বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৯ এম
তাওহীদ হৃদয় তাঁর দ্বিতীয় দ্বিশতকের মাইলফলক প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে স্পর্শ করেছেন। অন্যদিকে, জাকের অলি এবং মোহাম্মাদ সাইফ উদ্দিন সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছানোর পরও তা হাতছাড়া করেছেন। বাংলাদেশ ‘এ’ দল দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে একটি দারুণ দিন কাটিয়েছে।
পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচের তৃতীয় দিনে সফরকারী বাংলাদেশ ‘এ’ দল ৬ উইকেটে ৪৭১ রান তুলে দিন শেষ করেছে। হৃদয় বর্তমানে ২০৪ রানে ব্যাট করছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের প্রথম ইনিংসে গড়া রানের পাহাড় টপকাতে বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন মাত্র ৪২ রান।
জাকের ৯৪ রানে আউট হয়েছেন। তাঁর ১৬৮ বলের ইনিংসে ১১টি চার ও ৩টি ছক্কা রয়েছে।
সাইফ উদ্দিন ব্যক্তিগত ৮৭ রানে আউট হওয়ার পর দিনের খেলা শেষ হয়। তিনি ১৭১ বলের ইনিংসে ১০টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন।
বাংলাদেশের জন্য পুরো দিনে দুটি উইকেট পড়েছে। দিনের খেলা যখন দুই বল বাকি, তখন স্লিপে ধরা পড়ে সাইফ উদ্দিন বশ শটের চেষ্টা করতে গিয়ে।
বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ২০১ রান দিয়ে দিন শুরু করে। হৃদয় ৭৫ এবং জাকের ৪৭ রানে শুরু করেন।
এই মাঠেই ২০২০ যুব বিশ্বকাপ জিতেছিল হৃদয় এবং তাঁর দল। সেখানে তিনি ২২টি চার ও ১টি ছক্কা মারতে সক্ষম হয়ে ৩৩৯ বল খেলে ২০৪ রানের ইনিংস খেলেন।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি হৃদয়ের ১৮ ম্যাচে চতুর্থ সেঞ্চুরি। তাঁর ক্যারিয়ার সেরা ২১৭ রান অতিক্রম করা সময়ের ব্যাপার বলে মনে হচ্ছে।
হৃদয় এবং জাকেরের আগের দিনের জুটি এদিন আরও এগিয়ে গিয়ে ১৫১ রানে বিচ্ছিন্ন হয়। এরপর সাইফ উদ্দিনকে নিয়ে হৃদয় ১৮৫ রানের একটি জুটি গড়েন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল ১ম ইনিংস: ৫১২
বাংলাদেশ ‘এ’ দল ১ম ইনিংস: ১৩৯.৫ ওভারে ৪৭১/৬ (আগের দিন ২০১/৪) (হৃদয় ২০৪*, জাকের ৯৪, সাইফ উদ্দিন ৮৭; মোরেকি ২১-৬-৫৭-২, বোস্ট ২১-২-৭৪-১, সিমন্ডস ৩৩.৫-৩-১৫৭-৩, পটগিটার ২০-৮-৪৬-০, এনটুলি ৪১-৭-১৩৪-০, আকারম্যান ৩-১-৩-০)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিনোদন জগতে তারকাদের মাঝে অভিনয়ের কারণে অনেক সময় মান-অভিমান সৃষ্টি হয়। এই মান-অভিমান কখনও কখনও দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। আবার কখনো দেখা যায়, সব ভুলে একসাথে কাজ করার গল্প। এটি নতুন কিছু নয়। যেমনটি মান-অভিমান ভুলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন টালিউডের জনপ্রিয় সুপারস্টার দেব ও লেডি সুপারস্টার শুভশ্রী গাঙ্গুলি। দীর্ঘদিন পর নতুন রূপে ফিরেছেন এই তারকা জুটি।
ঠিক তেমনি, মান-অভিমানে দূরে সরে আছেন একসময়ের আলোচিত রোমান্টিক জুটি। এবার সবকিছু ভুলে এক হতে যাচ্ছেন বহুল চর্চিত পরিচালক-প্রযোজক-অভিনেতা রাজ চক্রবর্তী এবং অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।
দীর্ঘ ১১ বছরের বিরতি এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন পেছনে ফেলে আবারও রাজ চক্রবর্তীর প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে ফিরছেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। পর্দা এবং পর্দার বাইরের সমীকরণ যাই থাকুক না কেন, পরিচালক রাজ ও অভিনেত্রী মিমির রসায়ন সবসময়ই টালিপাড়াকে সুপারহিট সব কাজ উপহার দিয়েছে।
২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কাটমুণ্ডু’ সিনেমায় শেষবার রাজের পরিচালনায় দেখা গিয়েছিল মিমি চক্রবর্তীকে। এর আগে 'বোঝে না সে বোঝে না’, ‘প্রলয়’ কিংবা ‘যোদ্ধা’—এই জুটি ঢালিউড-টালিউডের সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের কাছ থেকে অশেষ ভালোবাসা পেয়েছে। এরপর তাদের সম্পর্কের মধ্যে ভাটা পড়ে। মান-অভিমানে তারা দূরে সরে যান। দেখতে দেখতে এক দশকেরও বেশি সময় কেটে গেছে।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় পর বরফ গলতে শুরু করেছে দুই তারকার মনে। সম্প্রতি রাজ চক্রবর্তীর প্রযোজনা সংস্থা ‘রাজ এন্টারটেইনমেন্ট ভেঞ্চার্স’-এর পক্ষ থেকে মিমি চক্রবর্তীর কাছে একটি নতুন কাজের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য সিনেমাটি নির্মাণ করছেন পরিচালক অয়ন চক্রবর্তী। চিত্রনাট্য এবং চরিত্র পছন্দ হওয়ায় এতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন অভিনেত্রী।
সব পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি মাসের শেষের দিকে সিনেমাটির শুটিংয়ের কাজ শুরু হবে। রাজ-মিমি জুটির এই নতুন অধ্যায় টালিউডের পাশাপাশি দুই বাংলার সিনেপ্রেমী দর্শকদের মাঝে নতুন কৌতূহল এবং উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃষ্টি হলেই সড়কে জমত পানি। কাদায় পা পিছলে চলাচল করতে হতো। শিক্ষার্থী, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ ছিল বেশি। জরুরি প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়ত। এভাবে প্রায় ৩০ বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের ছরারপাড় এলাকার বাসিন্দাদের।
সম্প্রতি সরকারি বরাদ্দে সড়কটিতে মাটি ফেলে উঁচু করায় পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। এতে আশপাশের ১৫টি পরিবারসহ প্রায় ২০০ পরিবারের মানুষের চলাচলে স্বস্তি ফিরেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, সড়কটি দ্রুত পাকা করা হোক।
স্থানীয় গৃহবধূ আশা বেগম বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে কাদায় পরিণত হতো। এখন মাটি ফেলে উঁচু করায় চলাচলে সুবিধা হয়েছে। তবে সড়কটি পাকা হলে আমাদের দুর্ভোগ স্থায়ীভাবে কমবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা সুমি বেগম, আমেনা খাতুন ও মোখলেছুর রহমান বলেন, বর্ষাকালে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ত। সরকারি উদ্যোগে সড়কটি উঁচু করায় আপাতত দুর্ভোগ কমেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কাবিখা, কাবিটা ও টিআর প্রকল্পের আওতায় চিলমারীর ছয় ইউনিয়নে মোট ১৪০টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে থানাহাট ইউনিয়নে ৪৪টি, রমনায় ২৬টি, নয়ারহাটে ২১টি, রাণীগঞ্জে ১৮টি, অষ্টমীরচরে ১৯টি এবং চিলমারী ইউনিয়নে ১২টি প্রকল্প রয়েছে।
প্রকল্পগুলোর আওতায় মাটি ভরাট, সড়ক সংস্কার, সিসি ঢালাই, কালভার্ট ও গাইডওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। রমনা ইউনিয়নের সরকারবাড়ি এলাকায় জব্বারের বাড়ি থেকে গোলামের বাড়ি হয়ে পিসিং রাস্তা পর্যন্ত সড়কে সিসি ঢালাই করা হয়েছে। স্থানীয়দের হিসাবে, এর সুফল পাচ্ছেন প্রায় দুই হাজার মানুষ।
এ ছাড়া রমনা ইউনিয়নের সোনারীপাড়া, রাণীগঞ্জের বাবুয়ারপাড়, চিলমারী ইউনিয়নের কড়াই বরিশাল মৌজা, নয়ারহাটের খাউরিয়ারচর এবং অষ্টমীরচরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক সংস্কার ও উন্নয়নকাজ হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এসব উন্নয়নকাজের ফলে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত ও দৈনন্দিন চলাচলে সুবিধা হয়েছে। তবে মাটির সড়কগুলো টেকসই করতে পর্যায়ক্রমে পাকা করার দাবি তাঁদের।
থানাহাট ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. হাফিজুর রহমান ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোছা. আদুরী বেগম বলেন, ‘সড়কটি দীর্ঘদিন নিচু থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই মানুষের দুর্ভোগ হতো। সরকারি বরাদ্দে মাটি ফেলে উঁচু করায় চলাচলে সুবিধা হয়েছে। এখন সড়কটি পাকা করা প্রয়োজন।’
চিলমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল বলেন, ‘উন্নয়নকাজ জনগণের সম্পদ। কাজের মান ও সঠিক বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুনারুঘাটের হবিগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন সাতটি লাইসেন্সবিহীন অবৈধ করাতকল (স মিল) বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। একই সময়ে, করাতকলগুলোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, কাঠ এবং বনজদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার ৫ নম্বর শানখলা ইউনিয়নের শানখলা বাজারসংলগ্ন এলাকায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
এই যৌথ অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, চুনারুঘাট থানা-পুলিশ এবং আনসার সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। তবে অভিযানের সময় টের পেয়ে কোনো করাতকলের সংশ্লিষ্ট কাউকেই পাওয়া যায়নি। বৈধ লাইসেন্স ও কাগজপত্রের অভাবে করাতকলের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ এবং মজুদকৃত কাঠ জব্দ করে সেগুলো সিলগালা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন অমান্য করে অবৈধভাবে করাতকল পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকারী সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আনোয়ার জানান, সিলগালা ও বন্ধের নির্দেশ অমান্য করে যদি কেউ পুনরায় কার্যক্রম চালায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জনস্বার্থে এবং বনজ সম্পদ রক্ষায় চুনারুঘাট উপজেলাজুড়ে অবৈধ করাতকলের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর দুর্গাপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে বক্তব্য প্রদান না করার কারণে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এই সময় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির ঘটনা ঘটে। ফলে সমাবেশস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে আয়োজিত এই সমাবেশে এই ঘটনা ঘটে।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, বিএনপি নেতাদের বক্তব্য শেষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এমপি’র বক্তব্য চলাকালে জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর বুলেট প্রশ্ন তোলেন, অঙ্গসংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ কেন পাবেন না। এর ফলে বিএনপি ও ছাত্রদলের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় সমাবেশে ব্যবহৃত চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে। পরে দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদল নেতা আব্দুস সবুর বুলেট ধাক্কাধাক্কি এবং চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তাহলে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে এ-সংক্রান্ত ছবি তার হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর জন্য বলেন।
তবে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান আয়নাল বলেন, বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পাওয়ার কারণে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। উত্তেজনা সৃষ্টি হলে সংসদ সদস্য নিজে হট্টগোলকারী নেতাদের বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান। কিন্তু তারা সেটি না মেনে সমাবেশস্থলে ধাক্কাধাক্কি এবং চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির মতো অরাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ওসি পঞ্চানন্দ সরকার বলেন, আমি ছুটিতে ছিলাম। রাতে থানায় এসেছি। তবে সমাবেশে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। কেউ আহত হননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ