বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২০ এম
বিনোদন জগতে তারকাদের মাঝে অভিনয়ের কারণে অনেক সময় মান-অভিমান সৃষ্টি হয়। এই মান-অভিমান কখনও কখনও দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। আবার কখনো দেখা যায়, সব ভুলে একসাথে কাজ করার গল্প। এটি নতুন কিছু নয়। যেমনটি মান-অভিমান ভুলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন টালিউডের জনপ্রিয় সুপারস্টার দেব ও লেডি সুপারস্টার শুভশ্রী গাঙ্গুলি। দীর্ঘদিন পর নতুন রূপে ফিরেছেন এই তারকা জুটি।
ঠিক তেমনি, মান-অভিমানে দূরে সরে আছেন একসময়ের আলোচিত রোমান্টিক জুটি। এবার সবকিছু ভুলে এক হতে যাচ্ছেন বহুল চর্চিত পরিচালক-প্রযোজক-অভিনেতা রাজ চক্রবর্তী এবং অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।
দীর্ঘ ১১ বছরের বিরতি এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন পেছনে ফেলে আবারও রাজ চক্রবর্তীর প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে ফিরছেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। পর্দা এবং পর্দার বাইরের সমীকরণ যাই থাকুক না কেন, পরিচালক রাজ ও অভিনেত্রী মিমির রসায়ন সবসময়ই টালিপাড়াকে সুপারহিট সব কাজ উপহার দিয়েছে।
২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কাটমুণ্ডু’ সিনেমায় শেষবার রাজের পরিচালনায় দেখা গিয়েছিল মিমি চক্রবর্তীকে। এর আগে 'বোঝে না সে বোঝে না’, ‘প্রলয়’ কিংবা ‘যোদ্ধা’—এই জুটি ঢালিউড-টালিউডের সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের কাছ থেকে অশেষ ভালোবাসা পেয়েছে। এরপর তাদের সম্পর্কের মধ্যে ভাটা পড়ে। মান-অভিমানে তারা দূরে সরে যান। দেখতে দেখতে এক দশকেরও বেশি সময় কেটে গেছে।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় পর বরফ গলতে শুরু করেছে দুই তারকার মনে। সম্প্রতি রাজ চক্রবর্তীর প্রযোজনা সংস্থা ‘রাজ এন্টারটেইনমেন্ট ভেঞ্চার্স’-এর পক্ষ থেকে মিমি চক্রবর্তীর কাছে একটি নতুন কাজের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য সিনেমাটি নির্মাণ করছেন পরিচালক অয়ন চক্রবর্তী। চিত্রনাট্য এবং চরিত্র পছন্দ হওয়ায় এতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন অভিনেত্রী।
সব পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি মাসের শেষের দিকে সিনেমাটির শুটিংয়ের কাজ শুরু হবে। রাজ-মিমি জুটির এই নতুন অধ্যায় টালিউডের পাশাপাশি দুই বাংলার সিনেপ্রেমী দর্শকদের মাঝে নতুন কৌতূহল এবং উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃষ্টি হলেই সড়কে জমত পানি। কাদায় পা পিছলে চলাচল করতে হতো। শিক্ষার্থী, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ ছিল বেশি। জরুরি প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়ত। এভাবে প্রায় ৩০ বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের ছরারপাড় এলাকার বাসিন্দাদের।
সম্প্রতি সরকারি বরাদ্দে সড়কটিতে মাটি ফেলে উঁচু করায় পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। এতে আশপাশের ১৫টি পরিবারসহ প্রায় ২০০ পরিবারের মানুষের চলাচলে স্বস্তি ফিরেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, সড়কটি দ্রুত পাকা করা হোক।
স্থানীয় গৃহবধূ আশা বেগম বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে কাদায় পরিণত হতো। এখন মাটি ফেলে উঁচু করায় চলাচলে সুবিধা হয়েছে। তবে সড়কটি পাকা হলে আমাদের দুর্ভোগ স্থায়ীভাবে কমবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা সুমি বেগম, আমেনা খাতুন ও মোখলেছুর রহমান বলেন, বর্ষাকালে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ত। সরকারি উদ্যোগে সড়কটি উঁচু করায় আপাতত দুর্ভোগ কমেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কাবিখা, কাবিটা ও টিআর প্রকল্পের আওতায় চিলমারীর ছয় ইউনিয়নে মোট ১৪০টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে থানাহাট ইউনিয়নে ৪৪টি, রমনায় ২৬টি, নয়ারহাটে ২১টি, রাণীগঞ্জে ১৮টি, অষ্টমীরচরে ১৯টি এবং চিলমারী ইউনিয়নে ১২টি প্রকল্প রয়েছে।
প্রকল্পগুলোর আওতায় মাটি ভরাট, সড়ক সংস্কার, সিসি ঢালাই, কালভার্ট ও গাইডওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। রমনা ইউনিয়নের সরকারবাড়ি এলাকায় জব্বারের বাড়ি থেকে গোলামের বাড়ি হয়ে পিসিং রাস্তা পর্যন্ত সড়কে সিসি ঢালাই করা হয়েছে। স্থানীয়দের হিসাবে, এর সুফল পাচ্ছেন প্রায় দুই হাজার মানুষ।
এ ছাড়া রমনা ইউনিয়নের সোনারীপাড়া, রাণীগঞ্জের বাবুয়ারপাড়, চিলমারী ইউনিয়নের কড়াই বরিশাল মৌজা, নয়ারহাটের খাউরিয়ারচর এবং অষ্টমীরচরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক সংস্কার ও উন্নয়নকাজ হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এসব উন্নয়নকাজের ফলে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত ও দৈনন্দিন চলাচলে সুবিধা হয়েছে। তবে মাটির সড়কগুলো টেকসই করতে পর্যায়ক্রমে পাকা করার দাবি তাঁদের।
থানাহাট ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. হাফিজুর রহমান ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোছা. আদুরী বেগম বলেন, ‘সড়কটি দীর্ঘদিন নিচু থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই মানুষের দুর্ভোগ হতো। সরকারি বরাদ্দে মাটি ফেলে উঁচু করায় চলাচলে সুবিধা হয়েছে। এখন সড়কটি পাকা করা প্রয়োজন।’
চিলমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল বলেন, ‘উন্নয়নকাজ জনগণের সম্পদ। কাজের মান ও সঠিক বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুনারুঘাটের হবিগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন সাতটি লাইসেন্সবিহীন অবৈধ করাতকল (স মিল) বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। একই সময়ে, করাতকলগুলোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, কাঠ এবং বনজদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার ৫ নম্বর শানখলা ইউনিয়নের শানখলা বাজারসংলগ্ন এলাকায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
এই যৌথ অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, চুনারুঘাট থানা-পুলিশ এবং আনসার সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। তবে অভিযানের সময় টের পেয়ে কোনো করাতকলের সংশ্লিষ্ট কাউকেই পাওয়া যায়নি। বৈধ লাইসেন্স ও কাগজপত্রের অভাবে করাতকলের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ এবং মজুদকৃত কাঠ জব্দ করে সেগুলো সিলগালা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন অমান্য করে অবৈধভাবে করাতকল পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকারী সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আনোয়ার জানান, সিলগালা ও বন্ধের নির্দেশ অমান্য করে যদি কেউ পুনরায় কার্যক্রম চালায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জনস্বার্থে এবং বনজ সম্পদ রক্ষায় চুনারুঘাট উপজেলাজুড়ে অবৈধ করাতকলের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর দুর্গাপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে বক্তব্য প্রদান না করার কারণে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এই সময় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির ঘটনা ঘটে। ফলে সমাবেশস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে আয়োজিত এই সমাবেশে এই ঘটনা ঘটে।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, বিএনপি নেতাদের বক্তব্য শেষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এমপি’র বক্তব্য চলাকালে জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর বুলেট প্রশ্ন তোলেন, অঙ্গসংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ কেন পাবেন না। এর ফলে বিএনপি ও ছাত্রদলের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় সমাবেশে ব্যবহৃত চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে। পরে দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদল নেতা আব্দুস সবুর বুলেট ধাক্কাধাক্কি এবং চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তাহলে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে এ-সংক্রান্ত ছবি তার হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর জন্য বলেন।
তবে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান আয়নাল বলেন, বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পাওয়ার কারণে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। উত্তেজনা সৃষ্টি হলে সংসদ সদস্য নিজে হট্টগোলকারী নেতাদের বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান। কিন্তু তারা সেটি না মেনে সমাবেশস্থলে ধাক্কাধাক্কি এবং চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির মতো অরাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ওসি পঞ্চানন্দ সরকার বলেন, আমি ছুটিতে ছিলাম। রাতে থানায় এসেছি। তবে সমাবেশে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। কেউ আহত হননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মার্কেটিং বিভাগের এক শিক্ষার্থীর সার্টিফিকেট আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, কারণ শিক্ষকের মেসেজে ‘হা হা রিঅ্যাক্ট’ দেওয়াকে অশোভন আচরণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মুজিবুর রহমান, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের এমবিএ ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ আগস্ট বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মেহের নিগারের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরে জমা দেওয়া হয়। সহযোগী অধ্যাপক মাশিয়াত যাহিনের অভিযোগের ভিত্তিতে একাডেমিক সভায় আলোচনা শেষে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ইন্টার্নশিপ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর শিক্ষার্থী মুজিবুর রহমান শিক্ষিকা মাশিয়াত যাহিনকে ধন্যবাদ জানান এবং তাকে ‘মনে রাখবেন’ বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে শিক্ষকের দেওয়া প্রতিউত্তরে ওই শিক্ষার্থী ‘হা হা রিঅ্যাক্ট’ দেন। বিভাগটি এই আচরণকে শিক্ষকের প্রতি চরম অসম্মানজনক ও শিষ্টাচারবহির্ভূত হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, "আমি সার্টিফিকেট নিতে বিভাগে গেলে জানানো হয়, অভিযোগ ক্লিয়ার না হওয়া পর্যন্ত সার্টিফিকেট দেওয়া যাবে না। তবে শিক্ষক ইন্টার্নশিপে আমাকে কী নম্বর দিয়েছেন, তা নিয়ে আমার কোনো ক্ষোভ নেই। এটি শিক্ষকের বিচার্য বিষয়। কিন্তু একটি ‘হা হা রিঅ্যাক্ট’-এর জন্য কি সত্যিই সার্টিফিকেট আটকে দেওয়া যায়?"
অভিযোগকারী শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক মাশিয়াত যাহিন বলেন, "আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি সঠিক প্রক্রিয়ায় বিভাগীয় প্রধানের মাধ্যমে রেজিস্ট্রার বরাবর জানিয়েছি। পরবর্তী সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নেবে।"
সার্টিফিকেট আটকে রাখার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী জানান, "নিয়ম অনুযায়ী এভাবে সরাসরি সার্টিফিকেট আটকানো যায় না। তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে তারা যদি সাময়িকভাবে আটকে রাখার সুপারিশ করেন, কেবল তখনই তা হতে পারে।"
রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "বিষয়টি প্রয়োজনীয় পর্যালোচনার জন্য উপ-উপাচার্যের কাছে পাঠানো হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ