বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:০৮ পি.এম
দেশের সর্ববৃহৎ বিলাঞ্চল হিসেবে পরিচিত চলনবিল। বর্ষাকালে এই বিলটি নদী, খাল ও জলপথের বিশাল নেটওয়ার্কে পরিণত হয়। কৃষিপণ্য পরিবহন, মাছ ধরা, মানুষের যাতায়াত এবং পর্যটন—এখানকার নৌপথের গুরুত্ব সব ক্ষেত্রেই অপরিসীম।
তবে পাবনার চাটমোহর উপজেলার কাটা নদীর ওপর নির্মাণাধীন একটি ব্রিজের উচ্চতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজটির উচ্চতা কম হওয়ায় বর্ষায় বড় নৌকা ও পণ্যবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কাটা নদীর ওপর নির্মাণাধীন ব্রিজটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
তারা দাবি করছেন, ব্রিজ নির্মাণ হতে হবে এমন উচ্চতায় যাতে সারা বছর নৌযান চলাচল করতে পারে। তাদের মতে, নৌপথ বন্ধ করে কোনো উন্নয়ন টেকসই হতে পারে না। এদিকে, ব্রিজের নির্মাণকাজ স্থগিত রেখে নকশা পর্যালোচনা ও উচ্চতা বাড়ানোর দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট ৮ জন কর্মকর্তাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আব্দুল লতিফ।
গত ১০ আগস্ট তিনি স্থানীয় সরকার সচিব, পানি সম্পদ সচিব, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, পাবনা জেলা প্রশাসক ও চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের এ নোটিশ প্রদান করেন।
জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বৃহত্তর পাবনা ও বগুড়া জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় ছাইকোলা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে হান্ডিয়াল ইউনিয়ন পরিষদ অফিস সড়কের মুনিয়াদিঘী কৃষি কলেজের কাছে কাটা নদীর ওপর ব্রিজটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ৮৮ দশমিক ১০ মিটার দীর্ঘ পিএসবি গার্ডার ব্রিজটির নির্মাণ ব্যয় ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার বেশি। কাজটি বাস্তবায়ন করছে আইসিএল প্রাইভেট লিমিটেড ওসি (জেভি)।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজের নিচ দিয়ে পর্যাপ্ত উচ্চতার নৌপথ রাখা হচ্ছে না। বর্ষায় পানি বাড়লে ছৈওয়ালা নৌকা, খড় বোঝাই নৌকা, বাল্কহেড, পণ্যবাহী ট্রলার এবং পর্যটকবাহী বড় নৌযান ব্রিজের নিচ দিয়ে চলাচল করতে পারবে না। চলনবিল শুধু একটি জলাভূমি নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ জলরাশি। বর্ষাকালে বিলের বিস্তৃীর্ণ এলাকা পানিতে প্লাবিত হলে অনেক গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠে নৌকা।
কৃষকরা ধান, খড়সহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য নৌপথে হাট-বাজারে নিয়ে যান। একইভাবে বালু-পাথর, গবাদিপশুর খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যও নৌযানে পরিবহন করা হয়। এ ছাড়া চলনবিলের বিভিন্ন প্রান্তে বর্ষাকালে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ে। বড় নৌকা ও ট্রলারে করে পর্যটকেরা বিলের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। ফলে এখানকার নৌপথ শুধু স্থানীয় যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং পর্যটন অর্থনীতিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, কাটা নদীর ওপর নিচু ব্রিজ নির্মাণ করা হলে একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে। এর প্রভাব শুধু নৌযান চলাচলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটনেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
ইলিয়াস উদ্দিন বলেন, এ অঞ্চলের কৃষকরা মাঠের ধান ও গবাদিপশুর খাবার খড় নৌকায় করে বিভিন্ন হাট-বাজারে নিয়ে যান। বিশেষ করে খড় বোঝাই নৌকা তুলনামূলক উঁচু হয়। ব্রিজের উচ্চতা কম হলে এসব নৌকা আর চলাচল করতে পারবে না। তখন সড়কপথে পণ্য পরিবহন করতে হবে, এতে কৃষকদের খরচ বেড়ে যাবে।
নৌকার মাঝি নবীর উদ্দিন বলেন, বর্ষায় কাটা নদী দিয়ে নাটোরের সিংড়া, সিরাজগঞ্জের তাড়াশসহ চলনবিলের বিভিন্ন এলাকায় নৌকায় যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করা হয়। নৌপথে চলাচল করলে সময় ও খরচ দুটোই কম লাগে। কিন্তু ব্রিজটি নিচু হলে পানির উচ্চতা বাড়ার পর বড় নৌকা চলাচল করতে পারবে না।
হান্ডিয়ালের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, তারা ব্রিজ নির্মাণের বিপক্ষে নন। বরং দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকায় একটি ব্রিজের প্রয়োজন ছিল। নদীর ওপারে থাকা ফসলি জমি থেকে উৎপাদিত পণ্য আনা-নেওয়া এবং আশপাশের গ্রামের মানুষের যাতায়াত সহজ করতে ব্রিজটি গুরুত্বপূর্ণ।
তবে তিনি বলেন, বর্ষায় নৌকায় চলাচল করা গেলেও পানি নেমে গেলে কাদা মাটির রাস্তা দিয়ে রোগী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ হয়। তাই সড়ক যোগাযোগের জন্য ব্রিজটি প্রয়োজন। কিন্তু সেই ব্রিজ নির্মাণ করতে গিয়ে নৌপথ বন্ধ করে দেওয়া হলে তা হবে এক ধরনের নতুন সংকট।
স্থানীয় আরেক বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম বলেন, চলনবিলের গুমানী, আত্রাই, বড়ালসহ বিভিন্ন নদীর ওপর নির্মিত ব্রিজগুলো নৌযান চলাচলের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে উঁচু করা হয়েছে। কাটা নদীর ব্রিজটিও একইভাবে নৌযান চলাচলের উপযোগী করে নির্মাণের দাবি জানান তিনি।
নোটিশদাতা আইনজীবী মো. আব্দুল লতিফ বলেন, এলাকার সন্তান হিসেবে নাগরিক দায়িত্ব থেকেই তিনি নোটিশটি দিয়েছেন। তার মতে, ব্রিজটি এমনভাবে নির্মাণ করা উচিত যাতে সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নৌ যোগাযোগও বজায় থাকে। দ্রুত নকশা সংশোধন না হলে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি চলনবিলের জলপথ, কৃষি, জীবিকা ও পর্যটনের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। তাদের দাবি, ব্রিজ নির্মাণ হোক তবে চলনবিলের নৌপথ সচল রেখেই।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইড ইঞ্জিনিয়ার হৃদয় হোসেন বলেন, অনুমোদিত নকশা অনুযায়ীই ব্রিজের কাজ চলছে। নির্মাণের পর দুই বছর ব্রিজটি নজরদারির মধ্যে থাকবে। ভবিষ্যতে নৌযান চলাচলে সমস্যা হলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্রিজের উচ্চতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, এলজিইডির উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি দল ইতোমধ্যে সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে আমিও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। এরপরও প্রয়োজন হলে বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করতে পুনরায় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
এ বিষয়ে পাবনা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, কাটা নদীর এ অংশটি বিআইডব্লিউটিএর স্বীকৃত কোনো নৌ চ্যানেল নয়। এলজিইডির নির্ধারিত পরিমাপ ও নীতিমালা অনুসরণ করেই ব্রিজটি নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের দাবির বিষয়টি আমরা বিবেচনায় রেখেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাশকতার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে, পাসপোর্ট, এনআইডি ও ড্রাইভিং লাইসেন্সে জন্ম তারিখের ভিন্নতা এবং অসংলগ্ন তথ্য দেওয়ার কারণে গ্রেপ্তার রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিউল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে এসেছেন।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার আওতায় গ্রেপ্তার রবিউলকে দুই দফায় রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি আইনের বিভিন্ন ধারায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি রমনা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালত এ আইনের ভিত্তিতে রবিউলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।
এর আগে গত বুধবার, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় রবিউলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয় এবং সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। ওইদিন আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে তাকে দ্বিতীয় দফায় আরো চার দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, রবিউল ইসলাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার মাটিয়া থানার গৌড়িভোজ গ্রামের বাসিন্দা শহীদুল ইসলামের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর রোডের ৬০ নম্বর বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, রবিউল গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এরপর তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়। নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পাসপোর্ট দেখালেও পরে তার কাছে থাকা ভারতীয় পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডি পরীক্ষা করা হয়। এতে দেখা যায়, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডিতে থাকা জন্ম তারিখ পাসপোর্টের জন্ম তারিখের সাথে মেলে না।
রবিউল এর আগে একাধিকবার বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করলেও এর কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারেননি। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের তথ্য দিয়ে তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। রবিউল বাংলাদেশে কোনো ধর্তব্য অপরাধ বা সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত রয়েছেন বলে প্রবলভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘটে যাওয়া এক ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ফৌজিয়া মোস্তফা নামে এক নারী চিকিৎসক। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে হাসপাতালের একটি কক্ষে বৈদ্যুতিক পাখা খুলে তার কাঁধের ওপর পড়ে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ডা. ফৌজিয়া রেস্টরুমে বসে ছিলেন, যখন হঠাৎ করে পাখাটি খুলে তার কাঁধে পড়ে। সৌভাগ্যবশত, পাখাটি তার মাথায় পড়েনি। ঘটনার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম রয়েছে, যা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছে।
আহত ডা. ফৌজিয়া মোস্তফা বলেন, ‘রেস্টরুমে থাকা অবস্থায় হঠাৎ বৈদ্যুতিক পাখা খুলে আমার ওপর পড়ে। ভাগ্য ভালো, পাখাটি মাথায় না পড়ে কাঁধের ওপর পড়েছে। এতে আমি আহত হয়েছি। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সেজন্য হাসপাতালের ঝুঁকিপূর্ণ সরঞ্জামগুলো দ্রুত পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।’
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) মামুনুর রশিদ পলাশ মন্তব্য করেন, ‘হেলথ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টকে বিষয়গুলো জানানো হয়েছে। কিন্তু জানানো সত্ত্বেও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ সরঞ্জাম নিয়ে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। দ্রুত এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা গুণী ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন ও পুরস্কৃত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বঙ্গভবনে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), লাইফ সায়েন্স, অ্যাগ্রো টেকনোলজি ও নার্সিংসহ বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী কর্মমুখী বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে গুরুত্ব দিচ্ছে।
এ সময় প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান আরও বাড়াতে হবে। তিনি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন।
বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভালো করা বাংলাদেশিদের দেশে জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট বলেন, পুরোনো চিন্তাভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক, যুগোপযোগী ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার নীতি দ্রুত প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
সাক্ষাৎকালে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য আসন্ন সমাবর্তনে আচার্য হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য প্রেসিডেন্টকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। তিনি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় প্রেসিডেন্টের সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
Climate Resilient Campus Initiative-এর আওতায় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী মাশরুম চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণের ১ম ও ২য় ব্যাচের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির এবং সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব এস এম ফয়েজ উদ্দিন। প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এ সময় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই উদ্যোগের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ।
উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম, নারায়ণগঞ্জ সদর || ১ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ