বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৪৬ পি.এম
ঢাকার ধামরাইয়ে অভিযান চালিয়ে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর) একটি চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে, যার কাছে ২০০ পিস ইয়াবা ছিল। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ডিবির (উত্তর) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার (২২ জুলাই) রাতে ধামরাই পৌরসভার আমিন মডেল টাউন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি হাবিবুর রহমান বাবু (৩০) ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে আমিন মডেল টাউন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি উত্তরের একটি দল। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাবিবুর রহমানকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার কাছ থেকে তল্লাশি চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ধামরাই থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন থানায় ছয়টি মাদক মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য যোগাযোগ করতে গিয়ে ফিলিস্তিনি মুসল্লিরা মসজিদে প্রবেশ করতে পারেননি। নিরাপত্তার দিক থেকে কর্তৃপক্ষের কারণ দেখিয়ে প্রবেশে বয়সসীমা নির্ধারণ করে ইসরাইলি পুলিশ তাদের প্রবেশে বাধা দেয়। তাই অনেককেই মসজিদের বাইরে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতে হয়েছে। একই সময়ে, ইহুদিদের বার্ষিক শোক দিবস উপলক্ষে ইহুদি দর্শনার্থীদের আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইহুদিদের ধর্মীয় দিবস 'তিশা ব'আভ' উপলক্ষে বুধবার সন্ধ্যা থেকে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে শত শত ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী প্রবেশ করেন।
জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগ জানিয়েছে, ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর পাহারার মধ্যে ২ হাজার ৩০০-এর বেশি বসতি স্থাপনকারী আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। এ সময়, ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরও আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছেন।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, ইসরাইলি বাহিনী আল-আকসার প্রবেশপথে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে। এতে বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি মুসল্লিকে প্রবেশে বাধা দেন, শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে দেন এবং কয়েকজন মুসল্লির ওপর হামলা চালান।
জেরুজালেম গভর্নরেট এক বিবৃতিতে, বেন-গভিরের এই প্রবেশকে ‘বিপজ্জনক উসকানি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাদের অভিযোগ, এটি এমন কর্মকাণ্ডের প্রতি ইসরাইলি সরকারের আনুষ্ঠানিক সমর্থনের সঙ্কেত যা আগে কেবল উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল।
এদিকে, আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইতামার বেন-গভির ২ হাজারের বেশি বসতি স্থাপনকারীর প্রবেশের ঘটনাকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জর্ডান।
জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাষ্ট্রদূত ফুয়াদ মাজালি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ আল-আকসা মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি বিদ্যমান অবস্থার স্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা জেরুজালেমের ইসলামি ও খ্রিস্টিয়ান পবিত্র স্থানগুলোর বিরুদ্ধে চলমান লঙ্ঘন বন্ধে ইসরাইলের ওপর চাপ প্রয়োগ করে।
একই রকম নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, 'এই প্রকাশ্য আগ্রাসনের পরিণতি ভোগ করতে হবে দখলদার ইসরাইল এবং তাদের বসতি স্থাপনকারীদেরই।'
জেরুজালেমের পুরোনো শহরে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদ ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে পরিচিত। একই স্থানে ইহুদিরা তাদের সবচেয়ে পবিত্র ধর্মীয় স্থান মনে করেন। দশকের পর দশক ধরে স্থিতিশীল স্ট্যাটাস কো ব্যবস্থার অধীনে আল-আকসা প্রাঙ্গণের দেখভাল করে জর্ডানের ইসলামিক ওয়াকফ কর্তৃপক্ষ। এই ব্যবস্থায়, ইহুদিরা সেখানে প্রবেশ করতে পারে কিন্তু প্রার্থনা করার অনুমতি নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর এশিয়ান গেমসের ২০তম আসরের পর্দা উঠবে। মর্যাদাপূর্ণ এই ক্রীড়াযজ্ঞে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল দ্বিতীয়বারের মতো মাঠে নামবে। এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল দুই কোরিয়ার গ্রুপে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত হয়েছে নারী ফুটবল ইভেন্টের ড্র। যেখানে ‘বি’ গ্রুপে স্থান পাওয়া লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের লড়তে হবে দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া এবং চেনা প্রতিপক্ষ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে, যারা এশিয়ার শীর্ষ পরাশক্তি।
বাংলাদেশের মেয়েদের এশিয়ান গেমসে অভিজ্ঞতা খুব বেশি দিনের নয়। ২০২২ সালে চীনের হাংজুতে অনুষ্ঠিত আসরে তারা প্রথমবার অংশ নিয়েছিল। সেই সময় গ্রুপ পর্বে তারা তিন ম্যাচে এক ড্র ও দুই পরাজয়ে মিশন শেষ করেছিল।
এবারের আসরে ঋতুপর্ণা-মারিয়া মান্ডাদের সামনে অপেক্ষা করছে একটি আরও বড় পরীক্ষা। গ্রুপ পর্বে তাদের মুখোমুখি হতে হবে এশিয়ার দুই পরাশক্তি—উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার। দক্ষিণ কোরিয়া ১০ বার এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়ে ৩টি ব্রোঞ্জ জিতেছে।
অপরদিকে, উত্তর কোরিয়া টুর্নামেন্টের অন্যতম সফল দল, যাদের রয়েছে ৩টি স্বর্ণপদক। এর আগে, মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে বাংলাদেশের দল উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে হেরেছিল। গ্রুপের অপর দল মিয়ানমারও বাংলাদেশের মতোই এশিয়ান গেমসে একবার অংশ নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল।
এবারের আসরে অংশগ্রহণকারী মোট ১২টি দলকে ৩টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।
গ্রুপ ‘এ’: স্বাগতিক জাপান, চাইনিজ তাইপে, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড।
গ্রুপ ‘বি’: উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মিয়ানমার ও বাংলাদেশ।
গ্রুপ ‘সি’: চীন, ফিলিপাইন, উজবেকিস্তান ও হংকং।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ ১৭ বছরের বিরতি পরে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ইংল্যান্ড সফরে যাচ্ছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক সূচি প্রকাশ করেছে, যেখানে লন্ডনের ঐতিহাসিক লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
শেষ সময়ে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রকাশিত সূচির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২৮ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত লর্ডসে অনুষ্ঠিত হবে ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশের একমাত্র টেস্ট ম্যাচ। এর মাধ্যমে ২০১০ সালের পর এই প্রথম নিজেদের মাটিতে টেস্টে বাংলাদেশের সঙ্গে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড।
সূচি প্রকাশের পর ইসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিচার্ড গুল্ড বলেন, বাংলাদেশ পুরুষ দলকে লর্ডসে টেস্ট ম্যাচের জন্য স্বাগত জানাতে পেরে তারা আনন্দিত। পাশাপাশি বাংলাদেশ নারী দলকেও সাদা বলের সিরিজে স্বাগত জানানো হবে।
এদিকে, একই বছরে ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল যাবে বলেও জানা গেছে। তারা স্বাগতিকদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে।
বাংলাদেশের ইংল্যান্ড সফরের সূচি হলো: ২৮ মে–১ জুন, ২০২৭: একমাত্র টেস্ট, লর্ডস, লন্ডন।
নারী দলের টি-টোয়েন্টি সিরিজ:
৮ সেপ্টেম্বর: প্রথম টি-টোয়েন্টি, নর্থ্যাম্পটন
১০ সেপ্টেম্বর: দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি, টনটন
১২ সেপ্টেম্বর: তৃতীয় টি-টোয়েন্টি, উরচেস্টার
নারী দলের ওয়ানডে সিরিজ:
১৭ সেপ্টেম্বর: প্রথম ওয়ানডে, হোভ
২১ সেপ্টেম্বর: দ্বিতীয় ওয়ানডে, ক্যান্টারবুরি
২৪ সেপ্টেম্বর: তৃতীয় ওয়ানডে, চেমসফোর্ড
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের সায়োটো নদীতে মাছ ধরতে যাওয়ার সময় পাঁচজনের মৃত্যু ঘটেছে। এর কয়েক মিনিট আগে, নদীতে দাঁড়িয়ে থাকা ওই দলের একটি ছবি তুলেছিলেন এক নৌযাত্রী। পরবর্তীতে জানা যায়, সেটিই সম্ভবত তাদের জীবনের শেষ ছবি হয়ে গেছে। এই দুর্ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
মৃতদের মধ্যে দুটি দম্পতি রয়েছেন, যারা চারজনই মধ্য আমেরিকার দেশ হন্ডুরাসের নাগরিক। এর ফলে এক দম্পতির ৮ ও ১০ বছর বয়সী দুই শিশু সম্পূর্ণ এতিম হয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের আর কোনো জীবিত আত্মীয় নেই।
রোববার (১৯ জুলাই) ওহাইওর পাউয়েল এলাকার সায়োটো নদীতে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুসারে, পাঁচ প্রাপ্তবয়স্ক এবং দুই শিশু নদীর তীরে সময় কাটাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে একজন পানিতে নেমে বিপদে পড়লে তাকে বাঁচাতে অন্যরা একে একে নদীতে ঝাঁপ দেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাঁচজনই তলিয়ে যান। উদ্ধারকারীরা সেই দিন দুটি নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেন। পরদিন আরও তিন পুরুষের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার রাতে আনুমানিক ৯টার দিকে, সড়কের ধারে গায়ে কেবল তোয়ালে পেঁচানো এক ভীতিসন্ত্রস্ত শিশুকে দৌড়াতে দেখে এক গাড়িচালক ৯১১-এ কল করে পুলিশকে খবর দেন। শিশুটি পুলিশকে জানায় তার পরিবার নদীতে ডুবে গেছে। উদ্ধারকারীরা নদী থেকে দুটি নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে সোমবার (২০ জুলাই) বাকি তিন পুরুষের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্যমতে, ঘটনার দিন নদীটিতে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে ৩৫০ ঘনফুট হারে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।
দুর্ঘটনার আগে স্থানীয় ব্যাপ্টিস্ট পাদ্রি ও নিয়মিত নৌচালক মার্কাস এল. মার্টিন নদীপথে যাওয়ার সময় দলটিকে কোমরসমান পানিতে মাছ ধরতে দেখেন। নদীর ওই অংশটি হঠাৎ গভীর হয়ে যাওয়া ও তলদেশের ঢাল থাকার কারণে বিপজ্জনক বলে তিনি জানতেন। ফেরার পথে তাদের একই জায়গায় দেখে তিনি একটি ছবি তুলে রাখেন। পরে দুর্ঘটনার খবর জানতে পেরে তার ধারণা হয়, সেটিই হয়তো তাদের জীবিত অবস্থার শেষ ছবি।
মার্টিন জানান, তিনি একসময় তাদের সতর্ক করার ভাবনা করেছিলেন। তবে মাঝখানে একাধিক নৌযান থাকায় ঢেউ তৈরি হওয়ার আতঙ্কে আর এগিয়ে যাননি। পরে ঘটনাটি জানার পর থেকে তিনি মানসিকভাবে ভীষণ ভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন বলেও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানান।
ডেলাওয়্যার কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে একজনকে উদ্ধার করতে গিয়েই ধারাবাহিকভাবে অন্যরাও বিপদে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত সবাই ডুবে যান। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।
হন্ডুরাস সরকার নিশ্চিত করেছে, নিহতদের মধ্যে চারজন দেশটির নাগরিক। তাদের মধ্যে শনাক্ত হওয়া দুজন হলেন ৩৩ বছর বয়সী হোসে মারিও পিনেদা দিয়াস এবং তার ২৮ বছর বয়সী স্ত্রী মারিনা সুয়াপা রেগালাদো। বাকি নিহতদের পরিচয় পরিবারের সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো শেষে প্রকাশ করা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
এই দুর্ঘটনায় এক দম্পতির ৮ ও ১০ বছর বয়সী দুই সন্তান এতিম হয়ে পড়েছে। বর্তমানে তারা ওহাইওর শিশু সেবা বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। হন্ডুরাস সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং শিশুদের ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ