ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় আলোক হেলথকেয়ারে বৈজ্ঞানিক সেমিনার


অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় আলোক হেলথকেয়ারে বৈজ্ঞানিক সেমিনার

রাজধানী ঢাকার ‘আলোক হেলথকেয়ার লিমিটেড’-এ একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার (CME) অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR)’ মোকাবেলা এবং সঠিক রোগ নির্ণয়ের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করে। আলোক হেলথকেয়ারের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ এবং ট্রেডসওয়ার্থ লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়।

সেমিনারটি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আলোক মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ারের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের মূল বিষয় ছিল ‘‘Microbial Identification and AMR Detection: Improving Clinical Outcomes and Antimicrobial Use’’। মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বায়োমেরিক্স (bioMérieux) ইন্ডিয়ার মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং লিড জনাব হারশুল মিশ্র। তিনি তার উপস্থাপনায় উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে জীবাণু দ্রুত শনাক্তকরণ এবং নির্দিষ্ট রোগীর জন্য সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক নির্বাচন করার পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

হারশুল মিশ্র বলেন, "ভুল অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োগ বন্ধ করতে এবং রোগীর দ্রুত আরোগ্য নিশ্চিত করতে নির্ভুল ডায়াগনস্টিক রিপোর্টের কোনো বিকল্প নেই।" সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য মাইক্রোবায়োলজিস্ট প্রফেসর ড. মো. আবদুর রহমান এবং প্রফেসর ড. মো. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আলোক হেলথকেয়ারের ডিরেক্টর (হসপিটাল সার্ভিসেস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. শেখ সালাহউদ্দিন।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে ইউ মার্কেটের সামনে ব্যবসায়ীকে গুলি, আহত ১

বক্তারা সেমিনারে উল্লেখ করেন, বর্তমানে ঢালাওভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে জীবাণুরা শক্তিশালী হয়ে উঠছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। চিকিৎসকদের সঠিক টেস্ট রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে প্রেসক্রিপশন করার আহ্বান জানানো হয় এই সংকট উত্তরণের জন্য। সঠিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় কোন রোগীর জন্য কোন অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হবে, যা ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার মান বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

সেমিনারে বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং মাইক্রোবায়োলজিস্টরা অংশ নেন। প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে বক্তারা উপস্থিত চিকিৎসকদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান দেন। সবশেষে, মূল বক্তাকে সম্মাননা স্মারক প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে বার্ষিক গবেষণা ও প্রকাশনা পুরস্কার বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ এম


উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে বার্ষিক গবেষণা ও প্রকাশনা পুরস্কার বিতরণ

গবেষণা ও প্রকাশনায় অনন্য অবদানের জন্য উত্তরা ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও গবেষকদের স্বীকৃতি ও সম্মাননা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক গবেষণা ও প্রকাশনা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের মাল্টিপারপাস হলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একাডেমিক প্রকাশনার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (সিআরটি) অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। ২০২৫ সালে ওয়েব অব সায়েন্স ও স্কোপাস-এ জায়গা করে নেয়া বেশ কয়েকটি গবেষণা প্রকাশনায় সম্মিলিত অবদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮২ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এ অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

প্রকাশনা ও গবেষণার জন্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের অর্থ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের একাডেমিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয় একটি করে সনদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তরা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইয়াসমীন আরা লেখা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী ও আইসিসিডিআর,বি -এর সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ড. ফিরদৌসী কাদরী।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিসিডিআর,বি -এর মানবসম্পদ উপদেষ্টা ড. মো. মোশাররফ হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআরটি-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সুলতানুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উত্তরা ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর হাসপিয়া বশিরুল্লাহ, সিআরটি-এর সহযোগী পরিচালক ড. সালেহ আহমদ এবং সিআরটি-এর অন্যান্য নির্বাহী সদস্য। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩০০ জন পূর্ণকালীন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ২০২৫ সালে গবেষণা ও প্রকাশনায় অসামান্য সাফল্যের জন্য তিনটি পৃথক ক্যাটাগরিতে তিনজন গবেষককে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়। বেস্ট হাই ইমপ্যাক্ট পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন নূর আহাম্মদ, মোস্ট পাবলিশড পেপার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন ড. মো. শফিউল আলম চৌধুরী এবং বেস্ট আর্লি ক্যারিয়ার রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন মো. হানিফ মুন্সি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও অর্জন নিয়ে উপস্থাপনায় ড. সালেহ আহমদ উত্তরা ইউনিভার্সিটির গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, পূর্ববর্তী বছরগুলোর তুলনায় স্কোপাস-এ সূচিবদ্ধ গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অগ্রগতি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা উৎপাদনশীলতা ও গবেষণার প্রভাব বৃদ্ধির প্রতি ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের প্রতিফলন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী ড. ফিরদৌসী কাদরী বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আরও বেশি নারী গবেষককে এগিয়ে আসার এবং অর্থবহ গবেষণায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। বিশেষ করে জনস্বাস্থ্য ও জীব বিজ্ঞান বিষয়ে বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে গবেষণার সুযোগ আরও সম্প্রসারণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘একাডেমিক, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির মাধ্যমে উত্তরা ইউনিভার্সিটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা সহযোগিতা আরও জোরদার করেছে। পাশাপাশি গবেষণা প্রকল্প, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং গবেষণা প্রকাশনায় সহায়তার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় গবেষকদের ধারাবাহিকভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রকাশনা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে উল্লেখযোগ্যভাবে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং গবেষকদের সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’

অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. সুলতানুল ইসলাম বলেন, ‘গবেষণাভিত্তিক একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তোলা এবং শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের উচ্চমানসম্পন্ন ও প্রভাবশালী গবেষণায় উৎসাহিত করার বিষয়ে উত্তরা ইউনিভার্সিটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ তিনি বলেন, ‘মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিংগুলোতে উত্তরা ইউনিভার্সিটির অবস্থান আরও এগিয়ে নিতে মানসম্মত ও গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিকল্প নেই।’ সফলভাবে অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ ও কর্মকর্তাকে আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ দেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা কত শতাংশ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ এম


মেসির ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা কত শতাংশ?

২০২৫ সালের ৩ আগস্ট থেকে ১৯ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত সময়কালের পারফরম্যান্সকে বিবেচনায় নেওয়া হবে ব্যালন ডি’অরের জন্য। বিশ্ব ফুটবলের এই সেরা একক সম্মানের পুরস্কারে ক্লাব মৌসুমের পাশাপাশি বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। আর এখানেই তৈরি হয়েছে মূল জট!

কারণ, যারা ক্লাব ফুটবলে দ্যুতি ছড়িয়েছেন, তারা বিশ্বকাপে ছিলেন ফিকে। আবার যারা বিশ্বকাপে আলো ছড়িয়েছেন, তাদের ক্লাবের পারফরম্যান্স ছিল নিম্নমুখী। তাছাড়া ব্যালনের জন্য মনোনীতদের মধ্যে সেরা বাছাই নির্বাচনে ১০০ আন্তর্জাতিক সংবাদিকের ভোটও বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে। তাদের প্রদত্ত পয়েন্টের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে কে উঁচিয়ে ধরবেন বছরের সেরা ফুটবলারের এই কাঙ্ক্ষিত ট্রফি।

এখন দেখার বিষয়, ব্যালন জয়ে কার পাল্লা কতটুকু ভারী?

খবর অনুযায়ী, রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে কিলিয়ান এমবাপের চুক্তিতে উল্লেখ আছে যে ব্যালন ডি’অর জিতলে তিনি ১ কোটি ৫০ লাখ ইউরোর বোনাস পাবেন। তাই তিনি প্রকাশ্যে নিজের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তার দাবির পক্ষে শক্তিশালী পরিসংখ্যানও রয়েছে। গত মৌসুমে রিয়ালের হয়ে ৪৪ ম্যাচে এমবাপ্পে ৪২ গোল করেছেন, সঙ্গে করিয়েছেন ৭টি। বিশ্বকাপ এবং তার আগে অনুষ্ঠিত পাঁচটি আন্তর্জাতিক বিরতিতে ফ্রান্সের হয়ে তিনি ১৬ গোল করেছেন। সব মিলিয়ে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ৫৮-এ, যা ইউরোপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ—ম্যানচেস্টার সিটি ও নরওয়ের গোলমেশিন আর্লিং হালান্ডের সমান।

রিয়ালের হয়ে সবচেয়ে বড় ম্যাচগুলোর বেশিরভাগেই এমবাপে নিজের ছাপ রেখেছেন। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে দুই লেগেই গোল করেছেন। লা লিগায় বার্সেলোনা ও আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষেও গোল করেছেন। শেষ পর্যন্ত দুই প্রতিযোগিতাতেই তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। তবে এটাও বলা ন্যায্য যে তিনি অতিরিক্তভাবে নিজের গোলের দিকে মনোযোগী ছিলেন।

পেছনে ফিরে রক্ষণে সহায়তা করতে তার অনীহার কারণে রিয়াল প্রায়ই রক্ষণ থেকে আক্রমণে রূপান্তরের সময় বিপদে পড়েছে। অভিষেক মৌসুমের মতো এবারও তিনি বাঁ দিকে সরে গিয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জায়গা দখল করেছেন। ফলে পেনাল্টি এলাকায় রিয়াল মাদ্রিদ একজন নির্দিষ্ট আক্রমণভাগের খেলোয়াড়কে হারিয়েছে।

বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জন্য এমবাপের চেয়ে আর্জেন্টিনার জন্য মেসি গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন বেশি। আর এই গুণই তাকে আটটি ব্যালন ডি’অর এনে দিয়েছে। এমনকি বলা যায়, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রতিটি বছরেই তার এই পুরস্কার জেতা উচিত ছিল। কারণ মাঠে আর্জেন্টিনার এই জাদুকরের সামগ্রিক প্রভাবের ধারেকাছেও কেউ যেতে পারেনি।

আগামী মাসে রেকর্ড বাড়িয়ে নবম ব্যালন জিতলে সেটি হবে বড় চমক। কারণ পুরস্কারের জন্য ভোট দেওয়া প্যানেল ইউরোপের বাইরে ক্লাব ফুটবল খেলার কারণে তাকে পিছিয়ে রাখবে। ব্যালন ডি’অরের বিবেচ্য সময়কালে ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র ৩০ ম্যাচে মেসির ৫২ গোল ও সহায়তার অবিশ্বাস্য সম্মিলিত সংখ্যা খুব একটা গুরুত্ব পাবে না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লিগকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা, বুন্দেসলিগা, সিরি আ ও লিগ ওয়ানের চেয়ে নিচে মনে করা হয়।

তবে বিশ্বকাপে মেসি প্রমাণ করেছেন যে তিনি এখনও সর্বোচ্চ পর্যায়ে পারফর্ম করতে পারেন। রদ্রি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন, কিন্তু সেটি আর্জেন্টিনার অধিনায়কের পাওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন অনেকেই। কারণ তিনি তার দেশকে টানা দ্বিতীয় ফাইনালে নিয়ে গেছেন। তার আটটি গোলের অন্তত তিনটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলা যায়। বিশেষ করে শেষ ষোলোতে মিসরের বিপক্ষে তার দুর্দান্ত সমতাসূচক গোলটি। আর শেষ চারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে তার পারফরম্যান্স ছিল মন্ত্রমুগ্ধ করার মতো। মেসির বয়স এখন ৩৯ হলেও এমবাপের সামগ্রিক খেলা তার সঙ্গে তুলনীয় নয়। এমবাপেকে ছাড়াও ফ্রান্স সম্ভবত সেমিফাইনালে উঠতে পারত, কিন্তু মেসিকে ছাড়া আর্জেন্টিনা পুরোপুরি দিশেহারা হয়ে পড়ত।

হ্যারি কেইনও এমবাপের চেয়ে এগিয়ে—শুধু গোলের দিক থেকে নয়। বায়ার্ন ও ইংল্যান্ডের এই গুরুত্বপূর্ণ ৯ নম্বর খেলোয়াড় আক্রমণ তৈরির সময় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং বিভিন্নভাবে প্রতিপক্ষ শিবিরে আঘাত হানার সামর্থ্য রাখেন। বিপরীতে এমবাপে তার দুর্দান্ত গতির ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। রক্ষণভাগের পেছনে জায়গায় ঢুকে পড়ার ক্ষেত্রে তার চেয়ে ভালো কেউ নেই, কিন্তু নিচে নেমে রক্ষণ করা দলগুলোর বিপক্ষে বাঁ দিক থেকে ভেতরে ঢুকে শট নেওয়ার তার চেনা কৌশল ভালো রক্ষণভাগ সহজেই ঠেকিয়ে দিতে পারে।

এদিকে ওসমান দেম্বেলে গতবারের বিজয়ী হিসেবে পিএসজির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ, লিগ ওয়ান, সুপার কাপসহ সম্ভাব্য প্রায় সবই জিতেছেন। নকআউট স্টেজেও ছিলেন দুর্দান্ত। বিশ্বকাপে ৬ গোল করলেও নকআউট পর্বে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিন ককটেল বিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২০ এম


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিন ককটেল বিস্ফোরণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে জগন্নাথ হলের পূর্ব গেটের পাশে পরপর দুটি এবং টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রথমে জগন্নাথ হল গেট এলাকায় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পর টিএসসি এলাকায় আরও একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও পুলিশ উপস্থিত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি। জড়িতদের শনাক্ত করতে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ঢাবি ছাত্রশক্তির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আরমানুল বলেন, আমি কোয়ার্টারের দিকে ছিলাম। রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে শব্দ শুনতে পাই। এরপর ঘটনাস্থলে এসে ছবি ও ভিডিও নিই।

শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, জগন্নাথ হলের পাশের রোডে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আমরা ঘটনাস্থলে আছি। তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে।

এদিকে ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রদল নেতারা। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বা-মীকে হ-ত্যা করে দরজায় তালা দিয়ে পালালেন স্ত্রী!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ এম


স্বা-মীকে হ-ত্যা করে দরজায় তালা দিয়ে পালালেন স্ত্রী!

বরিশালে পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের কারণে স্ত্রী নাসিমা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে স্বামী নুরুজ্জামান হাওলাদারকে (৫৫) পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে নির্মমভাবে হত্যা করার। এই চাঞ্চল্যকর হত্যার পর অভিযুক্ত স্ত্রী ঘরের বাইরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে গেছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে মহানগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাকাঠি কলোনির আহসান হাবিবের ভাড়া বাড়ি থেকে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত নুরুজ্জামান হাওলাদার মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের পূর্ব তয়কা গ্রামের মৃত সাত্তার হাওলাদারের সন্তান। তিনি বরিশাল জজ আদালতের একজন আইনজীবীর সহকারী (মুহুরি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং কাজের কারণে স্ত্রীর সঙ্গে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে নুরুজ্জামান ও তার স্ত্রী নাসিমা বেগমের মধ্যে বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে তীব্র বিরোধ চলছিল। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় তাদের কলহ চরম আকার ধারণ করলে স্ত্রী নাসিমা বেগম স্বামী নুরুজ্জামানকে ভোঁতা অস্ত্র বা শক্ত কিছু দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করার পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে প্রতিবেশীদের যাতে তাৎক্ষণিক কিছু টের না হয়, সেজন্য ঘরের দরজায় বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে রেখে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ খবর পেয়ে ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নুরুজ্জামানের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের সুস্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ঘটনার সাথে জড়িত মামলার প্রক্রিয়া চলছে এবং পলাতক অভিযুক্ত স্ত্রীকে গ্রেপ্তারসহ হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক তদন্ত দল মাঠে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%