মোঃ শরীফ উদ্দিন : নাসিরনগর প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:০৯ এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার আনন্দপুর-তিলপাড়া সড়কের মধ্যবর্তী ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় একের পর এক ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, যাত্রীদের আটকে ছুরি, দা ও বল্লম দিয়ে আঘাত করে টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। এতে সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ, যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংসদ সদস্য এম এ হান্নান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পরও একই এলাকায় আরও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ ২০ অক্টোবর সকালেও মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রিকশাযাত্রীদের আটকে ছিনতাই, ছুরিকাঘাতে আহত যুবক
গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় কয়েকজন যুবক রিকশায় করে নাসিরনগর থেকে লক্ষ্মীপুর যাওয়ার পথে আনন্দপুর-তিলপাড়ার মধ্যবর্তী ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় দুর্বৃত্তদের কবলে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এক যুবক মোবাইল ফোন দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ওই যুবক এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, অপরাধপ্রবণ এলাকায় দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে উপজেলা প্রশাসনের কয়েকজন সদস্যকে তিলপাড়ার একটি টং দোকানে চা পান করতে দেখেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
এমপির হস্তক্ষেপ, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ
ভুক্তভোগীর ভিডিও বার্তার পর সংসদ সদস্য এম এ হান্নান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বলে ভিডিওতে দেখা যায়। এ সময় তিনি সন্ধ্যায় এমন ঘটনা ঘটায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব পালন যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেন।
এমপি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং সড়কে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন বলে ভিডিও বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে তাঁর কথা বলার কথাও জানানো হয়।
হুঁশিয়ারির পরও ফের ডাকাতির অভিযোগ, আহত দুজন
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর পরের দিন ভোরে ফজরের আজানের সময় একই ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় আরও একটি ডাকাতির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে।
চাপরতলা ইউনিয়নের এক দম্পতি ঢাকায় চিকিৎসকের কাছে গিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁদের সঙ্গে আরও তিনজন যাত্রী ছিলেন। পথে দুর্বৃত্তরা গাড়িটি থামিয়ে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ।
এ সময় একজনকে দা দিয়ে কুপিয়ে এবং আরেকজনকে বল্লম দিয়ে আঘাত করে আহত করা হয় বলে জানা গেছে। অসুস্থ ওই নারীকে গহনার জন্য নির্যাতন ও হেনস্তা করার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশি তদন্তের ফল এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
২০ অক্টোবর সকালে মাছ ব্যবসায়ীদের টাকা-মোবাইল ছিনতাই
সর্বশেষ ২০ অক্টোবর সকাল ৬টার দিকে পূর্বভাগ বাজারের দুই মাছ ব্যবসায়ী মাছ কেনার উদ্দেশ্যে নাসিরনগর মাছের আড়তে যাচ্ছিলেন। পথে তিলপাড়া সড়কে দুর্বৃত্তরা তাঁদের আটকে ১৪ হাজার টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে তাঁদের আহত করে ছেড়ে দেওয়া হয় বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশের বক্তব্য: অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা, অভিযান চলছে
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল আলম বলেন, এসব ঘটনার বিষয়ে তাঁদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, গত সাত দিনে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত সাত থেকে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ডাকাতদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিরাপত্তা জোরদারের দাবি স্থানীয়দের
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আনন্দপুর-তিলপাড়া সড়ক ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, বাড়িঘর ও দোকানপাটে চুরি-ডাকাতির ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত পুলিশি টহল, রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং অভিযোগগুলোর দ্রুত তদন্ত দাবি করেছেন।
তাঁদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে সড়কে যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করবে।
এলাকাবাসির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে—আনন্দপুর-তিলপাড়া সড়কে ডাকাতির অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন। তিনি মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
বিমানবন্দরে তাঁর আগমনের সময় তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন।
তিনি চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত প্রাক্তন সাথী-সদস্য সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার উদ্দেশ্যে এসেছেন।
জামায়াত আমিরের এই সফরকে কেন্দ্র করে সম্মেলনস্থলে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সম্মেলনে তিনি সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, আদর্শিক ও নৈতিক উন্নয়ন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর রেফারির সমালোচনা করার কারণে শাস্তির সম্মুখীন হয়েছেন মিশরের কোচ হোসাম হাসান এবং ফুটবলার মোস্তফা জিকো। হোসামকে ৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যেখানে জিকোকে ৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) এই তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, যা ফিফাকে অবহিত করার পর প্রকাশিত হয়েছে। হোসামের যমজ ভাই এবং মিশর জাতীয় দলের পরিচালক ইব্রাহিম হাসানকেও তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ইএফএ আরও জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তারা ফিফার শৃঙ্খলা কমিটির কাছে আবেদন করেছে। তারা আইনি বিকল্পগুলো পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
মিশরের পরবর্তী দুই ম্যাচ মালইয়ের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হবে। এই দুটি ম্যাচের পাশাপাশি হোসাম আরও একটি ম্যাচে কোচের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। অন্যদিকে, জিকোকে ৫ ম্যাচের জন্য স্কোয়াডের বাইরে থাকতে হবে।
আর্জেন্টিনার কাছে শেষ ষোলোতে মিশর ৩-২ গোলে পরাজিত হয়েছিল। বিদায়ের পর সংবাদ সম্মেলনে ৬০ বছর বয়সী হোসাম হাসান রেফারির ভুল সিদ্ধান্তকে দায়ী করেছিলেন। ম্যাচের ফাউলের কারণে জিকোর একটি গোল বাতিল করা হয়েছিল। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে স্কোর ২-২ থাকাকালীন রেফারি মিশরের খেলোয়াড়দের পেনাল্টির আবেদনে সাড়া দেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হজ অ্যাসোসিয়েশন এজেন্সিস অব বাংলাদেশের (হাব) কর্মকর্তারা বরাবরই নিষেধ করে আসছেন সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য লাইসেন্সবিহীন কোনো এজেন্সির মাধ্যমে। তবুও, লাইসেন্সবিহীন এজেন্সির প্রতারণা থেমে নেই ওমরাহ যাত্রীদের নিয়ে। এমনকি লাইসেন্সধারী এজেন্সিগুলোও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছে।
গত রমজানে, একই পরিবারের ১২ সদস্য ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরব যান। জনপ্রতি এক লাখ ৫৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার পর, মদিনাতে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে তারা দেখতে পান যে, কোনো মোয়াল্লেম তাদের জন্য অপেক্ষা করছে না। এমনকি হোটেলে যাওয়ার জন্য নির্ধারিত ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসও নেই।
কষ্ট করে গাড়ি ভাড়া করে নির্দিষ্ট হোটেলে পৌঁছানোর পর, ওই ১২ জনের চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। ঢাকার এজেন্সি যে হোটেলের ছবি ও ভিডিও দেখিয়েছিল, বাস্তবে তার সঙ্গে কোনো মিল ছিল না।
মদিনায় সাত রাত কাটিয়ে মক্কায় পৌঁছানোর পর, তারা কিছুটা ভালো হোটেল পেতে সক্ষম হন। কিন্তু সেই হোটেলের অবস্থানও পবিত্র কাবা শরীফ থেকে প্রতিশ্রুত দূরত্বের চেয়ে অনেক বেশি ছিল।
ভুক্তভোগী এক নারী জানান, দুর্ভোগ শুরু হয় মদিনা বিমানবন্দরে। সেখানে গিয়ে তারা কোনো যাতায়াতের বাস পাননি। তাদের সাথে যোগাযোগ করার কোনো উপায় ছিল না, যে হোটেল দেখানো হয়েছিল সেটিও তারা পাননি। একেবারে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। সমস্যার কোনো শেষ নেই।
ভুক্তভোগী আরেক পুরুষ বলেন, "আমাদের যে সব কথা বলা হয়েছিল, পুরোটাই ভূয়া ছিল। আমাদের তৃতীয় শ্রেণির এক হোটেলে রাখা হয়েছিল। তাদের (এজেন্সি) কথা ছিল ফাইভস্টার হোটেল দেয়ার। অনেক কষ্টে নিজেদের খুঁজে হোটেল বের করতে হয়েছে। সমস্যার কোনো শেষ ছিল না আমাদের। যে টাকা তারা নিয়েছে, তাতে যে সার্ভিস দেয়ার কথা ছিল, তার কিছুই তারা করেনি।"
এখানেই শেষ নয়। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের মধ্যে একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হওয়ার পরেও যাত্রীদের জোর করে পাঠানো হয় জেদ্দা বিমানবন্দরে। পরে, তারা নিজেদের অন্য বিমানের টিকেট কেটে পরদিন ঢাকায় ফিরে আসেন।
এদিকে, অভিযুক্ত সেই এজেন্সিটি ধানমন্ডি থেকে অফিস গুটিয়ে চলে গেছে। অন্যদিকে, ভাটারা এলাকার আরেকটি প্রতিষ্ঠান দায় স্বীকার করেছে, যারা মিডিয়া হয়ে কাজটি করেছিল।
হাবও ওমরাহ যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণার বিষয়টি জানে। হাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ মজুমদার সময় সংবাদকে বলেন, "লাইসেন্সবিহীন এজেন্সির মাধ্যমে ওমরাহ যাত্রী পাঠানোর সুযোগ রয়েছে। এ কারণে ওইসব এজেন্সির মাধ্যমে মানবপাচার এবং স্বর্ণ চোরাচালানের অভিযোগ রয়েছে। সৌদি আরবে যাওয়া লোকজন বিভিন্ন অপরাধে জড়িত হচ্ছে, ফলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। আমরা সরকারকে অনুরোধ করেছি, যাতে কোনো যাত্রী লাইসেন্সবিহীন কোনো এজেন্সির মাধ্যমে কোথাও যেতে না পারেন, সেটি নিশ্চিত করার জন্য।"
তিনি আরও জানান, কেউ যদি ওমরাহ করতে এজেন্সির দ্বারা প্রতারিত হন, তবে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন হাব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের চলমান হামলার প্রেক্ষিতে সৌদি আরব ‘ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ (এফআইআই) সম্মেলন আগামী এক বছরের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্মেলনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রকাশিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এফআইআই বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে আগামী বছর সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হতে পারে; সেই তারিখ শিগগিরই জানানো হবে।
এফআইআই ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মাহা বিনতে মিশারি আল সৌদ বলেন, "এই সিদ্ধান্ত আমাদের অংশীদার, সদস্য, বক্তা এবং প্রতিনিধিদের প্রতি গভীর অঙ্গীকারের প্রতিফলন।"
তিনি আরও বলেন, "এটি আমাদের দশম আসর। তাই আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, এটি যেন পূর্ণাঙ্গ পরিসর, অসাধারণ গুণমান এবং অবিস্মরণীয় হয়। আমাদের কমিউনিটিও প্রত্যাশা করে আয়োজনটি তেমনি হোক।"
সুইজারল্যান্ডে দাভোসে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলন। সৌদি আরবের বিনিয়োগ সম্মেলনকে সেটার আদলে ‘মরুভূমির দাভোস’ নামে ডাকা হয়।
রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সম্মেলনটি সৌদি আরবের উচ্চাকাঙ্ক্ষী বিনিয়োগ পরিকল্পনাগুলোকে তুলে ধরে। এর মূল লক্ষ্য হলো— তেল আর গ্যাসনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে পর্যটন, খেলাধুলা ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগকে আকর্ষণ করা।
এফআইআই-এর ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনে সম্ভাব্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন অ্যালফাবেট ও গুগলের প্রেসিডেন্ট এবং চিফ ইনফরমেশন অফিসার রুথ পোরাট; গোল্ডম্যান স্যাকস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও ডেভিড সলোমন এবং ব্ল্যাকরকের চেয়ারম্যান ও সিইও লরেন্স ফিঙ্ক।
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকারের সঙ্গে ইরানপন্থি হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে লড়াই তীব্র হয়ে উঠেছে। এই লড়াইয়ে সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোটও হুতিদের বিরুদ্ধে হামলা চালাচ্ছে।
‘আনসার আল্লাহ' নামে পরিচিত হুতিরা সৌদি আরবের সামরিক, জ্বালানি ও বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে। সম্প্রতি রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কয়েক দফা হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত ও তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ