম্প ও সিসমোগ্রাফি গবেষণায় নিজেদের অবস্থান তৈরিতে নতুনভাবে উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর তাগিদ বিজিএমইএর উপদেষ্টার

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পরমাণু চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের একটি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটসহ ২২টি পরমাণু চিকিৎসা ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে সাধারণ এবং পরমাণু চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে অনলাইন নেটওয়ার্কিংভিত্তিক একটি ‘সমন্বিত নিউক্লিয়ার মেডিসিন তথ্য ব্যবস্থা’ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সমুদ্র উপকূলীয় ও নদীবিধৌত দ্বীপ এলাকাগুলোতে বিরল খনিজ অনুসন্ধানে ভূতাত্ত্বিক গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সেন্টমার্টিনে প্রবাল পুনরুদ্ধার এবং উপকূলীয় অগভীর সমুদ্রে বায়ুপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে অফশোর উইন্ড এনার্জির ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘নজরুলের আদর্শ নতুন প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে সরকার নানা কর্মসূচি নিচ্ছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


‘নজরুলের আদর্শ নতুন প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে সরকার নানা কর্মসূচি নিচ্ছে’

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম শুধুমাত্র একজন কবি নন, তিনি আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, সাম্য, মানবতা ও দ্রোহের প্রতীক। নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত আজও মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সাহস জোগায়। এর পাশাপাশি, নজরুলের আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় মাগুরা জেলা অডিটোরিয়ামে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং আশা করি তার আদর্শ ধারণ করে একটি মানবিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানাই।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমি মাগুরার সভাপতি মোতাকাবীর আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) মো. লতিফুল ইসলাম শিবলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন (পিপিএম-সেবা) এবং মাগুরার সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. আলফাজ উদ্দীন প্রমুখ।

আয়োজকরা জানান, জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার পাশাপাশি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে অংশগ্রহণ করেন জেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী, সাহিত্যিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষিত বেকারদের জন্য ‘কেয়ার গিভার’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, কর্মসংস্থানে নতুন উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


শিক্ষিত বেকারদের জন্য ‘কেয়ার গিভার’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, কর্মসংস্থানে নতুন উদ্যোগ

দেশের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতিদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৪ মাস মেয়াদি ‘জেনারেল কেয়ার গিভার’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় ও বৈদেশিক চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হবে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য দেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করেন।

অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, উন্নত বিশ্বের বহু দেশে কেয়ার গিভারের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদি এ খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা সম্ভব হয়, তবে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে, এবং পাশাপাশি প্রবাসী আয় অর্জনের নতুন পথ উন্মোচিত হবে। দেশে কেয়ার গিভারের চাহিদাও বেড়েই চলেছে। তাই কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৪ মাস মেয়াদি ‘জেনারেল কেয়ার গিভার’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টরে কর্মরত ৬০ হাজার সেবা প্রদানকারীকে প্রশিক্ষিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, একটি শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি হলো উচ্চমানের নার্সিং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ। নার্সিং শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে সরকার বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে।

নার্সিং শিক্ষকদের আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য কানাডা সরকারের সহযোগিতায় একটি বিশেষায়িত নার্স শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি খাতে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণের জন্য সরকারি ২৫টি নার্সিং কলেজে ২ বছর মেয়াদি এমএসসি ইন নার্সিং কোর্স চালু করা হয়েছে এবং আরও আটটি সরকারি নার্সিং কলেজে এ কোর্সের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি চারটি নার্সিং কলেজে ৪ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন নার্সিং কোর্সও চালু করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার পর্যায়ক্রমে নার্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, আধুনিক ল্যাব ও সিমুলেশন সুবিধা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থা চালু করার মাধ্যমে বাংলাদেশের নার্সিং শিক্ষাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিসান ইস্যুতে জামায়াত-শিবিরের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক, ‘ভিক্টিম কার্ড’ ব্যবহারের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


জিসান ইস্যুতে জামায়াত-শিবিরের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক, ‘ভিক্টিম কার্ড’ ব্যবহারের অভিযোগ

বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে জামায়াত-শিবির ধর্ষক জিসানের মতো সবসময় ভিক্টিম কার্ড খেলার চেষ্টা করে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্ট এক কেন্দ্রীয় নেতাকে ঘিরে ঘটে যাওয়া বিতর্কের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংগঠনটি ‘গুমের নাটক’ সাজানোর চেষ্টা করছে এবং এটিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করতে চায়।

শনিবার (১৩ জুন) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এসব কথাগুলি উল্লেখ করেন।

রাশেদ খান বলেন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান এক বিধবা নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। এছাড়া, পরবর্তীতে ওই নারীকে ভ্রুণ নষ্ট করতে বাধ্য করা হয়েছে। এরপর, তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পর, জিসান আত্মগোপনে গিয়ে গুমের নাটক সাজিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘এরপর সরকারকে দোষারোপ করে শিবির মিছিল করেছে। তারা বলেছে, সরকার নাকি গুমের সংস্কৃতিতে ফিরে গিয়েছে।’

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যেরও তিনি সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেছেন, ‘সবচেয়ে অবাক লেগেছে, বিরোধীদলীয় নেতা ডাক্তার শফিকুর রহমানের বিবৃতি। তিনি দাবি করেছেন শিবির নেতা ধর্ষক জিসানকে নাকি অপহৃত করা হয়েছে।’

গুম একটি গুরুতর অপরাধ উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, ‘গুম বড় ধরনের অপরাধ। কিন্তু গুমের নাটক করাও বড় ধরনের অপরাধ। সুতরাং, এই শিবির নেতার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।’

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে জামায়াত-শিবির আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করছে। তার ভাষায়, ‘বর্তমানে জামায়াত-শিবির ঠিক আওয়ামী লীগের মত জালিম হয়ে উঠছে, কিন্তু তারা ধর্ষক জিসানের মত সবসময় ভিকটিম কার্ড খেলার চেষ্টা করে।’

রাশেদ খান বলেন, জামায়াত-শিবির এখন আর আওয়ামী লীগের বিচার চায় না, কারণ তারা নিজেরাই আওয়ামী লীগের চরিত্র ধারণ করেছে বলে তিনি মনে করেন।

ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে তিনি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেন, ‘এই বাংলাদেশে যারা আওয়ামী লীগের মত জালিম হতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধেও জনগণ কঠোর হিসেবেই অবতীর্ণ হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অলিগার্কদের ধ্বংস করা বিএনপি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


অলিগার্কদের ধ্বংস করা বিএনপি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য: মির্জা ফখরুল

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক সম্মেলনে বক্তব্য রেখেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি আশাবাদী যে, বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, স্থিতিশীল ও শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে হবে। যেখানে প্রত্যেক নাগরিকের সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অধিকার ভোগ করতে পারবে, এমন আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মন্ত্রী বলেন, নতুন সম্ভাবনার দ্বারের উন্মোচনে সরকার যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে। অর্থনীতিতে সাম্য ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করাই এবং অলিগার্কদের ধ্বংস করার বিষয়টি বিএনপি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

আজকের সম্মেলনটি রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে আয়োজন করেছে, যেখানে তিনি অংশগ্রহণ করেন।

মন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি আজ এখানে কোনো প্যানেল আলোচক হিসেবে আসিনি; বরং আমাদের মূল লক্ষ্য অর্জনে সরকারের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার তুলে ধরতেই এসেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই সেশনের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ঝুঁকি মোকাবিলা, স্থিতিস্থাপকতাকে কাজে লাগানো এবং নতুন উদ্যম ও সঠিক দিকনির্দেশনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। আমি বিশ্বাস করি, এটি আমাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের মানসিকতাকেই ধারণ করে।’

মির্জা ফখরুল শ্রExplicitভাবে উল্লেখ করেন যে, এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, সরকার নতুন সম্ভাবনার জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত।

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার মাত্র ১০০ দিনের কিছু বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করছে। তবে আমাদের লক্ষ্য ও আকাক্সক্ষা অত্যন্ত সুদৃঢ়। আমরা বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, স্থিতিশীল ও শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে চাই, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অধিকার ভোগ করবে।’

এর আগে সকালে যুবদলের নবগঠিত কমিটির সদস্যদের নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘অর্থনীতির সাম্য-ন্যায্যতা নিশ্চিত ও অলিগার্কদের ধ্বংস করাই সরকারের লক্ষ্য।’

এসময় তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ‘তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ তরুণদের হাতে দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমেই সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে চাইছে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%