বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৫২ পি.এম
পাবনার ইছামতি নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত একটি দল। এ দলের সাথে রয়েছেন পাবনার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. ফুয়াদ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরের সময় তারা ইছামতি নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম, খননকাজ এবং নিলামের জন্য সংরক্ষিত মাটির ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্টরা জানান, জনস্বার্থে নিলামের জন্য নির্ধারিত মাটি সংরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয়েছে। একই সাথে প্রকল্পটির শর্ত মেনে কাজ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে। কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি, জোরপূর্বক দখল বা প্রকল্পের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স্থানীয় জনগণের দাবি, ইছামতি নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে কাজের মান বজায় রয়েছে এবং দুর্নীতি, জোরপূর্বক দখলের মতো অভিযোগ নেই। তারা প্রকল্প বাস্তবায়নে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে প্রায় ১ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ইছামতি নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কার্যক্রমের তদারকির দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার দিগনগর ইউনিয়নের গোকুলনগর গ্রামে এক কৃষকের ৩৩ শতক জমির ফলন্ত লাউক্ষেত কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দাবি করেছেন তার প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে কৃষক আলমগীর হোসেন জমিতে গিয়ে দেখেন, রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা তার লাউক্ষেতের সব গাছের গোড়া কেটে দিয়েছে। বলা যায়, আলমগীর হোসেন গোকুলনগর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আলমগীর হোসেন বলেন, সকালে জমিতে এসে দেখি আমার সব লাউগাছের গোড়া কেটে দেওয়া হয়েছে। একদিন পরপর ৪ থেকে ৫ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করতাম। কিন্তু এখন দুর্বৃত্তরা সব শেষ করে দিয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরও একই জমির লাউগাছ কেটে দেওয়া হয়েছিল। এবারও আবার একই ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেশী আব্দুল মালেক বলেন, গত বছরও এই জমির লাউক্ষেত কেটে দেওয়া হয়েছিল। এবারও রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা ক্ষেতের সব লাউগাছ কেটে দিয়েছে। এর ফলে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির জানান, লাউক্ষেত কেটে দেওয়ার বিষয়টি আমি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত সাতকানিয়া ও বাঁশখালীর দুর্গম এলাকায় একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ক্যাম্পটির আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হসপিটালের বিশেষ ত্রাণ ও মেডিকেল টিম।
মূলত চট্টগ্রামের ভয়াবহ বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে এই উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। ন্যাশনাল হসপিটালের নির্বাহী পরিচালক ডা. মো. আবু নাছেরের নেতৃত্বে দুর্গত মানুষদের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি এবং নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যদের সরবরাহের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবাও প্রদান করা হয়েছে। বাঁশখালীর জলদী, সরল, বাহারছড়ি ও ইলশাসহ বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় এই মেডিকেল টিমের মাধ্যমে ত্রাণ কর্মসূচি এবং চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে।
ডা. আবু নাছের বলেছেন, অপরিকল্পিতভাবে বসতবাড়ি ও সড়ক নির্মাণের কারণে পানি চলাচলের স্বাভাবিক পথে অনেক অংশে বাঁধা পড়েছে। এছাড়াও, পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কালভার্ট এবং কার্যকর স্লুইস গেটের অভাবে সামান্য অতিবৃষ্টিতেও জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার নিচ্ছে।
এই সময়, তিনি জানান, সাতকানিয়া ও বাঁশখালীর সঙ্গে সঙ্গে চান্দগাঁও এবং বোয়ালখালী সহ অন্যান্য বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে মেডিকেল ক্যাম্প চালানো হবে। এতে সাধারণ মানুষ নিজেদের এলাকা থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে রোগী ও স্বজনদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে দালালির অভিযোগে ১৪ জনকে আটক করেছে র্যাব-১৪।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অসহায় রোগীদের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, আটক ১৪ জনের মধ্যে চারজন এর আগেও একই অভিযোগে দুইবার করে আটক হয়েছিল। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তারা আবারও একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং হাসপাতাল এলাকায় দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর পল্টন এলাকা থেকে মো. স্বপন মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিখোঁজ হয়ে গেছেন। এ ঘটনার পর তার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।
নিখোঁজ ওই যুবক কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার দক্ষিণ নসরুদ্দি গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা মোস্তাক মিয়া এবং মাতা শাহানারা বেগম।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১টার সময় পল্টন থানাধীন সাব্বির টাওয়ারের সামনে থেকে স্বপন মিয়া নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চাওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছেও স্বপন মিয়ার সন্ধান পেলে দ্রুত জানানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
কেউ যদি মো. স্বপন মিয়ার সন্ধান পেয়ে থাকেন বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে তার ভাই রিপন হোসেনের মোবাইল নম্বর ০১৭৫৮-২৭১২৪৮-এ যোগাযোগ করার জন্য পরিবার পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ