ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নোয়াখালীতে পুলিশের কাছ থেকে হত্যা মামলার আসামি নিজাম উদ্দিন ছিনতাই


নোয়াখালীতে পুলিশের কাছ থেকে হত্যা মামলার আসামি নিজাম উদ্দিন ছিনতাই

নোয়াখালীর হাতিয়ায় পুলিশের কাছ থেকে হত্যা মামলার এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পুলিশের হাতকড়াও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার রামচরণ বাজারে এই ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুখচর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালালেও ছিনিয়ে নেওয়া আসামিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

পালিয়ে যাওয়া আসামি হলেন উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের চর আমান উল্যাহ গ্রামের মৃত ছায়েদল হকের ছেলে নিজাম উদ্দিন (৫৫)। তিনি ২০২৫ সালে হাতিয়া থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলার তিন নম্বর আসামি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে থানায় আরও কয়েকটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

আরও পড়ুন: মধুপুরে কৃষিজমির মাটি কেটে বিক্রি, একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ঘটনার দিন সন্ধ্যায় হাতিয়া থানার এসআই বারিসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে আটক করতে রামচরণ বাজারে যান। পুলিশ তাকে এনসিপি কার্যালয়ের সামনে থেকে আটক করার সময় তার স্বজনরা পুলিশের গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে তারা জোরপূর্বক পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেন।

এই ঘটনার পরপরই হাতিয়া থানা পুলিশের একাধিক দল রামচরণ বাজারে যায়। পরে পুলিশ সদস্যরা পালিয়ে যাওয়া আসামির সন্ধানে সুখচর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালান। তবে তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, পালিয়ে যাওয়া আসামি নিজাম উদ্দিন বর্তমানে সুখচর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য। তিনি একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও বর্তমানে এনসিপির সক্রিয় নেতা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাজারের এক ব্যবসায়ী জানান, ঘটনার কিছু সময় পর আসামি নিজাম উদ্দিনের স্বজনরা পুলিশের হাতকড়া ফিরিয়ে দেন। তবে রাতে পুলিশ সবাইকে বাজার থেকে চলে যেতে বাধ্য করে। এতে সেখানে একধরনের ভুতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন: ‘অনুমতি ছাড়াই আসুন, জুতাসহ ঢুকুন’— বরুড়ার ইউএনওর ব্যতিক্রমী উদ্যোগে প্রশংসা

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের পরপরই উৎসুক জনতা ভিড় করে। এ সুযোগে তিনি পালিয়ে যান। তবে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩০ লাখ টাকা দিয়েও দালালদের হাত থেকে তাকে বাঁচানো যায়নি, এখন...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


৩০ লাখ টাকা দিয়েও দালালদের হাত থেকে তাকে বাঁচানো যায়নি, এখন...

লিবিয়ায় মানবপাচারকারীদের হাতে নির্যাতনের ফলে গত বছর (২০২৫) ফরিদপুরের ভাঙ্গার হাবি মাতুব্বর প্রাণ হারান। ৩০ লাখ টাকা দিয়েও তাকে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম ফরিদপুর মানবপাচার দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

আদালত মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসকে নির্দেশ দেয়। পরে মুক্তিপণ নেওয়া ব্যক্তিকে মামলাটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। এতে বাদী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

নিহত হাবি ভাঙ্গার জাঙ্গালপাশা গ্রামের মৃত আবদুস সালাম মাতুব্বরের সন্তান। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্বামী নিহত হওয়ার পর থেকে তাসলিমা সন্তানদের নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, স্থানীয় মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য আসলাম মাতুব্বরের মাধ্যমে হাবির পরিচয় হয়। তাকে ইতালি নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চক্রের প্রধান মুরাদ ব্যাপারী ও তার সহযোগী বকুল মাতুব্বরসহ ছয়জনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। পরে ২০ লাখ টাকায় ইতালি যাওয়ার চুক্তি হয়। প্রথম দফায় ১০ লাখ টাকা ধারদেনা ও জমি বন্ধক রেখে হাবি চক্রটির হাতে দেন। ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট তিনি ইতালির উদ্দেশে দেশ ছাড়েন। লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর ২ সেপ্টেম্বর অবশিষ্ট ১০ লাখ টাকা বকুলসহ তিনজনের হাতে দেওয়া হয়।

হাবিকে বন্দিদের সঙ্গে একটি বদ্ধঘরে আটকে রেখে নির্যাতন চালানো হয়। সেই নির্যাতনের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে বকুলের কাছে পাঠানো হয় এবং হাবির স্ত্রীকে দেখানো হয়। হাবিকে বাঁচানোর জন্য আরও ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরিবারের সদস্যরা নিজেদের বসবাসের ঘর বন্ধক রেখে, স্বজনদের থেকে ধার ও সুদে ১০ লাখ টাকা জোগাড় করে দালালদের প্রদান করেন।

তাসলিমা জানান, মুক্তিপণের ১০ লাখ টাকা দেওয়ার পরও নির্যাতন থামেনি। এক মাস পর মুরাদ আবারও ১০ লাখ টাকা দাবি করে। ওই টাকা দিতে ব্যর্থ হলে নির্যাতন বেড়ে যায় এবং চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি অপর বন্দিদের মাধ্যমে স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ পান তিনি। হাবির মৃত্যুর ঘটনায় জানালা ভেঙে অন্তত ১১ জন আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থার মাধ্যমে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন।

এ ঘটনায় ১৪ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন তাসলিমা। মামলায় ২৬ অক্টোবর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক ষষ্ঠীপদ রায়। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘তিন নম্বর আসামি হিসেবে বকুল মাতুব্বরের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।’

এ বিষয়ে তাসলিমা আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, পাওনাদারদের ভয়ে তিন সন্তান নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি, কখনো না খেয়েও থাকছি। বকুল নিজেই আমার বাড়িতে এসে টাকাগুলো নিয়েছে, তাকেই শুরুতে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাহলে আমি বিচার পাব কোথায়? আমার স্বামী হত্যার সঠিক বিচার চাই, আমার সন্তানদের নিয়ে বাঁচতে চাই।

বিষয়টি নিয়ে জানতে বকুলের মোবাইলে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের কর্মকর্তা ষষ্ঠীপদ রায় বলেন, মামলার বাদী তাসলিমা বকুলের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ দাখিল করতে পারেননি। প্রমাণ ছাড়া একজনকে অভিযুক্ত করা যায় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৈয়দপুরে মসজিদের পেছনের দেয়াল কেটে মালামাল চুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


সৈয়দপুরে মসজিদের পেছনের দেয়াল কেটে মালামাল চুরি

নীলফামারীর সৈয়দপুরে মসজিদের পেছনের দেয়াল কেটে (সিঁধ কেটে) চুরির একটি ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে কামারপুকুর ইউনিয়নের কুজিপুকুর নাজিমুদ্দিনপাড়া বাইতুর রহমত জামে মসজিদে এই চুরির ঘটনা ঘটে।

দুর্বৃত্তরা মসজিদ থেকে নতুন আইপিএস, মাইকের মেশিন ও ব্যাটারি চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।

মসজিদ কমিটির সদস্য নাঈম জানান, বৃহস্পতিবার এশার নামাজ আদায়ের পর রাত ২টা পর্যন্ত মসজিদের আশপাশে লোকজনের উপস্থিতি ছিল। কিন্তু শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ফজরের নামাজ আদায় করতে এসে তারা মসজিদের পেছনের অংশে সিঁধ কাটা দেখতে পান। পরে তারা মসজিদের নতুন আইপিএস, মাইকের মেশিন ও ব্যাটারি খুঁজে পাননি।

মসজিদের সভাপতি আহমদ আলী সরকার বলেন, মসজিদটি টিনশেডের এবং এটি মহল্লাবাসীর দান ও সহযোগিতায় পরিচালিত হয়ে আসছে। এলাকার মানুষ অনেক কষ্ট করে অর্থ সংগ্রহ করে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে নতুন আইপিএস, ব্যাটারি ও মাইকের মেশিন কিনেছিলেন। কিন্তু রাতের আঁধারে সবকিছু চুরি হয়ে গেছে। তিনি দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. মোরসালিন মন্তব্য করেন, “একটি মসজিদের জন্য আইপিএস, ব্যাটারি ও মাইকের সরঞ্জাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উলিপুরে ভাওয়াইয়া চর্চায় নতুন দিগন্ত, নির্মাণ হচ্ছে তিন কোটি টাকার ভবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫০ পি.এম


উলিপুরে ভাওয়াইয়া চর্চায় নতুন দিগন্ত, নির্মাণ হচ্ছে তিন কোটি টাকার ভবন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বাংলাদেশ ভাওয়াইয়া পরিষদ ভাওয়াইয়া গানের দীর্ঘ ইতিহাস ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণে নতুন মাইলফলকের দিকে এগোচ্ছে। সংগঠনটির জন্য প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে একটি স্থায়ী ও আধুনিক বহুতল ভবন।

১৯৯৩ সালে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের পাঁচপীর এলাকায় বাংলাদেশ ভাওয়াইয়া পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি একটি সাধারণ টিনের চালাঘরে ভাওয়াইয়া গানের চর্চা ও সাধনা চালিয়ে আসছে। এই সাদামাটা ঘর থেকেই গড়ে উঠেছেন দেশ-বিদেশে পরিচিত কয়েকশ ভাওয়াইয়া শিল্পী।

দীর্ঘদিন টিনের ঘরে কার্যক্রম পরিচালনার পর অবশেষে সংগঠনটির জন্য স্থায়ী ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা নানা প্রতিকূলতা ও চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন, দেশের বিশিষ্ট শিল্পগোষ্ঠী ও ব্যক্তিদের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অনুদান দিয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের পাঁচপীর এলাকায় কুড়িগ্রাম-চিলমারী সড়কের পাশে একটি বর্ণাঢ্য আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সমাজসেবী গেলাপ হোসেনের দান করা পাঁচ শতক জমিতে নির্মিত হবে ভবনটি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাওয়াইয়া পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার রায়। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও ভাওয়াইয়া একাডেমির পরিচালক ভূপতি ভূষণ বর্মা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বশীর আহমেদ। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী, ভাওয়াইয়া পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রাজেন্দ্রনাথ রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সলিডারিটির নির্বাহী পরিচালক হারুন অর রশিদ লাল, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও গীতিকার তৌহিদুর রহমান, কসিম উদ্দিন পরিষদের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মমিন এবং জমিদাতা গেলাপ উদ্দিনের ছেলে এনামুর রহমান।

বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি খন্দকার একরামুল হক সম্রাট এবং নিউজ২৪-এর কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি হুমায়ুন কবীর সূর্য।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আধুনিক বহুতল ভবনটি নির্মিত হলে কুড়িগ্রামে ভাওয়াইয়া গানের চর্চা আরও বেগবান হবে। নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা উন্নত পরিবেশে সংগীতচর্চার সুযোগ পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘অনুমতি ছাড়াই আসুন, জুতাসহ ঢুকুন’— বরুড়ার ইউএনওর ব্যতিক্রমী উদ্যোগে প্রশংসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫১ পি.এম


‘অনুমতি ছাড়াই আসুন, জুতাসহ ঢুকুন’— বরুড়ার ইউএনওর ব্যতিক্রমী উদ্যোগে প্রশংসা

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুজ্জামান রনি সরকারি দপ্তরের দরজায় সাধারণ মানুষের জন্য একটি ব্যতিক্রমী বার্তা টাঙিয়েছেন। তার কার্যালয়ের দরজায় লেখা রয়েছে, ‘অফিসে প্রবেশের জন্য অনুমতির প্রয়োজন নেই, জুতাসহ প্রবেশ করুন।’ এই উদ্যোগটি স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ইউএনওর কার্যালয়ের দরজায় এ বার্তা দেখা যায়। প্রবেশপথে নেমপ্লেটের পাশে টাঙানো বার্তায় জানানো হয়েছে, সেবাপ্রত্যাশীদের কক্ষে প্রবেশের আগে আলাদা অনুমতি নিতে হবে না কিংবা জুতা খুলে রাখতে হবে না।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই উদ্যোগটি উপজেলা প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দূরত্ব কমানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে এবং সেবাপ্রত্যাশীদের ইউএনওর কাছে সহজে পৌঁছানোর সুযোগ করে দিতে এটি কার্যকর।

স্থানীয় বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, অনেক সময় সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে সহজে পৌঁছাতে না পেরে সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হন। তিনি বলেন, "কেউ কেউ দালালের দ্বারস্থ হয়ে ভোগান্তিতে পড়েন। বরুড়া ইউএনওর কার্যালয়ের এই বার্তা মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়াবে।"

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা শওকত আলী বলেন, ‘এটি সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। সরকারি অফিসে শৃঙ্খলা, নিয়মনীতি ও সৌজন্যবোধ বজায় রাখতে এমন নির্দেশনা প্রশংসার দাবিদার। ইউএনও মহোদয়ের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভকামনা। আল্লাহ তাকে জনসেবায় আরও অবদান রাখার তৌফিক দিন।’

স্থানীয়দের মতে, সেবাপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি কমাতে এবং সরকারি দপ্তরে মানুষের সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে এমন জনবান্ধব উদ্যোগ প্রশাসনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ আরও সহজ ও মানবিক করবে।

বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রনি এ বিষয়ে বলেন, ‘সরকারি দপ্তর মানুষের সেবা দেওয়ার জন্য। সেবাপ্রত্যাশীরা যেন কোনো সংকোচ বা দ্বিধা ছাড়াই তাদের প্রয়োজনের কথা জানাতে পারেন, সে জন্যই কার্যালয়ের সামনে এ বার্তা দেওয়া হয়েছে। আমার কক্ষে আসতে আলাদা অনুমতির প্রয়োজন নেই, জুতা খুলেও প্রবেশ করতে হবে না। সবাই যেন সহজে প্রশাসনের কাছে এসে সেবা নিতে পারেন—এটাই আমার প্রত্যাশা।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%