০১:৪৬ এম
ভারতের বিষয়, হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে অনুমতি লাগবে কিনা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এমন মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনের সময় সংঘটিত হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দণ্ডিত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য সরকারের অনুমতি প্রয়োজন কিনা, সেটি ভারতের বিষয়। রবিবার (১৬ আগস্ট) তিনি সাংবাদিকদের সামনে এ মন্তব্য করেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, 'আমি দেখেছি যে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস একটি সংবাদ প্রকাশ করেছে যে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করতে হলে ভারতীয় আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন। এটি তাদের দেশের বিষয়।'
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
তিনি এ কথাও বলেন, 'কিন্তু আমাদের সরকার নাগরিকদের যা আইনগত প্রক্রিয়া, তা অনুসরণ করে শেখ হাসিনাকে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তাদের ভারতীয় কর্মকর্তারা কীভাবে পদক্ষেপ নেবে, সেটি তাদের ব্যাপার।'
তিনি আরও জানান, 'শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে অনেক মামলা বিচারাধীন রয়েছে, একজন দণ্ডপ্রাপ্ত অভিযুক্ত হিসেবে সে আসার কথা, যেহেতু তিনি বাংলাদেশে দণ্ডিত। এই অবস্থায় ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলা দরকার।'
এক্সট্রাডিশন অঙ্গীকারের বিষয়েও তিনি মন্তব্য করেন, 'এক্সট্রাডিশন চুক্তির বিষয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এটি নিয়ে অনেক কথাবার্তা অতীতে হয়েছে। আমাদের সঙ্গে ভারতের যে বন্দি বিনিময় চুক্তি রয়েছে, সেটি প্রসঙ্গ আরেকটি বিষয়।'
এদিকে, রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত একটি ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র শহীদুল করিম বলেন, 'আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি—শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের প্রত্যর্পণে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের আমাদের হাতে তুলে দিতে। আমরা তাদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।'
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন