০২:৪৬ এম
জনসেবাই যার লক্ষ্য, ন্যায়বিচার যার অঙ্গীকার-এমন একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া। মাদক, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অনিয়মমুক্ত একটি শান্তিপূর্ণ ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে আবারও জনগণের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন তিনি।
মো: হারুন মিয়া : ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার শুভাঢ্যা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাসনাবাদ এলাকায় আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন সাবেক তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, সামাজিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে তিনি একজন পরিচিত মুখ।
স্থানীয়দের কাছে সেলিম মেম্বার নামে পরিচিত হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া ইতিপূর্বে তিনবার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দাবি, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে এলাকার মানুষের প্রয়োজন ও কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমপি মালেকের বৈঠক: ৬ ওয়ার্ডে ৩৪২ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা
তিনবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, মানুষের আস্থার প্রতীক:
একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাস। হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার সমর্থকদের মতে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন। এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। কেউ বিপদে পড়লে কিংবা সামাজিক কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে তাঁর কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ভূমিকা রেখেছেন। রাস্তাঘাটসহ ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দিতে কাজ করেছেন। তাঁদের মতে, একটি এলাকার উন্নয়ন শুধু অবকাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের নিরাপত্তা, সামাজিক সম্প্রীতি, ন্যায়বিচার ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করাও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়:
আরও পড়ুন: গাজীপুরের সিলিন্ডার রি-টেস্টিং সেন্টারে আগুন, তিন শ্রমিক আহত
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, নানা ধরনের হয়রানি, লাঞ্ছনা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার ঘনিষ্ঠজন ও সমর্থকরা। তাঁদের বক্তব্য, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।
তাঁর অনুসারীদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায় কঠিন সময়ে। সুসময় ও দুঃসময়—উভয় সময়েই যিনি মানুষের পাশে থাকেন, সাধারণ মানুষ তাঁকেই আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততার কারণে হাসনাবাদ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অনেক মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন সেলিম মিয়া।
মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যাশা:
বর্তমান সমাজের অন্যতম বড় সমস্যা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর অপরাধ। এসব সামাজিক ব্যাধি থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মানিকগঞ্জ থেকে সুজন সাহা গ্রেপ্তার
হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানান, তাঁরা ৯ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও চাঁদাবাজিমুক্ত এলাকা হিসেবে দেখতে চান। তাঁদের বক্তব্য, সেলিম মিয়া এ ধরনের সামাজিক অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন।
তাঁদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে তিনি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম, সামাজিক উদ্যোগ এবং অপরাধ প্রতিরোধে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
বিচার-সালিশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রশংসিত:
হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার জনপ্রিয়তার অন্যতম আলোচিত দিক হলো সামাজিক বিচার-সালিশে তাঁর ভূমিকা। স্থানীয় সমর্থকদের দাবি, পারিবারিক বিরোধ, জমিজমা নিয়ে বিরোধ কিংবা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যায় মানুষ তাঁর কাছে গেলে তিনি উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার চেষ্টা করেন।
আরও পড়ুন: নওগাঁ জেলা পুলিশের ঝটিকা অভিযান গত সন্ধ্যায় মহাদেবপুরের ০৯ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা ছিনতাই, রাতের মধ্যেই ৩ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার ও ছিনতাইকৃত ০৯ লক্ষ ৩ হাজার টাকা উদ্ধার
তাঁদের ভাষ্যমতে, বিচার-সালিশে ধনী-গরিবের মধ্যে কোনো পার্থক্য না করে ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। বিচারপ্রার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ বা অবৈধ অর্থ গ্রহণের অভিযোগ নেই বলেও তাঁর সমর্থকদের বক্তব্য। তাঁদের কাছে একজন জনপ্রতিনিধির বড় গুণ হলো নিরপেক্ষতা, সততা ও মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার মানসিকতা।
তাঁদের মতে, সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রতিহিংসা নয়, প্রয়োজন ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক সম্মান। আর এই জায়গায় হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সামাজিকভাবে ভূমিকা রেখে আসছেন।
মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকার প্রত্যাশা:
এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসার বিষয়টি তাঁর সমর্থকরা বিশেষভাবে তুলে ধরছেন। তাঁদের বক্তব্য, জনপ্রতিনিধি হওয়া মানে শুধু নির্বাচনের সময় মানুষের কাছে যাওয়া নয়; বরং সারা বছর মানুষের পাশে থাকা, তাদের কথা শোনা এবং প্রয়োজনের সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া।
আরও পড়ুন: দুদক মহাপরিচালকের কাছে বরিশালের বাকেরগঞ্জের সাবেক কৃষি অফিসার রাসেল সিকদারসহ তিন জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ
স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষীদের মতে, মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে হলে মানুষের জন্য কাজ করতে হয়। পদ-পদবি কিংবা ক্ষমতার চেয়ে মানুষের আস্থা অনেক বেশি মূল্যবান। হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া অতীতের জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আবারও এলাকার মানুষের সেবা করতে চান।
আবারও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রত্যাশা:
বর্তমানে হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যাশা করছেন। এ লক্ষ্যে তিনি এলাকার জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছেন।
তাঁর সমর্থকদের প্রত্যাশা, অতীতের অভিজ্ঞতা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা আগামী নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাঁরা মনে করেন, জনগণ যদি তাঁকে আবারও দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেন, তাহলে এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি আরও বেশি সময় দিতে পারবেন।
আরও পড়ুন: সাদামাটির স্বর্গভূমি দুর্গাপুর: অতীত, আদিবাসী জীবন ও আগামীর উন্নয়ন ভাবনা
জনগণের ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় অর্জন:
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও শুভাকাঙ্ক্ষীর বক্তব্য অনুযায়ী, হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া একজন সৎ, নিষ্ঠাবান, আদর্শবান ও সমাজসেবামূলক মানসিকতার মানুষ। মানুষের ন্যায্য অধিকার, সামাজিক শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের প্রত্যাশায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন বলে তাঁদের দাবি। তাঁদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত সফলতা শুধু নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে পারাই তাঁর বড় অর্জন। সেই জায়গা থেকেই তাঁরা হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়াকে আবারও জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান। শুভাঢ্যা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাসনাবাদ এলাকার মানুষের প্রত্যাশা-এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকুক, মাদক ও চাঁদাবাজির মতো সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকুক এবং সাধারণ মানুষ যেন ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন।
হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর আগামী দিনের পথচলার জন্য দোয়া কামনা করেছেন। তাঁদের আশা, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে তিনি আবারও নির্বাচিত হয়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার সুযোগ পাবেন।
জনগণের প্রত্যাশা, জনসেবার অঙ্গীকার এবং এলাকার উন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার আগামী নির্বাচনী পথচলা কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন হাসনাবাদ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন