ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে অনুমতি লাগবে কি না, সিদ্ধান্ত ভারতের: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়


হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে অনুমতি লাগবে কি না, সিদ্ধান্ত ভারতের: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ভারতের বিষয়, হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে অনুমতি লাগবে কিনা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এমন মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনের সময় সংঘটিত হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দণ্ডিত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য সরকারের অনুমতি প্রয়োজন কিনা, সেটি ভারতের বিষয়। রবিবার (১৬ আগস্ট) তিনি সাংবাদিকদের সামনে এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, 'আমি দেখেছি যে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস একটি সংবাদ প্রকাশ করেছে যে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করতে হলে ভারতীয় আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন। এটি তাদের দেশের বিষয়।'

আরও পড়ুন: সাইবার সিকিউরিটি আইন সংশোধনে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

তিনি এ কথাও বলেন, 'কিন্তু আমাদের সরকার নাগরিকদের যা আইনগত প্রক্রিয়া, তা অনুসরণ করে শেখ হাসিনাকে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তাদের ভারতীয় কর্মকর্তারা কীভাবে পদক্ষেপ নেবে, সেটি তাদের ব্যাপার।'

তিনি আরও জানান, 'শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে অনেক মামলা বিচারাধীন রয়েছে, একজন দণ্ডপ্রাপ্ত অভিযুক্ত হিসেবে সে আসার কথা, যেহেতু তিনি বাংলাদেশে দণ্ডিত। এই অবস্থায় ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলা দরকার।'

এক্সট্রাডিশন অঙ্গীকারের বিষয়েও তিনি মন্তব্য করেন, 'এক্সট্রাডিশন চুক্তির বিষয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এটি নিয়ে অনেক কথাবার্তা অতীতে হয়েছে। আমাদের সঙ্গে ভারতের যে বন্দি বিনিময় চুক্তি রয়েছে, সেটি প্রসঙ্গ আরেকটি বিষয়।'

এদিকে, রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত একটি ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র শহীদুল করিম বলেন, 'আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি—শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের প্রত্যর্পণে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের আমাদের হাতে তুলে দিতে। আমরা তাদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।'

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পেনে মরক্কোর অভিবাসীদের বিক্ষোভ, ‘মরতে রাজি, তবু দেশে ফিরব না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৭ এম


স্পেনে মরক্কোর অভিবাসীদের বিক্ষোভ, ‘মরতে রাজি, তবু দেশে ফিরব না’

উত্তর আফ্রিকার ছোট্ট ভূখণ্ড সিউটায় সম্প্রতি প্রবেশ করা শত শত অভিবাসী রবিবার বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।

মরক্কোয় ফেরত না পাঠিয়ে স্পেনে আশ্রয় দেওয়ার দাবিতে তাঁরা একটি জনপ্রিয় সৈকতে এই বিক্ষোভ করেন।

দুই সপ্তাহ আগে মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে প্রায় ৭২ হাজার মানুষ ৮০ হাজার জনসংখ্যার এই ছোট্ট শহরে ঢুকে পড়ে।

পরবর্তী সময়ে বেশির ভাগই স্বেচ্ছায় ফিরে গেলেও এখনো সেখানে ৫ থেকে ৮ হাজার অভিবাসী রয়ে গেছেন। শহরের ধারণক্ষমতা কম হওয়ায় এই অভিবাসীরা এখন এল ট্রাম্পোলিন সৈকত বা শহরের উপকণ্ঠে অত্যন্ত মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।

তাদের লক্ষ্য হচ্ছে—যেকোনোভাবে ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে পৌঁছানো।

মরক্কোর তেতুয়ান থেকে আসা আইয়ুব এলারউদ বলেন, "আমরা সমুদ্রের তীরে ঠান্ডা আর দুর্গন্ধের মধ্যে ঘুমাচ্ছি। পুলিশ আমাদের শহরের কেন্দ্রে যেতে দিচ্ছে না।" বিক্ষোভকারীদের হাতে স্পেনের পতাকা এবং ‘আমরা মরক্কো ফিরে যেতে চাই না’, ‘আমরাও মানুষ’-এর মতো ব্যানার ছিল।

তারা ‘আমরা ক্লান্ত’, ‘আমরা সমাধান চাই’ স্লোগান দেন। সৈকতের পাথুরে অংশে কাউকে কাপড় ধুতে আবার কাউকে বাঁশ দিয়ে মাছ ধরতেও দেখা যায়।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফের্নান্দো গ্রান্দে-মারলাস্কা জানিয়েছিলেন, বেআইনিভাবে প্রবেশ করা অভিবাসীদের স্পেনে থাকার বা আইনি বৈধতা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

তবে চরম ঝুঁকিপূর্ণ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হতে পারে।

এদিকে সিউটার চিকিৎসাসেবা চরম সংকটে পড়েছে। মেডিকেল বোর্ডের প্রধান এনরিক রোভিরাল্টা জানান, চিকিৎসাকর্মীরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।

অভিবাসীদের মধ্যে সংক্রামক ডায়রিয়া, চুলকানি এবং মারামারির কারণে জখমের ঘটনা বাড়ছে। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনিকা গার্সিয়া চিকিৎসাব্যবস্থা ভেঙে পড়ার কথা অস্বীকার করলেও চাপের কথা স্বীকার করেছেন।

রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মরক্কোর অভিবাসীরা জানান, দেশে কাজের পরিবেশ ভালো না হওয়ায় এবং কম বেতনের কারণে বাধ্য হয়ে তারা এসেছেন।

৩৯ বছর বয়সী মোহাম্মদ উয়ানজার বলেন, "স্পেনের মাটিতে পা রেখেই মনে হলো নতুন জন্ম হলো। আমি মরতে রাজি, কিন্তু মরক্কো ফিরব না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতালির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের চার মূল্যবান চিত্রকর্ম চুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৫ এম


ইতালির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের চার মূল্যবান চিত্রকর্ম চুরি

ইতালির সিসিলির একটি জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের মূল্যবান চারটি চিত্রকর্ম চুরি হয়েছে। সংস্কৃতিমন্ত্রী আলেসান্দ্রো জিউলি দেশের জনগণকে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। শনিবার রাতে মেসিনার আঞ্চলিক আন্তঃবিভাগীয় জাদুঘর থেকে এসব চিত্রকর্ম চুরি হয়।

চুরি হওয়া চারটি শিল্পকর্মের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে আন্তোনেল্লো দা মেসিনার বিখ্যাত ‘সান গ্রেগোরিও পলিপটিক’-এর তিনটি প্যানেল এবং ‘ম্যাডোনা উইথ চাইল্ড অ্যান্ড ক্রাইস্ট ইন পিয়েতা’র দ্বিমুখী একটি প্যানেল। ইতালীয় সংবাদ সংস্থা আনসার তথ্যের ভিত্তিতে বিবিসি এসব তথ্য জানিয়েছে।

জাদুঘরের পরিচালক মারিসা মারকিউরিও জানিয়েছেন, ধারণা করা হচ্ছে শনিবার স্থানীয় সময় রাত ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ চুরির ঘটনাটি ঘটেছে।

তিনি সংবাদ সংস্থা আনসাকে বলেন, ‘যা ঘটেছে তাতে আমরা স্তম্ভিত। এটিকে ‘জাদুঘর, শহর, সম্প্রদায় এবং শিল্প জগতের জন্য এক বিরাট ক্ষতি।’

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ম্যাডোনা উইথ চাইল্ড অ্যান্ড ক্রাইস্ট ইন পিয়েতা’ নামক চিত্রকর্মটি সরাসরি একটি সুরক্ষিত প্রদর্শন বাক্সের ভেতর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যদিও নিয়ে যাওয়া সমস্ত চিত্রকর্ম কাঠের প্যানেলে থাকায় সেগুলোকে সহজে গুটিয়ে নেওয়া সম্ভব ছিল না।

আন্তোনেলো দা মেসিনা ছিলেন পঞ্চদশ শতাব্দীর একজন চিত্রশিল্পী। তিনি সিসিলিতেই জন্মগ্রহণ ও বেড়ে উঠেছিলেন। পরবর্তীকালে প্রারম্ভিক রেনেসাঁ যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিত্রশিল্পী হিসেবে তিনি খ্যাতি লাভ করেন। ১৪৭৩ সালে তার অঙ্কিত সান গ্রেগোরিও পলিটিচ চিত্রে মা মেরিকে শিশু যিশু খ্রিস্টকে কোলে ধরে থাকতে দেখা যায়। ছবিতে মা মেরির দুই পাশে সেন্ট গ্রেগোরি ও সেন্ট বেনেডিক্টের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন দেবদূত রয়েছেন।

মেসিনার মেয়র ফেদেরিকো বাসিলে বলেছেন, ‘এই জঘন্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে গভীরভাবে ক্ষুব্ধ। মেসিনার সকল মানুষের ঐতিহ্য লঙ্ঘিত হয়েছে। মেসিনা তার ইতিহাস চুরি হতে দেবে না।’

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরুতে পার্মা শহরের নিকটবর্তী একটি জাদুঘর থেকে চুরি হওয়া তিনটি শিল্পকর্ম উদ্ধারের মাত্র কয়েক দিন পরে ইতালিতে এই নতুন চুরির ঘটনা ঘটেছে। সেজান, রেনোয়া এবং মাতিসের আঁকা এই ছবিগুলোর সম্মিলিত মূল্য ছিল ৯ মিলিয়ন ইউরো। একটি দুষ্কৃতকারী দল মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে সেগুলো নিয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলিয়ারচরে খেলার মাঠে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মারামারি; এক যুবক রক্তাক্ত, থানায় লিখিত অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২০ এম


কুলিয়ারচরে খেলার মাঠে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মারামারি; এক যুবক রক্তাক্ত, থানায় লিখিত অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে খেলার মাঠে তর্ক-বিতর্কের জেরে মো. বিজয় মিয়া (২১) নামে এক যুবককে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চার যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যুবকের মা মোছা. পিয়ারা বেগম (৪৫) বাদী হয়ে কুলিয়ারচর থানায় ৪ যুবকের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিজয় মিয়া উপজেলার মাছিমপুর গ্রামের মো. আজিজুল হকের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ আগস্ট শুক্রবার বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের বাজরা খেলার মাঠে খেলা চলাকালীন সময় স্থানীয় মাছিমপুর গ্রামের মৃত আলা উদ্দিনের ছেলে মো. বিনাইন মিয়া (২৩), আ. ছমেদের ছেলে মো. রবিন মিয়া (২১), মো. ঝন্টু মিয়ার ছেলে মো. আশরাফুল মিয়া (২০) ও মো. দেলোয়ার মিয়ার ছেলে মো. নিরব মিয়া (২২) দের সাথে বিজয় মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে মো. রবিন মিয়ার (২১) হুকুমে ও উসকানিতে অন্যরা একজোট হয়ে বিজয়কে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারে। হামলায় তার নাক ও মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা-ফুলা জখম হয় এবং নাক দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

সংবাদ পেয়ে বিজয়ের মা পিয়ারা বেগম ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্ত ৪ যুবক তাকেও অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মামলা-মোকদ্দমা করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসার করান।

এঘটনায় গত ১৫ আগস্ট শনিবার আহত বিজয় মিয়ার মা পিয়ারা বেগম মো. বিনাইন মিয়া (২৩), মো. রবিন মিয়া (২১), মো. আশরাফুল মিয়া (২০) ও মো. নিরব মিয়া (২২) দের বিরুদ্ধে কুলিয়ারচর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের দ্রুত আইনানুগ শাস্তির দাবি জানান।

এব্যাপারে কুলিয়ারচর থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন বাদীর লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুত্রবধূর সঙ্গে অভিমানের পর বৃদ্ধের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২১ এম


পুত্রবধূর সঙ্গে অভিমানের পর বৃদ্ধের মৃত্যু

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুত্রবধূর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে অভিমানের পর জসিম উদ্দিন (৭০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

জসিম উদ্দিন সদর উপজেলার তালশহর পূর্ব ইউনিয়নের অষ্টগ্রামের বলা গাজী বাড়ির মৃত ইদ্রিস মিয়ার ছেলে। পরিবারের সদস্যরা জানান, অভাবের কারণে তিনি অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, রোববার ভোরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে পুত্রবধূর সঙ্গে অভিমানের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের দাবি, ঘটনার আগে জসিম উদ্দিন একটি চিরকুট লিখে গেছেন। এতে পারিবারিক বিরোধের কথা উল্লেখ ছিল। তবে চিরকুটের বক্তব্যের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিষয় নিয়ে অভিমানের কারণে ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। ময়নাতদন্ত শেষে রোববার সন্ধ্যায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%