ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের নামফলক অপসারণের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান ডিএনসিসির


জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের নামফলক অপসারণের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান ডিএনসিসির

ঢাকা, ৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মিরপুর-১০ গোলচত্বরে জুলাই শহীদ ও যোদ্ধাদের নামফলক স্থায়ীভাবে অপসারণের কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করেনি। বরং সংস্কার কাজ শেষে নামফলকগুলোকে আরও সুন্দর, নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দনভাবে স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

আজ শুক্রবার মিরপুর-১০ নম্বরে ডিএনসিসি আয়োজিত জুলাই গ্রাফিতি রিমেক কার্যক্রমের উদ্বোধনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের নামফলক সরিয়ে ফেলা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রকৃত বিষয়টি স্পষ্ট করতে সংস্থাটি এই বক্তব্য দিয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগের কথা বললেন

সম্প্রতি মিরপুর-১০ গোলচত্বরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের কারণে সেখানকার পুলিশ বক্সটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর পর পুলিশ বক্সটির সংস্কার এবং মিরপুর-১০ এলাকার সার্বিক সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেয় ডিএনসিসি।

চলমান সংস্কার কাজের সুবিধার্থে পুলিশ বক্সের দেয়ালে সংযুক্ত জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের নামফলকগুলো সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নির্দেশনায় সংস্কার কাজের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে।

ডিএনসিসি জানায়, নামফলকগুলো স্থায়ীভাবে অপসারণের কোন উদ্দেশ্য নেই। বরং প্রশাসকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এগুলো নতুনভাবে নকশা করে মিরপুর-১০ গোলচত্বর এলাকায় আরও সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দনভাবে স্থাপন করা হবে। এতে পথচারী ও সাধারণ মানুষের কাছে নামফলকগুলো আরও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হবে এবং জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের অবদান যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করা সম্ভব হবে।

জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং যোদ্ধাদের অবদান স্মরণে রাখার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই নামফলকগুলো নতুনভাবে উপস্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানায় ডিএনসিসি।

আরও পড়ুন: বাঁশপাতার চায়ের উদ্ভাবনী ধারণায় দেশসেরা বেরোবির মাহিদ-আজিজ, পাচ্ছেন লাখ টাকার ফান্ড

সংস্কার কাজ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কার্যক্রম সম্পন্ন হলে নামফলকগুলো আরও আকর্ষণীয় ও নান্দনিকভাবে স্থাপন করা হবে। তাই সাময়িকভাবে নামফলক সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজবে কান না দিয়ে প্রকৃত বিষয়টি জানার আহ্বান জানিয়েছে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ।

উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন এবং জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা এই বিষয়গুলোকে সমন্বয় করে মিরপুর-১০ গোলচত্বরকে আরও সুন্দর ও নান্দনিকভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২২ দিনে ৭৮৩ কিলোমিটার হেঁটে শাহপরীর দ্বীপে পৌঁছালেন জবি শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


২২ দিনে ৭৮৩ কিলোমিটার হেঁটে শাহপরীর দ্বীপে পৌঁছালেন জবি শিক্ষার্থী

সুন্দরবনের দুর্গম জঙ্গল, উত্তাল নদী, কাদামাটির পথ, বিচ্ছিন্ন দ্বীপাঞ্চল ও পাহাড়ি জনপদ অতিক্রম করে ২২ দিনে ৭৮৩ কিলোমিটার হেঁটে কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের ঘোলারচরে পৌঁছেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাবেক শিক্ষার্থী ও পরিব্রাজক মাসফিকুল হাসান টনি। তাঁর এই পদযাত্রা শুরু হয়েছিল ১৪ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরার শ্যামনগরের কৈখালীর পাঁচ নদীর মুখ থেকে এবং শেষ হয় ৫ অক্টোবর বিকেল ৪টা ২ মিনিটে। ‘বাংলাদেশ কোস্টাল ট্রাভার্স’ নামের অভিযানের মাধ্যমে তিনি উপকূলের পথে হেঁটে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন।

টনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি বেঙ্গল পিস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরিব্রাজক হিসেবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ানো টনির এবারের অভিযানের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল হেঁটে পাড়ি দেওয়া।

সুন্দরবনের দুর্গম পথ

কৈখালী থেকে যাত্রা শুরু করার পর প্রথমেই তাঁকে পাড়ি দিতে হয়েছে সুন্দরবনের প্রায় ১৬৫ কিলোমিটার পথ। একদিকে গভীর বন, অন্যদিকে নদী-খালের বিস্তৃত জাল। পথের সঙ্গে বদলেছে চারপাশের শব্দ, গন্ধ, মাটি ও মানুষের জীবনযাত্রা। সুন্দরবনের ওয়াপদা বাঁধের পথ ধরে হাঁটার সময় ভয়ও কাজ করেছে তাঁর মধ্যে। পথের চায়ের দোকানে বসে তিনি জলদস্যুদের নানা গল্প শুনেছেন।

সুন্দরবন পেরিয়ে সামনে এসেছে একের পর এক নদী। শিবসা, বলেশ্বর, বিষখালী, আন্দারমানিক, রামনাবাদ থেকে মহেশখালী চ্যানেল, সাঙ্গু ও মাতামুহুরীসহ অসংখ্য নদী-নালা ও খাল-বিল পেরিয়ে তিনি এগিয়ে গেছেন। কিছু নদী ছিল শান্ত, কিছু ছিল উত্তাল। উপকূলে তিন নম্বর সতর্কসংকেত চলাকালে তেঁতুলিয়া ও মেঘনা নদীও পাড়ি দিতে হয়েছে তাঁকে।

তেঁতুলিয়া নদী পার হওয়ার সময় বড় বড় ঢেউ নৌকায় আছড়ে পড়ছিল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে জীবন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। পরে মাঝির দক্ষতায় নৌকাটি নিরাপদে চরফ্যাশনে পৌঁছায়। দীর্ঘ এই যাত্রায় রাঙাবালি, চরমোন্তাজ, চর বাংলা, চরফ্যাশন, মনপুরা ও হাতিয়ার মতো দ্বীপাঞ্চল পেরিয়েছেন টনি।

কখনো কাদামাটি, কখনো পাহাড়ি পথ

কখনো কাদামাটি, কখনো পাথুরে পথ, আবার কখনো ঘন জঙ্গল কিংবা বিস্তীর্ণ চর—প্রতিটি পথেই ছিল ভিন্ন চ্যালেঞ্জ। মীরসরাই ও সীতাকুণ্ডের বেড়িবাঁধসংলগ্ন জঙ্গলপথও পাড়ি দিতে হয়েছে তাঁকে। একাকী চলার পথে একবার বিশাল একটি সাপ এবং পরে শেয়ালের মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর। মহেশখালীর পাহাড়ি পথ পেরিয়ে একসময় তাঁর যাত্রা মিলেছে মেরিন ড্রাইভ সড়কের সঙ্গে।

উপকূলের পথে হাঁটতে গিয়ে কাছ থেকে দেখেছেন জেলেদের মাছ ধরার ব্যস্ততা, শুঁটকি তৈরির প্রস্তুতি এবং উপকূলীয় মানুষের দৈনন্দিন জীবন। একেক অঞ্চলের প্রকৃতি, মানুষের জীবনযাত্রা ও পথের বৈচিত্র্য তাঁর দীর্ঘ যাত্রাকে অভিজ্ঞতাবহুল করে তুলেছে।

অভিযানের অভিজ্ঞতা জানিয়ে কালের কণ্ঠকে টনি বলেন, ‘বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল পেরিয়ে প্রথমবারের মতো দেশের সমগ্র উপকূল হেঁটে পাড়ি দিয়ে নাফ নদীর পাড়ে পৌঁছেছি। দীর্ঘ ২২ দিনের এই যাত্রায় নানা বাধা, ভয় ও প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। সব বাধা পেরিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছানোর আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘পথে শত শত গ্রাম, পাড়া-মহল্লা পেরিয়েছি। বলেশ্বর, বিষখালী, মোংলা, আন্দারমানিক ও মেঘনার মতো নদীপথ এবং বিভিন্ন দ্বীপাঞ্চল অতিক্রম করতে হয়েছে। প্রতিটি পথের অভিজ্ঞতা আলাদা, আর কিছু মুহূর্ত ছিল সত্যিই ভয়ংকর।’

অভিযানের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে টনি বলেন, ‘সুন্দরবনের দুর্গম পথ, উত্তাল নদী, বিচ্ছিন্ন দ্বীপাঞ্চল এবং জনপদের পর জনপদ পেরিয়ে এগিয়ে যেতে হয়েছে। কখনো প্রতিকূল আবহাওয়া, কখনো বন্য প্রাণীর মুখোমুখি হওয়ার ভয়, আবার কখনো উত্তাল নদী পাড়ি দেওয়ার সময় জীবন নিয়ে শঙ্কায় পড়তে হয়েছে। তবুও সব বাধা অতিক্রম করে দেশের সর্বদক্ষিণের অবিচ্ছিন্ন ভূখণ্ডের শেষ প্রান্ত ঘোলারচরে পৌঁছাতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, ‘এই অভিযান শুধু দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার অভিজ্ঞতা নয়, বরং দেশের উপকূলীয় জনপদ, মানুষের জীবনযাত্রা, প্রকৃতি ও বৈচিত্র্যকে কাছ থেকে জানার এক অসাধারণ সুযোগ। সব ভয় ও প্রতিকূলতা জয় করে লক্ষ্যে পৌঁছানোর আনন্দ সত্যিই ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’

ঘোলারচরে এসে থামল যাত্রা

দীর্ঘ ২২ দিনের অভিযান শেষে গত ৫ অক্টোবর বিকেল ৪টা ২ মিনিটে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের ঘোলারচরে পৌঁছান টনি। শেষ দিনের যাত্রার আগে রাত সাড়ে ৩টা থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় তিনি ঠিকমতো ঘুমাতে পারেননি। ভোরে শুরু হয় ঝিরিঝিরি বৃষ্টি, আকাশও ছিল কালো মেঘে ঢাকা। তবু বৃষ্টি মাথায় নিয়েই হাঁটা শুরু করেন।

জাহাজপুরা থেকে যাত্রা করে হাজমপাড়া, মারিস বুনিয়া, বড় ডেইল, কচ্ছপিয়া, নোয়াখালী পাড়া, হাবিব ছড়া ও টেকনাফ সমুদ্রসৈকত পেরিয়ে এগিয়ে যান শাহপরীর দ্বীপের দিকে। পরে সাবরাং বেড়িবাঁধের শূন্য পয়েন্ট পেরিয়ে বালুর পথ ধরে পৌঁছান দ্বীপে। সেখান থেকে দক্ষিণ পাড়া পেরিয়ে ঘোলারচরের শেষ প্রান্তে যেতে আরও পথ হাঁটতে হয়। জোয়ারের পানিতে ডুবে থাকা পথ এড়িয়ে তাঁকে ঘুরে যেতে হয় বেশ খানিকটা। প্রায় আধা ঘণ্টা বালুর পথ পেরিয়ে অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছান তিনি।

সেখানে দাঁড়িয়ে সামনে দেখেছেন বিশাল বঙ্গোপসাগর, আর নাফ নদীর ওপারে দেখা গেছে মিয়ানমারের ভূখণ্ড। দেশের সর্বদক্ষিণের অবিচ্ছিন্ন ভূখণ্ডের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে তাঁর মনে ভেসে ওঠে গত ২২ দিনের অসংখ্য স্মৃতি।

হিসাবের খাতায় ৭৮৩ কিলোমিটার। কিন্তু এই পথের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সুন্দরবনের ১৬৫ কিলোমিটার দুর্গম পথ, প্রতিকূল আবহাওয়ায় নদী পাড়ি দেওয়ার অভিজ্ঞতা, কাদা-পাথর-জঙ্গল-পাহাড়ের চ্যালেঞ্জ, অসংখ্য মানুষের সঙ্গে পরিচয় এবং উপকূলের জীবনকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ। দীর্ঘ এই অভিযানের মধ্য দিয়ে ঘোলারচরে এসে শেষ হয়েছে টনির পদযাত্রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংহাই মাস্টার্সের দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই জোকোভিচের বিদায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


সাংহাই মাস্টার্সের দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই জোকোভিচের বিদায়

চীনের বেইজিংয়ে চায়না ওপেন জয়ের মাত্র তিন দিন পর সাংহাই মাস্টার্সের দ্বিতীয় রাউন্ডে হুবার্ট হুরকাজের কাছে পরাজিত হয়ে বিদায় নেন নোভাক জোকোভিচ।

রেকর্ড ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী এই তারকা ৮৭ মিনিটের ম্যাচে ৬-৪, ৬-৩ ব্যবধানে হেরে যান।

এটি ছিল নয়বারের মুখোমুখি লড়াইয়ে হুরকাজের বিরুদ্ধে জোকোভিচের প্রথম পরাজয়।

তিন দিন আগে বেইজিংয়ে ক্যারিয়ারের ১০২তম শিরোপা অর্জন করেছিলেন জোকোভিচ। ফাইনালে অ্যালেক্স ডি মিনর চোট পেয়ে সরে দাঁড়ান। ৩৯ বছর বয়সী সার্বিয়ান এই জয়টি ছিল তার টানা ২১তম বছরে ট্যুর-লেভেল শিরোপা।

কিন্তু সাংহাইয়ে প্রতিটি সেটে একবার করে সার্ভিস ব্রেক করে তিনি পরাজিত হন।

ম্যাচ শেষে হুরকাজ মন্তব্য করেন, “এটি আমার জন্য বিশেষ রাত। সাত বছর ধরে নোভাকের বিপক্ষে খেলছি, কখনও সফল হইনি। তিনি অসাধারণ চ্যাম্পিয়ন। তার সঙ্গে কোর্ট ভাগ করে নেওয়া আমার জন্য আনন্দের।”

বর্তমানে এ টি পি ফাইনালসের রেসে নবম স্থানে অবস্থান করছেন জোকোভিচ। তুরিনে জায়গা করে নিতে নভেম্বরের প্যারিস মাস্টার্সে তার শক্তিশালী পারফরম্যান্স প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশদাতার পুরস্কার, সিন্ডিকেটে সদস্যপদ’, জকসু ভিপির ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


‘শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশদাতার পুরস্কার, সিন্ডিকেটে সদস্যপদ’, জকসু ভিপির ক্ষোভ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শিক্ষার্থী ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর হামলার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাসির আহমেদকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) সহসভাপতি (ভিপি) মো. রিয়াজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ করেন যে, গত ৪ আগস্ট ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাসির আহমেদ। তিনি দাবি করেন, ওই ঘটনার জন্য পুরস্কার হিসেবে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য করা হয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে রিয়াজুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ‘এভাবে দেশের পবিত্র বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে চলতে দেওয়া যায় না। যেখানে ক্যাম্পাসগুলো হওয়ার কথা শিক্ষার্থীদের নিরাপদ শিক্ষাকেন্দ্র, সেখানে যারা এবং যাদের মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস বিরাজ করছে ও শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরছে, তাদেরকেই বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৪ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে ছিল দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, অস্থায়ী আবাসন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু করা এবং মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়ন। এ ঘটনায় জকসু, ছাত্রশিবির, ইনকিলাব মঞ্চ ও ছাত্রশক্তিসহ কয়েকটি সংগঠন ও প্ল্যাটফর্মের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। হামলায় জকসুর ভিপি-জিএস ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
তাজমীনের মায়ের আহাজারি

হায়েনার দল মেয়েকে তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতনে হত্যা করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


হায়েনার দল মেয়েকে তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতনে হত্যা করেছে

কুমিল্লায় ঘটে যাওয়া স্কুলছাত্রী জান্নাতুত তাজমীন হত্যার ঘটনায় অবশেষে তার মা কেয়া আক্তার মুখ খুলেছেন। শুক্রবার, মেয়ের দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের সামনে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

কেরা আক্তার বলেন, "আমার মেয়ের বান্ধবীটা অত্যন্ত খারাপ ছিল। সে ফুঁসলিয়ে আমার মেয়েকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেত।" তিনি আরও জানান, মেয়েকে বাঁচাতে তিনি অনেক বাধা দিয়েছেন এবং প্রচুর চেষ্টা করেছেন; এমনকি ছয় মাস তাকে স্কুলে যেতে দেননি। "ঘরে আটকে রেখেছিলাম; কিন্তু শেষপর্যন্ত ওই বান্ধবীই তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে কক্সবাজারে নিয়ে গেল। কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় ফিরে আসার পরও আর বাসায় পৌঁছতে পারল না আমার মেয়ে। হায়েনার দল তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছে।"

তিনি বলেন, "গত ৪ অক্টোবর বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাকে ফোনে বলেছিলাম—তুই কোথায় আছিস বল, আমি নিজে এসে তোকে বাড়ি নিয়ে যাব। আজ আমার কলিজার ধনটাকে হারিয়ে ফেললাম, এখন আমি তাকে ছাড়া কিভাবে বাঁচব!"

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার একটি ধানখেত থেকে স্কুলছাত্রী জান্নাতুত তাজমীনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে বুধবার রাতে কক্সবাজার থেকে বাসে ফিরে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের হোটেল নুরজাহানের সামনে থেকে সে নিখোঁজ হয়। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%