ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতে প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কতা নিয়ে বিতর্ক


ভারতে প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কতা নিয়ে বিতর্ক

ভারতে প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয়ের মোড়কে পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সতর্কতামূলক লেবেল দেওয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

প্যাকেটজাত খাবারে বেশি চিনি, লবণ ও চর্বি থাকলে ভোক্তাদের সহজে জানানোর জন্য প্যাকেটের সামনে রঙিন সতর্কবার্তা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল ভারত।

তবে, বড় খাদ্য ও পানীয় কম্পানিগুলোর বিরোধিতার কারণে এই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে দেশটির খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আরও পড়ুন: "অসহিষ্ণু বক্তব্য রাজনীতিকে ‘পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন’-এ নিয়ে যেতে পারে": সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স

ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ 

(এফএসএসএআই) গত আগস্টে জানিয়েছে, প্যাকেটের সামনে রঙিন সতর্কবার্তা দেওয়ার প্রস্তাবটি আর এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে না। এর পরিবর্তে, প্যাকেটের ওপর সাদা-কালো ছকের মাধ্যমে খাবারে কতটুকু চিনি, চর্বি ও লবণ রয়েছে, তা উল্লেখ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তবে, এ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জনস্বাস্থ্যকর্মীদের আবেদনের পর ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্যাকেটের সামনে সহজে বোঝা যায় এমন সতর্কবার্তা থাকলে মানুষ খাবার কেনার সময় বেশি সচেতন হতে পারেন।

এ ক্ষেত্রে কিছু পানীয়র উদাহরণ সামনে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের বাইরে বিক্রি হওয়া কিছু পানীয়তে ক্যালোরি বা চিনির পরিমাণ কম থাকে।

আরও পড়ুন: আনোয়ারায় কেইপিজেড ও চায়না ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

কিন্তু ভারতে একই ব্র্যান্ডের পানীয়তে চিনি প্রায় তিন গুণ বেশি। কৃত্রিম রংও ব্যবহার করা হয়, যার কারণে ইউরোপে পণ্যের মোড়কে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কতা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। ভারতে অবশ্য এসব তথ্য সাধারণত পণ্যের পেছনে ছোট অক্ষরে লেখা থাকে।

জনস্বাস্থ্যকর্মীদের অভিযোগ, বড় ভোক্তাপণ্য কম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে প্যাকেটজাত খাবারের সামনে বাধ্যতামূলক পুষ্টি সতর্কতা দেওয়ার উদ্যোগের বিরোধিতা করে আসছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবারের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সহজ ও স্পষ্ট তথ্য থাকলে মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিতে পারেন।

বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশে ইতোমধ্যে প্যাকেটের সামনে সহজে বোঝা যায় এমন পুষ্টি লেবেল চালু হয়েছে। এসব লেবেলে বেশি চিনি বা লবণের মাত্রা লাল রঙে এবং কম চর্বির মাত্রা সবুজ রঙে দেখানো হতে পারে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলি ডানপন্থি নেত্রী শারেন হাস্কেল, নতুন সরকার গঠনে আরবদের বাদ দেওয়ার দাবি জানালেন

ল্যান্সেট জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতে প্রায় ৪৫ কোটি মানুষ অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতায় ভুগতে পারেন। এ কারণে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা খাবারের পুষ্টি সম্পর্কে আরও স্বচ্ছ তথ্য দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন।

রয়টার্সের পর্যালোচনা করা রেকর্ডিং অনুযায়ী, গত ১৯ মার্চ শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এফএসএসএআইয়ের একটি বৈঠকে সতর্কতামূলক লেবেল নিয়ে তীব্র আলোচনা হয়। শিল্পখাতের কর্মকর্তারা তখন দাবি করেন, এ ধরনের লেবেল ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং এগুলো খুব বেশি কার্যকর নাও হতে পারে।

কোকা-কোলা ইন্ডিয়ার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মিলি ভট্টাচার্য ওই বৈঠকে বলেন, যারা আগে থেকেই খাবারের উপাদানের তালিকা পড়েন না, তারা শুধু মোড়কের ওপর একটি প্রতীক বা সতর্কতা দেখেই খাদ্যাভ্যাস উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করবেন, এমন ধারণা পুরোপুরি ঠিক নয়।

তিনি বলেন, সতর্কতামূলক লেবেল মানুষকে বেশি চিনি বা লবণযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত রাখতে পারবে না। তার মতে, ভারতীয় চিকিৎসকেরা রোগীদের কোন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, সে বিষয়ে ইতোমধ্যে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মোড়কের সামনে সহজে বোঝা যায় এমন সতর্কতামূলক লেবেল থাকলে ভোক্তারা খাবার কেনার সময় দ্রুত ও সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

আরও পড়ুন: কংগ্রেস ভারতকে 'বাংলাদেশ' বানানোর চক্রান্তে লিপ্ত, নির্বাচন ছাড়াই ক্ষমতা দখল করতে চায়

অস্ট্রেলিয়ার জর্জ ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল হেলথের খাদ্যনীতি বিভাগের প্রধান সিমোন পেট্রিগিউ বলেন, সতর্কতামূলক লেবেল চালু হলে খাদ্য কম্পানিগুলোর মুনাফায় প্রভাব পড়তে পারে। তাই কম্পানিগুলো যতদিন সম্ভব এ ধরনের লেবেল ঠেকিয়ে রাখতে আগ্রহী।

তার মতে, এর ফলে ভারতীয় ভোক্তারা তারা যে খাবার কিনছেন, সেটি কতটা স্বাস্থ্যকর সে সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য পাচ্ছেন না। দুই ডজনের বেশি দেশে খাবারের মোড়কের সামনে পুষ্টি লেবেল নিয়ে গবেষণা করা পেট্রিগিউ বলেন, বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর চাপ নিয়ন্ত্রকদের কঠোর নিয়ম চালুর প্রক্রিয়াকে অনেকটাই বাধাগ্রস্ত করেছে। এফএসএসএআই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, খাদ্যপণ্যের লেবেল সংক্রান্ত বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

ভারতে প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয়ের বাজার ১০ হাজার কোটি ডলারের বেশি। শিল্পখাতের হিসাবে, দেশটিতে তৈরি প্রায় ৮০ শতাংশ প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, লবণ ও চর্বির পরিমাণ বেশি হতে পারে।

২০১৭ সাল থেকে ভারতে প্যাকেটজাত খাবারের সামনে রঙের মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেওয়ার বিভিন্ন প্রস্তাব এসেছে। খাবার কতটা স্বাস্থ্যকর, তা বোঝাতে স্টার রেটিং চালুর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত খাবারের পেছনে উপাদান ও পুষ্টির তথ্য লেখা থাকাই মূলত বাধ্যতামূলক। একই ব্র্যান্ডের খাবার ও পানীয় বিভিন্ন দেশে ভিন্ন উপাদান দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে, এ বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

আরও পড়ুন: রাত পোহালেই ভোট, বিএনপি না জামায়াত হাসবে?

ভারতে প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সচেতনতা বাড়ছে। ‘ফুড ফার্মার’ নামে পরিচিত রেভান্ত হিমাতসিংকা ইউটিউব ও ইনস্টাগ্রামে প্যাকেটজাত খাবারের উপাদান নিয়ে নিয়মিত কথা বলেন। তার অনুসারীর সংখ্যা ৫০ লাখের বেশি। তিনি বিভিন্ন দেশের একই ব্র্যান্ডের পণ্যের উপাদান তুলনা করে দেখান এবং ভারতীয় পণ্যে ব্যবহৃত উপাদান নিয়ে ভোক্তাদের সচেতন করার চেষ্টা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফকিরহাট থেকে ৫৯ চোরাই মোবাইল উদ্ধার, আটক ৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩১ পি.এম


ফকিরহাট থেকে ৫৯ চোরাই মোবাইল উদ্ধার, আটক ৪

বাগেরহাটের ফকিরহাটে একটি মোবাইল ফোনের দোকানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ৫৯টি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে, যেগুলোর আইএমইআই (IMEI) নম্বর পরিবর্তন করা হয়েছিল। এই ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, আটককৃত মোবাইল ফোনগুলো আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে বিক্রি করা হচ্ছিল।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে ফকিরহাট উপজেলা বাজারে রেজাউর রহমান পলাশের ‘পুষ্প টেলিকম’ নামের মোবাইল ফোনের দোকানে অভিযান চালানো হয়, যেখানে তাদের আটক করা হয়। মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে পুলিশ সুপার হাসান মো. নাছের রিকাবদার এ তথ্য জানান।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন– ফকিরহাট উপজেলার পাগলা শ্যামনগর এলাকার শেখ সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে রেজাউর রহমান পলাশ (৩৪), বাগেরহাটের আতাইকাঠি এলাকার আক্কেল আলী শেখের ছেলে মো. অহিদুল ইসলাম (২৬), খুলনার রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ এলাকার চৈতন্য সাহার ছেলে চন্দন সাহা (৩০) এবং বাগেরহাটের ভট্ট বালিয়াঘাটা এলাকার জাহাঙ্গীর খানের ছেলে মো. হুছাইন খান (২২)।

পুলিশ সুপার জানান, অভিযানের সময় আরো তিনজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তাদের মধ্যে রয়েছেন– ফকিরহাটের পাগলা শ্যামনগর এলাকার শেখ সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মো. শিমুল শেখ (২৫), আট্টাকী এলাকার কাদের ফকিরের ছেলে মো. শফিকুল ফকির (২২) এবং খুলনার রূপসা উপজেলার নারকেলী চাদপুর এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে তৌফিকুর রহমান (৩৪)। অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৫৯টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন যে, তারা পুষ্প টেলিকমে চোরাই মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে সেগুলো বিক্রি করতেন।

আটককৃত রেজাউর রহমান পলাশের বিরুদ্ধে পূর্বে একটি চুরির মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফকিরহাট মডেল থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ৫৯টি মোবাইল ফোন মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় পতাকার আদলে পোশাক পরে বিতর্কে উর্বশী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ পি.এম


জাতীয় পতাকার আদলে পোশাক পরে বিতর্কে উর্বশী

বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার বিজয়ী উর্বশী রাউতেলার বিতর্ক যেন থামছেই না। সম্প্রতি মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া ২০২৬-এর ফাইনালে তার পোশাক নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে বিচারকের ভূমিকায় ছিলেন উর্বশী। এই সময় তিনি ভারতের জাতীয় পতাকার রং ও প্রতীকের আদলে তৈরি একটি পোশাক পরিধান করেছিলেন। পোশাকটিতে গেরুয়া, সাদা ও সবুজ—এই তিনটি প্রধান রঙের ব্যবহার ছিল, যা ভারতের জাতীয় পতাকার প্রতিনিধিত্ব করে। পোশাকের মাঝখানে নীল রঙের অশোকচক্র এবং সোনালি ঝালরের সংযোজন ছিল।

অব-শোল্ডার ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে উর্বশী পরেছিলেন বড় হীরের কানের দুল, হাতে রুপালি চুড়ি এবং আঙুলে ভারী একটি আংটি। পোশাকের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই বিতর্ক শুরু হয়। একদল দাবি করে যে, জাতীয় পতাকার আদলে পোশাক তৈরি করা দেশের জাতীয় প্রতীকের প্রতি অসম্মান। অন্যদিকে, কিছু মানুষ উর্বশীর প্রশংসা করে বলেন, তিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

এই বিতর্কের মাঝে উর্বশী তার পোশাকের বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, "আমি বলেছিলাম, আমিই ভারত। তাই আজ নিজেকে ভারতবর্ষ বলেই মনে হচ্ছে।" অভিনেত্রী আরও জানান, তার পোশাকটি ভারতের জাতীয় পতাকা থেকে অনুপ্রাণিত।

উর্বশী রাউতেলার জন্য এবারের আয়োজনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। ২০১৫ সালে তিনি মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়ার মুকুট জয় করেছিলেন। সেবার তার মাথায় মুকুট পরিয়ে দিয়েছিলেন সুস্মিতা সেন। এবারের প্রতিযোগিতায় সুস্মিতা সেনও নির্বাচক কমিটির সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মঞ্চে দাঁড়িয়ে উর্বশী সেই স্মৃতির কথাও বিশেষভাবে স্মরণ করেন। তবে এবারের আয়োজনের স্মৃতির চেয়ে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে উর্বশীর জাতীয় পতাকা-অনুপ্রাণিত পোশাক এবং তার সঙ্গে জড়িত বিতর্ক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতকে হারিয়ে ১২ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ পি.এম


ভারতকে হারিয়ে ১২ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

হকি বিশ্বকাপে ভারতকে ৫-৩ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে ১২ বছর পর সেমিফাইনালে পৌঁছেছে আর্জেন্টিনা। এই পরাজয়ের ফলে ভারতকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে।

আমস্টেলভিনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় রাউন্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আর্জেন্টিনা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রদর্শন করে। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই জোয়াকিন তোস্কানির মাধ্যমে তারা প্রথম গোলটি করে এগিয়ে যায়। এরপর ষষ্ঠ মিনিটে নিকোলাস দেল্লা তোরে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।

দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। ৩৩ ও ৪৫ মিনিটে টমাস ডোমেনে জোড়া গোল করেন। এরপর ৫৩ মিনিটে তোস্কানি নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে আর্জেন্টিনাকে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

পাঁচ গোল হজম করার পর ভারত শেষ দিকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। ৩৪ ও ৫৮ মিনিটে সুখজিৎ সিং দুটি ফিল্ড গোল করেন। এছাড়া ৩৬ মিনিটে হার্দিক সিং পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে গোল করেন। তবে শেষ পর্যন্ত ভারত পরাজয় এড়াতে পারেনি, যদিও ব্যবধান কমাতে সক্ষম হয়।

ম্যাচজুড়ে ভারত একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও তাদের রক্ষণভাগের দুর্বলতা তাদের ভোগায়। বিপরীতে, আর্জেন্টিনা পরিকল্পিত আক্রমণ এবং দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ের মাধ্যমে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে।

অবশেষে ৫-৩ গোলের জয় নিয়ে ১২ বছর পর হকি বিশ্বকাপের শেষ চারে জায়গা করে নিল আলবিসেলেস্তেরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি পাবেন না যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি পাবেন না যারা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বুধবার (২৬ আগস্ট) সাধারণ সরকারি ছুটি থাকবে। সরকারি, আধা-সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই দিন ছুটি ভোগ করবেন। তবে জরুরি সেবা সচল রাখার জন্য কিছু প্রতিষ্ঠান ও কর্মী এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সাধারণ ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এই ছুটির পরদিন বৃহস্পতিবার এক দিনের ছুটি নিলে, শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে টানা চার দিনের অবকাশ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তবে জনসেবা এবং জরুরি কার্যক্রম সচল রাখতে কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হবে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, ইন্টারনেট এবং ডাকসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এছাড়া হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান ও কর্মীরাও এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন। জরুরি চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।

ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহন, জরুরি যানবাহন এবং জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীদের ক্ষেত্রেও ঈদে মিলাদুন্নবীর সরকারি ছুটি প্রযোজ্য হবে না।

এর আগে, ১৩ আগস্ট ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, ১৪৪৮ হিজরি সালের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের হিসাব অনুযায়ী আগামী ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সরকারি সাধারণ ছুটি থাকবে। সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এ ছুটি ভোগ করবেন।

এদিকে, ব্যাংক খোলা বা বন্ধ রাখার বিষয়ে পৃথক সিদ্ধান্ত দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্যদিকে, আদালত খোলা থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%