ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আইন পেশায় সফল হতে অর্থের পেছনে না ছুটে দক্ষতা অর্জনের আহ্বান আইনমন্ত্রীর


আইন পেশায় সফল হতে অর্থের পেছনে না ছুটে দক্ষতা অর্জনের আহ্বান আইনমন্ত্রীর

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, আইন পেশায় সফলতার জন্য অর্থের পেছনে না ছুটে দক্ষতা অর্জন করা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, "দুর্নীতি কিংবা কোনো ধরনের শর্টকাট অবলম্বন করে দ্রুত বড়লোক হওয়ার চেষ্টা না করে মেধা, সততা, নৈতিকতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে একজন আদর্শ আইনজীবী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।"

শুক্রবার রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ইউএপির ‘ল’ গ্র্যাজুয়েটদের সম্মাননা প্রদান উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘ফেলিসিটেশন প্রোগ্রাম ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় নেপোটিজমের কোনো সুযোগ নেই। এমনকি এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্যদের সন্তানদেরও পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার নজির রয়েছে। নবীন আইনজীবীদের নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার প্রতি আস্থা রেখে পেশাগত জীবনে এগিয়ে যেতে হবে।

আরও পড়ুন: রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৯৯ বার পেছাল

আইনমন্ত্রী নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হতে হলে শুরুতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। কর্মজীবনের শুরুতে কাজ ও পারিশ্রমিক কম থাকলেও ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে। অভিজ্ঞতা অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে কাজের পরিধি ও পারিশ্রমিকও বাড়বে। তাই পেশাগত জীবনের শুরুতেই অর্থের পেছনে না ছুটে নিজেকে যোগ্য আইনজীবী হিসেবে গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

আইনমন্ত্রী আইনজীবীদের পেশাগত নৈতিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, দুর্নীতি বা শর্টকাটের পথ অবলম্বন করে দ্রুত অর্থবিত্ত অর্জনের চেষ্টা করা উচিত নয়। মেধা, সততা, নীতি-নৈতিকতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমেই একজন আইনজীবীকে নিজের অবস্থান তৈরি করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আইনজীবীদের সবকিছু অর্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত নয়। আইনজীবীদের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ইউএপির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কে. এম. মজিবুল হক, ইউএপির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া এবং স্কুল অব ল’-এর ভারপ্রাপ্ত ডিন প্রফেসর ড. এম. এ. বাকি খলিলি উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: মানবতাই আমাদের পরিচয়: সাঈদ আল নোমান এমপি

এতে সভাপতিত্ব করেন ইউএপির ডিপার্টমেন্ট অব ল’ অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. নূর-ই মেডিনা সূরাইয়া জেসমিন।

অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ইউএপির ‘ল’ গ্র্যাজুয়েটদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সম্মাননাপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েট ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৫ পি.এম


মধুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশন টাঙ্গাইল জেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) দিনব্যাপী টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার দোখলা ন্যাশনাল পার্কে এ পরিচিতি সভার আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশন টাঙ্গাইল জেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম সোহেল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আঃ হাকিম।
পরিচিতি সভায় নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের পারস্পরিক পরিচয়, ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা এবং চেয়ারম্যান-মেম্বারদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও যোগাযোগ জোরদারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সভাকে কেন্দ্র করে সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বক্তারা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভার মাধ্যমে সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদগুলোর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের আইসিইর অভিযানে রেকর্ড গ্রেপ্তার অভিবাসী, অপরাধী নন অর্ধেকের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৬ পি.এম


ট্রাম্পের আইসিইর অভিযানে রেকর্ড গ্রেপ্তার অভিবাসী, অপরাধী নন অর্ধেকের বেশি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসনবিরোধী অভিযান আরও জোরদার হয়েছে। নতুন ফেডারেল তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জুলাই মাসে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা প্রায় ৫০ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি মানুষের বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধে দণ্ড বা বিচারাধীন ফৌজদারি মামলা ছিল না।

জুন মাসেও সংস্থাটি ৪৩ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের সময় আইসিইর অভিযানের ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এখন শুধু অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের নয়, বৈধ অভিবাসন অবস্থার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া কিংবা প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যক্তিদেরও বেশি হারে আটক করা হচ্ছে।

দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের পর্যালোচনা অনুযায়ী, জুলাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আগে সহিংস অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের হার ৪ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। অর্থাৎ গ্রেপ্তারের বড় একটি অংশই এমন ব্যক্তিদের নিয়ে, যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের পূর্ব রেকর্ড নেই।

আগের তুলনায় আইসিইর মাঠপর্যায়ের অভিযানও বেড়েছে। কারাগার থেকে অভিবাসীদের হেফাজতে নেওয়ার পাশাপাশি এখন কর্মস্থল, বাড়ি ও সড়কে গাড়ি থামানোর সময় সরাসরি গ্রেপ্তারের ঘটনা বাড়ছে। আমেরিকান অভিবাসন পরিষদের পর্যালোচনা অনুযায়ী, আইসিইর প্রায় ৬৩ শতাংশ গ্রেপ্তার এখন এ ধরনের সরাসরি অভিযানের মাধ্যমে হচ্ছে।

এ ধরনের অভিযানে স্থানীয় ও অঙ্গরাজ্য পুলিশের অংশগ্রহণও বেড়েছে। ২৮৭(জি) কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফেডারেল অভিবাসন আইন প্রয়োগে সহায়তার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্বাসনসংক্রান্ত তথ্যভান্ডারের তথ্য অনুযায়ী, এই কর্মসূচির মাধ্যমে আইসিইর হেফাজতে নেওয়া মানুষের সংখ্যা এখন মোট গ্রেপ্তারের প্রায় ১৪ শতাংশ।

এদিকে অভিবাসন অবস্থার প্রশাসনিক জটিলতায় থাকা ব্যক্তিরাও আইসিইর অভিযানের আওতায় পড়ছেন। ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন বা স্থায়ী বসবাসের অনুমতিপত্রের প্রক্রিয়া চলার সময় কারও বৈধ অবস্থার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের প্রশাসনগুলোর সময়ে এমন পরিস্থিতিতে থাকা ব্যক্তিদের সাধারণত আটক করা হতো না।

ট্রাম্প প্রশাসন আইসিইর আটক ও নির্বাসন কার্যক্রম বাড়াতেও বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ করেছে। চলতি বছরের শুরুতে আইসিই কর্মকর্তারা কংগ্রেসকে জানিয়েছিলেন, ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরে প্রায় ১০ লাখ মানুষকে নির্বাসনের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সময়ে অন্তত ৯৯ হাজার মানুষকে আটক কেন্দ্রে রাখার সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্বাসনসংক্রান্ত উড়োজাহাজ চলাচলও বেড়েছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ফার্স্টের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে আইসিইর আটক কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের জন্য ১ হাজার ৩৬৩টি উড়োজাহাজ পরিচালিত হয়েছে। অন্তত ২০২০ সালের পর এটিই কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ সংখ্যা।

একই মাসে অন্তত ৩২৯টি নির্বাসন উড়োজাহাজ ৩৭টি দেশে পরিচালিত হয়েছে।

তবে অভিবাসন অধিকারকর্মীরা ব্যাপক গ্রেপ্তার ও দ্রুত নির্বাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, অপরাধের রেকর্ড না থাকা ব্যক্তিদেরও দ্রুত আটক ও নির্বাসনের আওতায় আনা হলে তাদের আইনি অধিকার ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়।

বিশেষ করে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানো অভিবাসীদের নিরাপত্তা এবং পরে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মতলব কলিকাপুরে গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন হত্যা নাকি আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মতলব প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ পি.এম


মতলব কলিকাপুরে গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন হত্যা নাকি আত্মহত্যা

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে সুমি আক্তার নামে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন চলছে । স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, সুমি বিষপান করেছিলেন। তবে নিহতের বাবা শহীদ গাজীর দাবি, তার মেয়েকে হত্যা করে পরে মুখে বিষ দেওয়া হয়েছে।

নিহত সুমি আক্তারের বাবার বাড়ি কচুয়া উপজেলার সেঙ্গুয়া গ্রামে। প্রায় ছয় বছর আগে মতলব দক্ষিণ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের মতিন মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সুমির সঙ্গে তার স্বামীর বিরোধ চলছিল। পরিবারের দাবি, স্বামীর কথিত পরকীয়ার বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ করায় সুমির ওপর নির্যাতন করা হতো।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০ আগস্ট সকালে কালিকাপুর গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে সুমির ওপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এদিকে সুমির মৃত্যুর পর স্থানীয়দের মধ্যে বিষপানের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেন, সুমি বিষপান করেছিলেন। তবে এ বক্তব্য মানতে নারাজ নিহতের বাবা শহীদ গাজী। তার অভিযোগ, সুমিকে হত্যা করার পর ঘটনাটি বিষপান হিসেবে দেখানোর জন্য তার মুখে বিষ দেওয়া হয়েছে।

নিহতের বাবা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তার মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সুমির আকস্মিক মৃত্যুতে তার দুই শিশুকন্যাকে নিয়ে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তবে সুমি আক্তারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। বিষপান নাকি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে—তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেয়া সম্পর্কে যে বার্তা দিল পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেয়া সম্পর্কে যে বার্তা দিল পাকিস্তান

পাকিস্তান জানিয়েছে, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নতুন সদস্যদের জন্য উন্মুক্ত। বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দোরাবি। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন কোনো রাষ্ট্রকে এই চুক্তির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার আগে রিয়াদ এবং আঙ্কারার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ প্রসঙ্গও উঠে আসে।

চলতি মাসের শুরুতে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে ঐতিহাসিক ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট’ বা এমজেডিএ স্বাক্ষরিত হয়। আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তিটি সম্পন্ন হয়। গত ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাত বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং তেলের বাজারকে উর্ধ্বমুখী করছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে চুক্তিটি যৌথ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

চুক্তির একটি মূল শর্ত হলো—চুক্তিবদ্ধ তিনটি দেশের মধ্যে যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে, সেটি বাকি দুই দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ আরব নিউজকে একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ঢাকা এখনও এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। তবে তিনি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলমান থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বাংলাদেশ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মুখপাত্র তাহির আন্দোরাবি বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি একটি পরিবর্তনশীল ও ক্রমবিকাশমান নিরাপত্তা কাঠামো হিসেবে উন্মুক্ত রয়েছে সেসব দেশের জন্য, যারা যৌথ দায়বদ্ধতা এবং সাধারণ নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষায় নিজেদের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখতে আগ্রহী। তিনি আরও জানান, চুক্তিতে যোগ দেওয়ার জন্য কোনো দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ আসলে তা রিয়াদ ও আঙ্কারায় সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা করে বিবেচনা করা হবে। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই চুক্তির কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

এই সামরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি অঞ্চলের প্রধান তিনটি সামরিক শক্তিকে একত্রিত করেছে। পাকিস্তান বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম সক্রিয় সামরিক বাহিনীর অধিকারী এবং মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। অন্যদিকে, সৌদি আরবের বিশাল অর্থনৈতিক সামর্থ্য, কৌশলগত আঞ্চলিক প্রভাব এবং আধুনিক প্রতিরক্ষা অবকাঠামো রয়েছে। তুরস্কও সামরিক জোট ন্যাটোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, যার শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ও উন্নত প্রতিরক্ষা শিল্প রয়েছে।

সূত্র: আরব নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%