ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুপুরের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা


দুপুরের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেইসঙ্গে বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তাটিতে বলা হয়েছে, রংপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

এই সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেয়া সতর্কবার্তাতে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃহস্পতিবার মার্কেট বন্ধ রাজধানীর যেসব এলাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ এম


বৃহস্পতিবার মার্কেট বন্ধ রাজধানীর যেসব এলাকায়

প্রতিদিন, কিছু না কিছু কেনাকাটার উদ্দেশ্যে রাজধানীর বাসিন্দারা মার্কেট কিংবা বাজারে চলে যান। একই সঙ্গে তারা ঘুরতেও বিভিন্ন এলাকায় যান। কিন্তু প্রয়োজনীয় কেনাকাটা বা ঘুরতে গিয়ে যদি দেখা যায় যে ওই এলাকার মার্কেট বন্ধ, তাহলে তাদের মনটাই খারাপ হয়ে যায়। এর পাশাপাশি সময়ও নষ্ট হয়ে যায়।

তাহলে বাসা থেকে বের হওয়ার আগে জানা দরকার বৃহস্পতিবার (১৮ ‍জুন) রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, মোহাম্মাদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা এলাকার দোকানপাট, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরারপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলি, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।

শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্নফুলি গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, মোহাম্মাদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার ক-অপরারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্থান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বাইতুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট, সাকুরা মার্কেট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের নামাজের সময়সূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ এম


আজকের নামাজের সময়সূচি

নামাজ প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর ওপর ফরজ। এটি সময়মতো আদায় করা প্রয়োজন। এজন্য নামাজের সময় কখন শুরু হয় এবং কখন শেষ হয়, তা জানা অপরিহার্য। নামাজ আদায় করার জন্য সময় শেষ হওয়ার আগেই নামাজ আদায় করা উচিত।

আজ বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬; ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ বাংলা; ২ মহররম, ১৪৪৭ হিজরি। চলুন, এখন দেখে নেওয়া যাক আজকের জন্য নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি:

বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ বা বিয়োগ করতে হবে, সেই বিষয়টি মনে রাখতে হবে।

নামাজ শুরু শেষ

জোহর ১১:৫৮ ৪:৩৭

আসর ৪:৩৮ ৬:৪৪

সূর্যাস্ত ৬:৪৪

মাগরিব ৬:৪৫ ৮:১১

এশা ৮:১২ ৩:৪২

শুক্রবার (১৯ জুন)

তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময় ৩:৪২

ফজর ৩:৪৩ ৫:০৯

সূর্যোদয় ৫:২৫

ইশরাক ৫:২৬ ১১:৫১

চাশত ৫:২৬ ১১:৫১

বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ/বিয়োগ করতে হবে।

বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম ৫ মিনিট

সিলেট ৬ মিনিট

যোগ করতে হবে

খুলনা ৩ মিনিট

রাজশাহী ৭ মিনিট

রংপুর ৮ মিনিট

বরিশাল ১ মিনিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোডাউনেই নষ্ট হচ্ছে পাট, বেকার হতে পারেন হাজারো শ্রমিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ এম


গোডাউনেই নষ্ট হচ্ছে পাট, বেকার হতে পারেন হাজারো শ্রমিক

খুলনা অঞ্চলে প্রায় ৯ মাস ধরে কার্যত বন্ধ রয়েছে কাঁচাপাট রপ্তানি। রপ্তানিকারকরা দাবি করেছেন যে, কাঁচাপাটকে শর্তসাপেক্ষ রপ্তানি পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পর থেকেই সংকট শুরু হয়েছে। তাই বিপুল পরিমাণ পাট গোডাউনে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে, এবং এর মান ও বাজারমূল্য কমছে। একদিকে, ব্যবসায়ীদের লোকসান বাড়ছে, অন্যদিকে হাজারো শ্রমিক কর্মহীন হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন।

খনার দৌলতপুর, খানজাহান আলী ও আশপাশের এলাকার পাট গোডাউনের পরিস্থিতি ভিন্ন। সেই সময়ে যখন শ্রমিকদের বিদেশে পাঠানোর জন্য কাঁচাপাট বাছাই, প্রেসিং ও বেইলিংয়ের কাজে ব্যস্ত থাকার কথা ছিল, তখন গোডাউনগুলো এখন অনেকটাই নিস্তব্ধ। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন যে, কৃষকদের কাছ থেকে কেনা হাজার হাজার মণ পাট মাসের পর মাস ধরে গোডামে মজুত রয়েছে। দীর্ঘদিন সংরক্ষণে থাকার কারণে অনেক পাটের মান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

রপ্তানিকারকদের মতে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কাঁচাপাটকে শর্তসাপেক্ষ রপ্তানি পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পর থেকে খুলনা অঞ্চলে রপ্তানি কার্যকরীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসহ বিভিন্ন জটিল প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ রপ্তানি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। সংকট সমাধানের দাবিতে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে তারা একাধিকবার স্মারকলিপি দিয়েছেন, তবে কার্যকর কোনো সমাধান এখনো আসেনি।

গাজী জুট ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী গাজী শরীফুল ইসলাম বলেছেন, রপ্তানি বন্ধ থাকায় বিপুল পরিমাণ পাট গুদামে আটকে রয়েছে। ব্যাংক ঋণের সুদ বেড়ে যাচ্ছে, গুদামভাড়া ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে চরম সংকটে রয়েছেন। দ্রুত রপ্তানি চালু না হলে অনেক প্রতিষ্ঠান উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হবে।

বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক মো. আলমগীর খান বলেছেন, কাঁচাপাট রপ্তানি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম খাত। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এই খাত অচল থাকার ফলে ব্যবসায়ী, কৃষক ও শ্রমিক—সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সরকার যদি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

রপ্তানি বন্ধের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে শ্রমবাজারে। সংশ্লিষ্টদের মতে, খুলনা অঞ্চলের প্রায় ২০টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। কাজ না থাকায় অনেক শ্রমিক বিকল্প পেশার খোঁজ করছেন।

দৌলতপুরের শ্রমিক আব্দুল গফ্ফার বলেছেন, আগে সপ্তাহে ছয় দিন নিয়মিত কাজ করেছি। এখন মাসে কয়েকদিনও কাজ পাওয়া যাচ্ছে না। সংসারের খরচ, সন্তানের পড়াশোনা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেক সময় ধারদেনা করতে হচ্ছে। আরেক শ্রমিক মো. সোহেল রানা বলেছেন, পাট প্রেসিং ও লোডিংয়ের কাজ করেই পরিবারটি চলছিল। কাজ না থাকায় আয় প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বাড়িভাড়া, বাজার খরচ ও চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত রপ্তানি চালু না হলে শ্রমিকদের মানবেতর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে। শ্রমিক রহিমা বেগম বলেছেন, আমাদের আয় বন্ধ হয়ে গেছে বললেই চলে। সন্তানদের লেখাপড়া, খাবার ও পরিবারের অন্যান্য খরচ ঠিকভাবে বহন করতে পারছি না। অনেক নারী শ্রমিক এখন বিকল্প কাজের খোঁজ করছেন, তবে সেখানে পর্যাপ্ত সুযোগ নেই।

দৌলতপুর জুট প্রেস অ্যান্ড বেইলিং ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিঠু বলেছেন, ‘শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা এখন বিপদের সম্মুখীন। কয়েক দফা আন্দোলন করেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো সমাধান আসেনি। দ্রুত রপ্তানি চালু না হলে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে এবং সামাজিক সংকটও তৈরি হতে পারে। দ্রুত যদি সরকার আমাদের কর্মের ব্যবস্থা না করে, তাহলে আরও বড় আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।’

যদিও পাট অধিদপ্তর বলছে, সমস্যা সমাধানে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। খুলনা পাট অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সরজিৎ সরদার বলেছেন, ‘বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর কাজ করছে। ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের উদ্বেগের বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। আমরা দ্রুত ইতিবাচক সমাধানের আশা করছি।’

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খুলনা অঞ্চল থেকে ৩৫ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন কাঁচাপাট রপ্তানি হয়েছিল। অথচ চলতি অর্থবছরের মে মাস পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১৭ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংকট দীর্ঘায়িত হলে শুধু রপ্তানিকারক নয়, কৃষক, শ্রমিক ও দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনও বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝড়-তুফানের সময় যে দোয়া পড়তেন নবীজি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ এম


ঝড়-তুফানের সময় যে দোয়া পড়তেন নবীজি

প্রাকৃতিক দুর্যোগ হচ্ছে মানুষের জীবনের একটি অনিবার্য বাস্তবতা। ঝড়, তুফান, অতিবৃষ্টি কিংবা বজ্রপাতের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের পরীক্ষা করেন। এই ধরনের পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধারণ করা, প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা এবং মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা একজন মুমিনের দায়িত্ব।

কোরআন ও হাদিসে এমন দুর্যোগের সময় পড়ার জন্য একাধিক দোয়া শিক্ষা দেওয়া হয়েছে, যা একজন মুসলমানের ঈমান, তাওয়াক্কুল এবং আল্লাহর প্রতি নির্ভরতার প্রকাশ ঘটায়।

এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা, জানমাল ও ফলফলাদির ক্ষতির মাধ্যমে। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও। যারা বালা-মুসিবতের সময় বলে নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী, তাদের ওপরই রয়েছে তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও রহমত; এবং তারাই হেদায়তপ্রাপ্ত।’ (সুরা বাকারা: ১৫৫-১৫৭)

যখন জোরে বাতাস বা ঝড় শুরু হয়, রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়া পাঠ করতেন,

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا، وَخَيْرَ مَا فِيهَا، وَخَيْرَ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا، وَشَرِّ مَا فِيهَا، وَشَرِّ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ। উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা, ওয়া খাইরা মা ফীহা, ওয়া খাইরা মা উরসিলাত বিহী। ওয়া আঊযু বিকা মিন শাররিহা, ওয়া শাররি মা ফীহা, ওয়া শাররি মা উরসিলাত বিহী।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এই বাতাসের কল্যাণ, এর মধ্যে নিহিত কল্যাণ এবং যে উদ্দেশ্যে আপনি একে প্রেরণ করেছেন তার কল্যাণ প্রার্থনা করছি। আর এর অনিষ্ট, এর মধ্যে নিহিত অনিষ্ট এবং যে উদ্দেশ্যে এটি প্রেরিত হয়েছে তার অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। (সহিহ মুসলিম: ৮৯৯; সহিহ বুখারি: ৩২০৬, ৪৮২৯)

বজ্রপাতের শব্দ শুনলে রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়া পাঠ করতেন, اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا، اللَّهُمَّ صَيِّبًا هَنِيئًا، اللَّهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلاَ تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ। উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সায়্যিবান নাফিআ, আল্লাহুম্মা সায়্যিবান হানীআ। আল্লাহুম্মা লা তাকতুলনা বি-গাদাবিকা, ওয়ালা তুহলিকনা বি-আযাবিকা, ওয়া আফিনা কাবলা যালিক।

অর্থ: হে আল্লাহ, উপকারী বৃষ্টি দিন। হে আল্লাহ, শান্তিময় বৃষ্টি দিন। আপনার গজব দিয়ে আমাদের হত্যা করবেন না এবং আপনার আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করবেন না। এর আগে আমাদের নিরাপত্তা ও ক্ষমা দান করুন। (সহিহ বুখারি: ৭২১; জামে তিরমিজি: ৩৪৫০; সুনানো নাসায়ি: ৯২৭; মুসনাদে আহমাদ: ৫৭৬৩)

অতিবৃষ্টির কারণে মানুষের কষ্ট হলে মহানবী (সা.) এই দোয়া পড়তেন, اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلاَ عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ عَلَى الآكَامِ وَالظِّرَابِ، وَبُطُونِ الْأَوْدِيَةِ، وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ। উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়ালা আলাইনা। আল্লাহুম্মা আলাল আকামি ওয়ায যিরাবি, ওয়াবুতুনিল আওদিয়াতি, ওয়ামানাবিতিশ শাজার।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমাদের ওপর নয়; আমাদের আশপাশের এলাকায় বৃষ্টি বর্ষণ করুন। হে আল্লাহ, উঁচু ভূমি, পাহাড়, উপত্যকা এবং বৃক্ষরাজির ওপর বৃষ্টি বর্ষণ করুন। (সহিহ বুখারি: ৯৩৩; সহিহ মুসলিম: ৮৯৭)

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ইসলামের শিক্ষা হলো আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখা, বেশি বেশী ইস্তিগফার ও দোয়া করা, ধৈর্য ধারণ করা এবং নিজের ও অন্যের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা খুবই জরুরি। কারণ একজন মুমিন জানে, সবকিছুই আল্লাহর ইচ্ছায় সংঘটিত হয় এবং তিনিই সব বিপদ থেকে রক্ষা করার একমাত্র মালিক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%