ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নানা আয়োজনে পাবনায় পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস


নানা আয়োজনে পাবনায় পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

পাবনায় যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য এবং দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে সাড়ে ৭টায় জেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের বিভিন্ন কর্মসূচির সূচনা হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তির কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

পরবর্তীতে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ, এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল ইসলাম বিশু। এছাড়াও পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা মন্তব্য করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি স্বর্ণোজ্জ্বল ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। স্বৈরাচারবিরোধী এই আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগ জাতিকে সর্বদা স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাবে। বক্তারা নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সত্য ইতিহাস, মূল চেতনা এবং আত্মত্যাগের সঠিক বার্তা পৌঁছাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

জেলা সদরের পাশাপাশি পাবনার সব উপজেলাতেও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: জামিনে মুক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়িতে পুলিশকন্যা তাসনিয়া রানা তামান্না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বজ্রপাত রোধে ৫ কিলোমিটার সড়কে ২৩০০ তালগাছ রোপণের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


চট্টগ্রামে বজ্রপাত রোধে ৫ কিলোমিটার সড়কে ২৩০০ তালগাছ রোপণের উদ্যোগ

চট্টগ্রাম, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনা এখন নিয়মিত হয়ে উঠেছে। এই ঝুঁকি থেকে পরিবেশ ও মানুষকে রক্ষা করার জন্য এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন জেলার মিরসরাইয়ের তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা ও প্রকৃতিপ্রেমী মো. ওমর শরীফ। তিনি উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ২ হাজার ৩০০ তালগাছের চারা রোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কাটাছরা ইউনিয়নের ছত্তর ভূঁইয়ারহাট এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে চারা রোপণের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়।

উদ্বোধনের আয়োজনে মিরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, ‘কালের বিবর্তনে আমাদের দেশ থেকে তাল ও খেজুর গাছ প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। অথচ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এবং বিশেষ করে বজ্রপাত রোধে তালগাছের ভূমিকা অপরিসীম। ওমর শরীফের এই সময়োপযোগী এবং দায়িত্বশীল উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।’ তিনি পরিবেশ রক্ষার জন্য এই চারাগুলোর সঠিক পরিচর্যা করতে স্থানীয়দের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

উদ্যোক্তা ওমর শরীফ বলেন, ‘প্রতিবছরই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ করে থাকি। কিন্তু বর্তমানে বজ্রপাতের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সরকারের দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

তিনি জানান, ঠাকুরদীঘি থেকে ছত্তর ভূঁইয়ারহাট পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের দুই পাশে ধাপে ধাপে এসব তালের চারা রোপণ করা হবে।

জোহরা অ্যাগ্রো ফার্মস অ্যান্ড নার্সারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর শরীফের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগে সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আলিউল কবির ইকবাল, কাটাছরা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাবিতে ১৪ হাজার শিক্ষার্থীর গণভোজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাবিতে ১৪ হাজার শিক্ষার্থীর গণভোজ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ১৯ আবাসিক হল মিলিয়ে প্রায় ১৪ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে একটি গণভোজ এবং স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, এই আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরা, শহীদদের স্মরণ করা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাধ্যক্ষ পরিষদের সহযোগিতায় বুধবার (৫ আগস্ট) এই বিশেষ গণভোজের আয়োজন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা মোট ১৩ হাজার ৮৩০ জন শিক্ষার্থী এ আয়োজনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক হলে ৪৪০ জন, শাহ্ মখদুম হলে ৬৬০ জন, নবাব আব্দুল লতিফ হল ৬২০ জন, সৈয়দ আমীর আলী হল ৫৫৩ জন, শহীদ শামসুজ্জোহা হল ৭২০ জন, শহীদ হবিবুর রহমান হল ১ হাজার ২৬২ জন, মতিহার হল ৮০০ জন, মাদার বখশ হল ৯৫০ জন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল ৮৫০ জন, শহীদ জিয়াউর রহমান হল ৯৯২ জন, বিজয় ২৪ হল ৮০০ জন শিক্ষার্থী এ আয়োজনে অংশ নেন।

এছাড়া, মন্নুজান হল ১ হাজার ১২ জন, রোকেয়া হল ৯২৮ জন, তাপসী রাবেয়া হল ৫৭০ জন, বেগম খালেদা জিয়া হল ৬৬০ জন, রহমতুন্নেসা হল ৭৩৬ জন, জুলাই ৩৬ হল ১ হাজার ২৪০ জন, বিজয় ৭১ এবং শহীদ মীর আব্দুল কাইয়ুম ডরমিটরিতে ৩৭ জন শিক্ষার্থী এই গণভোজে অংশগ্রহণ করেন।

বিশেষ এই গণভোজে শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবার হিসেবে পোলাও, মুরগির রোস্ট, ডিম, ডাল মিষ্টি ও কোমল পানীয় পরিবেশন করা হয়।

মতিহার হলের শিক্ষার্থী রাকিব হাসান রাজু বলেন, “প্রশাসনের উদ্যোগে হল থেকে আজকে যে খাবার বিতরণ করা হলো তা খুব ভালো ছিলো। এমন আয়োজন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। সুন্দর রান্নার জন্য রাধুনিকেও ধন্যবাদ জানাই।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি ও মাদারবক্স হলের প্রাধ্যক্ষ ড. শাহ হোসেন আহমেদ মেহেদী বলেন, “আজকের আয়োজনে আমরা সবগুলো হল মিলে ১৩ হাজার ৮ শত ৩০ জন এর জন্য আয়োজন করেছি। আমরা মনে করছি শিক্ষার্থীদের সতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজনটি সার্বিকভাবে সফল হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আয়োজনের ব্যাপারে আমাদের কাছে কোন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সরাসরি কোন অভিযোগ আসেনি। তবে এতবড় আয়োজনে দুই-এক জনের একটু সমস্যা হতে পারে। যেহেতু অনেকগুলো পাত্রে রান্না হয়, কোনকিছু কমবেশি হতেই পারে। আমরা একই মেনুতে রান্না করে সর্বোচ্চ ভালো করার চেষ্টা করেছি। অধিকাংশ শিক্ষার্থীই সন্তুষ্ট বলে আমার মনে হয়।”

জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক ড. এস এম কামরুজ্জামান বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছে। এটাতো একটা আনন্দের দিন এবং সবাই এটাকে উৎযাপন করছে এজন্যই আমরা আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ খাবারের আয়োজন করেছি। ১৩ হাজার ৮ শত ৩০ জন শিক্ষার্থী টোকেন কিনেছিলো এবং এর বাইরেও অনেক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। আয়োজনে সবকিছু ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন হয়েছে এই বিষয়ে আমাদের কাছে এখনো কোন অভিযোগ আসেনি।”

জুলাইয়ের তাৎপর্য নিয়ে তিনি বলেন, “জুলাই মানে আমাদের শক্তি, সাহস এবং আমাদের পথচলা। জুলাই গত ১৭ বছরের বঞ্চনা থেকে একটি মুক্তির দিন। জুলাই সাধারণ মানুষের ওপর বিভিন্ন অন্যায় নির্যাতনের জবাব।”

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০ টায় সিনেট ভবনের সামনে থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়, সাড়ে ১০ টায় আলোকচিত্র ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন উপাচার্য। এর কিছু সময় পর সিনেট ভবন চত্বরে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদ্বয় বৃক্ষরোপণ করেন। বেলা ১১টায় সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয় “জুলাই গণঅভ্যুত্থান তারুণ্যের প্রত্যয়; গণতন্ত্রের অঙ্গীকার ও নতুন বাংলাদেশের অভিযাত্রা” শীর্ষক আলোচনা সভা। এরপর বাদ আসর কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী আয়োজনে সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণ অভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তি: নীলফামারীতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল মিছিল ও সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​নীলফামারী প্রতিনিধি: রায়হান আলী

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


গণ অভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তি: নীলফামারীতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল মিছিল ও সমাবেশ

ঐতিহাসিক গণ অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১১ দলীয় ঐক্য নীলফামারীতে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল এবং সমাবেশ আয়োজন করেছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে, নীলফামারী বড় বাজার ট্রাফিক মোড় থেকে একটি বিশাল মিছিল বের হয়। এই মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে চৌরঙ্গী মোড়ে এসে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে উপস্থিত বক্তাদের মধ্যে নীলফামারী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন এবং শহর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ পাটোয়ারী সঞ্চালনা করেন। সেখানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন:

অধ্যক্ষ মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী (সংসদ সদস্য, নীলফামারী-৩),

হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম (সংসদ সদস্য, নীলফামারী-৪),

মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু (জেলা জামায়াতের কার্যকরী পরিষদের সদস্য এবং নীলফামারী পৌরসভার মেয়র প্রার্থী),

অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান আযাদ (সেক্রেটারি, শহর জামায়াত),

সেলিম উদ্দিন (জেলা সভাপতি, ইসলামী ছাত্রশিবির), এবং

আব্দুল মজিদ (জেলা আহ্বায়ক, এনসিপি)।

সমাবেশের মূল বক্তব্যে বক্তাগণ অত্যন্ত কঠোর ভাষায় 'জুলাই সনদ' বাস্তবায়নের দাবি জানান। তাঁরা উল্লেখ করেন:

'জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিলম্ব': বর্তমানে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ অভ্যুত্থানের দুই বছর অতিবাহিত হলেও রাজনৈতিক দলগুলোর উদাসীনতায় এখনো 'জুলাই সনদ' বাস্তবায়িত হয়নি।

'সংঘাতের আশঙ্কা': বক্তারা বলেন, রক্ত দিয়ে অর্জিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে বিএনপি জাতির সাথে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তাদের এই সিদ্ধান্ত ও পিছুটান দেশকে একটি গভীর সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

'অনতিবিলম্বে কার্যকর করার দাবি': নেতৃবৃন্দ সংঘাত এড়াতে এবং জুলাই গণ অভ্যুত্থানের চেতনাকে টিকিয়ে রাখতে অনতিবিলম্বে 'জুলাই সনদ' কার্যকর করার জোর দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার ৩

ভোলার বোরহানউদ্দিনে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত তিন কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে ভিকটিমের ভাইয়ের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে গ্রেফতারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্কুল থেকে ফেরার পথে ওই ছাত্রী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়।

গ্রেফতাররা হলো: বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মো. কামালের ছেলে মো. রাহাত (১৭), একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ছালেমের ছেলে মো. জিসান (১৬) এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মো. কাশেমের ছেলে মো. ইমন (১৭)।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্তরা ওই ছাত্রীকে কৌশলে নির্জন একটি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে একাধিক ব্যক্তি তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করে। পরে ৪ আগস্ট সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ভিকটিমের পরিবার বিষয়টি জানতে পারে।

এরপর আইনি সহায়তার জন্য ভিকটিমের ভাই বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে বোরহানউদ্দিন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেফতার করে।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিমকে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%