ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মীরসরাইয়ে দুর্ঘটনাকবলিত ফুটবলার ইমাম হাসানের পাশে ফখরুল ইসলাম খান সিআইপি


মীরসরাইয়ে দুর্ঘটনাকবলিত ফুটবলার ইমাম হাসানের পাশে ফখরুল ইসলাম খান সিআইপি

ফুটবল খেলতে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন চট্টগ্রাম মীরসরাইয়ের জনপ্রিয় ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও উদীয়মান ফুটবলার ইমাম হাসান।

গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা এই ক্রীড়াবিদে পাশে এবার চিকিৎসার মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব ফখরুল ইসলাম খান সিআইপি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি একটি ফুটবল ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময় ইমাম হাসান মারাত্মক দুর্ঘটনার মুখোমুখি হন।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে আ.লীগ নেতাকর্মীদের স্লোগান, কালকিনি-ডাসারে আলোচনা

এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় তাঁকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

যেভাবে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা তাঁর পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল, বিষয়টি ফখরুল ইসলাম খানের নজরে আসে।

খবর পাওয়ার পরপরই তিনি ইমাম হাসানের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।

ফখরুল ইসলাম খান সিআইপি-র এই সময়োপযোগী ও মানবিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইমাম হাসানের পরিবার, স্থানীয় ক্রীড়ামোদীরা এবং মীরসরাইয়ের সর্বস্তরের জনসাধারণ।

আরও পড়ুন: পোরশায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় নারীদের মাঝে ৩৬টি শাড়ি বিতরণ করেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদ পোরশা উপজেলা শাখা।

প্রতিক্রিয়ায় স্থানীয়রা জানান, সমাজ ও ক্রীড়াঙ্গনের যেকোনো বিপদে ফখরুল ইসলাম খান সবসময়ই নিরবচ্ছিন্নভাবে মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন।

তাঁর এই সাহায্য ইমাম হাসানের দ্রুত সুস্থতার পথকে সুগম করবে বলে তারা আশা ব্যক্ত করেন।

এদিকে, মীরসরাইয়ের ক্রীড়াঙ্গনের প্রিয় মুখ ইমাম হাসানের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

আরও পড়ুন: সোনারগাঁয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে গাছ লাগানো যথেষ্ট হবে না; নদী, খাল, ড্রেন এবং রাস্তা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি সামাজিক পরিবেশ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী সুনিশ্চিত করতে সকলকে এই পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

আজ (রোববার) রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ডিএসসিসির ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের বড়গ্রাম ব্যাটারিঘাট সড়ক ও বুড়িগঙ্গা নদীসংলগ্ন এলাকায় ‘বৃক্ষবৃত্তি ও সবুজ নগর গঠন’ কর্মসূচির আওতায় ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্বোধন অনুষ্ঠান চলাকালে তিনি এ বক্তব্য দেন। ডিএসসিসির আয়োজনে এবং প্লান্ট স্কলারের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দায়িত্ব নেওয়ার আগ থেকেই পরিবেশ সুরক্ষায় গাছ লাগানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে আসছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, আগামী পাঁচ বছরে পুরো দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। সুন্দরবনের মতো, যা ঘূর্ণিঝড়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উপকূলীয় অঞ্চলকে রক্ষা করে, তেমন ভাবে সারা দেশে বৃক্ষরোপণ করা হলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের প্রতি নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

আবদুস সালাম আরও জানিয়েছেন, নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য আগামী শুষ্ক মৌসুমে বুড়িগঙ্গা নদীর চ্যানেল খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ড্রেন এবং নদীতে পলিথিন ও বর্জ্য ফেলা না করার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা আবশ্যক। একটি স্বাস্থ্যবান ও সুন্দর নগর গড়ে তুলতে সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত জরুরী।

কামরাঙ্গীরচরের অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যানবাহন পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকায় প্রবেশের সুবিধার্থে কামরাঙ্গীরচর এলাকায় আট লেনের সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। চলতি অর্থবছরে এ প্রকল্পে ২৩৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির ৪৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হবে।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ।

অনুষ্ঠানে বক্তাগণ বৃক্ষরোপণ, নদী রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ইসলামিক ন্যাটো’ বদলে দিতে পারে মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


‘ইসলামিক ন্যাটো’ বদলে দিতে পারে মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা ভাবনা

নিজেদের সুরক্ষার জন্য সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো এতদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই নির্ভর করতো। কিন্তু ৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইরান যুদ্ধ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে বুঝিয়ে দিয়েছে যে এ নির্ভরতা আসলে ফাঁকা বুলি।

বরং অতিরিক্ত যুক্তরাষ্ট্র নির্ভরতা এবং সংশ্লিষ্টতার কারণেই তারা বারবার ইরানের হামলার শিকার হচ্ছে। ইরান সমর্থিত হুতিদের অন্যতম টার্গেটও সৌদি আরব। তারচেয়ে বড় কথা হলো, হরমুজ প্রণালী প্রায় বন্ধ থাকায় তেল সরবরাহ কমে যাওয়ায় সৌদি আরবের আয়েও বড় ধাক্কা লেগেছে। ইরান যুদ্ধ আসলে সৌদি আরবের এতদিনের নিশ্চিন্তিকেই দুশ্চিন্তায় পরিণত করেছে।

সৌদি আরবকে বদলে দিতে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা 'ভিশন ২০৩০'কেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে ইরান যুদ্ধ।

অর্থ এবং যুক্তরাষ্ট্র কোনোটাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না, এটা বুঝে যাওয়ার পর সৌদি আরব নিজেদের সুরক্ষায় বিকল্প ভাবনা শুরু করে। সে ভাবনারই ফল হলো নতুন ইসলামী প্রতিরক্ষা জোট। গত শুক্রবার পবিত্রভূমি মক্কায় সৌদি আরব, পাকিস্তান এবং তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে নতুন এই প্রতিরক্ষা জোট।

ন্যাটো স্টাইলে গঠিত এই জোটটি বলা হচ্ছে 'ইসলামিক ন্যাটো'। নতুন জোটের তিন দেশই মুসলিম বিশ্বের তিনটি শক্তিশালী ও প্রভাবশালী দেশ। সামরিক সক্ষমতায় কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও সৌদি আরবের আছে অঢেল অর্থ। আর ন্যাটো জোটে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই সামরিক সক্ষমতায় তুরস্কের অবস্থান। পাকিস্তান হলো মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তির অধিকারী।

আর্থিক ও সামরিক সক্ষমতা মিলিয়ে নতুন এই জোট মুসলিম বিশ্বে নিরাপত্তা ভাবনায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে। পরিবর্তন আসবে বৈশ্বিক ভাবনায়ও। যখন ইসরায়েল পুরো অঞ্চলে তার সামরিক প্রভাব বিস্তার করছে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে রিয়াদয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই এই জোট আঞ্চলিক সম্পর্কেও নতুন মেরুকরণ আনতে পারে।

মক্কা চুক্তির প্রধান অঙ্গীকার হলো- তাদের যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই অঙ্গীকার পাকিস্তান ও তুরস্ককে এমন একটি যুদ্ধের মধ্যে টেনে আনতে পারে, যা তারা এ পর্যন্ত বেশ সতর্কতার সাথে এড়িয়ে চলছিল। তিন দেশের পক্ষ থেকে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক যৌক্তিকতা হলো যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধকে শক্তিশালী করা এবং তিনটি রাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিকের আরও উন্নতি করা। জোটের তিনটি দেশই সুন্নী নেতৃত্বাধীন। তাদের প্রাথমিক মূল লক্ষ্য হচ্ছে যে শিয়া নেতৃত্বাধীন ইরান, তা নিয়ে কারোই কোনো সন্দেহ নেই।

কিন্তু এ জোটের মানেই যে পাকিস্তান ও তুরস্ক ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে, এই বিষয়টি এমনও নয়। বরং পাকিস্তান আর তুরস্ক ইরান যুদ্ধ বন্ধে দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে। সৌদি আরবের যুবরাজ সালমান নিজেও হামলা থেকে বিরত থাকতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছেন। পাকিস্তান ও তুরস্ক উভয়ের সাথেই ইরানের সীমান্ত রয়েছে এবং এই সংঘাত যাতে আরও ছড়িয়ে না পড়ে তা ঠেকানোর জন্য উভয় দেশেরই জোরালো কারণ রয়েছে। পাকিস্তানকে তার দেশের বড় আকারের শিয়া জনগোষ্ঠী এবং তেহরানের সঙ্গে তার সংবেদনশীল সম্পর্ক সামাল দিতে হবে। অন্যদিকে, তুরস্ক ও ইরান অঞ্চলের অন্যান্য জায়গায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদ নিয়ে উভয়েরই সাধারণ উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাৎক্ষণিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া হতেই নতুন এই জোটের আশু লক্ষ্য নয়। নিজেদের সক্ষমতাকে বাড়িয়ে ইরানের দিক থেকে আক্রমণের হুমকি কমিয়ে রাখতেই নতুন এই জোটের যাত্রা।

তুরস্কের একজন কর্মকর্তা সিএনএন-কে জানিয়েছেন, এই জোট কোনো নির্দিষ্ট পক্ষকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। পাশাপাশি সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও স্পষ্টভাবে বলেছে যে, এটি কোনো সামরিক অক্ষ বা কোনো উপদলীয় ব্লক তৈরির প্রচেষ্টা নয়। তুরস্কের ওই কর্মকর্তা আরও যোগ করেন, অন্যান্য আঞ্চলিক দেশগুলোও এতে যোগ দিতে পারে, যা ন্যাটো-র মতোই এই জোটে নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলেছে।

এই জোট নিয়ে ইরানের সন্তুষ্ট হওয়ার কোনো কারণ নেই। নিজেদের অসন্তোষ গোপনও করেনি ইরান। ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির সদস্য ইব্রাহিম রেজায়ি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ লিখেছেন, 'সৌদিদের বোঝা উচিত, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সাথে একটি কাগজের চুক্তি তাদের নিরাপত্তা এনে দেবে না। ঠিক যেভাবে আমেরিকানদের ওপর দশকের পর দশক ধরে একতরফা নির্ভরতাও ব্যর্থ হয়েছে।'

মুখে যাই বলুক, নতুন এই জোটের ফলে ইরানের নেতৃত্বের কপালে দুশ্চিন্তার ভাজের সংখ্যা আরো বাড়বে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এখন সৌদি আরবের ওপর হামলার আগে ইরান নিশ্চয়ই নতুন করে ভাববে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতে ইসলামের ৯ দফা দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতে ইসলামের ৯ দফা দাবি

 

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বাবুনগর মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়সভায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ৯ দফা দাবি পেশ করেছে। রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা সাজেদুর রহমান প্রধানমন্ত্রী কাছে লিখিতভাবে এসব দাবি তুলে ধরেন।

হেফাজতে ইসলামের উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মহান আল্লাহ, রাসুলুল্লাহ (সা.), পবিত্র কোরআন ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা রোধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে জাতীয় সংসদে কঠোর ব্লাসফেমি আইন প্রণয়ন করা। এছাড়া কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন পাস না করার দাবি জানানো হয়।

লিখিত দাবিতে আরো উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হুকুমদাতা ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বিগত সরকারের সময়ে আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে করা ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার করে তাদের রাষ্ট্রীয় পুনর্গঠনে অংশীদার করার দাবি জানান।

শিক্ষাসংক্রান্ত দাবির মধ্যে বর্তমান রয়েছে কওমি মাদরাসার ‘দাওরায়ে হাদিস’ ডিগ্রির (মাস্টার্স) সমমানের স্বীকৃতি কার্যকর করা এবং সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে এ ডিগ্রির উল্লেখ রাখা। এছাড়া প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলাম ধর্ম শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানানো হয়েছে।

অন্যান্য দাবির মধ্যে আছে কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা, হিজবুত তাওহিদকে নিষিদ্ধ করা, পার্বত্য চট্টগ্রামে দেশি-বিদেশি মিশনারিদের কথিত ষড়যন্ত্র বন্ধ করা এবং ভারতের মাওলানা সাদ সাহেবের বাংলাদেশে আগমনে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার দাবি। একই সঙ্গে বিশ্ব ইজতেমা উলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে পরিচালনার দাবি জানানো হয়েছে।

মতবিনিময়সভায় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে রবিবার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে হেলিকপ্টারে ফটিকছড়িতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে স্থানীয় প্রশাসন ও মাদরাসার পক্ষ থেকে তাকে অভ্যর্থনা জানান। পরে তিনি বাবুনগর মাদরাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ড শুমারির দায়িত্বে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


ফ্যামিলি কার্ড শুমারির দায়িত্বে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা

কুমিল্লার লালমাইয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা মো. শাহ নেওয়াজ ফ্যামিলি কার্ড শুমারির দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পাওয়া গেছে, শাহ নেওয়াজ উপজেলার বেলঘর উত্তর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি। ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬ কার্যক্রমে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে নির্বাচিতদের চূড়ান্ত তালিকায় অদ্ভুতভাবে ওই ছাত্রলীগ নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবিবার (৯ আগস্ট) বিষয়টি সামাজিকমাধ্যমে প্রচারিত হলে এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬ কার্যক্রমে নির্বাচনকৃতদের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এছাড়া ওই উপজেলায় একই পরিবারে একাধিক সদস্য নিয়োগ দেওয়ার কারণে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। জানা গেছে, গত ২৮ জুলাই লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ফ্যামিলি কার্ড শুমারি তথ্য সংগ্রহকারী নির্বাচন কমিটির সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস দাসের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদনকারীদের ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়। ওই প্রক্রিয়ায় সুপারভাইজার পদে ৮০ জন এবং তথ্য সংগ্রহকারী পদে ৩১৯ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন। উপজেলা প্রশাসনের প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় ছাত্রলীগের ওই সভাপতির নাম দেখে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নির্বাচিতদের তালিকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ওয়ার্ড সভাপতি শাহ নেওয়াজের নাম রয়েছে। একইসঙ্গে একই পরিবারের দুই সদস্য-আয়েশা সিদ্দিকা সাবরিনা ও জুনায়েদ আহমেদ একসঙ্গে নির্বাচিত হওয়ায় এখানেও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম মিঠু মন্তব্য করেছেন, ফ্যামিলি কার্ড শুমারির দায়িত্বে ছাত্রলীগ সভাপতির নাম দেখে আমরা বিস্মিত হয়েছি। তিনি বলেছেন যে, লালমাই উপজেলা প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা চালাচ্ছে। অপরদিকে, লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস দাস জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। আর বলেছেন, ছাত্রলীগ সভাপতিকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। চূড়ান্ত তালিকায় কোন ত্রুটি বা বিচ্যুতি পাওয়া গেলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%