ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাঁড়াশি অভিযানে কুড়িগ্রামে উন্মোচিত গাঁজা চাষ, গাঁজা গাছ উদ্ধার : গ্রেফতার চাষি


সাঁড়াশি অভিযানে কুড়িগ্রামে উন্মোচিত গাঁজা চাষ, গাঁজা গাছ উদ্ধার : গ্রেফতার চাষি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে পুলিশ ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত গাঁজার মধ্যে রয়েছে কয়েকটি গাঁজা গাছ এবং এ ঘটনায় একজন গাঁজা চাষিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের সদস্যরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন। এই অভিযানের মাধ্যমে এসব মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের দফাদার মোড় সংলগ্ন একটি সরু সেতুর ওপর অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশি চলাকালীন ভূরুঙ্গামারী বাজারগামী একটি অটোরিকশায় ধানের ভূষির বস্তার ভেতর থেকে প্রায় ৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক পরিবহনকারী ব্যক্তি চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাফিয়ে পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত গাঁজা পরিত্যক্ত আলামত হিসেবে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) মূলে আদালতে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে মালিকানা শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

আরও পড়ুন: চরফ্যাশনে লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ

একই দিনে দুপুর ১২টার দিকে চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা এলাকায় অভিযানের মাধ্যমে ফজর আলী শুক্কুর (৫৫) এর বসতবাড়ির উঠান থেকে দুটি পরিপক্ব গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর পুলিশ ফজর আলী শুক্কুরকে গাঁজা চাষের অভিযোগে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

এছাড়া, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনাহাট পুরাতন রেলসেতু এবং নবনির্মিত সড়কসেতুর মধ্যবর্তী নদীর তীর থেকে মালিকানাবিহীন আরও দুটি গাঁজা গাছ জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানান, এ বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, মাদক কারবারিরা যেখানেই বা যে কৌশলেই মাদক ব্যবসা পরিচালনা করুক না কেন, পুলিশ তা উদঘাটনে সক্ষম। তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই মাদকমুক্ত ভূরুঙ্গামারী গড়ে তোলা সম্ভব।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে চা বাগানের শ্রমিকদের মজুরি দাবিতে কর্মবিরতি, সচিবালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিগপাইত উপ-শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে জনজীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুবাশশির আলম রাহুল, জামালপুর প্রতিনিধি

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


দিগপাইত উপ-শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে জনজীবন

অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অভাবে জামালপুর সদর উপজেলার দিগপাইত উপ-শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সমস্যায় স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী এবং মহাসড়ক ব্যবহারকারী হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জোর দাবী জানিয়েছেন দ্রুত একটি পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ করে স্থায়ী সমাধানের জন্য।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই দিগপাইত এলাকার প্রধান সড়কসহ আশপাশের রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারণে বৃষ্টির পানি দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকে। এর ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন নাগরিক খোকা মিয়া মন্তব্য করেন, “সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তা পানিতে ডুবে যায়। ময়লা পানির দুর্গন্ধ দূরে থাকার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাত্রা এই দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে হয়ে থাকে। ড্রেনের অভাবে অনেক দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে ক্ষতিগ্রস্থ হতে হচ্ছে। আমরা দ্রুত একটি পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের আবেদন জানাচ্ছি।”

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ দিগপাইত উপ-শহর। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন পেশার মানুষ এবং বাজারগামী ক্রেতা-বিক্রেতাসহ প্রায় হাজারো মানুষ চলাচল করে। এছাড়া প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার ছোট-বড় যানবাহন এই মহাসড়ক ব্যবহার করছে।

রাস্তায় পানি জমে থাকার কারণে যানবাহনগুলোর দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং নারী যাত্রীগণের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি।

স্থানীয়দের অভিযোগ পরিলক্ষিত করা যাচ্ছে যে, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়েনি। তারা দ্রুত একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ করে দিগপাইত উপ-শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের জরুরি বিজ্ঞপ্তি কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বকশীগঞ্জে পরিদর্শনের পরদিনই পানি নিষ্কাশনে মাঠে শাকিল তালুকদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো নিয়াজ মোরশেদ জামালপুর(বকশীগঞ্জ) প্রতিনিধি

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ পি.এম


বকশীগঞ্জে পরিদর্শনের পরদিনই পানি নিষ্কাশনে মাঠে শাকিল তালুকদার

জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার মালিরচর নয়াপাড়া, হাজিপাড়া, মৌলভীপাড়া, পশ্চিম নামাপাড়া ও মালিরচর এলাকায় স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রায় ৫ হাজার একর কৃষিজমি দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধ হয়ে রয়েছে। এতে ফসল আবাদ ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই পানি জমে থাকার কারণে কৃষিকাজ বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি, যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনে এলাকাবাসীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে, গত শনিবার বকশীগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র পদপ্রার্থী সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল জলাবদ্ধ এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই, রোববার তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ পরিষ্কার ও কচুরিপানা অপসারণের কাজ শুরু করেন। এ সময়, তিনি নিজেও পানিতে নেমে কার্যক্রমে অংশ নেন।

স্থানীয় বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার আলী জানান, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার কারণে তাঁরা চরম দুর্ভোগে ছিলেন। কিন্তু এখন পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু হওয়ায় তাঁদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। দ্রুত স্থায়ী সমাধান হলে কৃষিজমিতে আবারও চাষাবাদ শুরু করা সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল মন্তব্য করে বলেন, "কৃষকদের দুর্ভোগের কথা জেনে আমি সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করেছি। আপাতত জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে কওমি মাদ্রাসায় বেত্রাঘাত নিষিদ্ধের হুঁশিয়ারি বোর্ড সভাপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শিবচর(মাদারীপুর)প্রতিনিধি মোঃআসাদুজ্জামান

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


মাদারীপুরে কওমি মাদ্রাসায় বেত্রাঘাত নিষিদ্ধের হুঁশিয়ারি বোর্ড সভাপতির

মাদারীপুর জেলা কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি এবং বাহাদুরপুরের পীর সাহেব মাওলানা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো ধরনের শারীরিক নির্যাতন এবং যৌন হয়রানি সহ্য করা হবে না।

তিনি রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে বাহাদুরপুরের মাদানী মিলনায়তনে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া মাদারীপুরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন। সভায় জেলার ১৭০টি কওমি মাদ্রাসার মুহতামিম ও তাঁদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মাওলানা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান উল্লেখ করে বলেন, কওমি মাদ্রাসায় কোনো ছাত্রকে বেত্রাঘাত করা যাবে না। যদি কোনো শিক্ষার্থী পড়াশোনায় মনোযোগী না হয়, তবে তাকে বুঝিয়ে শোধরানোর চেষ্টা করতে হবে। যদি সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে অভিভাবকের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। শিক্ষা প্রদানের নামে কোনো ধরনের শারীরিক শাস্তি মেনে নেওয়া হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করে জানান।

তিনি আরও জানান, কিছু কিছু মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের কোনো ঘটনা নজরে আসলে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শুধু চাকরিচ্যুতই করা হবে না, বরং কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, আলেম সমাজের একাংশ মাদ্রাসায় কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলে যাচাই-বাছাই ছাড়াই তা বাড়িয়ে প্রচার করে, কখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় আবার কখনো স্থানীয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা নিয়ে মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুণ্ন করছেন, যা দুঃখজনক।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাবও দেন। তারা মাদ্রাসাগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানো, রাতের নিরাপত্তায় নাইট গার্ড নিয়োগ এবং শিক্ষকদের সপরিবারে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে থাকার ব্যবস্থা করার কথা উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী হাউসবোটে নিষেধাজ্ঞা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী হাউসবোটে নিষেধাজ্ঞা জারি

সুনামগঞ্জের বিখ্যাত টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষিত টাঙ্গুয়ার হাওরের সীমানার অভ্যন্তরে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের হাউসবোট ও পর্যটকবাহী নৌযান প্রবেশ ও চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়াও, হাওরে চলাচলকারী সব নৌযানের মালিক ও পরিচালনাকারীদের আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর সুরক্ষা আদেশ, ২০২৫’-এর প্রয়োজনে হাওরের পরিবেশ রক্ষা ও সার্বিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ১৩ দফা জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়। এসব নির্দেশনা অমান্য করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রধান নির্দেশনাসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

নৌযান চলাচল বন্ধ : পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত টাঙ্গুয়ার হাওরের ইসিএ ঘোষিত সীমানার ভেতরে কোনো প্রকার হাউসবোট বা পর্যটকবাহী নৌযান প্রবেশ করতে পারবে না।

বাধ্যতামূলক নিবন্ধন : আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ধারিত ফরমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হাউসবোট নিবন্ধনের আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে বা অনুমতি না থাকলে কোনো নৌযান চালানো যাবে না। আবেদন সংক্রান্ত তথ্যের জন্য নেজারত ডেপুটি কালেক্টর-এনডিসি, সুনামগঞ্জ; মোবাইল: ০১৭৩০-৩৩১১০৬-এ যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শব্দ ও বর্জ্য দূষণ রোধ : হাউসবোটে উচ্চস্বরে গান-বাজনা, মাইক বা সাউন্ড সিস্টেম বাজানো এবং কোনো ধরনের পার্টির আয়োজন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

প্লাস্টিক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা : একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গেল ইউজ) প্লাস্টিক বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। হাওরে কোনো বর্জ্য ফেলা যাবে না। প্রতিটি হাউসবোটে বাধ্যতামূলকভাবে সেপটিক ট্যাংক, অন্তত দুটি ডাস্টবিন এবং পানি বিশুদ্ধকারী ফিল্টার থাকতে হবে।

নিরাপত্তা ও ধারণক্ষমতা : হাউসবোটের দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ১০০ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। বোটগুলোতে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট, লাইফবয় রিং, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা এবং গ্যাস সিলিন্ডারের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।

সচেতনতা ও জরুরি যোগাযোগ : পর্যটকদের জন্য করণীয় ও বর্জনীয় আচরণবিধি নৌযানের দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে এবং ট্যুর শুরুর আগেই পর্যটকদের তা অবহিত করতে হবে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে জেলা/উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতালের ফোন নম্বর বোটে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

আবহাওয়া সতর্কতা : দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, আকস্মিক ঝড়, প্রবল বৃষ্টিপাত বা বজ্রপাতের সময় পর্যটক পরিবহন এবং হাওরে নৌযান চলাচল সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, হাওরের সার্বিক সুরক্ষায় জারি করা এই নির্দেশনাবলি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং এ বিষয়ে নিয়মিত তদারকি করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%