ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ময়লার ঝুড়ি থেকে জর্দার কৌটা, ভেতরে স্বর্ণ-টাকা; ফিরিয়ে দিয়ে প্রশংসিত স্টুয়ার্ড গার্ড


ময়লার ঝুড়ি থেকে জর্দার কৌটা, ভেতরে স্বর্ণ-টাকা; ফিরিয়ে দিয়ে প্রশংসিত স্টুয়ার্ড গার্ড

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রেনের ময়লার ঝুড়িতে উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকার ও টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য মহানগর গোধূলি ট্রেনের স্টুয়ার্ড গার্ড মো. মোশারফ হোসেন প্রশংসিত হয়েছেন। তার সততা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে প্রশংসার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মো. মোশারফ হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কাউতলীর বাসিন্দা। রবিবার (২ আগস্ট) তাকে সততার স্বীকৃতি হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম ফুলের তোড়া দিয়ে সংবর্ধনা দেন। তিনি তাকে উপহার হিসেবে নগদ অর্থও প্রদান করেন এবং সমাজে ভালো কাজের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

এই ঘটনার শুরু ১৫ জুলাই সন্ধ্যায়।

আরও পড়ুন: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে খড়বোঝাই গাড়িতে অগ্নিকাণ্ড

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মহানগর গোধূলি ট্রেনের খাবারের গাড়িতে থাকা এক নারী যাত্রী ময়লার ঝুড়িতে দুটি জর্দার কৌটা ফেলে দেয়। কৌটা দুটি খালি মনে হওয়ায় তিনি সেগুলো ফেলে দেন। পরে জানা যায়, একটি কৌটায় ছিল স্বর্ণের চেইন এবং অন্যটিতে ছিল দুই হাজার টাকা।

নিরাপত্তার কারণে ওই নারী ট্রেনে চলাচলের সময় জর্দার কৌটায় স্বর্ণালংকার ও টাকা রেখেছিলেন। কিন্তু পরে বিষয়টি তার মনে নেই। ট্রেনটি কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানোর পর তিনি সেখানে নেমে বাড়িতে চলে যান। বাড়ি ফিরে তিনি নিজের ভুল বুঝতে পারেন।

এদিকে, ট্রেনে জরিমানা দেওয়ার সময় পাওয়া টিকিটের গায়ে থাকা এক ফোন নম্বরে যোগাযোগ করেন ওই নারী। ফোনে তিনি স্বর্ণালংকার ও টাকা হারানোর ব্যাপারটি জানান। তখন বিষয়টি স্টুয়ার্ড গার্ড মোশারফ হোসেনের দৃষ্টি আকর্শণ করে।

মোশারফ হোসেন বলেন, ‘বুধবার রাতে আম খেয়ে খোসা ময়লার ঝুড়িতে ফেলতে গিয়ে দেখি জর্দার কৌটা দুটি পলিথিনে মোড়ানো। আমার শাশুড়ি জর্দা পছন্দ করেন। তাই আমি কৌটা দুটি রেখে দিই।’

আরও পড়ুন: খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে একই স্থানে ২ দুর্ঘটনায় ৫ প্রাণহানি

তিনি আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে স্বর্ণ ও টাকা হারানো সম্পর্কে ফোন আসলে আমি জানাই, আমি কিছু পাইনি। তখন ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, কৌটায় এগুলো রাখা ছিল। তখন আমি নিশ্চিত করি, কৌটা দুটি আমার কাছে আছে। পরে খুলে দেখি, একটিতে স্বর্ণের চেইন এবং অন্যটিতে দুই হাজার টাকা রয়েছে।’

মোশারফ হোসেন জানান, ‘মহানগর গোধূলি ট্রেনটি রাতে নিশিথা এক্সপ্রেস হয়ে চট্টগ্রামের দিকে ফেরার সময় ভৈরব স্টেশনে যাত্রীর স্বজনের কাছে স্বর্ণের চেইন ও টাকা বুঝিয়ে দিই।’

স্বর্ণালংকার ও টাকা ফেরত পাওয়ার পর ওই যাত্রী ও তার স্বজনরা মোশারফ হোসেনের প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তার সততার জন্য অনেকে প্রশংসা করেন।

আরও পড়ুন: মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক মো. রায়হান নিহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন-সংগ্রামের ফলেই এসেছে ৩৬ জুলাই: পানি সম্পদ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন-সংগ্রামের ফলেই এসেছে ৩৬ জুলাই: পানি সম্পদ মন্ত্রী

পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন-সংগ্রামের ফলস্বরূপ হচ্ছে ৩৬ জুলাই।

তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের ভিত্তি রচিত হয়েছে ১৬ বছরের দীর্ঘ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে।

মন্ত্রী আরও বলেছেন, ছাত্র-শিক্ষক, কবি-সাহিত্যিক, পেশাজীবী এবং সকল শ্রেণী পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধতার সফল সমাপ্তি ঘটে ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে।

আজ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলায় জাগ্রত জুলাই ফোরামের আয়োজনে 'শহীদদের আত্মত্যাগ, আমাদের দায় ও নতুন বাংলাদেশ' শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ আলোচক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

পানি সম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন বিলিয়ে দিয়ে ছাত্ররা আমাদের ঋণী করে গেছেন।

এখন শহীদদের ঋণ পরিশোধের পালা এসেছে। জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মাধ্যমে শহীদদের ঋণ শোধ করতে হবে।

মন্ত্রী আরো উল্লেখ করেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে বিরোধ নয় বরং ভিন্নমতকে শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে আমরা এগিয়ে যেতে চাই।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হচ্ছে গঠনমূলক সমালোচনা করা। জুলাইয়ের প্রশ্নে কোনো আপস নয়। তথাপি তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারের কথা সবাইকে মনে করিয়ে দেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাগ্রত জুলাই ফোরামের আহ্বায়ক আলহাজ্ব আহমেদ জীবন।

অতিথি হিসেবে হাসান আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক, গণঅধিকার পরিষদ, ড. শহীদুল আলম, আলোকচিত্র গ্রাহক ও মানবাধিকার কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে অবসান হলো রুপালি পর্দার যুগের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


রংপুরে অবসান হলো রুপালি পর্দার যুগের

শুক্রবার রংপুরের সর্বশেষ সিনেমা হল শাপলা টকিজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ছবিটি কালের কণ্ঠ থেকে। এই সিনেমা হলে প্রায় অর্ধশতাব্দীর ইতিহাস বিদ্যমান ছিল। এটি উত্তরাঞ্চলের দর্শকদের বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত ছিল। কিন্তু এখন সেটি বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে রংপুরের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি অধ্যায় শেষ হলো।

দীর্ঘকাল ধরে চলা আর্থিক লোকসান, দর্শক সংকট, চলচ্চিত্র ব্যবসায় মন্দা এবং সাম্প্রতিক বিতর্কের কারণে গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সিনেমা হলটির কার্যক্রম বন্ধ করার। এর ফলে বিভাগীয় শহর রংপুরের বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত সর্বশেষ সিনেমা হলটিরও পর্দা নেমে গেল।

রবিবার (২ আগস্ট) সকালে শাপলা টকিজের ব্যবস্থাপক শাহাবুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে লোকসান গুনতে হয়েছে। সিনেমা প্রদর্শন থেকে যে আয় হতো, তা দিয়ে হলভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, কর্মচারীদের বেতনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছিল না। চলচ্চিত্র শিল্পকে টিকিয়ে রাখার আশায় ভর্তুকি দিয়েও শেষ পর্যন্ত আর চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।’

হল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৯৭৮ সালের ১৬ জুন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহে আলম শাপলা টকিজ উদ্বোধন করেন। একই বছর ‘বসুন্ধরা’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনের মধ্যে দিয়ে হলটি যাত্রা শুরু করে। আধুনিক অবকাঠামো, উন্নত শব্দ পদ্ধতি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে এটি অল্প সময়েই উত্তরাঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় সিনেমা হলে পরিণত হয়।

রংপুর ছাড়াও লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী এবং দিনাজপুর থেকে দর্শকরা এখানে সিনেমা দেখতে আসতেন। হলের প্রতিষ্ঠাতা নজরুল ইসলাম মাসুমের পর তার ভাই মিন্টু মিয়া পরিচালনার দায়িত্ব নেন। পরে ব্যবসায় মন্দা দেখা দিলে হলটি ভাড়ায় পরিচালনার জন্য চলচ্চিত্র প্রযোজক কামাল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তবে চলতি সালের ১৯ এপ্রিল হলটির তৃতীয় তলায় বিশেষভাবে নির্মিত একটি কক্ষে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে। পুলিশের অভিযানে সেখান থেকে ৩৭ জন আটক হওয়ার কারণে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। এরপর থেকেই হলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছিল।

স্থানীয়রা অভিযোগ জানিয়েছেন, এরপর থেকে এলাকায় হলটি বন্ধের দাবিও জোরালো হয়েছে। গত সপ্তাহে সর্বশেষ ‘বলব কথা বাসর ঘরে’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনের পর হলটির ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। শুক্রবার সকালে হলের সামনে থাকা ব্যানার খুলে ফেলা হয় এবং ভেতরের আসবাব ও সরঞ্জাম অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।

হলের মালিকপক্ষের প্রতিনিধি সাইদুর রহমান সুমন বলেছেন, ‘ভাড়ায় পরিচালনার সময় হলে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে। এতে আমাদের পরিবারের মান-সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। এই বিষয়ে রংপুর চেম্বারের নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করার পর হলটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

স্থানীয় বাসিন্দা সোহাগ বলেছেন, ‘শাপলা টকিজ শুধু একটি সিনেমা হল নয়, এটি আমাদের বেড়ে ওঠার স্মৃতি। ঈদ বা নতুন সিনেমা মুক্তি পেলেই পরিবারের সাথে এখানে আসতাম। হলটি বন্ধ হওয়ায় রংপুরের সাংস্কৃতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ হয়ে গেল।’

আরেক বাসিন্দা চন্দন বলেছেন, ‘এখনকার প্রজন্ম হয়তো আর বড় পর্দায় বসে সিনেমা দেখার আনন্দ অনুভব করতে পারবে না। সিনেমা হলের পরিবেশটাই ছিল আলাদা।’

সংস্কৃতিকর্মীদের মতে, একটি সিনেমা হল বন্ধ হওয়া কেবল একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সমাপ্তি নয়; এটি একটি শহরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পারিবারিক বিনোদন ও রূপালি পর্দাকেন্দ্রিক সামাজিক জীবনেরও অবসানের প্রতীক। তাই শাপলা টকিজের দরজায় ঝুলে থাকা তালা কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের শেষ নয়, বরং রংপুরের ৪৮ বছরের চলচ্চিত্র ঐতিহ্যের শেষ আলোকরশ্মি নিভে যাওয়ার দুঃখজনক সাক্ষী।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুসারে, এক সময় রংপুরে মডার্ন হল, শাপলা টকিজ, দরদী, ওরিয়েন্টাল, লক্ষ্মী টকিজ, নূর মহল (আকাশ সিনেমা হল), চায়না টকিজ, সেনা হলসহ মোট ১০টি সিনেমা হল ছিল। সময়ের ব্যবধানে টেলিভিশন, স্যাটেলাইট চ্যানেল, ইন্টারনেট ও ওটিটি প্লাটফর্মের প্রসার, দর্শক সংকট এবং ধারাবাহিক লোকসানের কারণে একটি একে একে সব হল বন্ধ হয়ে যায়।

এখন শাপলা টকিজ বন্ধ হওয়ায় রংপুর সিনেমা হলশূন্য শহরে পরিণত হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভালুকায় অটোরিকশা মালিক সমিতির ২২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভালুকা(ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


ভালুকায় অটোরিকশা মালিক সমিতির ২২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মিশুক, বেবিট্যাক্সি, ট্যাক্সিক্যাব ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার জন্য সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির ২২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটির নেতারা উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে কমিটি গঠনের অনুমোদনের কপি হস্তান্তর করেছেন। ময়মনসিংহ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির অধীন ভালুকা শাখার ২২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সমিতির সভাপতি কর্তৃক স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে পূর্ববর্তী উপজেলা কমিটি বিলুপ্ত করে আগামী এক বছরের জন্য নতুন কমিটি অনুমোদন পেয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়ার আগ পর্যন্ত নবগঠিত কমিটিই সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

নবগঠিত কমিটিতে মো. আসাদুজ্জামান সভাপতি, মো. হুমায়ুন কবির হিমন কার্যকরী সভাপতি, মো. মাহবুবুল হাসান (বজলু) সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং শাজাহান মিয়া সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। এ ছাড়া সহ-সভাপতি আরাফাত রাব্বানি, সাংগঠনিক সম্পাদক জহির রায়হান, দপ্তর সম্পাদক কাজী আল আমিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নয়ন মিয়া, কোষাধ্যক্ষ সুরুজ মিয়া, প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম স্বপন, সম্মানিত সদস্য আলামিন শেখ, তোতো পাঠান সহ বিভিন্ন পদে মোট ২২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রবিবার নবগঠিত কমিটির সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাজাহান মিয়া সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ভালুকা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরুজ হোসেন, ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম এবং ভালুকা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খোরশেদ আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা নবগঠিত কমিটির অনুমোদনের কপি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোতে জমা দেন।

সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, অটোরিকশা মালিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং মালিকদের স্বার্থ সংরক্ষণে নবগঠিত কমিটি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চায়। এছাড়া প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিরাপদ, নিয়মতান্ত্রিক ও সেবামুখী পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,০৯৫ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,০৯৫ মামলা

 রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার ৯৫ টি মামলা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়।

আজ ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যটি জানান।

ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১০ টি বাস, ১ টি ট্রাক, ১ টি কাভার্ডভ্যান, ৯ টি সিএনজি ও ৩৪ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮৫ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৭ টি বাস, ৪ টি ট্রাক, ২ টি কাভার্ডভ্যান, ৮ টি সিএনজি ও ৬৯ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১১০ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৯ টি বাস, ১২ টি কাভার্ডভ্যান, ৪৮ টি সিএনজি ও ১০৬ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২১২ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১৩ টি বাস, ৫ টি ট্রাক, ৩ টি কাভার্ডভ্যান, ৫ টি সিএনজি ও ১৪ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৭৩ টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৯ টি বাস, ১০ টি কাভার্ডভ্যান, ২৬ টি সিএনজি ও ৬১ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৮ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১২ টি বাস, ১০ টি ট্রাক, ২৬ টি কাভার্ডভ্যান, ১৫ টি সিএনজি, ৭০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৬৭ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ১৬ টি বাস, ৬ টি ট্রাক, ৯ টি কাভার্ডভ্যান, ৩০ টি সিএনজি ও ৭২ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৮৭ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৬ টি বাস, ৩ টি ট্রাক, ৭ টি কাভার্ডভ্যান, ১৭ টি সিএনজি ও ৩৪ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১০৩ টি মামলা হয়েছে।

এছাড়াও, অভিযানকালে মোট ৩৮৩ টি গাড়ি ডাম্পিং ও ২৬০ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%