০৪:১০ পি.এম
২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের সব শ্রেণির মানুষকে বাজেট পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এবারের বাজেটকে তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বা ইনক্লুসিভ বাজেট হিসেবে উল্লেখ করেন।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই বাজেট প্রণয়নে যে পরিমাণ শ্রম দিতে হয়েছে, সেই পরিমাণ শ্রম আমরা দিয়েছি। কতটা সফল হয়েছি, সেই বিষয়টি দেশের মানুষই মূল্যায়ন করবে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপট ছিল কিছুটা ভিন্ন। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে এবং নতুন সরকারের অধীনে এই বাজেট প্রণয়ন করতে হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরে বর্তমান সরকার একটি নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। জনগণের এই সরকারের প্রতি প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি। তবে তিনি জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশের প্রতিটি মানুষকে বাজেট চিন্তায় আনার চেষ্টা করেছি।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ
তিনি এই বাজেটের আওতার বাইরে কোনও মানুষ নেই বলেই মনে করেন। এছাড়া, তিনি আরও বলেন, অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং যারা অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বাইরে ছিলেন, তাদেরও বাজেটের আওতায় আনার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, এবারের বাজেটে একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ প্রদান করা হয়েছে, যার ভিত্তিতে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, এই পরিকল্পনার দৃষ্টিভঙ্গি কিছুটা ভিন্ন। সবশেষে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো জবাবদিহি নিশ্চিত করা, এবং সরকার সেই নীতিতেই অগ্রসর হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন