ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খুলনায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন


খুলনায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

বাংলাদেশে অপুষ্টি জনিত অন্ধত্ব নির্মূলের লক্ষ্য এবং অপুষ্টি জনিত শিশুমৃত্যু প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে ২৮ জুন সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন করা হবে। এদিন সারাদেশের সিটি কর্পোরেশনের ৩১ ওয়ার্ডে বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে ৬-১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (এক লাখ আইইউ) খাওয়ানো হবে এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (দুই লাখ আইইউ) খাওয়ানো হবে। শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর বিষয়ে পুষ্টি বার্তা প্রচার করা হবে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে পালন উপলক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলন (বৃহস্পতিবার) খুলনা সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা সিভিল সার্জন অফিসের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ১১ টায় নগরীর শেরে বাংলা রোডস্থ নগর স্বাস্থ্য ভবনের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণের লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ রাতকানা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার মাধ্যমে এ ক্যাম্পেইনকে সফল করার অনুরোধ জানান। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো: মেহেদী হাসান, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: তরিকুল ইলসাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলামসহ প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে জানানো হয়, মহানগরীতে মোট এক লাখ ৮ হাজার ৯৫২ জন শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (এক লাখ আইইউ) খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ১২ হাজার তিনশত ৩৭ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুর সংখ্যা ৯৬ হাজার ৬৫৫ জন। এবছর সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে মোট এক হাজর চারশত ২০ জন ভলেন্টিয়ার, ওয়ার্ডভিক্তিক কেন্দ্র সংখ্যা ৫৮০টি, মোট কেন্দ্র সংখ্যা ৭১০টি, মোবাইল কেন্দ্র ৮০টি, এনজিও পরিচালিত কেন্দ্র ৫০টি এবং ৬২ জন সুপারভাইজার কাজ করবেন।

আরও পড়ুন: নড়াইলে গা ঘেষে মসজিদ-মন্দিরের অবস্থান, সম্প্রীতির বন্ধনে প্রায় ৪৫ বছর ধরে চলছে দুর্গোৎসব

অন্যদিকে, খুলনা জেলার ৯টি উপজেলায়ও জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে পালনের লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার নগরীর স্কুল হেলথ ক্লিনিকের সম্মেলনকক্ষে জেলা পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিভিল সার্জন ডা. মোছা. মাহফুজা খাতুন সভাপতিত্ব করেন।

সভাপতি বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে বিশেষ করে অভিভাবকদের শিশুদের ক্যাপসুল গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তিনি জানান, জেলার সকল সরকারি দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত সহযোগিতায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এজন্য নিজ নিজ কর্মপরিধিতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে জনগণকে সচেতন করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, গত চার মাসের মধ্যে অথবা এরও আগে যারা ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ করেছেন, তাদের এবার ক্যাপসুল প্রদান করা হবে না। শিশুকে অবশ্যই ভরা পেটে ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। এ বছর ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতায় নির্ধারিত একদিনই শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সভায় সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মো: রফিকুল ইসলাম গাজী, পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের উপপরিচালক মো: আকিব উদ্দিন, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ উপজেলা স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভায় জানানো হয়, জেলার ৯টি উপজেলার এবং ২টি পৌরসভায় মোট তিন লাখ ২৩ হাজার আটশ ৫৭ জন শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ (দুই লাখ আইইউ) ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ৩৯ হাজার তিনশত ৮৯ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুর সংখ্যা দুই লাখ ৮৪ হাজার চারশ ৬৮ জন। মোট এক হাজার সাতশত ৬২টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে টিকা প্রদান করা হবে।

আরও পড়ুন: ভালুকায় বিরুনীয়া ইউনিয়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির ৮৫ ফুটের বিশাল ভাস্কর্য, উদ্দেশ্য কি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ এম


মেসির ৮৫ ফুটের বিশাল ভাস্কর্য, উদ্দেশ্য কি?

ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির ৩৯তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আর্জেন্টিনার পাতাগোনিয়ার কুত্রাল কো শহরে একটি বিশালাকার ভাস্কর্য উন্মোচন করা হয়েছে। এই বিশাল ভাস্কর্যটি ৮৫ ফুট উচ্চতার, যা বর্তমানে মেসির তৈরি সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য হিসেবে স্বীকৃত। এটি অতীতে ভারতের কলকাতায় স্থাপিত ভাস্কর্যটির চেয়েও বড় এবং প্রায় ৭০ টন ওজনের ইস্পাত দিয়ে তৈরি। এই শিল্পকর্মটি নির্মাণ করতে ভাস্কর বেরোইসার সময় লেগেছে প্রায় ১৮ মাস।

ভাস্কর্যটিতে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে মেসির আইকনিক মুহূর্তটিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যখন তিনি প্রথমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আবেগে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। এর পাশাপাশি, তার হাতের মুদ্রায় স্বর্গীয় আঙ্গিকে আকাশপানে তাকানোর ভঙ্গিটিও নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা তিনি মূলত তার প্রয়াত দাদিকে উৎসর্গ করে থাকেন। আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের মধ্যে সেই রুদ্ধশ্বাস ফাইনাল ম্যাচের স্মৃতি অমর করে রাখার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তেলসমৃদ্ধ শহর কুত্রাল কো সাধারণত পর্যটকদের কাছে খুব একটা আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল না, তবে এই ভাস্কর্যটি উন্মোচনের পর থেকেই শহরটিতে পর্যটকদের আনাগোনা বহুগুণ বেড়ে গেছে। স্থানীয় শিল্পী বেরোইসা এই বিষয়ে বলেন, একজন আর্জেন্টাইন নাগরিক এবং শিল্পী হিসেবে মেসির মতো বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্বের সম্মানার্থে এমন একটি কাজ করা তার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।

শুধু কুত্রাল কো-তেই নয়, মেসির জন্মদিনের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে বুয়েনস এইরেসের উপকণ্ঠের বিভিন্ন প্রান্তে। সেখানে একটি পার্কিং লটের দেয়ালে ২০ ফুট চওড়া এবং ১৮ ফুট উঁচু একটি বর্ণিল ম্যুরাল আঁকা হয়েছে, যেখানে মেসির পাশে জায়গা পেয়েছে তার ১,৩০০ জন নিবেদিতপ্রাণ ভক্তের নাম। নিজের প্রতি এমন অসামান্য ভালোবাসা দেখে মেসি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সমস্ত সমর্থক ও আয়োজকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এদিকে, ২০২৬ বিশ্বকাপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ইতোমধ্যেই রাউন্ড অব ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে। টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচে আগামী রোববার মেসিদের প্রতিপক্ষ জর্ডান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যখাতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ এম


স্বাস্থ্যখাতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সারদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, একটি স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক, জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। স্বাস্থ্যখাতকে সম্পূর্ণরূপে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত করার উদ্যোগে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

মন্ত্রী বৃহস্পতিবার সংসদে চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সরকারি দলের সদস্য জসীম উদ্দীন আহমেদ-এর টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিনিয়ত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যখাতে দালালচক্র ও দুর্নীতি রোধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি স্তরে ডিজিটালাইজেশন জোরদার করা হয়েছে, যাতে সেবার মান বৃদ্ধি পায় এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের হস্তক্ষেপ কমিয়ে আনা সম্ভব হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থার তদারকির জন্য ‘সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’কে আধুনিকায়ন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এর সাথে বলেন, জনগণের কাছে সহজভাবে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে টেলিমেডিসিন সেবার পরিধি সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এর ফলে রোগীদের হয়রানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ আরও সহজ হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, হাসপাতালগুলোতে রোগীদের মতামত গ্রহণ ও সেবার মান নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য একটি শক্তিশালী তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা সেবাগত ব্যত্যয় নজরে পড়লে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর নজরদারির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, অতিমুনাফালোভী চক্রকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় নীতিমালা সংশোধনের কাজ চলছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্যকার্ড বা সমন্বিত স্বাস্থ্য ডাটাবেজ তৈরির কাজ অগ্রগতি লাভ করছে। এটি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে হয়রানি কমাতে এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কয়রায় প্রত্যাশীর প্রজেক্ট লার্নিং শেয়ারিং কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪১ এম


কয়রায় প্রত্যাশীর প্রজেক্ট লার্নিং শেয়ারিং কর্মশালা

কয়রায় প্রজেক্ট লার্নিং অ্যান্ড শেয়ারিং ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা পরিবেশ পুনরুদ্ধার, জীবিকা উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিচালিত হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাশি। কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং উপকারভোগীরা। উপজেলা কৃষি অফিসার তীলক কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের পরিচালনায় ছিলেন প্রত্যাশীর কমিউনিটি মোবিলাইজার আলমগীর হোসেন। কর্মশালায় বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ ইস্তেয়াক আহমেদ, যুব উন্নয়ন অফিসার আকরাম হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাবির, বন বিভগের প্রতিনিধি মোঃ রবিউল ইসলাম, সাংবাদিক রিয়াছাদ আলী, এনজিও প্রতিনিধি মুস্তাক মাহমুদ, মিজানুর রহমান, তানিয়া সুলতানা, প্রত্যাশীর উপজেলা কো-অর্ডিনেটর সোহেল হোসেন, কমিউনিটি মোবিলাইজার রেশমা খাতুন, স্থানীয় মৌচাষী ইয়াছিন আলী, মনিরুজ্জামান, ফতেমা খাতুন প্রমূখ। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা প্রকল্পের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের কাজ করেছিলেন এবং মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত কার্যক্রমের সফলতা ও সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন। তারা ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণে এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের প্রয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেবহাটায় জাতীয় ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইনের অবহিতকরন সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ এম


দেবহাটায় জাতীয় ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইনের অবহিতকরন সভা

দেবহাটায় জাতীয় ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইনের অবহিতকরন ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার ২৫ জুন সকাল ১১টায় উক্ত সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইফুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলিম।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডাঃ আশফাক হোসেন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, সাধারন সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামি উজ্জ্বল, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক কে.এম রেজাউল করিম, উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুস সাত্তার, এবং আশার আলোর প্রতিনিধি আব্দুল গনিসহ নানা সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ।

সভায় ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাপসুলের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সকলকে অবহিত করা হয়। সকল অনুরোধ জানানো হয় যাতে যথাসময়ে সমস্ত শিশুদেরকে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য সচেতন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%