মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
০৬:৩৫ এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের নাইলা ও শোলাবাড়ি এলাকার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত জাফর খালের ওপর দীর্ঘ ২৫ বছরেও একটি সংযোগসেতু নির্মাণ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ। বছরের পর বছর স্থানীয়রা নিজেদের অর্থায়নে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পানিশ্বর ও চুন্টা ইউনিয়নের অন্তত ১৫ থেকে ২০টি গ্রামের মানুষ উপজেলা সদর, জেলা শহর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাতায়াতের জন্য এই পথ ব্যবহার করেন। কিন্তু সেতু না থাকায় প্রতিবছর স্থানীয়দের চাঁদায় বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। নৌযান চলাচলের সুবিধার্থে সাঁকোটি উঁচু করে নির্মাণ করায় নারী, শিশু, বয়স্ক ও গর্ভবতী নারীদের চলাচলে চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সাঁকো পারাপারে জনপ্রতি ৫ টাকা করে নেওয়া হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবল স্রোতে প্রায়ই সাঁকোটি ভেঙে যায়। এরপরও বছরের সাত থেকে আট মাস এই সাঁকোই কয়েকটি গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা। প্রতিবছর সাঁকো থেকে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। অতীতেও খাল পার হতে গিয়ে কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
পানিশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তৌহিদ মিয়া বলেন, “প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। জনস্বার্থে দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ প্রয়োজন।”
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সরাইল উপজেলা প্রকৌশলী ছিবগাত উল্লাহ জানান, ওই স্থানে সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যও এ বিষয়ে ডিও লেটার দিয়েছেন। অনুমোদন পেলেই নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় এবং কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে এনসিপির বগুড়া জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত ইমরানকে সাময়িকভাবেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি, তার বিরুদ্ধে কেন চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সেই বিষয়ে দুই কার্যদিবসের মধ্যে উত্তর চেয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটি।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এনসিপির কেন্দ্রীয় দপ্তর সেল থেকে এই নোটিশটি জারি করা হয়।
এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নির্দেশে এই নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, শওকত ইমরানের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সংগঠনের আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে তাকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দিয়ে উত্তরাঞ্চলের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের কাছে তথ্য-প্রমাণসহ লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে এনসিপি বগুড়া জেলা মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব রিগান হোসেন জানান, দলের নীতি অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা স্বচ্ছতার ভিত্তিতে যাচাই করা হয়। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে এবং তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনার কাজ চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অভিযুক্ত শওকত ইমরানের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গত সোমবার (৩ আগস্ট)। ওইদিন শওকত ইমরানের একটি ২৭ সেকেন্ডের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ উঠেছে, ভিডিওতে তাকে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। তবে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার আগেই তার বিরুদ্ধে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ ওঠে। গত শনিবার (১ আগস্ট) ইসলামী ব্যাংক নওগাঁ শাখার কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলামকে বগুড়া শহরের ফ্লাইওভার এলাকা থেকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে শওকত ইমরানের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনার কারণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় কেন্দ্রীয় কমিটি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাত্র ৩৮ বছর বয়সে ২০২২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বুরকিনা ফাসোর ক্ষমতায় আসেন ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওরে। পশ্চিমা প্রভাব এবং সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তিনি আফ্রিকার অন্যতম আলোচিত ও জনপ্রিয় নেতা হয়ে উঠেছেন। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার জনপ্রিয়তা বেড়ে গেলেও, দেশের ভেতরে নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিয়ে তার সরকার ভয়াবহ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে।
আল জাজিরার একটি বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে ট্রাওরের জনপ্রিয়তার কারণ এবং তার সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
ক্ষমতায় আসার পর ট্রাওরে ফরাসি সেনাদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছেন এবং পশ্চিমা সামরিক অংশীদারিত্ব থেকে সরে এসে রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করেছেন। এছাড়া, তিনি বুরুকিনা ফাসোর বিপ্লবী নেতা টমাস সংকারার আদর্শকে সামনে এনে জাতীয়তাবাদী ভাবধারাকে নতুনভাবে তুলে ধরেছেন। স্থানীয় কৃষি উৎপাদন ও জাতীয় সম্পদের ওপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ জোরদারের উদ্যোগও তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
তবে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে। আল-কায়েদা ও আইএস-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এখনো ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।
রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ট্রাওরের সরকার সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। গত এপ্রিলে তিনি জনগণকে গণতন্ত্রের কথা ভুলে যেতে আহ্বান জানান। তার সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম সীমিত করেছে। এছাড়া সুশীল সমাজ, সাংবাদিক ও ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
ধর্মীয় ক্ষেত্রেও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নতুন ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের আওতায় কয়েকজন প্রভাবশালী সুন্নি আলেমকে গ্রেপ্তার এবং ধর্মীয় কার্যক্রমে নজরদারি বৃদ্ধির ঘটনা তার সমর্থনের ওপরও প্রভাব ফেলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, আফ্রিকার সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ট্রাওরে শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু প্রতীকী এই সাফল্য সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সংকটের সমাধান করতে পারেনি।
ওয়াগাদুগুর একজন তরুণ নেতা রয়টার্সকে বলেন, একজন আফ্রিকান নেতাকে পশ্চিমা শক্তির সামনে দৃঢ় অবস্থান নিতে দেখে গর্ব অনুভূতি হয়েছে। তবে রাজনৈতিক গর্ব দিয়ে মানুষ যে জীবন যাপন করে না, সেটিও মনে রাখতে হবে। দেশের সাধারণ মানুষ এখন নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচারও চায়।
বিশ্লেষকদের অভিমত, ইব্রাহিম ট্রাওরে সার্বভৌমত্বের বার্তাকে শক্তিশালী রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু সামরিক শাসনের মাধ্যমে তিনি বুরকিনা ফাসোয় দীর্ঘমেয়াদি শান্তি এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবেন কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘যাদের কমিশনার-মেম্বার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারাই জুলাই বিক্রি করে উপদেষ্টা হয়েছিল’ এসব কথা বলেছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান এবং সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীতে বিএনপি আয়োজিত ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার্য সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক এক আলোচনাসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
বিরোধী দলকে সমালোচনা করে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, ‘উনারাদের তো জুলাই বিক্রি করতে হবে। কারণ জুলাই ছাড়া আমরা এখানে যারা আছি, আমাদের সবাইকে চেনা যায়। কিন্তু জুলাই ছাড়া তো তাদের কোনো পরিচয় নেই। এখানে যারা আছেন, তাদের কোনো না কোনো রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। কিন্তু জুলাই ছাড়া তো তাদেরকে বাংলাদেশে কেউ চেনে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ক্রিকেট খেলার একটি উদাহরণ আমি পার্লামেন্টে উল্লেখ করেছিলাম যে ছয় বলে হয়তো ১২ রান তারা করেছে, কিন্তু বাকি ৩০০ রান তো আমরা করেছি। সুতরাং জুলাই বিষয়টি তারা বিক্রি করবে। তারা এই আন্দোলনকে ছোট করে দেখানোর জন্য জুলাই বিক্রি করে।’
আওয়ামী লীগের কথা সামনে রেখে তিনি উল্লেখ করেন, ‘জামায়াত ইসলামি বা অন্যদের কথা বলতে বলতে আমরা যেন আসল ভিলেনকে ভুলে না যাই- সেই ভিলেন হলো, যারা বাংলাদেশের সিস্টেমকে করাপ্টেড করেছে, যারা ১৭ বছর আমাদের ঘুমাতে দেয়নি এবং যাদের অত্যাচারের ফলস্বরূপ জুলাই এসেছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ছাত্রদলের সাবেক এক নেতাসহ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে দিনমজুরকে তুলে নিয়ে আটকে রেখে মারধর ও চাঁদা দাবি করার।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরের সময়ে সিআইখোলা মোড়ের একটি দোকান থেকে তাদের আটক করা হয়।
বিকেলে, ভুক্তভোগী দিনমজুর রফিকুল ইসলাম (২৫) মামলা দায়ের করেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানায়, আটকে রেখে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে আটককৃতদের আসামি করে। জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- সিআইখোলা এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেনের ছেলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রদলের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জিহাদ (২৬), তার অনুসারী একই এলাকার রমজান আলী (২৩), মো. আল আমিন (২২), গোলাম কিবরিয়া জয় (২১), রবিউল ইসলাম (২৪), মো. জাহাঙ্গীর (২৩), মো. আরমান (২২) এবং মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বাদী রফিকুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তিনি নেত্রকোনা জেলায় থাকেন কিন্তু কাজের সুবাদে সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। গত সোমবার (৩ আগস্ট) রাত সাড়ে দশটার দিকে, কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে সিআইখোলা বউ বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্তরা তাকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তাকে সেখানকার একটি দোকান ঘরে নিয়ে আটকে রেখে মুক্তিপণ বাবদ দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। রফিকুল চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে রাতভর আটকে রেখে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়, এ বিষয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন।
এক পর্যায়ে অপহরণকারীরা তার পকেটে থাকা ৫ হাজার ৩৬০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পাশাপাশি দাবি করা দুই লাখ টাকা না দিলে তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করে নদীতে ভাসিয়ে দেয়ার হুমকি দেন, মামলায় রফিকুল এ বিষয়গুলি উল্লেখ করেছেন।
ভুক্তভোগী রফিকুল আরও অভিযোগ করেছেন, অভিযুক্তরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে টাকা এনে দিতে বললে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল আটটায় তিনি তার চাচা মো. হাদিস মিয়াকে মুঠোফোনে কল করেন এবং বিষয়টি জানান।
পরে চাচা হাদিস মিয়া বিষয়টি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশকে জানালে, দুপুর দুইটার দিকে থানা পুলিশ ওই দোকান ঘরে অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগী রফিকুলকে উদ্ধার করে এবং সাতজনকে আটক করে। তবে এ ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজন ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়, তাদেরও অজ্ঞাতনামা হিসেবে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, চাঁদার দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা এই মামলায় গ্রেফতারকৃত ৭ জন আসামিকে সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া অজ্ঞাত তিন আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা ও অপরাধ স্বীকার করেছেন। তারা সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের সদস্য এবং সহজ সরল মানুষকে কৌশলে ডেকে এনে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায় করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। উদ্ধারের পর ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলামকে থানা পুলিশের সহায়তায় স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ