০৭:২৮ পি.এম
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ‘কোরিয়া ইমপোর্ট এক্সপো ২০২৬’-এ বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান রপ্তানি সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের সুযোগ যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রদর্শনীতে ৩২টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন খাতের পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি কোরিয়ান ক্রেতাদের সঙ্গে ব্যবসায়িক বৈঠক করেছে।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কেবিসিসিআই) এবং সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে গত ২৩ থেকে ২৫ জুন সিওইএক্স হল-বি-তে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
কোরিয়া ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (কোইমা) চেয়ারম্যান ইয়ংমি ইউন, দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথির উপস্থিতিতে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আজ ৬ ঘণ্টা টোলমুক্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল এবং কেবিসিসিআইর সভাপতি শাহাব উদ্দিন খান যৌথভাবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন। ‘ইনভেস্ট ইন বাংলাদেশ: শক্তিশালী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অগ্রযাত্রা’ বিষয়ক প্রতিপাদ্য নিয়ে সাজানো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী ৩২টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান তৈরি পোশাক, বস্ত্র, গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ, চামড়াজাত পণ্য, জুতা, পাট ও পরিবেশবান্ধব পণ্য, হস্তশিল্প, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সফটওয়্যার সমাধান এবং লজিস্টিকস সেবা প্রদর্শন করেছে।
এছাড়া বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ) প্রদর্শনীতে সক্রিয় উপস্থিতি বজায় রেখেছে।
প্রদর্শনীর সময় কেবিসিসিআই প্রতিনিধিদল কোইমার নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করে। বৈঠকে দুই পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে আজ যেসব সড়ক দিয়ে যাবে বিএনপির শোভাযাত্রা
এ আলোচনায় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে কেবিসিসিআই ও কোইমার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ধারাবাহিকতায় দ্বিপক্ষীয় আমদানি-রপ্তানি সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
কেবিসিসিআই সভাপতি শাহাব উদ্দিন খানের নেতৃত্বে ৪১ সদস্যের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল প্রদর্শনীতে অংশ নেয়। এ সময় তারা কোরিয়ান ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে ১৫টিরও বেশি বিজনেস-টু-বিজনেস (বি-টু-বি) বৈঠক করে।
২৬ জুন বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে দূতাবাসের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রদূত লি ইউন ইয়ং, পার্ক ইয়ং সিক এবং ইনচনে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল জেনারেল ডেভিড কিম উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সরকারের ২০৩০ সালের মধ্যে দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা
কোরিয়া ইমপোর্ট এক্সপো ২০২৬-এ ২০০টি স্টলে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর খাদ্য ও পানীয়, প্রসাধনী, ভোগ্যপণ্য, গৃহস্থালি সামগ্রী, স্বাস্থ্য খাতের পণ্য, ইলেকট্রনিকস, শিল্পের কাঁচামাল এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রদর্শিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন