ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের সব মাদরাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল


দেশের সব মাদরাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল

দেশের সব বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদরাসার বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি বাতিল করেছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। একই সঙ্গে সংশোধিত প্রবিধানমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম তৌহিদুজ্জামানের সই করা জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (দাখিল ও আলিম স্তরের বেসরকারি মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি) প্রবিধানমালা, ২০২৫-এর প্রবিধি ৬৪ অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিসহ দেশের সব বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদরাসার বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, একইসঙ্গে সংশোধিত প্রবিধানমালা (এসআরও নং ৮৯-আইন/২০২৬) অনুসারে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনের পদ্ধতি ও শর্তও নির্ধারণ করে দিয়েছে বোর্ড। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের গত ৩০ জুলাই জারি করা নির্দেশনার আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: মামলা হলে আত্মসমর্পণের ঘোষণা ইশরাকের, নাহিদকে সতর্কতা

নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মনোনয়নের জন্য স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) মাধ্যমে তিন সদস্যের একটি প্যানেল প্রস্তাব করবেন প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ বা সুপার)।

শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি, খ্যাতিমান সমাজসেবক, জনপ্রতিনিধি অথবা কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত নবম গ্রেড বা এর চেয়ে ওপরের পদমর্যাদার সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে এ প্যানেল তৈরি করতে হবে। পরে অন্য সদস্যের মনোনয়নের প্রস্তাবসহ তা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে পাঠাতে হবে।

তবে, সিটি করপোরেশন এলাকার দাখিল ও আলিম মাদরাসার ক্ষেত্রে আলাদা বিধান রাখা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির প্রস্তাব বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে পাঠাতে হবে।

এ সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা দেশের সব বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ, সুপার, পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় আটক আরো ৪৮৬ জন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ছিল: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ছিল: মাহদী আমিন

 জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক গোষ্ঠীর নয়, বরং এটি ছিল একটি সামাজিক আন্দোলন, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ, যেমন ডানপন্থী, বামপন্থী, মধ্যমপন্থী ও ইসলামপন্থী সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন।তাঁর মতে, এই আন্দোলনে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই একে সফল করে তুলেছিল। এই কথা তিনি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিনের মাধ্যমে জানিয়েছেন।

তিনি আরো মন্তব্য করেন, ‘জুলাই সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, সরকার ঠিক সেইভাবে তা বাস্তবায়ন করবে। পাশাপাশি, জুলাই গণহত্যার বিচারও সুনিশ্চিত করা হবে।’

আজ রবিবার বিকেলে তিনি রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন অডিটোরিয়ামে জুলাই রেভ্যুলেশনারি অ্যালায়েন্স (জেআরএ) আয়োজিত ‘জুলাই বিপ্লববিষয়ক প্রথম সম্মেলন’-এ এসব কথা বলেন। মাহদী আমিন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদরা এক সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই আকাকাক্সক্ষা বাস্তবায়নই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, একটি সত্যিকারের সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন হবে এবং কোনো ধরনের বৈষম্য হবে না, এই আদর্শ বাস্তবায়নে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আহতদের দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘গণঅভ্যুত্থানে আহতদের অনেকেই আজও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। কেউ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, কেউ স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। এই আহত ব্যক্তি এবং শহীদ পরিবারগুলোর পাশে নির্বাচিত সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে দাঁড়াতে চায়। দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।’

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তখন তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাক্সক্ষা, আদর্শ ও মূল্যবোধকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। যদিও দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের প্রভাব অল্প সময়ে সম্পূর্ণ দূর করা কঠিন, তথাপি শহীদদের আত্মত্যাগের মূল্যায়ন ও একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দীর্ঘ সংগ্রামের পটভূমি তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ‘আমি সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে এখানে উপস্থিত হয়েছি এবং যে দলের প্রতিনিধিত্ব করছি, সেই বিএনপির চার শতাধিক নেতাকর্মী জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও তার পূর্ববর্তী আন্দোলন-সংগ্রামে প্রাণ দিয়েছেন। গুম, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন হাজারো মানুষ। এই দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের ওপর দাঁড়িয়েই আজকের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ভিত্তি রচিত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলনের সময় আমাদের সবার একটিই পরিচয় ছিল-আমরা ‘বাংলাদেশপন্থী’। আমরা এমন এক বাংলাদেশ চেয়েছিলাম যেখানে মানবাধিকার, আইনের অনুশাসন ও বাকস্বাধীনতা থাকবে। আমরা চাই নি গুম, খুন ও ভুয়া মামলার কোনো স্থান।’ আজকের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সেই গণ-আকাক্সক্ষাই প্রতিষ্ঠা করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই আহত-শহীদদের তালিকা প্রণয়নে বৈষম্য করেছে অন্তর্বর্তী সরকার: ইশরাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ পি.এম


জুলাই আহত-শহীদদের তালিকা প্রণয়নে বৈষম্য করেছে অন্তর্বর্তী সরকার: ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন অভিযোগ করেছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জুলাই আহত এবং শহীদদের তালিকা তৈরিতে বৈষম্য করা হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে বলেন, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাবলম্বী ব্যক্তিদের গেজেটভুক্ত করা হয়নি। এছাড়া, ক্যাটাগরি বন্টনেও বৈষম্য করা হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাগ্রত জুলাই ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

আইন অনুযায়ী, জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদানের সরকার বাধ্য রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার জুলাই আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা প্রদানে হাসপাতাল ও চিকিৎসা সংশ্লিষ্টদের তাগাদ দিচ্ছে।

তিনি জানান, জুলাই শহীদ ও আহতদের জন্য সরকার এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা অতিক্রম করে জুলাই শহীদদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা বাস্তবায়নে জোরালো কাজ চলছে।

ইশরাক হোসেন আরো বলেন, কিছু মানুষ অশালীন ভাষায় প্রতিবাদ প্রকাশের চেষ্টা করছেন। তবে প্রশ্ন উঠেছে, কি এমন অশালীন ভাষাই নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিল? এর ফলে কিশোর এবং তরুণদের মধ্যে অশালীন ভাষাগুলো ছড়িয়ে পড়ছে। এমন অপসংস্কৃতি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করতে দেওয়া হবে না। গালাগালিকে সহজিকরণের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।

একই অনুষ্ঠানে, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই অভ্যুত্থানকে হাইজ্যাক করেছে। তিনি মন্তব্য করেন, রাজনৈতিক সক্রিয়তা না থাকায় বহু অযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ দিয়ে ড. ইউনূসকে বিভক্ত করা হয়েছে।

নুর দাবি করেন, রাজনৈতিক অনভিজ্ঞ ব্যক্তিরা অশ্লীল এবং অশ্রাব্য ভাষাকে সহজিকরণ করছে, যার ফলে তারা এখন রাজনৈতিক বিষফোঁড়ায় পরিণত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব হলে বিদেশে চিকিৎসার খরচ কমবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব হলে বিদেশে চিকিৎসার খরচ কমবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, দেশে আন্তর্জাতিক মানের সনদপ্রাপ্ত বা ‘অ্যাক্রেডিটেড’ ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি গড়ে তুলতে পারলে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের দুর্ভোগ কমবে, পাশাপাশি দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

তিনি আজ রবিবার বিকেলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট-এ বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) আয়োজিত এক নীতি-নির্ধারণী সেমিনারে প্রধান অতিথি হয়ে বক্তব্য প্রদানকালে এই কথা বলেন।

এম এ মুহিত এ বিষয়ে বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। কিন্তু দেশের ল্যাবরেটরিগুলোর পরীক্ষার ওপর যেন পর্যাপ্ত আস্থা না থাকায় বিদেশে যাওয়ার পর চিকিৎসকদের একই পরীক্ষাগুলো আবারও করাতে হয়। এতে রোগীদের চিকিৎসার পেছনে বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ এবং সময় নষ্ট হয়।

তিনি এও বলেন, যদি দেশে আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃত ল্যাবরেটরি বৃদ্ধি করা যায়, তাহলে রোগীরা তাদের দেশেই মূল পরীক্ষাগুলো করিয়ে নিতে পারবেন, যা তাদের খরচ এক ধাক্কায় অনেকটা কমিয়ে দেবে।

বর্তমানে দেশে ১০ হাজারের বেশি ল্যাবরেটরি সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি বা অ্যাক্রেডিটেশন রয়েছে হাতে গোনা মাত্র কয়েকটি ল্যাবের। এই পরিস্থিতি তুলে ধরে এম এ মুহিত বলেন, ল্যাবগুলোর ওপর এখনই জোর জবরদস্তি বা আইনি কড়াকড়ি না চাপিয়ে আগে মালিক এবং পরিচালনা পর্ষদকে সচেতন করতে হবে। ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকেরা যদি বুঝে যান যে মান ধরে রাখলে মানুষের আস্থা বাড়ে এবং এতে তাদের ব্যবসাও লাভজনক হবে, তাহলে তারা নিজেরাই এই স্বীকৃতি নিতে উৎসাহী হবেন।

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নানামুখী চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই হাসপাতাল এবং ক্লিনিকগুলোর মান নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত তদারকি চলছে। জনগণের আস্থা ফেরানোই এখন মূল লক্ষ্য। তবে শুধু হাসপাতাল বা চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করে স্বাস্থ্যখাতের উন্নতি সম্ভব নয়। খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার দিকে নজর না দিলে ক্যানসার, কিডনি কিংবা লিভারের মতো প্রাণঘাতী রোগ কমানো সম্ভব নয়।

সেমিনারে আরও বক্তব্য দিয়েছেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত, নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত, নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৪

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৪ জনে পৌঁছেছে। হামলার ফলে আহত হয়েছে অনেকেই। আজ রবিবার স্থানীয় সূত্রের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ হামলায় গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের রিমাল এলাকায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় নেওয়া একটি তাঁবুতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে।

এদিকে, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে ইসরায়েলি হামলায় গাজার উপত্যকায় ১৫২ জন নিহত হয়েছেন, যা চলতি বছরের মধ্যে এক মাসে স্বাধীনভাবে সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা। নিহতদের মধ্যে রয়েছে ২১ শিশু, ১৪ নারী এবং চার বয়স্ক ব্যক্তি। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর কারণে হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২২২ জন নিহত এবং ৪ হাজার ৫৩ জন আহত হয়েছেন।

২০২৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরুর পর মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৩৪৯ জন। একই সময়ে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ১৬২ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%