মোঃ হাফিজুর রহমান, জিয়ানগর (পিরোজপুর) থেকে,
০৪:১৮ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী যাত্রাবাড়ী এলাকায় মাদক বিরোধী গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। আজ শুক্রবার, ২১ আগস্ট যাত্রাবাড়ী-শ্যামপুর থানার ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের নির্দেশনায়, কর্মসূচিতে নেতৃত্ব প্রদান করেন থানা আমির মাওলানা জাকির হোসাইন এবং ৫১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নাজির আহমেদ ভূঁইয়া।
মিছিলটি ধোলাইপাড়ের ৩ নম্বর গলি থেকে শুরু হয়ে, এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও অলিগলি প্রদিক্ষন করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী ছাড়াও এলাকার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার মন্ত্রিসভার পরিবর্তন আনছে। নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য সরকারি যানবাহন অধিপ্তর ৬টি গাড়ি প্রস্তুত রেখেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ৬টি গাড়ির আবেদন করা হয়েছে অধিদপ্তরে। তবে কতটি গাড়ি ব্যবহার করা হবে সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে যে, নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য মোট ছয়টি গাড়ি তৈরি রাখা হয়েছে। সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমে বলেন, নতুন মন্ত্রীদের জন্য তাদের কাছে ছয়টি গাড়ির আবেদন করা হয়েছিল এবং সেগুলি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হল, সেখান থেকে কয়টি গাড়ি কাজে লাগানো হবে, সেটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগই জানাতে পারবে।
এদিকে কালের কণ্ঠ মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হতে যাওয়া ৪ নতুন সদস্যের নামও জানতে পেরেছে। নতুন সদস্যরা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এমপি, জাতীয় পাটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি, বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
নতুন মন্ত্রীদের সম্ভাব্য দফতর নিয়ে আলোচনা চলছে, তারা কোন মন্ত্রণালয় পেতে পারেন। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন রাষ্ট্রপতির শপথের পরই মন্ত্রিসভা নতুন সদস্যদের শপথ নেবে।
দরবার হলে নতুন সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানাচ্ছে, নতুন মন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন নতুন রাষ্ট্রপতি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। প্রায় ১৯ বছর পর গঠিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার আকার হয় মোট ৫০ জনের। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ আগস্ট, ২০২৬ : প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন অভিযানে ইরানের অর্থনীতি বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদেশ ও চীনকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ওয়াশিংটন বলেছে, তারা তেহরানের ‘এই সরকারকে ধ্বংস করবে।’
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিকে ইরান ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছে, এতে কোনো ফলের আশা না করাই প্রধান।
দেশে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে সমালোচনার মুখে রয়েছেন ট্রাম্প। সামনে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচন রয়েছে। এর মধ্যে বুধবার তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক’ অর্থনৈতিক অভিযান চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সঙ্গে সুর মিলিয়ে বলেছেন যে, ট্রাম্পের অজনপ্রিয় যুদ্ধ ছয় মাসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এদিকে তিনি তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর পক্ষে জোর দিয়েছেন। বেসেন্ট এক্সে বলেন, ‘তেহরানের সঙ্গে যে কোনো ধরণের সম্পর্ক, কোনো দেশের অর্থনৈতিক ধ্বংসকে ত্বরান্বিত করবে। সেই সম্পর্ক কিংবা কৌশল ইচ্ছাকৃতভাবে উদ্ভাবিত হোক বা জেনেশুনে উপেক্ষা করা হোক।’
কিন্তু ট্রাম্প বা তার অর্থমন্ত্রী ইরানের বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা বিস্তারিত জানাননি। বেসেন্ট বলেন, সোমবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক পডকাস্টে বলেন, ‘আমরা এখন এমন একটি নতুন পর্যায়ে রয়েছি, যেখানে আমাদের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার হলো তাদের ওপর প্রয়োগ করা অর্থনৈতিক চাপ।’ তিনি добавил, ‘এটি একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্যের বিষয়’, কারণ ইরানও ‘আমাদের ওপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করবে।’
যুক্তরাষ্ট্র চীনের ওপর চাপ দেবে কি না- এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেসেন্ট সিএনবিসিকে বলেন, ‘অনেক আলোচনা ব্যক্তিগতভাবে করাই ভালো।’ তবে তিনি বেইজিংকে ‘এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার’ আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ২৪ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউস সফর করবেন।
বেসেন্টের মন্তব্যের মাধ্যমে ইরানে সরকার পরিবর্তনের কথা একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার মুখে আবার উঠে এসেছে। এর আগে কয়েক মাস ধরে ট্রাম্প বলে আসছিলেন, যুদ্ধের লক্ষ্য হলো ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা। এদিকে বেসেন্ট বলেন, অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ফলে ইরানের বিরুদ্ধে আবার বড় ধরণের সামরিক অভিযান চালানোর প্রয়োজন কমে আসবে।
তিনি বলেন, ‘যদি আমরা সর্বাধিক অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করি, তাহলে বড় আকারের সামরিক অভিযান আবার শুরু করার প্রয়োজন পড়বে বলে মনে হয় না।’
ট্রাম্পের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধ এখন অচলাবস্থায় রয়েছে। এদিকে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর একটি অংশ বন্ধ রেখেছে।
বুধবার ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ চালানোর প্রতিশ্রুতি দেন। তার নিজস্ব ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘যে কোনো দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক অভিযান’ ঘোষণা করছেন তিনি। ‘এটি হবে নজিরবিহীন মাত্রার অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতা।’
কিন্তু একই সময়ে ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতিও বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘদিন মোতায়েন থাকা একটি বিমানবাহী রণতরীতে গুরুতর পরিস্থিতির খবর প্রকাশের পর দেশে ট্রাম্পের যুদ্ধ নিয়ে নতুন করে সমালোচনা শুরু হয়। এর মধ্যে বুধবার মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন একটি বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ পৌঁছেছে।
ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছে। ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে মোতায়েন থাকা আব্রাহাম লিংকনে খাবারের ঘাটতি, নষ্ট পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং আত্মহত্যার একাধিক চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এদিকে বৃহস্পতিবার ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করা কাতারের কাছে সম্ভাব্য ৪৫০ কোটি ডলারের জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ আগস্ট, ২০২৬ : নতুন করে কিউবার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নতুন নিষেধাজ্ঞার এই ঘোষণা দেন। নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে কিউবার নির্মাণ মন্ত্রণালয়ও।
নাগরিকদের জন্য অনলাইন নিউজ এজেন্সি এএফপি’র পক্ষ থেকে খবর প্রকাশ করা হয়েছে।
কিউবার ধাতু ও খনি খাতের কিছু রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকেও নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। মার্কো রুবিও বলেন, এই প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কিউবার সরকারের ‘দমনমূলক কর্মকাণ্ডকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করছে’৷
এছাড়া, কিউবান ইনস্টিটিউট অব ফ্রেন্ডশিপ উইথ দ্য পিপলস, আইক্যাপ-এর তিন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন স্থানে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল ও ব্রিগেডের সদস্যদের আতিথ্য দেয়।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় পড়া আইক্যাপের সভাপতি ফার্নান্দো গনজালেস ইয়োর্তকে যুক্তরাষ্ট্রে কিউবার গুপ্তচর হিসেবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে ১৫ বছর ছিলেন। পরে তিনি কিউবায় ফিরে আইক্যাপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘অস্থিতিশীলতামূলক কর্মকাণ্ড’ চালাতে থাকেন বলে অভিযোগ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
রুবিও বলেন, ‘আজকের নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, কিউবার সরকার দমন-পীড়নে অর্থায়ন করবে অথবা কয়েক দশক ধরে হয়ে আসা যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে- ট্রাম্প প্রশাসন তা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।’
তবে কিউবা এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে বলেছেন, রুবিও কিউবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দেশটির অর্থনীতির ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এর উদ্দেশ্য হলো কিউবা সরকারকে জনগণের প্রয়োজনীয় মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে বাধা দেওয়া।
ট্রাম্প প্রশাসন চলতি বছরের জানুয়ারিতে কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। এর আগে কিউবার ঘনিষ্ঠ মিত্র ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন।
কিউবার ওপর আরোপ করা তেল অবরোধ দেশটির সমস্যা সংকটাপন্ন জীবনযাত্রাকে আরো কঠিন করে তুলেছে। একই সঙ্গে সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন বড় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী জিএইএসএসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা বিদেশি ব্যবসা ও বিনিয়োগকারীদের কিউবা থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে এবং দেশের অর্থের প্রবাহকে কমিয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ রয়েছে যে, কিউবা রাশিয়া, চীন ও ইরানের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটন কিউবার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বামপন্থী বিভিন্ন আন্দোলনের কথিত যোগাযোগকেও গুরুত্ব দিচ্ছে।
রুবিও বলেন, কিউবার সরকার দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে একটি বিস্তৃত ‘গোপন প্রভাব বিস্তারকারী নেটওয়ার্ক’ পরিচালনা করে আসছে। তার বক্তব্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মতো কর্মসূচির আড়ালে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং ধীরে ধীরে উগ্রপন্থী করে তোলার চেষ্টা করা হয়।
রুবিও আরও দাবি করেন, কিছু দিন আগে কিউবার সাবেক নেতা ও কমিউনিস্ট বিপ্লবী ফিদেল কাস্ত্রোর জন্মশতবার্ষিকীকে কাজে লাগিয়ে দেশটি এই নেটওয়ার্ককে আবার সক্রিয় করার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, এর উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক সমর্থকদের একটি নতুন দলকে কিউবায় নিয়ে এসে সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।
অথচ, ওই ব্যক্তিরা কারা সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি রুবিও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ