ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

মিসর ম্যাচের আগে নয়া কৌশল আঁকতে পারে স্কালোনি


মিসর ম্যাচের আগে নয়া কৌশল আঁকতে পারে স্কালোনি

 

বিশ্বকাপে অপ্রতিরোধ্য আর্জেন্টিনার জন্য কেপ ভার্ডের বিপক্ষে জয় পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে গেছে। কঠিন লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে রাউন্ড অব ১৬-তে এসে পৌঁছেছে লিওনেল মেসির নেতৃত্বাধীন দলটি।

তবে ম্যাচের সময় আলবেসিলেস্তাদের যথেষ্ট ভুগতে হয়েছে। এই ম্যাচে তাদের দুই জায়গায় দূর্বলতা দর্শন করেছেন। তাই, মিশরের বিপক্ষে ম্যাচের আগে প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে চলেছেন।

আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা

টানা দ্বিতীয় শিরোপা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে আর্জেন্টিনা।

শুরুটা ছিল বেশ ভালো। কিন্তু রাউন্ড অব ৩২ এ কেপ ভার্ডের বিরুদ্ধে কিছু দূর্বলতা ফুটে উঠেছে। ফলস্বরূপ, পরের ম্যাচে মিশরকে হারিয়ে শক্তি সঞ্চয়ের উপর গুরুত্ব দিতে হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। তাই কৌশলে কিছু পরিবর্তন আনা হতে পারে।

এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে বেশিরভাগ ম্যাচেই লেফট উইং থেকে খেলা শুরু করেছেন থিয়াগো আলমাদা। কিন্তু আফ্রিকা দেশটির বিপক্ষে ম্যাচে তিনি নিজের সেরা খেলা প্রদর্শন করতে পারেননি। বরং, পরিবর্তিত হিসেবে মাঠে নেমে মন জয় করে নিয়েছিলেন নিকো গঞ্জালেস। মনে করা হচ্ছে, মিশরের ম্যাচে তাঁকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার লেফট উইং-ব্যাক পজিশনে আসছে পরিবর্তন।

আরও পড়ুন: ত্রিশাল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি জনবল

জানা যায়, পরবর্তী ম্যাচে এই পজিশনে নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকে খেলানো হতে পারে। একই সঙ্গে, মধ্যমাঠের ভরসা রড্রিগো দে পল প্রতিকূল অবস্থায় আছেন এবং বল পায়ে কার্যকরী কাজ করতে পারছেন না। তাই, আগামী ম্যাচে তাঁকে বসিয়ে মাঠে নামানো হতে পারে লিয়ান্দ্রো পারাদেসকে।

উল্লেখ করার মতো বিষয় হলো, মাত্র ৫ লক্ষ জনসংখ্যার একটি ছোট্ট দেশের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার রক্ষণের আচরণ যথেষ্ট আশঙ্কার মধ্যে ফেলেছে প্রধান কোচ স্কালোনিকে। এদিন, যেভাবে আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী দলটি অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে যেতে বাধ্য হয়েছিল কেপ বাহিনীর বিরুদ্ধে, তা বিশ্বকাপে পরবর্তী পর্যায়ের শক্তিশালী দলের সামনে আর্জেন্টিনাকে বড় সমস্যায় ফেলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুরে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


জামালপুরে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড

জামালপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় এক গৃহবধূকে নিয়ে ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালত সোমবার (৬ জুন) বেলা ৩টায় জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল–১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল–১ এর সরকারি কৌঁসুলি ফজলুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে আছেন মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু (৩০), মো. বিজু মিয়া (৩৬), মো. বাদশা মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল মিয়া (৩৫), মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০), জসিম এবং আছমত।

অন্যদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দিয়েছে।

বিস্তারিত আসছে...

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজেদের কাজের মাধ্যমে স্বাবলম্বী দেশ গড়তে হবে: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


নিজেদের কাজের মাধ্যমে স্বাবলম্বী দেশ গড়তে হবে: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা দারিদ্র্য থেকে মুক্তি চাই। ফ্যাসিস্ট সরকার কাজের চেয়ে বেশি চুরি করেছে। দুর্নীতি হয়েছে চরমভাবে। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। বিগত সরকার বিআরডিবি-কে মৃত করে রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, কারো ওপর নির্ভর করে নিজের অবস্থার পরিবর্তন করা যাবে না। নিজের কাজ নিজে করতে হবে। গ্রাম সরকার গঠন করলে নেতৃত্ব বিকশিত হবে। তৃণমূল থেকেই দুর্নীতিকে একেবারে না বলতে হবে। নিজে ঠিক থাকলে অন্যকে ঠিক করা যাবে। উন্নত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে কাজ করতে হবে।

আজ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন মন্ত্রী।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

মন্ত্রী মন্তব্য করেন, মানুষের আয়ের পথ না বাড়লে উন্নতি হবে না। বিআরডিবির মূল কাজ হচ্ছে জনগণকে সম্পৃক্ত করা, সংগঠিত করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যে পণ্য উৎপাদন করে, সেই পণ্যের বাজার তৈরি করা।

মন্ত্রী এক্ষণে বলেন, বাংলাদেশ একটি ছোট্ট দেশ, যেখানে কম উন্নত অনেক গরিব মানুষ আছে। তিনি জানান, স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান গ্রামীণ উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন এবং খাল খনন করেছিলেন। পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়া আন্দোলন করে ক্ষমতায় এসে নারীদের শিক্ষায় কাজ শুরু করেন।

তিনি বলেন, কথা ও কাজের মধ্যে মিল না থাকায় সামনের দিকে অগ্রসর হওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। এখন দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছালে দেখি রাস্তা-ঘাট ভাঙা রয়েছে এবং উন্নয়ন নেই। কিন্তু এলজিআরডিতে অনেক বাজেট ছিল। সেই টাকা কই গেল? অর্থাৎ লুটপাট হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ বছর পর দেশে ফিরেই ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশকে পরিবর্তন করে উন্নত করতে চান। সেজন্য ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়ন শুরু করেছেন। পরিবার থেকেই উন্নয়ন ও ক্ষমতার সমন্বয় করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, ঋণ মওকুফের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নত দেশ গড়ার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, দেশ গড়তে অন্যের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে স্বপ্রণোদিত হতে হবে। কারো ওপর নির্ভরশীল না হয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে নিজেদের উদ্যোগী হতে হবে।

তিনি জানান, পার্শ্ববর্তী দেশ, নিকটবর্তী দেশ, দূরবর্তী দেশ মার্কিন মুল্লুক থেকে কেউ এসে দেশের উন্নয়ন করে দিলে দেশকে সুন্দর করে দিতে পারবে না। এসব উদ্যোগ নিজেদেরই করতে হবে।

বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বলেন, অতীতে ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করেছে এবং আস্থার জায়গা নষ্ট করেছে। সেসব থেকে বের হয়ে অন্যের হক প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। এজন্য সমবায়কে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী পরবর্তী প্রজন্মকে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করার আহ্বান জানান এবং কৃষি ও খামার গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান ‘এসো দেশ গড়ি’ মেনে সকলকে কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব শওকত রশীদ চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীতে দেশীয় মাছ বিলুপ্তির পথে, সংরক্ষণের দাবি জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


ফেনীতে দেশীয় মাছ বিলুপ্তির পথে, সংরক্ষণের দাবি জোরদার

 

"মাছে-ভাতে বাঙালি"—এই চিরন্তন প্রবাদটি যেন ধীরে ধীরে ফেনীর মানুষের জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, নদী-নালার নাব্যতা সংকট এবং মানবসৃষ্ট নানা কারণে ফেনীর মুহুরী, কহুয়া, সিলোনীয়া, কাটাখালী ও ছোট ফেনী নদীসহ বিভিন্ন খাল-বিল ও উন্মুক্ত জলাশয় থেকে দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ দেশীয় প্রজাতির মাছ।

একসময় স্থানীয় বাজারে সহজলভ্য এসব মাছ এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। তাদের জায়গা দখল করেছে পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, হাইব্রিড কই ও কার্পজাতীয় মাছ।

সরেজমিনে ফেনীর বড় বাজার, রেলগেট বাজার, মহিপাল কাঁচাবাজার, পাঁচগাছিয়া, কুঠিরহাট, সিলোনীয়া, সোনাগাজী ও দাগনভূঞা বাজারসহ জেলার বিভিন্ন মৎস্য আড়ত ঘুরে দেখা যায়, বাজারজুড়ে রয়েছে চাষের মাছের আধিপত্য। অথচ এক দশক আগেও স্থানীয় নদী ও বিলের মাছের প্রাচুর্য ছিল।

বর্তমানে মাঝে মধ্যে টাকি, পুঁটি, বেতরঙ্গি, মাগুর, ট্যাংরা, শিং, তিতপুঁটি ও শোল মাছ পাওয়া গেলেও সেগুলোর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।

স্থানীয় জেলেরা জানান, আগে নদীতে জাল ফেললেই ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ মিলত। এখন সারাদিন জাল ফেলেও অনেক সময় খালি হাতে ফিরতে হয়। ফলে সোনাগাজী ও সদর উপজেলার লেমুয়া-ফরহাদনগর এলাকার অনেক জেলে পরিবার আদি পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন।

দাগনভূঞা উপজেলার জেলে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, "ছোটবেলা থেকেই নদীতে মাছ ধরে বড় হয়েছি। ছোট ফেনী নদীই ছিল আমাদের জীবিকার ভরসা। নৌকা ছিল, জাল ছিল, লোকবল ছিল। কিন্তু এখন নদীতে মাছ নেই বললেই চলে। তাই আমাদের অনেকেই এ পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। আমি কিন্তু এখন সিএনজি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছি।"

মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেনীর জলাশয় থেকে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ প্রজাতির দেশীয় মাছ বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো খলিশা, পুঁটি, মাইট্টা, ট্যাংরা, পাবদা, কাজলী, বাতাসি, চান্দা, বাইম, আইড়, বোয়াল, চিতল, ফলি, গজার, মাগুর, শিং ও শোল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন নদী ও খাল পুনঃখনন না হওয়ায় পলি জমে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র নষ্ট হয়ে গেছে। শুকনো মৌসুমে পানির স্বল্পতায় মাছ ডিম ছাড়ার উপযুক্ত পরিবেশ পায় না। অন্যদিকে প্রজনন মৌসুমে এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি নিষিদ্ধ 'চায়না দুয়ারি' ও 'কারেন্ট জাল' ব্যবহার করে মা মাছ ও রেণুপোনা নির্বিচারে নিধন করছে।

এ ছাড়া কৃষিজমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বৃষ্টির পানির সঙ্গে জলাশয়ে মিশে পানিদূষণ বাড়াচ্ছে। অপরিকল্পিত আবাসন ও সড়ক নির্মাণের কারণে নদীর সঙ্গে সংযুক্ত অনেক খাল বন্ধ হয়ে গেছে। নাব্যতা হ্রাস, বর্জ্য ফেলা এবং পানিদূষণের কারণেও মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

নদীতে মাছের সংকট সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় জেলেদের ওপর। স্থানীয়রা জানান, নদী ভরাট হয়ে যাওয়া এবং অবৈধ জালের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ছোট জাল দিয়ে আর মাছ পাওয়া যায় না। দাদনের টাকা ও ঋণের চাপ সামলাতে না পেরে অনেকেই রিকশা চালানো বা দিনমজুরির মতো পেশা বেছে নিচ্ছেন।

সোনাগাজী উপজেলার চর দরবেশ ইউনিয়নের চর সাহাভিকারী গ্রামের বাসিন্দা নিজাম উদ্দিন কাজী বলেন, "মুছাপুর সুইচগেট ভেঙে যাওয়ার পর নদীতে লোনা পানি প্রবেশ করছে। ফলে মিঠাপানির মাছ প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আগের মতো বিলেও দেশীয় মাছ পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে তেলাপিয়া ও পাঙ্গাস কিনে খেতে হচ্ছে। সরকার দেশীয় মাছ রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নিক।"

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাকসুদুল হাসান বলেন, "নানা কারণে দেশীয় মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। মা মাছ রক্ষায় সরকারি আইন অনুযায়ী চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকার দেশীয় মাছ সংরক্ষণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। তবে শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোও জরুরি।"

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেনীর দেশীয় মাছের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হলে জেলার প্রধান নদী ও সংযোগ খাল জরুরি ভিত্তিতে পুনঃখনন করতে হবে। প্রজনন মৌসুমে, বিশেষ করে মে থেকে জুলাই পর্যন্ত, মাছ ধরা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করে অভয়াশ্রম গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং সরকারি হ্যাচারিতে দেশীয় মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি আরও জোরদার করতে হবে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী প্রজন্মের কাছে দেশীয় প্রজাতির এসব মাছ শুধু বইয়ের পাতার ছবিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হৃদরোগে আক্রান্ত ব্রাজিল সমর্থক হাসপাতালে ভর্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


হৃদরোগে আক্রান্ত ব্রাজিল সমর্থক হাসপাতালে ভর্তি

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ব্রাজিলের সমর্থক আলমগীর হোসেন (৩৫)।

আঞ্চলিক প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম থেকে জানান যায়, গত ০৬ জুলাই, ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এই ঘটনায় তিনি দল ব্রাজিলের বিদায়ের হতাশা সহ্য করতে না পেরে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন, তবে আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

আলমগীর কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। খবর নিয়ে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে তিনি বন্ধু ও এলাকার অন্যান্য ব্রাজিল সমর্থকদের সঙ্গে ব্রাজিল ও নরওয়ের মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচটি দেখছিলেন। ম্যাচের শুরু থেকেই তাঁর দারুণ উৎসাহ ছিল। কিন্তু ব্রাজিল পিছিয়ে পড়ার পর থেকেই আলমগীর উদ্বিগ্ন হয়ে যান।

খেলা শেষ হওয়ার সাথে সাথে যখন দলের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়, তখন তিনি প্রবল মানসিক আঘাত পান। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি দেহে তীব্র ব্যথা, অস্বস্তি ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাঁর স্বজন ও স্থানীয়রা তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে বিষয়ক কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।

আলমগীরের পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই বন্ধুদের সঙ্গে খেলা দেখতেন এবং দলের জয়-পরাজয়কে তিনি আবেগের সঙ্গে গ্রহণ করতেন। এবারের ব্রাজিলের বিদায়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী বলেছেন, অতিরিক্ত আবেগ, মানসিক চাপ বা হঠাৎ তীব্র উত্তেজনা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। খেলাধুলা বিনোদনের বিষয় হলেও তা নিয়ে অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেওয়া উচিত নয়।

ডা. নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী আরো বলেন, "আলমগীর হোসেন বর্তমানে শঙ্কামুক্ত রয়েছেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং সম্পূর্ণ সুস্থতা নিশ্চিত করতে তাঁকে আরো কয়েক দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%