মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি
০৭:৪৫ পি.এম
রাঙামাটি শহরের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র ঝুলন্ত ব্রিজ এলাকায় প্রকাশ্যে দেশি ও বিদেশি মদ বিক্রির বিজ্ঞাপন সংবলিত সাইনবোর্ড টাঙানোর কারণে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সাইনবোর্ডে মদ পাওয়ার বিস্তারিত তথ্যের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বরও দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে সেখানে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
জানা গেছে, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের অধীন পর্যটন বারের লিজ নেওয়া প্রতিষ্ঠান এইচ এম এন্টারপ্রাইজ ঝুলন্ত ব্রিজ এলাকায় এসব সাইনবোর্ড টাঙিয়েছে। সাইনবোর্ডগুলো ব্যস্ত পর্যটন এলাকায় দিনের বেলায় দৃশ্যমান হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত মানুষের নজরে আসে।
যখন বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে, তখন রাঙামাটি কোতয়ালি থানার পক্ষ থেকে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে পর্যটন করপোরেশনের ম্যানেজার আলোক বিকাশ চাকমা লোকজন দিয়ে সাইনবোর্ডগুলো খুলে ফেলেন।
এইচ এম এন্টারপ্রাইজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার পাপন বণিক জানান, তারা পর্যটন করপোরেশন থেকে বারটি লিজ নিয়েছেন। তিনি বলেন, "বিক্রি কম হওয়ায় গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছিল।" তিনি দাবি করেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়েই সাইনবোর্ড দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, পর্যটন করপোরেশনের কাছ থেকে এ বিষয়ে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।
তবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সরাসরি এই দাবিকে নাকচ করেছে। রাঙামাটির মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নাহিদ হাসান সৌরভ বলেন, "আমরা এ ধরনের কোনো অনুমতি দিইনি। এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনাও হয়নি। যারা এটি করেছে, তারা অপরাধ করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ম্যানেজার আলোক বিকাশ চাকমা জানালেন, "পর্যটন করপোরেশনের পক্ষ থেকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড কখনো করা হয়নি। লিজ নেওয়া প্রতিষ্ঠানটি নিয়মবহির্ভূতভাবে সাইনবোর্ড টাঙিয়েছে।"
এ বিষয়ে রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম বলেন, "এ ধরনের সাইনবোর্ড ঝোলানো পুরোপুরি আইনবহির্ভূত। এতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি মোটেও ভালো কিছু নয়।"
ঘটনার পর সাইনবোর্ডগুলো খুলে ফেলা হলেও অনুমতির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অনুমতির দাবি করা হলেও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর তা অস্বীকার করেছে। সচেতন নাগরিকদের দাবি, শুধু সাইনবোর্ড খুলে ফেললেই বিষয়টির সমাধান হবে না। কী উদ্দেশ্যে পর্যটন এলাকার জনসম্মুখে মদ বিক্রির বিজ্ঞাপন টাঙানো হয়েছিল, তার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রচারণা রোধে কার্যকর নজরদারির দাবিও জানিয়েছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ ইবনে আল হুসেইন মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট চীন সফরে রওনা হচ্ছেন। এই সফরের সময় তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং’র সঙ্গে বৈঠক করবেন। বেইজিং সোমবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ জর্ডান সম্প্রতি চলমান ওয়াশিংটন-তেহরান যুদ্ধের কারণে একটি সংকটের মধ্যে পড়েছে। এই পরিস্থিতির মাঝে বাদশাহের সফরটি অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে বেইজিং থেকে পাঠানো বার্তা সংস্থা এএফপি উল্লেখ করেছে।
চীন, যা ইরানের তেলের গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে নিরপেক্ষ পক্ষ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। একইসাথে, দেশের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতিতে জানায়, সি চিনপিং’র আমন্ত্রণে জর্ডানের বাদশাহের এই সফরটি ১৮ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত চলতে থাকবে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করবেন।
তিনি আরো বলেন, জর্ডানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী চীন এই সফরকে রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা জোরদার, পারস্পরিক কল্যাণমূলক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে চায়।
গত মাসে আবারও লড়াই শুরু হলে জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ইরান হামলা চালায়। এর প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন শক্তিশালী হামলা পরিচালনা করে। বাদশাহ দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ ১৯৯৯ সালে সিংহাসনে বসার পর এটি তার নবম চীন সফর। সফরকালে তিনি সাংহাই ও শেনঝেনও পরিদর্শন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর ও জিরো টলারেন্স নীতির একটি বড় সাফল্য দেখেছে দেশবাসী। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ধ্রুপদী কায়দায় অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ১৫ কোটি টাকা মূল্যের ৩ লাখ পিস ইয়াবার একটি বিশাল চালান আটক করেছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কোটি টাকার বিলাসবহুল ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো গাড়ি জব্দ করা হয় এবং চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
এই দুঃসাহসিক তদন্তটি সোমবার (১৭ আগস্ট ২০২৬) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা কোতোয়ালি থানাধীন ঝাগরঝুলি এলাকায় কৃষ্ণনগর নামক স্থানে পরিচালিত হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা হলেন—কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার স্বর্ণফুল ক্লাব এলাকার আলী আকবরের ছেলে মো. ফয়সাল (২৫) এবং একই থানার ফুলতলা এলাকার মৃত সাকের আহম্মদের ছেলে আমান উল্লাহ (৩৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন ও সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি কুমিল্লা একটি বিশেষ আভিযানিক দল বুঝতে পারে যে, কক্সবাজার থেকে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিলাসবহুল গাড়িতে করে মাদকের একটি বিশাল চালান রাজধানীতে পাচার করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির টিমটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম এলাকা থেকে সন্দেহভাজন প্রাডো গাড়িটিকে নিজেদের নজরদারিতে নেয়।
অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে গাড়িটিকে দূর থেকে গোপনে অনুসরণ করা হয়।
অবশেষে, গাড়িটি কুমিল্লার কোতোয়ালি থানাধীন ঝাগরঝুলি এলাকার কৃষ্ণনগর পয়েন্টে পৌঁছামাত্র ডিবির চৌকস টিম অত্যন্ত চতুরতার সাথে রাস্তা ঘিরে ফেলে গাড়িটিকে থামতে বাধ্য করে। এরপর গাড়ি তল্লাশি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ এড়াতে অভিনব কায়দায় লুকানো একটি নীল রঙের লাগেজ উদ্ধার করা হয়।
এ মহান লাগেজের ভেতরে ৩০টি ইট সদৃশ প্লাস্টিকের প্যাকেট পাওয়া যায়, যার ভেতরে বিশেষ প্রযুক্তিতে মোড়ানো জিপারযুক্ত বায়ুরোধক প্যাকেটে মোট ৩ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সংরক্ষিত ছিল। উদ্ধার করা এই মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা।
ডিবির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা একটি সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা মাদক পাচারকারী চক্রের মূল ক্যাডার। তারা অত্যন্ত সুকৌশলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেওয়ার জন্য বিলাসবহুল ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি ব্যবহার করে আসছিল।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, তারা গত রাতে কক্সবাজার থেকে এই ইয়াবার চালান নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। প্রথমে তারা কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে পৌছায়, সেখানে কিছুদিন অবস্থান ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এরপর আজ সকালে চট্টগ্রাম থেকে পুনরায় ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলেও শেষ রক্ষা হয়নি; ডিবির জালে আটক হয় তাদের এই অবৈধ সাম্রাজ্য।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির শেকড় উৎপাটনে পুলিশের এই সাঁড়াশি অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি দিন দিন আরও কঠোর হচ্ছে। এই ঘটনার জন্য গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত অন্যান্য গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে রিমান্ড আবেদনসহ ব্যাপক তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং ওই অঞ্চলের গোয়েন্দা প্রধানের বাসভবনে সোমবার ভোরে দুটি ইরানি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে, কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কুর্দিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মাসরুর বারজানি, যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে মন্তব্য করেন, বলেন, কুর্দিস্তান কাউন্টার-টেররিজম ইউনিটের তদন্ত অনুযায়ী, আজ ভোরে আমার ব্যক্তিগত কার্যালয় এবং নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের বাসভবন লক্ষ্য করে ইরানি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি এই হামলা বিষয়ে বলেন, ‘এটি একটি বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং কুর্দিস্তান অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য প্রত্যক্ষ হুমকি’। আঞ্চলিক কাউন্টার-টেররিজম ডিরেক্টরেট জানিয়েছে যে, এই হামলার ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
একটি বিবৃতিতে তারা জানায়, ইরান সীমান্ত পেরিয়ে কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কার্যালয় এবং নিরাপত্তা সংস্থা পারাস্তিন এজেন্সির পরিচালকের বাসভবন লক্ষ্য করে হাদিদ-১১০ মডেলের দুটি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মার্কিন সেনা, বিদেশী তেল কোম্পানি এবং ইরান থেকে নির্বাসিত বিদ্রোহীদের আশ্রয়দাতা কুর্দিস্তান অঞ্চলটি তেহরান এবং ইরাকের অভ্যন্তরে থাকা ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর এক হাজারেরও বেশি হামলার শিকার হয়েছে।
কুর্দিস্তানের রাজধানী এরবিলের আকাশে বারবার বহু ড্রোন লক্ষ্যচ্যুত ও ধ্বংস করা হয়েছে, অন্যদিকে কিছু ড্রোন বিদ্রোহী ও মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থানে আঘাত হেনেছে।
তেহরানের অভিযোগ, এসব নির্বাসিত কুর্দি বিরোধী গোষ্ঠী মূলত পাশ্চাত্য ও ইসরায়েলি স্বার্থে কাজ করছে। ফলে, এ বছরের এপ্রিলে ঘোষিত আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতি (যা পরবর্তীতে ভেঙে যায়) চলাকালেও তাদের ওপর ধারাবাহিক হামলা অব্যাহত রাখে ইরান।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো কুর্দিস্তানে অবস্থিত তাদের অধিকাংশ ঘাঁটি ও ক্যাম্প খালি করে দিয়েছে। এর আগে গত ১৭ জুলাই অঞ্চলের পূর্বাঞ্চলীয় সুলাইমানিয়া শহরের কাছে ড্রোন ও রকেট হামলায় নয়জন নিহত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ৭নং জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানের পদ থেকে খাইরুল ইসলাম পদত্যাগ করেছেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত পদত্যাগপত্র প্রদান করেছেন, যেখানে তিনি তাঁর পদত্যাগের বিষয়টি জানিয়েছেন।
পদত্যাগপত্রে খাইরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তিনি ৭নং জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। কিন্তু তাঁর শারীরিক ও পারিবারিক কারণে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। এর জন্য তিনি স্বেচ্ছায় প্যানেল চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে তার পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।
খাইরুল ইসলাম পদত্যাগপত্রে আরও বলেন, শারীরিক ও পারিবারিক কারণে তাঁর পক্ষে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না, এজন্য তিনি পদত্যাগপত্র প্রদান করেছেন।
পদত্যাগপত্রে তার স্বাক্ষরের সঙ্গে ৭নং জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে তার পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ