০৩:০৭ পি.এম
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে সুমি আক্তার নামে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন চলছে । স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, সুমি বিষপান করেছিলেন। তবে নিহতের বাবা শহীদ গাজীর দাবি, তার মেয়েকে হত্যা করে পরে মুখে বিষ দেওয়া হয়েছে।
নিহত সুমি আক্তারের বাবার বাড়ি কচুয়া উপজেলার সেঙ্গুয়া গ্রামে। প্রায় ছয় বছর আগে মতলব দক্ষিণ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের মতিন মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সুমির সঙ্গে তার স্বামীর বিরোধ চলছিল। পরিবারের দাবি, স্বামীর কথিত পরকীয়ার বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ করায় সুমির ওপর নির্যাতন করা হতো।
আরও পড়ুন: ভৈরবে কিশোরীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, হুমকির দাবি পরিবারের
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০ আগস্ট সকালে কালিকাপুর গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে সুমির ওপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এদিকে সুমির মৃত্যুর পর স্থানীয়দের মধ্যে বিষপানের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেন, সুমি বিষপান করেছিলেন। তবে এ বক্তব্য মানতে নারাজ নিহতের বাবা শহীদ গাজী। তার অভিযোগ, সুমিকে হত্যা করার পর ঘটনাটি বিষপান হিসেবে দেখানোর জন্য তার মুখে বিষ দেওয়া হয়েছে।
নিহতের বাবা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তার মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সুমির আকস্মিক মৃত্যুতে তার দুই শিশুকন্যাকে নিয়ে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আরও পড়ুন: রাজশাহী নগরীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক মাদক কারবারী গ্রেফতার
তবে সুমি আক্তারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। বিষপান নাকি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে—তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন