মো নিয়াজ মোরশেদ জামালপুর(বকশীগঞ্জ) প্রতিনিধি
০৮:২৬ পি.এম
জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার মালিরচর নয়াপাড়া, হাজিপাড়া, মৌলভীপাড়া, পশ্চিম নামাপাড়া ও মালিরচর এলাকায় স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রায় ৫ হাজার একর কৃষিজমি দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধ হয়ে রয়েছে। এতে ফসল আবাদ ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই পানি জমে থাকার কারণে কৃষিকাজ বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি, যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনে এলাকাবাসীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে, গত শনিবার বকশীগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র পদপ্রার্থী সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল জলাবদ্ধ এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই, রোববার তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ পরিষ্কার ও কচুরিপানা অপসারণের কাজ শুরু করেন। এ সময়, তিনি নিজেও পানিতে নেমে কার্যক্রমে অংশ নেন।
স্থানীয় বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার আলী জানান, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার কারণে তাঁরা চরম দুর্ভোগে ছিলেন। কিন্তু এখন পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু হওয়ায় তাঁদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। দ্রুত স্থায়ী সমাধান হলে কৃষিজমিতে আবারও চাষাবাদ শুরু করা সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল মন্তব্য করে বলেন, "কৃষকদের দুর্ভোগের কথা জেনে আমি সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করেছি। আপাতত জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর জেলা কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি এবং বাহাদুরপুরের পীর সাহেব মাওলানা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো ধরনের শারীরিক নির্যাতন এবং যৌন হয়রানি সহ্য করা হবে না।
তিনি রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে বাহাদুরপুরের মাদানী মিলনায়তনে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া মাদারীপুরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন। সভায় জেলার ১৭০টি কওমি মাদ্রাসার মুহতামিম ও তাঁদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মাওলানা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান উল্লেখ করে বলেন, কওমি মাদ্রাসায় কোনো ছাত্রকে বেত্রাঘাত করা যাবে না। যদি কোনো শিক্ষার্থী পড়াশোনায় মনোযোগী না হয়, তবে তাকে বুঝিয়ে শোধরানোর চেষ্টা করতে হবে। যদি সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে অভিভাবকের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। শিক্ষা প্রদানের নামে কোনো ধরনের শারীরিক শাস্তি মেনে নেওয়া হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করে জানান।
তিনি আরও জানান, কিছু কিছু মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের কোনো ঘটনা নজরে আসলে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শুধু চাকরিচ্যুতই করা হবে না, বরং কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, আলেম সমাজের একাংশ মাদ্রাসায় কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলে যাচাই-বাছাই ছাড়াই তা বাড়িয়ে প্রচার করে, কখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় আবার কখনো স্থানীয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা নিয়ে মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুণ্ন করছেন, যা দুঃখজনক।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাবও দেন। তারা মাদ্রাসাগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানো, রাতের নিরাপত্তায় নাইট গার্ড নিয়োগ এবং শিক্ষকদের সপরিবারে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে থাকার ব্যবস্থা করার কথা উল্লেখ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের বিখ্যাত টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষিত টাঙ্গুয়ার হাওরের সীমানার অভ্যন্তরে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের হাউসবোট ও পর্যটকবাহী নৌযান প্রবেশ ও চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এছাড়াও, হাওরে চলাচলকারী সব নৌযানের মালিক ও পরিচালনাকারীদের আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর সুরক্ষা আদেশ, ২০২৫’-এর প্রয়োজনে হাওরের পরিবেশ রক্ষা ও সার্বিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ১৩ দফা জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়। এসব নির্দেশনা অমান্য করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধান নির্দেশনাসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
নৌযান চলাচল বন্ধ : পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত টাঙ্গুয়ার হাওরের ইসিএ ঘোষিত সীমানার ভেতরে কোনো প্রকার হাউসবোট বা পর্যটকবাহী নৌযান প্রবেশ করতে পারবে না।
বাধ্যতামূলক নিবন্ধন : আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ধারিত ফরমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হাউসবোট নিবন্ধনের আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে বা অনুমতি না থাকলে কোনো নৌযান চালানো যাবে না। আবেদন সংক্রান্ত তথ্যের জন্য নেজারত ডেপুটি কালেক্টর-এনডিসি, সুনামগঞ্জ; মোবাইল: ০১৭৩০-৩৩১১০৬-এ যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
শব্দ ও বর্জ্য দূষণ রোধ : হাউসবোটে উচ্চস্বরে গান-বাজনা, মাইক বা সাউন্ড সিস্টেম বাজানো এবং কোনো ধরনের পার্টির আয়োজন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
প্লাস্টিক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা : একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গেল ইউজ) প্লাস্টিক বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। হাওরে কোনো বর্জ্য ফেলা যাবে না। প্রতিটি হাউসবোটে বাধ্যতামূলকভাবে সেপটিক ট্যাংক, অন্তত দুটি ডাস্টবিন এবং পানি বিশুদ্ধকারী ফিল্টার থাকতে হবে।
নিরাপত্তা ও ধারণক্ষমতা : হাউসবোটের দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ১০০ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। বোটগুলোতে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট, লাইফবয় রিং, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা এবং গ্যাস সিলিন্ডারের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।
সচেতনতা ও জরুরি যোগাযোগ : পর্যটকদের জন্য করণীয় ও বর্জনীয় আচরণবিধি নৌযানের দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে এবং ট্যুর শুরুর আগেই পর্যটকদের তা অবহিত করতে হবে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে জেলা/উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতালের ফোন নম্বর বোটে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
আবহাওয়া সতর্কতা : দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, আকস্মিক ঝড়, প্রবল বৃষ্টিপাত বা বজ্রপাতের সময় পর্যটক পরিবহন এবং হাওরে নৌযান চলাচল সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, হাওরের সার্বিক সুরক্ষায় জারি করা এই নির্দেশনাবলি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং এ বিষয়ে নিয়মিত তদারকি করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় কালু (৩০) নামক এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা বাসচালককে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। পরে হেফাজতে নেওয়ার সময় ওই চালকের কাছ থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে, পুলিশ জানিয়েছে।
রবিবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার মালির অংক বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত কালু মৃত নুর আলম হোসেনের ছেলে। তার বাড়ি মাদারীপুর জেলায়, কিন্তু তিনি ছোটোবেলা থেকেই লৌহজং উপজেলার ঢুলুগাঁও গ্রামে বেড়ে উঠেছেন। মা-বাবা না থাকায় গ্রামের একটি পরিবার তাকে নিজেদের সন্তানের মতো লালন-পালন করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দ্রুত গতির ওই বাসটি কালুকে চাপা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা বাসচালক লিটন শেখকে (৪২) আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে তাকে লৌহজং থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ জানায়, হেফাজতে নেওয়ার সময় চালকের কাছ থেকে ১৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। লিটন শেখ শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর এলাকার বাসিন্দা হারুন শেখের ছেলে।
লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উল ইসলাম জানান, বাসচালক পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি চালকের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার ব্যাপারে এবং দুর্ঘটনার ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের সব বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদরাসার বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি বাতিল করেছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। একই সঙ্গে সংশোধিত প্রবিধানমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম তৌহিদুজ্জামানের সই করা জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (দাখিল ও আলিম স্তরের বেসরকারি মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি) প্রবিধানমালা, ২০২৫-এর প্রবিধি ৬৪ অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিসহ দেশের সব বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদরাসার বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, একইসঙ্গে সংশোধিত প্রবিধানমালা (এসআরও নং ৮৯-আইন/২০২৬) অনুসারে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনের পদ্ধতি ও শর্তও নির্ধারণ করে দিয়েছে বোর্ড। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের গত ৩০ জুলাই জারি করা নির্দেশনার আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মনোনয়নের জন্য স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) মাধ্যমে তিন সদস্যের একটি প্যানেল প্রস্তাব করবেন প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ বা সুপার)।
শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি, খ্যাতিমান সমাজসেবক, জনপ্রতিনিধি অথবা কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত নবম গ্রেড বা এর চেয়ে ওপরের পদমর্যাদার সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে এ প্যানেল তৈরি করতে হবে। পরে অন্য সদস্যের মনোনয়নের প্রস্তাবসহ তা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে পাঠাতে হবে।
তবে, সিটি করপোরেশন এলাকার দাখিল ও আলিম মাদরাসার ক্ষেত্রে আলাদা বিধান রাখা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির প্রস্তাব বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে পাঠাতে হবে।
এ সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা দেশের সব বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ, সুপার, পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ