০৪:১২ পি.এম
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার প্রেক্ষাপটে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, যদি এই ঘটনার পেছনে কারও গাফিলতি কিংবা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর ফলে এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
শুক্রবার (৫ জুন) রাতে, বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটসংলগ্ন কার্গো শেডের আমদানি অংশে আগুন লাগার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি রাত ৩টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: আজ ৬ ঘণ্টা টোলমুক্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তদন্ত কমিটিই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং আগুনের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবে।
তিনি জানান, গত বছরের ১৮ অক্টোবর একই এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের পর কার্গো ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছিল। বিশেষ করে ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্টদেরকে সাত দিনের মধ্যে আমদানি পণ্য ছাড় করার তাগিদ প্রদান করা হয়েছিল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সীমার তুলনায় সেখানে অনেক বেশি পণ্য জমা হয়েছিল। যেখানে প্রায় ২০ টনের বেশি মালামাল থাকার কথা নয়, সেখানে দেড়শ’ টনেরও বেশি পণ্য স্তূপাকারে রাখা হয়েছিল। এই বিষয়টিতে সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ছিল কি না, সেটিও তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে।
এ সময় বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক বিমানবাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে আজ যেসব সড়ক দিয়ে যাবে বিএনপির শোভাযাত্রা
এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। যদি কারও গাফিলতির কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কার্গো শেডের আমদানি বিভাগে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের কারণে বিমান চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। তবে কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে কিংবা কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
ঘটনাটি তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে এভিয়েশন সিকিউরিটির (এভসেক) পলিসি অ্যান্ড সার্টিফিকেশনের পরিচালক ইফতেখার জাহান হোসেনকে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে আরও বিস্তৃত তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: সরকারের ২০৩০ সালের মধ্যে দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন