ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
জাল কাগজে বৈধতার ফাঁদ

মালয়েশিয়ায় দুই অভিযানে ১৭৪ বাংলাদেশিসহ ৩৩৭ অভিবাসী আটক


মালয়েশিয়ায় দুই অভিযানে ১৭৪ বাংলাদেশিসহ ৩৩৭ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য জাল কাগজপত্র তৈরি, ভুয়া ই-পি এল কে এস (অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভ্রমণ অনুমতিপত্র) এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ওয়ার্ক পারমিট ব্যবহারের দুটি আলাদা ঘটনার তথ্য সামনে এসেছে। দেশটির অভিবাসন বিভাগের ধারাবাহিক অভিযানে মোট ৩৩৭ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক।

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশি নাগরিকদের পাসপোর্ট-সংক্রান্ত কাজে ব্যবহারের জন্য জাল ই-পি এল কে এস এবং জাল পুলিশ প্রতিবেদন তৈরির অভিযোগে ১১ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে। অপরদিকে, সেপাংয়ে উড়োজাহাজের হ্যাঙ্গার নির্মাণ প্রকল্পে অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে নিবন্ধিত ওয়ার্ক পারমিট ব্যবহার করে কাজ করার অভিযোগে ১৭৩ বিদেশি আটক হয়েছেন। উভয় ঘটনায় বিদেশি কর্মীদের বৈধতা, নিয়োগকর্তা এবং নথিপত্রের ব্যবহার নিয়ে তদন্ত চলছে।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বলেন, কুয়ালালামপুরের জালান চানসাউলিনের একটি বাণিজ্যিক এলাকা এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন অনুমোদিত পাসপোর্ট ও ই-পাসপোর্ট সেবা প্রদানকারী আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান এক্সপ্যাট সার্ভিসেস কুয়ালালামপুর সেন্টারের আশপাশে ‘অপস সারকাপ’ পরিচালনা করা হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে শুরু হওয়া অভিযানে একযোগে ১১টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আরও পড়ুন: প্যারিসের গুলির ঘটনাকে ‘বর্ণবাদী সন্ত্রাসী’ হামলা বললেন মাখোঁ

অভিযানে ২৩ থেকে ৪৮ বছর বয়সি ১১ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে একজন নারী। প্রাথমিক তদন্তে এসব প্রতিষ্ঠানে জাল নথি তৈরির কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে।

তদন্তে জানা গেছে, প্রতিটি জাল ই-পি এল কে এস তৈরির জন্য প্রায় ১৫০ রিঙ্গিত এবং জাল পুলিশ প্রতিবেদন তৈরির জন্য প্রায় ৭০ রিঙ্গিত নেওয়া হতো। অর্থাৎ সামান্য অর্থের বিনিময়ে বিদেশি কর্মীদের বৈধতা ও পরিচয়-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি তৈরির ব্যবস্থা করছিল একটি চক্র।

অভিযানে ১৮টি ল্যাপটপ, ২১টি প্রিন্টার ও স্ক্যানার, তিনটি মোবাইল ফোন এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের ১০টি আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি তৈরি জাল ই-পি এল কে এস ও জাল পুলিশ প্রতিবেদন উদ্ধার করা হয়েছে।

অভিবাসন বিভাগের সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এসব জাল নথি বাংলাদেশি নাগরিকদের আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের আবেদনে ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে। বর্তমানে তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ১০টি বাংলাদেশি পাসপোর্ট কীভাবে ও কার মাধ্যমে চক্রটির হাতে পৌঁছেছে। জাল নথি তৈরির সঙ্গে আরও কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান জড়িত কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে হামলার সময় জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক

অভিযানের আশপাশ থেকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও ১৯ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৬ জন বাংলাদেশি, ১৫ পুরুষ ও একজন নারী। এ ছাড়া মিয়ানমারের একজন এবং ইন্দোনেশিয়ার দুই নারী নাগরিকও আটক হয়েছেন। দুই ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনসহ সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালার আওতায় তদন্ত চলছে।

এদিকে, সেপাংয়ে উড়োজাহাজের হ্যাঙ্গার নির্মাণ প্রকল্পে চালানো আরেক অভিযানে ভিন্ন ধরনের অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে। একটি প্রতিষ্ঠানের নামে নিবন্ধিত পিএলকেএস ব্যবহার করে অন্য প্রতিষ্ঠানের অধীনে বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার সেপাংয়ের একটি আন্তর্জাতিক মানের মোটরস্পোর্টস কেন্দ্রের কাছে উড়োজাহাজের হ্যাঙ্গার নির্মাণস্থল, গুদাম এবং উড়োজাহাজের ইঞ্জিন পরীক্ষার বিভিন্ন স্থাপনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে এক সপ্তাহ গোয়েন্দা নজরদারি চালানোর পর পুত্রজায়া অভিবাসন বিভাগের আইন প্রয়োগকারী শাখা অভিযানটি পরিচালনা করে। এতে অভিবাসন বিভাগের ৮৮ কর্মকর্তা অংশ নেন। তারা মোট ২৬১ জনকে তল্লাশি করেন, এর মধ্যে ২১৭ জন বিদেশি এবং ৪৪ জন মালয়েশীয় নাগরিক।

আরও পড়ুন: হেবরনে ২ ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু, নেতানিয়াহুর নির্দেশে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে

তল্লাশির পর ২৩ থেকে ৪০ বছর বয়সি ১৭৩ বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৪৭ জন বাংলাদেশি, ১৭ জন ইন্দোনেশীয় এবং ৯ জন পাকিস্তানি নাগরিক।

অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান বলেন, তদন্তে দেখা গেছে, প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন উপঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে এমন বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাদের পিএলকেএস অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে নিবন্ধিত। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের নজর এড়াতে বিদেশিদের সামাজিক ভ্রমণ অনুমতিপত্রেরও অপব্যবহার করা হচ্ছিল।

আটকদের পরবর্তী তদন্তের জন্য কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ) অভিবাসন আটক কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। তদন্তে সহায়তার জন্য পাঁচ মালয়েশীয় নাগরিককে সাক্ষী হিসেবে হাজির হওয়ার নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

জাকারিয়া শাবান বলেন, নির্মাণ, পরিবহন, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং বিমান চলাচল-সংশ্লিষ্ট সহায়ক স্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে অভিবাসন বিভাগ নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ করছে। বৈধ নিয়মনীতি না মেনে বিদেশি কর্মী নিয়োগ, তাদের আশ্রয় বা সুরক্ষা দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: হতাশা থেকেই ফের ইরানে হামলার হুমকি দিচ্ছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

মালয়েশিয়ায় একই সময়ে সামনে আসা এ দুটি ঘটনা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা তৈরি করেছে। বিশেষ করে পাসপোর্ট, ভিসা, পিএলকেএস বা বৈধতার সমস্যা সমাধানের নামে দালাল কিংবা অজ্ঞাত ব্যক্তির হাতে মূল পাসপোর্ট তুলে দেওয়া এবং জাল নথি ব্যবহার করার ঝুঁকি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

এছাড়া, অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ওয়ার্ক পারমিট ব্যবহার করে কাজ করলেও কর্মী আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন, তেমনি সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তা ও উপঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানও মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইনের আওতায় শাস্তির মুখে পড়তে পারে।

দুটি অভিযানের তথ্য বলছে, বিদেশি কর্মীদের বৈধতা নিয়ে অনিয়ম শুধু কর্মস্থলে নয়; নিয়োগ, ওয়ার্ক পারমিট, পাসপোর্ট এবং সরকারি নথিপত্রের পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে নজরদারি জোরদার করছে মালয়েশিয়া।

আরও পড়ুন: এআই নিয়ে সর্তক, আসছে বড় বিপর্যয়: বিল গেটস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাইনে কাপড় পড়ায় মেট্রোরেল বন্ধ, ৪০ মিনিট পর স্বাভাবিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ এম


লাইনে কাপড় পড়ায় মেট্রোরেল বন্ধ, ৪০ মিনিট পর স্বাভাবিক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মেট্রোরেলের লাইনের তারে কাপড় পড়ায় প্রায় ৪০ মিনিট বন্ধ থাকার পর স্বাভাবিক হয় মতিঝিল থেকে উত্তরা রুটে ট্রেন চলাচল। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটের দিকে এ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে কাপড়টি সরিয়ে লাইন ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা পরীক্ষা শেষে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে এ সময় উত্তরা থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল চালু ছিল। এতে উত্তরা থেকে কারওয়ান বাজারগামী যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারলেও মতিঝিলমুখী যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) নজরুল ইসলাম বিষয়টি জানান। নজরুল ইসলাম জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মেট্রোরেলের লাইনের তারে একটি কাপড় পড়ে যাওয়ার কারণে মতিঝিল থেকে উত্তরা রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। কাপড়টি লাইন থেকে সরানোর পর লাইনের যান্ত্রিক বিষয়গুলো পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা শেষে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে উভয় দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডাকসু সংগ্রহশালা ভাঙচুরের তদন্ত দাবি ইউটিএলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০১ এম


ডাকসু সংগ্রহশালা ভাঙচুরের তদন্ত দাবি ইউটিএলের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত ছবি ও ঐতিহাসিক স্মারক ভাঙচুরের অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)। পাশাপাশি সংগ্রহশালায় থাকা ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদার এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
 
মঙ্গলবার বিকালে ইউটিএল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হকের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ডাকসু সংগ্রহশালা পরিদর্শন  শেষে  এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তারা। 

 
এ সময় অধ্যাপক যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক বলেন, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০১ সালে ভর্তি হওয়া এক শিক্ষার্থী ডাকসু সংগ্রহশালায় প্রবেশ করে সেখানে সংরক্ষিত কিছু ছবি ও স্মারকের ক্ষতি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা প্রয়োজন।
 
তিনি বলেন, ডাকসু দেশের ছাত্র আন্দোলন, গণতান্ত্রিক চর্চা ও জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। এর সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাধিকার, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও জাতীয় ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায় জড়িয়ে আছে। ফলে ডাকসু সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত কোনো ছবি, স্মারক বা নিদর্শনের ক্ষতি হওয়ার অভিযোগ দুঃখজনক।
 
ইউটিএলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে কোনো স্থাপনা বা সম্পদের ক্ষতি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মতো ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ এবং আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত।
 
সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গে ক্যাম্পাসে ‘মব কালচার’ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানচর্চা, যুক্তি, সহনশীলতা ও মুক্ত বিতর্কের জায়গা। তাই মতপার্থক্য বা বিরোধের ক্ষেত্রে যুক্তি ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
 
 
ডাকসু সংগ্রহশালায় ভাঙচুরের অভিযোগের বিষয়ে ইউটিএলের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং তদন্তের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সংগ্রহশালায় থাকা ঐতিহাসিক ছবি, দলিল, স্মারক ও অন্যান্য নিদর্শনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
 
এ সময় ডাকসুর নিয়মিত নির্বাচন আয়োজনেরও আহ্বান জানায় ইউটিএল। সংগঠনটির মতে, নিয়মিত নির্বাচন হলে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক চর্চায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
 
পরিদর্শনকালে ইউটিএল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. মুনিরা আহসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ দিদারে আলম মুহসিন ও অধ্যাপক ড. আবু সায়েম, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন, দফতর সম্পাদক মুহাম্মদ ওমর ফারুক এবং অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গঠনতন্ত্র সংশোধন ও আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ এম


গঠনতন্ত্র সংশোধন ও আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ

সেন্ট্রাল শরীয়াহ্ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংকস্ অব বাংলাদেশ-এর নির্বাহী কমিটির ৭৮তম সভায় বোর্ডের গঠনতন্ত্র সংশোধন, আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন এবং গবেষণা কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার ঢাকার গুলশানে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির চেয়ারম্যান এবং শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোসলেহ উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন- সেন্ট্রাল শরীয়াহ্ বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, ভাইস চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল ড. মোঃ আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাফাত উল্লা খান, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলতাফ হুসাইন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদার, যমুনা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মির্জা ইলিয়াছ উদ্দিন আহম্মেদ, এনসিসি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন, প্রাইম ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিম এ চৌধুরী এবং ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল হোসেন সরকার। কমিটির সদস্যসচিব ও বোর্ডের সেক্রেটারি জেনারেল (ভারপ্রাপ্ত) মুফতী মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী আন-নাদাভী সভা পরিচালনা করেন।
সভায় বোর্ডের স্থায়ী কার্যালয় প্রতিষ্ঠা, গবেষণা জার্নালের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনসহ বিভিন্ন নীতি নির্ধারণী ও কৌশলগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় আলোক হেলথকেয়ারে বৈজ্ঞানিক সেমিনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ এম


অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় আলোক হেলথকেয়ারে বৈজ্ঞানিক সেমিনার

রাজধানী ঢাকার ‘আলোক হেলথকেয়ার লিমিটেড’-এ একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার (CME) অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR)’ মোকাবেলা এবং সঠিক রোগ নির্ণয়ের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করে। আলোক হেলথকেয়ারের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ এবং ট্রেডসওয়ার্থ লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়।

সেমিনারটি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আলোক মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ারের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের মূল বিষয় ছিল ‘‘Microbial Identification and AMR Detection: Improving Clinical Outcomes and Antimicrobial Use’’। মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বায়োমেরিক্স (bioMérieux) ইন্ডিয়ার মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং লিড জনাব হারশুল মিশ্র। তিনি তার উপস্থাপনায় উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে জীবাণু দ্রুত শনাক্তকরণ এবং নির্দিষ্ট রোগীর জন্য সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক নির্বাচন করার পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

হারশুল মিশ্র বলেন, "ভুল অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োগ বন্ধ করতে এবং রোগীর দ্রুত আরোগ্য নিশ্চিত করতে নির্ভুল ডায়াগনস্টিক রিপোর্টের কোনো বিকল্প নেই।" সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য মাইক্রোবায়োলজিস্ট প্রফেসর ড. মো. আবদুর রহমান এবং প্রফেসর ড. মো. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আলোক হেলথকেয়ারের ডিরেক্টর (হসপিটাল সার্ভিসেস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. শেখ সালাহউদ্দিন।

বক্তারা সেমিনারে উল্লেখ করেন, বর্তমানে ঢালাওভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে জীবাণুরা শক্তিশালী হয়ে উঠছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। চিকিৎসকদের সঠিক টেস্ট রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে প্রেসক্রিপশন করার আহ্বান জানানো হয় এই সংকট উত্তরণের জন্য। সঠিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় কোন রোগীর জন্য কোন অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হবে, যা ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার মান বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

সেমিনারে বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং মাইক্রোবায়োলজিস্টরা অংশ নেন। প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে বক্তারা উপস্থিত চিকিৎসকদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান দেন। সবশেষে, মূল বক্তাকে সম্মাননা স্মারক প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%