০৬:৩২ পি.এম
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রকাশিত ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ছয়জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আনন্দের একটি স্বস্তিদায়ক পরিবেশ বিরাজ করছে।
রোববার (২৮ জুন) পিএসসির প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবারের বিসিএসে সারা দেশে মোট ১ হাজার ৫২১ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৩২০ জন বিভিন্ন ক্যাডার এবং ২০১ জন নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ পেয়েছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে ছয়জন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্যাডারে সাফল্য লাভ করেছেন।
সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৪–১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী পাপ্পু সরকার সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এক্ষেত্রে একই শিক্ষাবর্ষের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী রনি দাস কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ ক্যাডারে সুপারিশ লাভ করেছেন।
আরও পড়ুন: মাদক সংশ্লিষ্টদের প্রতি কঠোর বার্তা দিলেন মির্জা ফয়সল
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রথম ব্যাচ এবং ২০১৫–১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী কাজী নিহাল হাসনাইন পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এক্ষেত্রে একই শিক্ষাবর্ষের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী আসগর আলী সামিম সাধারণ শিক্ষা (ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং) ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন।
এছাড়া গণিত বিভাগের ২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজিদ শান্ত বাংলাদেশ প্রশাসন ক্যাডারে এবং ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শারমিন বৃষ্টি শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সাফল্যের অনুভূতি প্রকাশ করে পাপ্পু সরকার বলেন, প্রতিটি অর্জনই আনন্দের। তবে ৪৭তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় সেই আনন্দ যেন আরও দ্বিগুণ হয়ে গেছে। বর্তমানে আমি কিশোরগঞ্জে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত আছি। সারাদিনের কর্মব্যস্ততার শেষে এমন একটি সুখবর আমার জন্য সত্যিই অনেক ভালো লাগার এবং অনুপ্রেরণার।
অন্যদিকে আসগর আলী সামিম বলেছেন, এই অর্জন আমার কাছে কোনো গন্তব্য নয়, বরং নতুন দায়িত্বের সূচনা। প্রতিটি ব্যর্থতা আমাকে আরও ধৈর্যশীল, আত্মবিশ্বাসী ও পরিশ্রমী হতে শিখিয়েছে, যা আজকের এই সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করেছে। যারা বিসিএস বা অন্য কোনো স্বপ্নের জন্য লড়াই করছেন, তাদের বলব নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন, নিয়মিত পরিশ্রম করুন এবং ধৈর্য হারাবেন না। সাফল্য কখনো একদিনে আসে না; ধারাবাহিক চেষ্টা, সঠিক পরিকল্পনা এবং মহান আল্লাহর ওপর ভরসাই একজন মানুষকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। মহান আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আমাকে সবসময় ন্যায়, সততা ও জনকল্যাণের পথে পরিচালিত করেন এবং দেশ ও মানুষের জন্য কল্যাণকর কাজ করার তাওফিক দান করেন।
আরও পড়ুন: তরুণদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন