শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:১৭ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরিয়ার বিভিন্ন প্রদেশে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে চারটি শিশু রয়েছে। আলজাজিরা জানায়, দেশটির উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
সিরিয়ার জরুরি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাক্কা ও দেইর আজ জোর প্রদেশের বিভিন্ন জলাশয়ে ডুবে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া, পশ্চিম রাক্কার গ্রামীণ এলাকায় আল-সালমানি সেতুর কাছে বন্যার পানিতে গাড়ি আটকে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে।
দেশজুড়ে প্রবল বৃষ্টিপাত ও ঝড়ের মধ্যে আরো পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুটি শিশু রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চার শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থী নেপালে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম সাওরাহা ইন্টারন্যাশনাল ওপেন তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের জন্য যাচ্ছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছেন শরীরচর্চা ও শিক্ষা বিভাগের উপপরিচালক এবং তায়কোয়ানডো কোচ কামরুজ্জামান চঞ্চল।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তারা নেপালের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
৩০ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত নেপালের চিতওয়ান জেলার সাওরাহায় এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড়রা কিয়োরুগি (ফাইট) এবং ব্যক্তিগত পুমসে (কৌশল প্রদর্শনী) বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মো. শাহীন আলী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সাবাহ কানেতা তারিক, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের কামরুজ্জামান এবং শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মরিয়ম। তাদের মধ্যে সাবাহ কানেতা তারিক ব্যক্তিগত পুমসে বিভাগে, মো. শাহীন আলী পুমসে ও কিয়োরুগি উভয় বিভাগে এবং কামরুজ্জামান ও মরিয়ম কিয়োরুগি বিভাগে অংশগ্রহণ করবেন।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মো. শাহীন আলী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন এবং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায়ও স্বর্ণপদক জিতেছেন। তিনি আন্তঃবিভাগীয় প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক অর্জন করে টানা দ্বিতীয়বার গ্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। শাহীন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো ক্লাবের সভাপতি।
সাবাহ কানেতা তারিক প্রথম আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। এছাড়া ২২তম সিনিয়র/জুনিয়র জাতীয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় রৌপ্যপদক এবং আন্তঃবিভাগীয় প্রতিযোগিতায় স্বর্ণ, রৌপ্য ও তাম্রপদক অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো ক্লাবের সহসভাপতি।
মরিয়ম জাতীয় পর্যায়ে ব্রোঞ্জ ও রৌপ্যপদক এবং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের আন্তঃবিভাগীয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায়ও তিনি স্বর্ণপদক জিতেছেন। বর্তমানে তিনি ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অন্যদিকে, কামরুজ্জামান প্রথম আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। ২২তম সিনিয়র/জুনিয়র জাতীয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় তিনি তাম্রপদক এবং আন্তঃবিভাগীয় প্রতিযোগিতায় রৌপ্য ও তাম্রপদক অর্জন করেছেন। কামরুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো ক্লাবের প্রচার সম্পাদক।
দলের সঙ্গে যাওয়া কোচ কামরুজ্জামান চঞ্চল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো ক্লাবের তায়কোয়ানডো বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরচর্চা ও শিক্ষা বিভাগের উপপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তার দক্ষিণ কোরিয়ার কুক্কিওয়ান স্বীকৃত পঞ্চম ডান ব্ল্যাক বেল্ট এবং জিদোকওয়ান স্বীকৃত ষষ্ঠ ডান ব্ল্যাক বেল্ট রয়েছে।
এছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রিদওয়ান তাসকিন রাতুল। ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি তায়কোয়ানডো ফেস্টিভ্যালে তিনি রৌপ্যপদক অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহীর এআরসি গ্লোবাল তায়কোয়ানডো অ্যাকাডেমির প্রধান প্রশিক্ষক। তার দক্ষিণ কোরিয়ার কুক্কিওয়ান ও জিদোকওয়ান স্বীকৃত দ্বিতীয় ডান ব্ল্যাক বেল্ট রয়েছে।
এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিযোগীরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করার পাশাপাশি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক ও বর্তমান অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যুক্ত হয়েছেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে বগুড়া জেলা কার্যালয়ে নতুন নেতাকর্মীরা জাতীয় ছাত্রশক্তির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী এ এম জেড শাহরিয়ার জুহিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
যোগদানকারীদের মধ্যে বগুড়া শহর জোনের ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি এবং জামায়াতের যুব বিভাগের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হাফেজ গোলাম কিবরিয়া অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া, মো. আহসান হাবিব, আসিফ মাহমুদ, মো. শাওন ও মিনহাজুল আবেদিনসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী এই তালিকায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ ছাত্রশিবিরের সাবেক দায়িত্বশীল, কেউ সদস্য এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
যোগদানকারী হাফেজ গোলাম কিবরিয়া জানান, তাদের সঙ্গে মোট ৮০ জন নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ১০ জন। বাকিরা উপস্থিত না থাকলেও তারা দলটিতে যুক্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
হাফেজ গোলাম কিবরিয়া বলেন, "আমি ব্যক্তিগত ইচ্ছায় এনসিপিতে যোগদান করেছি। আমার মনে হয়েছে, এই রাজনৈতিক ধারার সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরো ভালো কিছু করা সম্ভব। সামনে থেকে এনসিপিকে এগিয়ে নিতে এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে আমি কাজ করতে চাই।"
তিনি আরো বলেন, "আমি বগুড়া শহর শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ছিলাম এবং জামায়াতের সঙ্গেও যুক্ত ছিলাম। তবে এখন সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায় এনসিপিতে যোগ দিয়েছি।"
অনুষ্ঠানে জাতীয় ছাত্রশক্তির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ এম জেড শাহরিয়ার জুহিন বলেন, "ছাত্র-জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক জাতীয় নাগরিক পার্টি। বগুড়ার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই দলটিতে আস্থাশীল হয়ে যোগ দিচ্ছেন। নতুন নেতাকর্মীদের স্বাগত জানাতে পেরে তারা আনন্দিত।"
তিনি বলেন, "নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে এনসিপি কাজ করছে। দেশের মানুষ পুরোনো ধারার গতানুগতিক রাজনীতির পরিবর্তে নতুন ধারার রাজনীতি প্রত্যাশা করছে। এনসিপি সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।"
তিনি আরো জানান, এনসিপি মনোনীত বগুড়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। নবাগত নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আগামী নভেম্বরের মধ্যে বগুড়া জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে দলের কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে ওয়ার্ড পর্যায়েও এই সাংগঠনিক কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একসময় বঙ্গোপসাগরে যাদের নাম শুনলে আতঙ্কিত হতেন জেলেরা, সেই জলদস্যুদের অনেকেই এখন স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন। যে হাতে একসময় ছিল অস্ত্র, সেই হাতে এখন কেউ ধরছেন দিনমজুরের কোদাল, কেউ চালাচ্ছেন গাড়ি। অন্ধকার জগৎ ছেড়ে আলোর পথে ফেরার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেও আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি মিলছে না তাদের। অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণের কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও মামলার বোঝা ও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ২১৭ সাবেক জলদস্যুর জীবন।
জানা যায়, আত্মসমর্পণের পর তাদের অনেকেই সমাজের মূলধারায় ফিরেছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন জনগণের ভোটে জনপ্রতিনিধিও নির্বাচিত হয়েছেন। কেউ ব্যবসা করছেন, কেউ দিনমজুরি করে পরিবারের ভরণপোষণ করছেন। তবে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে একের পর এক মামলা। একেকজনের বিরুদ্ধে ১০ থেকে ৫০টি পর্যন্ত মামলা রয়েছে। জীবিকার তাগিদে কাজ করবেন, নাকি মামলার হাজিরা দিতে আদালতে যাবেন—এমন সংকটে পড়েছেন তারা। মাসের ১৫ থেকে ২০ দিন পর্যন্ত আদালতে যাতায়াত করতে হচ্ছে অনেককে। এতে কাজ হারানোর পাশাপাশি আর্থিক সংকটে পড়ছে তাদের পরিবার। অর্থাভাবে নিয়মিত হাজিরা দিতে না পারায় অনেকের পলাতক আসামি হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।
আত্মসমর্পণের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে হত্যা ও ধর্ষণ মামলা ছাড়া অন্যান্য সাধারণ মামলা পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে সাবেক জলদস্যুদের অভিযোগ, বাস্তবে সেই আশ্বাসের প্রতিফলন ঘটেনি।
এই আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন সাংবাদিক মীর মো. আকরাম হোছাইন। ২০১৪ সাল থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগরের গভীরে জলদস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগ ও মধ্যস্থতা করেন তিনি। তার দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চার ধাপে ৪৬টি দস্যু বাহিনীর ২১৭ জন সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় তারা জমা দেন দেশি-বিদেশি ৪২৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ হাজার ২৫১ রাউন্ড গুলি এবং অস্ত্র তৈরির একটি লেদ মেশিন।
সাংবাদিক আকরাম হোছাইনের মতে, ‘শুধু আইন প্রয়োগ করে অপরাধের মূলোৎপাটন সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন মানবিক পুনর্বাসন।’ তিনি জলদস্যুদের পেছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টিও তুলে ধরেছেন। তার অভিযোগ, যুগের পর যুগ ক্ষমতার পালাবদলে অসাধু রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের স্বার্থে এসব মানুষকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করেছেন। জলদস্যুরা আত্মসমর্পণ করলেও তাদের পেছনের মূল হোতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আত্মসমর্পণের পর স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ তৈরি হলেও মামলার চাপ ও জীবিকার অনিশ্চয়তা সেই পথ কঠিন করে তুলছে। দিনমজুরি করে সংসার চালানো একজন মানুষকে মাসের অর্ধেক সময় আদালতে কাটাতে হলে তার পরিবারের ওপরও চাপ তৈরি হয়। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আইনি জটিলতা নিরসন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না হলে তাদের কেউ কেউ আবার পুরোনো অপরাধজগতে ফিরে যেতে পারেন। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে উপকূলের জেলে ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা আবারও হুমকির মুখে পড়তে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ