ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইওএম-এর উপমহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইওএম-এর উপমহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) উপমহাপরিচালক উগোচি ড্যানিয়েলস সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে মানব পাচার প্রতিরোধ, নিরাপদ অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর গুলশানে জাতিসংঘ হাউজে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএমের মধ্যে চলমান অংশীদারিত্বের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নিরাপদ, নিয়মতান্ত্রিক ও মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, দীর্ঘ দুই দশক ধরে আইওএম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যতম বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা আরও সুসংহত হবে।

আরও পড়ুন: নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা

বৈঠকে মানব পাচার প্রতিরোধ, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, অভিবাসীদের সুরক্ষা এবং সীমান্ত নিরাপত্তায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মানব পাচার একটি জঘন্য অপরাধ। লোভ, অজ্ঞতা ও অসচেতনতার কারণে অনেক মানুষ এর শিকার হন। এ অপরাধ দমনে সরকার সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে কাজ করছে।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইওএমের কাছে মানব পাচারকারী চক্রের তথ্য রয়েছে কি না জানতে চাইলে সংস্থাটির উপমহাপরিচালক জানান, পাচারকারী চক্র শনাক্তে আইওএম সহায়তা করতে পারে। মানব পাচারের প্রবণতা বিষয়ে আইওএম ও ইন্টারপোলের কাছে তথ্য রয়েছে, যা প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হয়।

উগোচি ড্যানিয়েলস বাংলাদেশের সঙ্গে আইওএমের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের প্রশংসা করে বলেন, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সংস্থাটি প্রস্তুত। তিনি মানব পাচার প্রতিরোধে সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশে পাঁচ দিনের সরকারি সফরের অংশ হিসেবে আইওএমের উপমহাপরিচালক এ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে বাংলাদেশে আইওএমের নবনিযুক্ত মিশন প্রধান ড. লরা টম বন্ডেসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ধর্মীয় উৎসব শিশুদের নৈতিকতা ও আদর্শের শিক্ষা দেয়: ডেপুটি স্পিকার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীছড়িতে ইউএনও হিসেবে যোগদান করলেন মো: রিফাতুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫০ এম


লক্ষ্মীছড়িতে ইউএনও হিসেবে যোগদান করলেন মো: রিফাতুল ইসলাম

খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় মো: রিফাতুল ইসলাম ইউএনও হিসেবে যোগদান করেছেন। তিনি গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যোগদান করেন। ৪ আগষ্ট মঙ্গলবার সকালে মো: রিফাতুল ইসলাম যখন লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা আসেন, তখন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করেন।

পরে নবাগত ইউএনও উপস্থিত সকলের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তিনি একে একে পরিচিত হন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিএনপির নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের সাথে। যোগদানের প্রথম দিনই নবাগত ইউএনও’র কর্মব্যস্ত দিন কাটে। জানা যায়, তিনি ছোট ছোট বৈঠক করার পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে চলমান প্রকল্প ফ্যামিলি কার্ড জরীপের সুপার ভাইজার ও তথ্য সংগ্রকারীর নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা বোর্ডে বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত কাটান। এর আগে মো: রিফাতুল ইসলাম নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

গত ৬ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশক্রমে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তিনি লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে পোষ্টিং নিয়োগ প্রাপ্ত হন। জানা যায়, তিনি ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে ঢাকার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। নবাগত মো: রিফাতুল ইসলামের জন্ম মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলায়। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত ও এক কন্যা সন্তানের জনক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে ৩৭তম বিসিএস-এর মাধ্যমে রাজশাহীতে প্রথম কর্মে যোগদান করেন।

উল্লেখ্য, লক্ষীছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাউছার হামিদ গত ২০ জুলাই ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলায় বদলি হয়েছেন। মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আফরোজ ভূঁইয়া লক্ষ্মীছড়ির উপজেলার ইউএনও হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকেরগঞ্জে রহস্যজনক বিস্ফোরণ: আগুনে দগ্ধ ৩, প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ-পরিত্যক্ত ঘরে বিস্ফোরক এল কীভাবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার বাকেরগঞ্জ (বরিশাল)

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৮ এম


বাকেরগঞ্জে রহস্যজনক বিস্ফোরণ: আগুনে দগ্ধ ৩, প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ-পরিত্যক্ত ঘরে বিস্ফোরক এল কীভাবে?

বরিশালের বাকেরগঞ্জে একটি পরিত্যক্ত ঘরে রহস্যজনক বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন অগ্নিদগ্ধ হওয়ার ঘটনা নতুন করে বিস্ফোরক নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিস্ফোরণের পর শরীরে আগুন ধরে গেলে জীবন বাঁচাতে তারা পাশের পায়রা নদীতে ঝাঁপ দেন। স্থানীয়দের তৎপরতায় উদ্ধার হওয়ার পর তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে মৃত শাহা আলম হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন—মৃত শাহা আলম হাওলাদারের স্ত্রী হনুফা বেগম (৬০), ছোট মেয়ে ইতি আক্তার (১৯) এবং মেজো মেয়ের ছেলে ফাহিম (১৪)।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো সকালে বাড়ির উঠানে হাঁটাহাঁটি করছিলেন হনুফা বেগম, তার মেয়ে ও নাতি। হঠাৎ বাড়ির লাকড়ি রাখার পরিত্যক্ত একটি ঘর থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা তাদের শরীর ও কাপড়ে ছড়িয়ে পড়ে। অসহনীয় যন্ত্রণার মধ্যে আগুন নেভানোর আর কোনো উপায় না পেয়ে তারা দৌড়ে পাশের পায়রা নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে স্থানীয়রা নদী থেকে উদ্ধার করে প্রথমে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. তারিকুল ইসলাম জানান, তিনজনের শরীরের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করে। বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন বলেন, পরিত্যক্ত ঘরে কী ধরনের বিস্ফোরক ছিল, সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারা, কী উদ্দেশ্যে এটি সেখানে রেখেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বরিশাল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আলাউল হাসান। তিনি জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বিস্ফোরকের প্রকৃতি নির্ধারণে ঢাকা থেকে বিশেষজ্ঞ বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে ডাকা হয়েছে। তাদের পরীক্ষার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি কী ধরনের বিস্ফোরক ছিল এবং কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটেছে।

তদন্তের কেন্দ্রে যে প্রশ্নগুলো

ঘটনাটি কেবল একটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিতভাবে রাখা কোনো বিস্ফোরকের বিস্ফোরণ—এ প্রশ্নই এখন তদন্তের মূল বিষয়। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত একটি ঘরে কীভাবে বিস্ফোরকসদৃশ বস্তু এলো, সেটি স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিস্ফোরণটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটেছে, নাকি অন্য কোনো কারণে সক্রিয় হয়েছে—তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বিস্ফোরকের প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার আগে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। ফরেনসিক পরীক্ষা, আলামত সংগ্রহ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য বিশ্লেষণের মাধ্যমেই ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ সম্ভব হবে।

এদিকে আকস্মিক এ বিস্ফোরণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তদন্তে এখন নির্ভর করছে—এটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পেছনে রয়েছে আরও গভীর কোনো রহস্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারামুক্তির পর ফের বেপরোয়া আরমান হোসেন অভি, বাড়ছে অভিযোগের পাহাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ এম


কারামুক্তির পর ফের বেপরোয়া আরমান হোসেন অভি, বাড়ছে অভিযোগের পাহাড়

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী গ্রামের বাসিন্দা আরমান হোসেন অভির (২১) বিরুদ্ধে এলাকায় নতুন করে বিভিন্ন অপরাধমূলক ও উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, কারামুক্তির পর আমির হোসেনের ছেলে অভি ফের নেশাসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড, সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নানা অপরাধমূলক তৎপরতায় জড়িয়ে পড়েছেন। এর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম হায়দার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী নূর হোসেন এবং লতব্দী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ওসমান হারুন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অভির বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিকবার বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, মারধর, চাঁদা দাবি, প্রাণনাশের হুমকি ও অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছিল।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ২০২২ সালে মোহাম্মদ আবিরের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটান তিনি। একই সময়ে আরমান শেখের বাড়িতেও হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়া খিদিরপুর এলাকার মুক্তারের বাড়িতে থাই গ্লাস ভাঙচুর এবং সাগর খানকে অস্ত্র দেখিয়ে মারধরের অভিযোগও রয়েছে। মো. সিজান খানের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে নগদ অর্থসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে মোহাম্মদ নাসিম খান, মো. আশরাফুল শেখ, আপন খান, মো. আলম খান, জবিউল খান ও মো. মজিদ শেখ পৃথকভাবে অভিযোগ করেন—বিভিন্ন সময়ে অভির হাতে তারা মারধর, প্রাণনাশের হুমকি, গালিগালাজ ও নিজেদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের শিকার হয়েছেন।

অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে, এসব ঘটনার জেরে এলাকাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে চরম আতঙ্ক। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আরমান হোসেন অভির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৪২৭/৩৮০/৫০৬/৩৪ ধারায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এডভোকেট মিজানুর রহমান অন্তরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লা বারে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৫ এম


এডভোকেট মিজানুর রহমান অন্তরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লা বারে মানববন্ধন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির উদীয়মান আইনজীবী, এডভোকেট মিজানুর রহমান অন্তর এবং তাঁর পরিবারের ওপর সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার তীব্র প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির প্রাঙ্গণ। হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেফতার করার দাবি জানিয়ে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সামনে সাধারণ আইনজীবীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশাল মানববন্ধন।

মানববন্ধনে অংশ নেন কুমিল্লা বারের নবীন ও প্রবীণ মিলিয়ে শতাধিক আইনজীবী। প্রতিবাদী স্লোগান এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে উচ্চারিত কণ্ঠে মুখর হয়ে ওঠে আদালতপাড়া। বক্তাদের মধ্যে স্বরহীন হয়ে বেরিয়ে আসে একটি বিষয়, একজন আইনজীবী ও তাঁর পরিবারের ওপর এমন নৃশংস হামলা শুধু একটি পরিবারের নিরাপত্তার ওপর আঘাত নয়, বরং এটি বিচারের ন্যায়ব্যবস্থা, আইনের শাসন এবং আইনজীবী সমাজের স্বাধীন পেশাগত দায়িত্ব পালনের ওপরও সরাসরি হুমকি।

কুমিল্লা জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট মো. কাইমুল হক রিংকু, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মো. সহিদ উল্লাহ, সাবেক সভাপতি মো. শরীফুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাহাবুবুল হক খন্দকারসহ বারের জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা বক্তব্য রাখেন মানববন্ধনে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এডভোকেট মোহাম্মদ মোজাদ্দেদ হাসান আদনান। বক্তরা তাদের বক্তব্যে বলেন, আইনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যদি একজন আইনজীবী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত থাকেন, তাহলে সাধারণ মানুষ কীভাবে ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা রাখবেন—এ প্রশ্নও তোলেন তারা।

তারা আরও বলেন, হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।

মানববন্ধন থেকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সকল সদস্যের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানানো হয়। তারা অনুরোধ করেন, এডভোকেট মিজানুর রহমান অন্তর ও তাঁর পরিবারের ওপর হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পক্ষে যেন কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা না করেন। এই আহ্বানের মাধ্যমে আইনজীবী সমাজের ঐক্য, পেশাগত মর্যাদা এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্মিলিত অবস্থানের প্রতিফলন ঘটেছে বলে মন্তব্য করেন উপস্থিতরা।

আইনজীবীরা বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সন্ত্রাস, সহিংসতা ও হত্যাচেষ্টার মাধ্যমে আইনজীবীদের ভয় দেখিয়ে ন্যায়বিচারের পথ রুদ্ধ করার চেষ্টা করে, তাহলে পুরো আইনজীবী সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। স্পষ্ট ভাষায় তারা জানান, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সন্ত্রাস ও সহিংসতার বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান অব্যাহত থাকবে।

শেষে বক্তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে এডভোকেট মিজানুর রহমান অন্তর এবং তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও আহ্বান করা হয়।

মানববন্ধন শেষে উপস্থিত আইনজীবীরা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, আইনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের প্রত্যয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%