ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা কাঠামো প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র


ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা কাঠামো প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে ১৪ দফার একটি কাঠামোগত চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর।

এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের সীমান্তে উত্তেজনা হ্রাস করা, লেবাননের রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা।

প্রকাশিত নথির দ্বিতীয় দফাতে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও লেবাননের সরকার একটি ‘পারস্পরিক ও ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য প্রক্রিয়া’ অনুসরণ করতে সম্মত হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার আওতায়, লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী (লেবানিজ আর্মি) দেশের সমগ্র ভূখণ্ডে কার্যকর রাষ্ট্রীয় সার্বভৌম কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে।

আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

চুক্তিতে আরও এই বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, যে প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হিসেবে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণ এবং তাদের সংশ্লিষ্ট সামরিক অবকাঠামো সম্পূর্ণভাবে ভেঙে ফেলার বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে যাচাই করা হবে। এই শর্ত পূরণ হওয়ার পরেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) ধাপে ধাপে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, এই ১৪ দফার কাঠামো চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সীমান্তে দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটানো, লেবাননের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা এবং উভয় দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া গড়ে তোলা।

তবে প্রকাশিত বিবৃতিতে চুক্তির বাকি ধারাগুলোর বিস্তারিত বিষয়বস্তু তাৎক্ষণিকভাবে তুলে ধরা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাঠামো চুক্তির অন্যান্য দফা সম্পর্কেও পর্যায়ক্রমে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই কাঠামো বাস্তবায়িত হলে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর নেতা নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পাবে এবং ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে দীর্ঘদিনের সামরিক উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে। তবে রাষ্ট্রের বাইরে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণ ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো অপসারণের বিষয়টি বাস্তবে কতটা সম্ভব হবে, সেটিই চুক্তি বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুকুরসহ ২৫০ সদস্যের উদ্ধার দল ভেনেজুয়েলায় পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


কুকুরসহ ২৫০ সদস্যের উদ্ধার দল ভেনেজুয়েলায় পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার জানিয়েছে, তারা ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে ২৫০ জনেরও বেশি সদস্যের একটি দুর্যোগ মোকাবিলা দল পাঠাচ্ছে। এই দলের মধ্যে তিনটি বিশেষ অনুসন্ধান ও উদ্ধার ইউনিট রয়েছে, যাদের কাজ হবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া জীবিতদের খুঁজে বের করা।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই তিনটি বিশেষ উদ্ধার ইউনিটে দমকলকর্মী, চিকিৎসক, প্যারামেডিক, স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রশিক্ষিত কুকুরসহ অনুসন্ধান বিশেষজ্ঞরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। মোট ১৮টি প্রশিক্ষিত কুকুর রয়েছে, যেগুলো বুধবার আঘাত হানা শক্তিশালী দুই ভূমিকম্পে ধসে পড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষ শনাক্ত করার ক্ষমতা রাখে।

মিয়ামি, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং ওয়াশিংটন ডিসির পশ্চিমে অবস্থিত ফেয়ারফ্যাক্স কাউন্টি থেকে এসব উদ্ধার দল পাঠানো হয়েছে। তারা বর্তমানে ভেনেজুয়েলার দিকে যাচ্ছে এবং ভূমিকম্পের পরবর্তী পরিস্থিতিতে স্থানীয় জরুরি উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। এই ভয়াবহ ভূমিকম্পে অন্তত ৯২০ জনের প্রাণহারার ঘটনা ঘটেছে।

মার্কিন বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই উদ্ধার ও ত্রাণ মিশনের অংশ হিসেবে দলগুলো প্রায় ২ লাখ পাউন্ড সমমূল্যের বিশেষ উদ্ধার সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র দুটি যুদ্ধজাহাজ, পরিবহন বিমান ও হেলিকপ্টার পাঠানোর পাশাপাশি ভেনেজুয়েলায় ১৫০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে।

মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড (সাউথকম) জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে মার্কিন মেরিন কোরের মেজর জেনারেল কেভিন জারার্ড পররাষ্ট্র দপ্তরের সমর্থনে প্রতিরক্ষা দপ্তরের ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি করার জন্য রাজধানী কারাকাসে পৌঁছেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিচয় গোপন করা মুসলিমের শেষ আকুতি: ‘মারা গেলে যেন আমার জানাজা হয়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ এম


পরিচয় গোপন করা মুসলিমের শেষ আকুতি: ‘মারা গেলে যেন আমার জানাজা হয়’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার আড্ডাবাজারে দীর্ঘ সময় ধরে এক অবহেলিত মানুষ ঘোরাফেরা করছেন, যাকে স্থানীয় অনেকেই ‘ধর্ম’ নামে চেনেন এবং অমুসলিম (হিন্দু) বলে অভিহিত করেন। তবে পর্দার আড়ালের সত্যটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি আসলে সনাতন ধর্ম পরিবর্তন করে মহান আল্লাহর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে মুসলিম হয়েছেন। ইসলাম গ্রহণের পর থেকে তাঁর বর্তমান নাম আব্দুল কাইয়ুম।

পৃথিবীতে আব্দুল কাইয়ুমের আপন বলতে কেউ নেই। নিঃসঙ্গ এবং নিঃস্ব এই মানুষটির জীবনের এখন একটি মাত্র শেষ ইচ্ছা ও আকুতি রয়েছে—তিনি মারা যাওয়ার পরে যেন তাঁকে মুসলিম রীতি অনুযায়ী দাফন করা হয় এবং তাঁর জানাজার নামাজ পড়া হয়।

লোকচক্ষে আড়ালে থাকা এক নীরব সত্য হলো, আড্ডাবাজারের অধিকাংশ মানুষ তাঁকে পূর্বের ‘ধর্ম’ নামেই চেনেন এবং ভুলবশত অমুসলিম বলে মনে করেন। কিন্তু তিনি যে মনে-প্রাণে একজন মুসলিম, এই আসল সত্যটি অনেকেই জানেন না। একাকী জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তাঁর মনে বড় একটা ভয় কাজ করছে—তিনি মারা গেলে হয়তো কেউ তাঁকে মুসলিম হিসেবে দাফন করবে না। এই আশঙ্কা থেকেই তাঁর এই আকুল আবেদনটি তৈরি হয়েছে।

প্রশাসনের প্রতি তাঁর আকুল আবেদনও রয়েছে। যেহেতু এই পৃথিবীতে তাঁর খোঁজ নেওয়ার মতো কোনো আত্মীয় বা পরিবার নেই, তাই তিনি স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং আড্ডাবাজারের সচেতন মুসলিম সমাজের কাছে বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। আব্দুল কাইয়ুমের এই শেষ ইচ্ছাটি যেন পূরণ হয়, সেই ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের আগাম দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন। একজন মুসলিম হিসেবে তাঁর শেষ বিদায় নেওয়া তাঁর ধর্মীয় ও মানবিক অধিকার। পাশাপাশি, অসহায় ও সহায়সম্বলহীন এই মানুষটি বর্তমানে অত্যন্ত কষ্টকর জীবনযাপন করছেন। বিত্তবান ও মানবিক ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ যদি তাঁর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, তবে তাঁর শেষ জীবনটা কিছুটা হলেও সহজ হতে পারে। আসুন, আমরা মানবিকতার দেয়াল হয়ে এই নিঃসঙ্গ মানুষটির পাশে দাঁড়াই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোশ্যাল বিজনেস ডে ২০২৬-এ এমবিএসটিইউ প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ এম


সোশ্যাল বিজনেস ডে ২০২৬-এ এমবিএসটিইউ প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ

গ্রামীণ ব্যাংকের ৫০ বছর এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জনের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সোশ্যাল বিজনেস ডে ২০২৬-এ অংশগ্রহণ করেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (এমবিএসটিইউ)-এর প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বিশিষ্ট বক্তা, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও অতিথিদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তাদের প্রদান করা হয়।

এমবিএসটিইউ-এর প্রতিনিধিদলে ছিলেন মোঃ আসিফুর রহমান (ব্যবস্থাপনা বিভাগ), আশরাফ আন্তার (ব্যবস্থাপনা বিভাগ), মোঃ সাফিন (পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ) এবং আয়েশা মোহাম্মদ (হিসাববিজ্ঞ্যান বিভাগ)।

প্রতিনিধিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক ব্যবসা, উদ্ভাবন, গবেষণা এবং টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইপ্যাককে ‘দানব’ বলায় মামদানির কাছে ক্ষমা চাইলেন ইহুদি ধর্মীয় নেতারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


আইপ্যাককে ‘দানব’ বলায় মামদানির কাছে ক্ষমা চাইলেন ইহুদি ধর্মীয় নেতারা

যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক দলের প্রভাবশালী রাজনীতিক এবং নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানিকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি ধর্মীয় নেতারা।

মামদানির মন্তব্যের কারণ হলো, তিনি ইসরাইলপন্থি লবিং সংগঠন আমেরিকান ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটিকে (আইপ্যাক) ‘দানব’ বলে উল্লেখ করেছেন। গত সপ্তাহে এক রাজনৈতিক সমাবেশে মামদানি আইপ্যাকের নির্বাচনী ব্যয় ও সুপার প্যাকের প্রভাবের সমালোচনা করতে গিয়ে সংগঠনটিকে ‘মনস্টার্স’ বা ‘দানব’ বলে উল্লেখ করেন।

এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মামদানি বলেন, তার মন্তব্য কোনো জনগোষ্ঠীকে উদ্দেশ্য করে নয়; বরং রাজনীতিতে বিপুল অর্থের প্রভাবের সমালোচনা করার অংশ হিসেবে ইতালীয় চিন্তাবিদ আন্তোনিও গ্রামশির এক বাক্যাংশ ব্যবহার করেছিলেন।

মামদানি আরও বলেন, তিনি এখনও মনে করেন আইপ্যাক যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রভাব বিস্তার করছে। ফিলিস্তিন ইস্যুতে যে অবস্থান তারা নিয়েছে, সেটির সমালোচনা করা বৈধ রাজনৈতিক মতপ্রকাশের অংশ বলেও তিনি জানান। তাই, তিনি নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার বা ক্ষমা চাওয়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি।

মামদানির এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ৭০০-এর বেশি রাবই একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। শুক্রবার (২৬ জুন) প্রকাশিত ওই চিঠিতে তারা বলেন, ‘একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির এমন ভাষা ইহুদি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের জন্য উদ্বেগজনক’।

তাদের দাবি, মামদানির মন্তব্য শুধু আইপ্যাককেই নয়, বৃহত্তর ইহুদি সম্প্রদায়কেও ‘লক্ষ্যবস্তুতে’ পরিণত করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট রাজনীতিকদের ইসরাইলের পক্ষে টানতে বিতর্কিত ও শক্তিশালী ইসরাইলপন্থি লবিং গ্রুপ আমেরিকান ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (আইপ্যাক) বরাবরই ভূমিকা রেখে এসেছে। কিন্তু বর্তমানে চিত্র দ্রুত বদলাচ্ছে। বর্তমানে অনেক ডেমোক্র্যাট রাজনীতিক আইপ্যাকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন।

আইপ্যাক সাধারণত সদস্যদের ইসরাইলবিরোধী প্রার্থীদের প্রত্যাখ্যান এবং ইসরাইলপন্থিদের সমর্থনের আহ্বান জানায়। যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইলপন্থি আরও একটি লবিং গ্রুপ রয়েছে, যার নাম ‘ইউনাইটেড ডেমোক্রেসি প্রজেক্ট’ (ইউডিপি)। একে সংক্ষেপে ‘সুপার প্যাক’ও বলা হয়। মার্কিন অর্থদাতারা ইচ্ছামতো এই সুপার প্যাকে অর্থ দিতে পারেন, যে অর্থ প্রার্থীদের পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারণায় খরচ করা হয়।

তবে এবারের ডেমোক্র্যাট প্রাইমারিতে আইপ্যাক বিপুল অর্থ খরচ করলেও ফলাফল এসেছে মিশ্র। আইপ্যাকের মুখপাত্র প্যাট্রিক ডরটন দাবি করেছেন, ডেমোক্র্যাট দলের ভেতর একটি প্রান্তিক বাম অংশ প্রাইমারি ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে রাজনীতিতে ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। আইপ্যাক কেবল দলের ইসরাইলপন্থি সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশকে রক্ষা করছে।

যখন ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে ইসরাইলে নিঃশর্ত সামরিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তখন বড় দাতাদের গোপন অর্থ দিয়ে ইসরাইলকে রক্ষা করার এই চেষ্টা আইপ্যাককে বিতর্কের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। যেমন নিউ জার্সির সাবেক প্রতিনিধি টম ম্যালিনোস্কি ইসরাইলের নিরাপত্তার পক্ষে হলেও ২০২৩ সালে ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক হামলার পর ইসরাইলি নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অতিরিক্ত প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের সমালোচক ছিলেন।

এ কারণে তাকে হারাতে আইপ্যাক ২৩ লাখ ডলারের বেশি খরচ করে। বিজ্ঞাপনগুলোতে ইসরাইলের টার্গেট না করে ম্যালিনোস্কির অভিবাসন নীতি সংক্রান্ত বিষয়ের ওপর আক্রমণ করা হয়। তবে আইপ্যাকের পছন্দের প্রার্থীও শেষ পর্যন্ত জিততে পারেনি। ডেমোক্র্যাটরা সেখানে প্রগতিশীল প্রার্থী অ্যানালিলিয়া মেজিয়াকে মনোনীত করে।

একইভাবে শিকাগো অঞ্চলের ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ড্যানিয়েল বিসও ইসরাইলে অনিয়ন্ত্রিত সামরিক সহায়তার বিরোধিতা করায় আইপ্যাক তার বিরুদ্ধে মাঠে নামে। বিস জরিপ করে দেখেন যে তার এলাকার ৫১ শতাংশ ডেমোক্র্যাট ভোটার আইপ্যাককে অপছন্দ করেন এবং মাত্র ১৭ শতাংশ পছন্দ করেন। বিস তার নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে আইপ্যাকের এই বিরোধিতাকেই তুলে ধরেন এবং গত মার্চের প্রাইমারিতে জয়লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, টাইমস অব ইসরাইল ও নিউইয়র্ক টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%