মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি
১০:৪৭ এম
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার মারিশ্যা-দিঘিনালা সড়কের নালকাটাছড়া অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, সিগারেট ও কসমেটিকস সামগ্রী উদ্ধার করেছে মারিশ্যা ব্যাটালিয়ন (২৭ বিজিবি)।
মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত আনুমানিক ১১টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং ২৭ বিজিবির অধিনায়কের নির্দেশনায় সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে। বিজিবি জানায়, টহল দলের উপস্থিতি জানতে পেরে চোরাকারবারিরা দুটি মোটরসাইকেলে বহন করা দুটি প্লাস্টিকের বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় বিদেশি মদ, ESSE Lights ব্র্যান্ডের সিগারেট এবং বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ১২ বোতল বিদেশি মদ, ৩৯ কার্টন (৩৯০ প্যাকেট) বিদেশি সিগারেট, ১৮০ প্যাকেট শ্যাম্পু, ১৫টি সাবান, ৪টি টুথপেস্ট, ৫ বৎল কমফোর্ড এবং ২৪টি ফেস পাউডার। উদ্ধারকৃত মালামালের মোট সিজার মূল্য ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭২০ টাকা।
মারিশ্যা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, পিএসসি বলেন, "মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।" সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং আভিযানিক টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি মারিশ্যা এলাকাকে মাদক ও চোরাচালানমুক্ত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, মাদক উদ্ধার এবং অপরাধ দমনের লক্ষ্যে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) একটি চিরুনি অভিযান পরিচালনা করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আলাদা অভিযানে মোট ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, এর মধ্যে ৬৬ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আজ বুধবার (১০ জুন) বিএমপির মিডিয়া সেল থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, বিএমপি কমিশনারের নির্দেশনায় ৯ জুন ভোর থেকে শুরু হওয়া অভিযানে মেট্রোপলিটন পুলিশের ৪টি থানার পাশাপাশি গোয়েন্দা (ডিবি) শাখার বিশেষ টিম কাজ করে।
আদেশ অনুযায়ী অভিযানের সময় পুলিশের হাতে এসেছে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত ২৩ জনের মধ্যে:
১ জন মাদক ব্যবসায়ী সহ ৬৬ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
বিভিন্ন মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ০৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পূর্ববর্তী ও চলমান বিভিন্ন নিয়মিত মামলায় ০৫ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশ (বিএমপি অ্যাক্ট) অনুযায়ী ০৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এছাড়া অন্যান্য আইন অনুযায়ী আরও ০১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিএমপি মিডিয়া সেল নিশ্চিত করেছে যে, গ্রেফতারকৃত সকল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ প্রশাসন বলেছে যে, বরিশাল মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও অপরাধমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঝটিকা ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলার প্রবেশদ্বার এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী নৌবন্দর বর্তমানে বিভিন্ন সংকটে জর্জরিত হয়ে পড়েছে। নাব্যতা সংকটের পাশাপাশি পর্যাপ্ত জেটির অভাব এবং আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে পণ্য ওঠানো-নামানোর কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
নাব্য সংকটের কারণে বড় পণ্যবাহী জাহাজগুলো সরাসরি বন্দরে ভিড়তে পারছে না। এই কারণে মাঝনদীতে বড় জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করে ছোট লাইটারেজ (হালকা) জাহাজে করে বন্দরে আনতে হচ্ছে। ব্যবসায়ী এবং ঘাট ইজারাদাররা এর ফলে বিশাল অঙ্কের লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন, এবং বন্দরে কর্মরত বহু শ্রমিকের কাজ কমে যাওয়ায় তারা দুরবস্থায় পড়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বন্দর যেমন চট্টগ্রাম, খুলনা ও মোংলা থেকে প্রতিদিন বড় জাহাজগুলো বন্দরে আসে সার, কয়লা, সিমেন্ট, জ্বালানি তেল, চাল ও গমসহ নানা প্রয়োজনীয় দ্রব্য নিয়ে। কিন্তু যমুনা নদীর বিভিন্ন স্থানগুলিতে নাব্য সংকট প্রকট আকার ধারণ করায় বড় জাহাজগুলো বাঘাবাড়ী পৌঁছানোর ক্ষেত্রে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আলম শেখ বলেন, 'সবিস্তারভাবে দেখলে নাব্যতা সংকটের কারণে আমাদেরকে বড় জাহাজগুলো সরাসরি ঘাটে ভিড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে না। দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় সেগুলো আটকে যাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে ছোট লাইটারেজ জাহাজে করে পণ্য বন্দরে আনতে হচ্ছে। এই কারণে পরিবহন খরচ কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়ে গেছে।'
বন্দরটির ইজারাদার আনিছুর রহমান মন্তব্য করেছেন, 'নাব্যতা সংকট এখানে একমাত্র সমস্যা নয়। পর্যাপ্ত জেটি এবং মালামাল নিরাপদে রাখার জন্য শেডের অভাব রয়েছে। পণ্য লোড-আনলোডের জন্য কোন আধুনিক সুবিধার অভাব রয়েছে। এসব কারণে দিন দিন বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সংকুচিত হয়ে পড়ছে। আর কাজ কমে যাওয়ায় বন্দরের হাজার হাজার শ্রমিক বর্তমানে বেকারে সময় কাটাচ্ছেন।' তিনি দ্রুত নৌ-চ্যানেল খনন (ড্রেজিং) এবং বন্দরটির আধুনিকায়নের জন্য জোর দাবি জানান।
বাঘাবাড়ী নৌবন্দরের পোর্ট অফিসার মাহাবুব আলম তায়েব জানিয়েছেন, 'বন্দরটির গুরুত্বকে বিবেচনায় রেখে এটিকে ২য় শ্রেণী থেকে ১ম শ্রেণীতে উন্নত করা এবং সামগ্রিক আধুনিকায়নের জন্য একটি বিশেষ প্রকল্প তৈরির কাজ গুরুত্বপূর্ণভাবে চলছে।'
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এম এ মুহিত বলেছেন, 'বাঘাবাড়ী নৌবন্দরের হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার এবং উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। দ্রুত ড্রেজিং এবং অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু হবে।'
স্থানীয়দের দাবি, ১৬ জেলার সার ও জ্বালানি তেলের মতো স্পর্শকাতর পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাঘাবাড়ী নৌবন্দরটিকে দ্রুত কার্যকর করে এবং আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত ৮ই জুন দৈনিক আগামীর সময় পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় লীড নিউজে "রপ্তানির আড়ালে অর্থ পাচার" শীর্ষক প্রতিবেদনে পার্ট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলমকে নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, সেটির প্রতিবাদে ভৈরব-কুলিয়ারচরের মানুষ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এই ধরনের প্রতিবেদন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত চরিতার্থ ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। অপরদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আগামীর সময়ের এই প্রতিবেদনের তীব্র সমালোচনা করেছেন সাধারণ নেটিজেনরা। তারা মন্তব্য করেছেন, মোঃ শরীফুল আলম একদিনে তৈরি হননি; তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ভৈরব-কুলিয়ারচরের প্রতিটি পরিবারের ঘরের দরজায় যার প্রভাব রয়েছে।
এই পরিবারের প্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে, যার পিতা মরহুম হাজী সিদ্দিক মিয়া কুলিয়ারচরের একজন দানবীর হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। ওই পরিবারের অনুদানের বিশেষ অবদান ভৈরব-কুলিয়ারচরের প্রতিটি জায়গায় রয়েছে। স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, মন্দির ও সামাজিক অনুষ্ঠানগুলো—সব জায়গায় এই পরিবারের অবদান রয়েছে। এই কারণে গত নির্বাচনে ভৈরব-কুলিয়ারচরের সাধারণ মানুষ তাকে বিপুল ভোট দিয়ে জয়লাভ করিয়েছে।
এক প্রতিক্রিয়ায়, ভৈরব পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, মুজিবুর রহমান (ভিপি) মজিবুর জানান, "কিভাবে নিন্দা জানাবো তার কোন ভাষা নেই।" আগামীতে আরও বলেন, "যদি তিনি দুর্নীতি করতেন, ২০১৯ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারই তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করত। বিগত আওয়ামী সরকারের সময় তার বিরুদ্ধে প্রায় ৮০টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে এবং তিনি দীর্ঘ সময় জেলে কাটিয়েছেন। যদি সত্যিকার অর্থে অর্থ পাচার করতেন, তবে বিগত সরকার তাকে রেহায় দিত না। তাছাড়া, তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। বিগত সরকারের আমলে তিনি সিআইপি খ্যাতি লাভ করেছেন।"
কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান জানান, "একজন ত্যাগী জননেতা এবং সাদা মনের মানুষ জনাব শরীফুল আলম (এমপি ও বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী)। দীর্ঘ সতেরো বছর ধরে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী পদক্ষেপ নেয়ার কারণে তিনি বারবার কারাবন্দী হয়েছেন, তবু কখনোই অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি।"
দৈনিক আগামীর সময়ের নিউজটি ভুল তথ্যসমৃদ্ধ এবং ত্রুটিপূর্ণ। প্রথমত, ইসলামি ব্যাংক মতিঝিল শাখার কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য নেই। দ্বিতীয়ত, বিএফআইইউ এর তদন্ত কর্মকর্তার কোনো বক্তব্য নেই। তৃতীয়ত, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, জনাব শরীফুল আলম সাহেবের (এমপি) প্রতিমন্ত্র বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে সরাসরি কোনো বক্তব্য নেওয়া হয়নি। আমি মনে করি, তিনি ভৈরব-কুলিয়ারচর ও কিশোরগঞ্জ জেলার জনগণের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাই একটি কুচক্রীমহল ঈর্ষান্বিত হয়ে তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও সুনামকে কুলষিত করার হীন চেষ্টা করছে। আমি কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এছাড়াও, দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ৭১ টিভির মালিকানাধীন দৈনিক পত্রিকা আগামীর সময়ের রিপোর্টের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ভেতরে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে পংকজ শীল (৩৫) নামে একজন যুবক নিহত হন। এই ঘটনায় তিলক শীল (৩৫) নামে আরো একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ৯টার সময় উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের চক্রশালা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত পংকজ শীল ওই এলাকার মিলন শীলের ছেলে, এবং আহত তিলক শীলও এই এলাকাতেই বাস করে।
স্থানীয় সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, রাতের সময় বোরকা পরিহিত একজনসহ তিনজনকে রাস্তার পাশে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করতে দেখা যায়। সেই সময় পংকজ শীল এবং তিলক শীল তাদের পরিচয় জানতে চাইলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে, দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। ফলে উভয়ই গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে, পথিমধ্যে পংকজ শীল মারা যান। আহত তিলক শীলকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর, তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
এই ঘটনার পরে স্থানীয়রা আবিদুল ইসলাম (৩৫) নামে একজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। জানা গেছে, তার বাড়ি গাইবান্ধা জেলায়।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আটক ব্যক্তিকে স্থানীয়দের দ্বারা জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্য জড়িতদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ