ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পূজায় যাওয়ার পথে মিরপুরে ভ্যান থামিয়ে নারীদের স্বর্ণালংকার লুট


পূজায় যাওয়ার পথে মিরপুরে ভ্যান থামিয়ে নারীদের স্বর্ণালংকার লুট

কুষ্টিয়ার মিরপুরে একটি নির্জন সড়কে গাছের ডাল ফেলে যানবাহনের গতিরোধ করে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। মুখোশ পরিহিত দেশীয় অস্ত্রধারী ৫-৬ জনের একটি দল পূজামণ্ডপে যাওয়ার পথে একটি ভ্যানের চার নারী যাত্রীর স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া, পরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রীদের কাছ থেকেও স্মার্টফোন, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার ছাতিয়ান ইউনিয়নের কালিতলা বিষিনতা মাঠসংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাছের ডাল ফেলে নির্জন সড়কের ওপর যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ৫-৬ জনের একটি দল সেখানে অবস্থান নেয়। ওই সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় এক যুবক কৌশলে নিজেকে রক্ষা করে কাছের একটি মোড়ে থাকা লোকজনকে ডাকাতির খবর জানান। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহ যাকে চান ক্ষমতা দেন, আবার কেড়েও নেন’ - ড. খালিদ হোসেন

এই ঘটনার মধ্যে পূজামণ্ডপে যাওয়ার পথে একটি ভ্যানে থাকা চার নারী দুর্বৃত্তদের কবলে পড়েন। অভিযোগ অনুযায়ী, দুর্বৃত্তরা তাদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে ওই পথ দিয়ে যাওয়া আরেকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রীদের কাছ থেকেও স্মার্টফোন, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ছাতিয়ান ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য উজ্জ্বল হোসেন জানান, সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে পুলিশও সেখানে পৌঁছায়। তবে ততক্ষণে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগীরা স্থানীয় এলাকার বাইরের হওয়ায় তাদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্জন সড়কটির সুযোগ নিয়ে এর আগেও মাঝেমধ্যে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাতেও একই কৌশলে যানবাহনের গতিরোধ করে যাত্রীদের কাছ থেকে মালামাল ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম এই বিষয়ে বলেন, সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টা করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: বিএনপি দিল্লির মাধ্যমে আ.লীগের সঙ্গে আঁতাত করছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৈয়দপুরের গ্রামবাংলা থেকে হারাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কাশবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২০ এম


সৈয়দপুরের গ্রামবাংলা থেকে হারাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কাশবন

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার গ্রামাঞ্চল থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে একসময়কার ঐতিহ্যবাহী কাশবন। অতীতে গ্রাম বাংলার ঝোপঝাড়, রাস্তাঘাট এবং নদীর দুই ধারসহ নানা স্থানে কাশফুলের মনমুগ্ধকর উপস্থিতি দেখা যেত। হাওয়ায় দোল খাওয়া কাশফুলের দৃশ্য মানুষের মনে এক ভিন্ন আনন্দের আমেজ সৃষ্টি করত। কিন্তু কালের আবর্তে বর্তমানে ওই চিরচেনা দৃশ্যগুলো আর তেমনভাবে দেখা যাচ্ছে না।

বর্তমানে গ্রামবাংলায় বিচ্ছিন্নভাবে যে কয়েকটি কাশবন বা কাশফুল দেখা যায়, সেগুলোও ক্রমশ বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের মতামত অনুযায়ী, কাশবন চাষে অতিরিক্ত কোনো পরিচর্যা বা সার প্রয়োগের প্রয়োজন পড়ে না। এটি স্বাভাবিকভাবে জন্মায় অথবা বীজ ছিটিয়ে দিলেই কাশবনের সৃষ্টি হয়। এর ব্যবহারও বহুমুখী। কাশবনের গাছ কিছুটা বড় হলেই তা গরু-মহিষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। এছাড়াও, গ্রামের বধূরা কাশ দিয়ে ঝাঁটা, ডালি ও দোন তৈরি করে থাকেন।

তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে মানুষ ঝোপঝাড়, বন-জঙ্গল ও পতিত জমি কেটে কৃষিজমি সম্প্রসারণের পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকা গড়ে তুলছেন। এর ফলে প্রকৃতির রূপদানকারী কাশবনসহ গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্যবাহী দৃশ্য আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। স্থানীয়রা মনে করেন, সাধারণ মানুষ যদি একটু সচেতন হন, তবে কাশবনসহ এসব চিরচেনা ঐতিহ্য রক্ষা করা সম্ভব।

প্রকৃতিতে শরৎ মানেই নদীকূলে কাশফুলের শুভ্র উপস্থিতি, যা বাংলা সাহিত্যে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। কিন্তু সময়ের চাহিদায় যান্ত্রিক জীবনের প্রভাবে মানুষ প্রকৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। পূর্বে যেখানে কাশফুলের অরণ্য দেখা যেত, সেখানে আজ মৌসুমি ফসলের খেত গড়ে উঠেছে। এভাবেই আধুনিকায়নের প্রভাবে শরতের প্রকৃত সৌন্দর্য হারিয়ে যেতে বসেছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের প্রকৃতি উপভোগের সুযোগও দিন দিন সীমিত হয়ে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাঁড়িধোয়া নদী: মাছহীন ও বিষাক্ত, স্থানীয়দের উদ্বেগ বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২০ এম


হাঁড়িধোয়া নদী: মাছহীন ও বিষাক্ত, স্থানীয়দের উদ্বেগ বৃদ্ধি

একসময় যে নদীর পানিতে মাছের প্রাচুর্য ছিল, এখন সেই নদীটি মাছহীন ও স্রোতহীন হয়ে পড়েছে। হাঁড়িধোয়া নদী বর্তমানে বিষের নদী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। রুই, কাতল, মৃগেল, বোয়াল, চিতল, পুঁটি, মলা, ঢেলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সমাহার ছিল এখানে। কিন্তু এখন হাঁড়িধোয়ার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

নদীর পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় এটি অনেকটা খালের মতো হয়ে গেছে। কলকারখানার রাসায়নিক বর্জ্য এবং বাজারের ময়লা-আবর্জনায় হাঁড়িধোয়া নদীর পানি দীর্ঘদিন ধরে কালো বিষে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি, নদীর পানি আরও কালচে হয়ে উঠেছে। কোথাও কোথাও পানির রং দেখে মনে হয়, যেন আলকাতরা মিশে আছে।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার হাঁড়িধোয়া নদীর বর্তমান অবস্থা এমনই। নরসিংদীর মাধবদী, শেখেরচর ও পাইকারচর এলাকার পাওয়ারলুম ও বস্ত্র কারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য পানি নদীতে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, অনেক কারখানা বর্জ্য পরিশোধনের জন্য ইটিপি (বর্জ্যপানি শোধনাগার) ব্যবহার না করে দূষিত পানি নদীতে ছেড়ে দিচ্ছে। সেই দূষিত পানি হাঁড়িধোয়ায় এসে মিশে যাচ্ছে। পাশাপাশি নদীর দুই পাড়ের বিভিন্ন জনপদ থেকে গৃহস্থালি বর্জ্য ও বাজারের আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। সব মিলিয়ে নদীটি তার স্বাভাবিক রূপ হারিয়েছে। মাছের সংখ্যা কমে গেছে এবং কৃষিকাজে ব্যবহারের জন্য পানি অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নদীর পাড়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

নদীর পানি দূষিত হয়ে পড়ায় কৃষিকাজেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আগে নদীর পানি ব্যবহার করে জমিতে চাষাবাদ করা সম্ভব ছিল। কিন্তু এখন দূষণের কারণে কৃষকেরা সেই পানি ব্যবহার করতে চান না। পানির অভাবে অনেক জমিতে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে গেছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে।

বিশনন্দী ইউনিয়নের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম বলেন, ‘একসময় হাঁড়িধোয়া নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত। এখন দূষণের কারণে নদীতে মাছ নেই বললেই চলে। কখনো কখনো মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখা যায়।’ তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন মিল-কারখানার রাসায়নিক বর্জ্য নদীতে ফেলার কারণে পানির এই বেহাল দশা হয়েছে।

নদীরক্ষা কমিটির নেতা প্রকৌশলী মাহফুজ সালমান বলেন, নদীটির সেই পুরনো রূপ আর নেই। তিনি ছোটবেলার স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘ছোটবেলায় আমরা এই নদীতে মাছ শিকার করেছি, গোসল করেছি। এখন দূষণের কারণে নদীটি তার সব ঐতিহ্য হারিয়েছে।

নদীর পানি থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানোর কথাও জানান কুতুব উদ্দিন। তিনি বলেন, দুর্গন্ধের কারণে নদীর পাড় দিয়ে হাঁটাচলা করাও কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

রামচন্দ্রদীর বাসিন্দা রোহেল সিকদার বলেন, ‘হাঁড়িধোয়া নদী একসময় মিঠাপানির মাছের জন্য বিখ্যাত ছিল। এই নদীর মাছ খুব সুস্বাদু ছিল। রুই, কাতল, মৃগেল, পুঁটি, চিতল, বোয়াল, মলা, ঢেলা, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত। আমরা দল বেঁধে মাছ ধরতে আসতাম। নদীর পাড়ে বসে মানুষ আড্ডা দিত। কিন্তু সেই দিন এখন আর নেই।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাঁড়িধোয়া নদী বিশনন্দী ইউনিয়নের মেঘনা ঘাট এলাকা থেকে শুরু হয়ে খাগকান্দা ইউনিয়নের মেঘনা ঘাটে গিয়ে মিশেছে। নদীটির প্রকৃত নাম মেঘনার হাঁড়িধোয়া নদী। একসময় এই নদী ঘিরে আশপাশের জনপদে মানুষের জীবনযাত্রা, মাছ ধরা ও কৃষিকাজের নানা কর্মকাণ্ড চলত। বর্তমানে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় নদীটির অনেক অংশ খালের মতো দেখায়।

আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুর রহমান বলেন, ‘হাঁড়িধোয়া নদীর বিষয়ে আমরা এর আগে নরসিংদীর জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছি। নদীটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রশাসনিকভাবে চেষ্টা চলছে।’

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীভাঙনে নিঃস্ব মানুষের সারি দীর্ঘ হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২১ এম


নদীভাঙনে নিঃস্ব মানুষের সারি দীর্ঘ হচ্ছে

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পায়রা নদী, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা এবং নড়াইলে মধুমতী ও নবগঙ্গা নদীর ভাঙনে নিঃস্ব মানুষের সারি দীর্ঘ হচ্ছে। কৃষিজমিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙন রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই।

নড়াইল থেকে খায়রুল আরেফিন রানা জানান, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার আমডাঙ্গা ও শিকারপুর গ্রামজুড়ে মধুমতী নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এখানে অন্তত তিন কিলোমিটারব্যাপী ভাঙনে মানুষের নিঃস্ব হওয়ার ঘটনা ঘটছে। নবগঙ্গার ভাঙনের কারণে কয়েকশ বছরের পুরোনো বড়দিয়া বাজারও হুমকির মুখে পড়েছে।

নদীভাঙনের শিকার কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, বর্ষা এলেই মধুমতী নদী খরস্রোতা হয়ে ওঠে এবং ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। গত এক দশকে ক্রমাগত ভাঙনে শত শত একর কৃষিজমি, অসংখ্য বসতবাড়ি এবং স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হতদরিদ্র এ জনপদের অধিকাংশ মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। বিগত প্রায় দুই মাস ধরে অব্যাহত ভাঙনে মানুষ সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে। প্রতি বছর পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধের চেষ্টা করে, কিন্তু ভাঙনের তীব্রতা বাড়লে তা কার্যকর হয় না।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ কুমার সাহা বলেন, "সময়ের পরিক্রমায় নদীর ভাঙাগড়ার খেলায় মধুমতীর মূল ধারা বালুচরে রূপান্তরিত হয়ে আমডাঙ্গা শিকারপুর গ্রাম স্থানান্তরিত হয়ে বসতি গড়ে উঠেছে।" তিনি আরও জানান, নদী তার আদি গতি পথে ফেরায় এবং গত কয়েক বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে নদীর পানির আধিক্যে ভাঙন তীব্র হয়েছে। নদীভাঙনের জন্য বালু উত্তোলনও অনেকাংশে দায়ী। আমডাঙ্গা এলাকায় ভাঙনরোধে ১ হাজার ৭০০ মিটার স্থায়ী তীররক্ষা প্রকল্প প্রণয়নে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে এবং বড়দিয়া বাজার রক্ষায় ১৫০ মিটার অস্থায়ী, ১৭০ মিটার স্থায়ী তীররক্ষা প্রকল্প গ্রহণে প্রস্তাবনা প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) থেকে শামসুল হক জানান, পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পায়রা নদীর তীব্র ভাঙনে উপজেলার মানচিত্র ছোট হয়ে আসছে। বিগত পাঁচ বছরে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে শত শত ঘরবাড়ি। অন্তত ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অন্যত্র সরিয়ে নিতে হচ্ছে। পাঁচটি গ্রামের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। কয়েকশ একর কৃষিজমি ভেঙে গেছে। গত কয়েক মাসে মাধবখালী ইউনিয়নের রামপুর ও মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের পিপঁড়াখালী গ্রামে শতাধিক বসতঘর ও দুটি জামে মসজিদসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে না পারলে আরো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন গ্রামবাসী।

মাধবখালী ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার আমার দেশকে বলেন, ‘পায়রা নদীর গ্রাসে আমার বাড়িঘর তিনবার ভাইঙা গেছে।’

পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন আমার দেশকে জানান, পায়রা নদী ভাঙন রোধে ২০২৭ সালে একটি সমীক্ষা প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। এরপর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) বাস্তবায়নের বাজেট বরাদ্দ পাওয়া গেলে সিসি ব্লকের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) থেকে তামজিদ হোসেন তামিম জানান, একসময় যে জমিতে সবুজ পানপাতায় ভরে থাকত বরজ, সেই জমি এখন পদ্মার পেটে। কারো কয়েক বিঘা জমি, কারো সাজানো পানবরজ সবই কেড়ে নিয়েছে নদী। নিঃস্ব হয়ে অনেকেরই দিন কাটাচ্ছেন অনিশ্চয়তায়, কেউবা জীবিকার তাগিদে ছেড়ে যাচ্ছেন ভিটামাটি। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে এভাবেই শত শত কৃষক সর্বস্ব হারাচ্ছেন। গত দুই মাসে নদীতে বিলীন হয়েছে প্রায় ২০০ একর ফসলি জমি। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলমান এ ভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন পানচাষিরা। ঐতিহ্যবাহী কুচিয়ামোড়া পানবাজারও হুমকির মুখে পড়েছে। জমির পাশাপাশি পানবরজ হারিয়ে কয়েকশ কৃষক এখন দিশাহারা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাহমুদা সুলতানা জানান, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দুই ইউনিয়নের প্রায় ৩২০ জন কৃষকের তালিকা তৈরি করে জেলায় পাঠানো হয়েছে। তাদের সহায়তার বিষয়ে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদদৌলা বলেন, আমি ইতোমধ্যে এলাকায় সরেজমিনে দেখেছি। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার জুড়ে ভাঙন হচ্ছে। এর মধ্যে তিন কিলোমিটার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। জরুরি ব্যবস্থা নিয়ে ভাঙন রোধ সম্ভব নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাদ্য ঘাটতির দেশে ব্রি’র বাড়তি উৎপাদন উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২১ এম


খাদ্য ঘাটতির দেশে ব্রি’র বাড়তি উৎপাদন উদ্যোগ

খাদ্য ঘাটতির দেশে বাড়তি উৎপাদন কীভাবে সম্ভব হলো, সে বিষয়টি কি আমাদের জানা আছে? খাদ্যনিরাপত্তা এ দেশে চালের নিরাপত্তার সমার্থক। যে জাতির পাতে দিনে দুই থেকে তিনবার ভাত ওঠে, তাদের ভাতের হিসাব মেলানোর দায়িত্ব বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এর কাঁধে রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান ৫৭তম বর্ষে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর ‘পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করা এই প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে সংসদীয় আইনের মাধ্যমে নতুন নাম পায়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভদিনে ব্রির কয়েকটি যুগান্তকারী সাফল্যের গল্প পাঠকদের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

গত সাড়ে পাঁচ দশকে ব্রির সবচেয়ে বড় সাফল্য হচ্ছে চালের উৎপাদন চার গুণেরও বেশি বৃদ্ধি। ব্রি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭১-৭২ অর্থবছরে দেশে মোট চালের উৎপাদন ছিল ৯ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন টন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন টনে। অর্থাৎ, চালের উৎপাদন গত সাড়ে ৫ দশকে বেড়েছে চার গুণেরও বেশি। এই সময়ে জনসংখ্যা বেড়েছে প্রায় তিন গুণ, অথচ আবাদি জমি কমেছে। তাই উৎপাদন বৃদ্ধির বড় অংশ এসেছে উন্নত জাত ও প্রযুক্তির হাত ধরে। ব্রির জাত চাষ করে কৃষকের ফলন ৪০ এবং আয় ৮৫ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।

দেশি জাতের স্বল্প ফলনের সমস্যা থেকে ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল (উফশী) জাতের বৈচিত্র্য কাঙ্ক্ষিত সমাধান এনে দিয়েছে। ব্রি এ পর্যন্ত ১২৭টি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে, যার মধ্যে ১১৭টি ইনব্রিড এবং ১০টি হাইব্রিড। ব্রি উদ্ভাবিত ২৩টি জাত ১৪টি দেশে চাষ হচ্ছে, যা দেশের গবেষণার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ।

ব্রি উদ্ভাবিত কয়েকটি জাত দেশের কৃষির চেহারা বদলে দিয়েছে। বিআর৩, বিআর১১, বিআর৪৯, বিআর৮৭ এবং বিআর১০৩ আমন মৌসুমে; আর ব্রি ধান২৮, ব্রি ধান২৯, ব্রি ধান৮৮, ব্রি ধান৮৯, ব্রি ধান৯২, ব্রি ধান১০২, ব্রি ধান১০৮ এবং ব্রি হাইব্রিড ধান৮ বোরো মৌসুমে দশকের পর দশক ধরে দেশের খাদ্যনিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রেখেছে। উত্তরাঞ্চলের মঙ্গা মোকাবিলায় আগাম পাকা ব্রি ধান৩৩ দরিদ্র কৃষকের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। ড্রাম সিডার দিয়ে সরাসরি বপন করলে এটি ১০০ দিনের মধ্যেই পাকে, যা মঙ্গা দূরীকরণে জাদুর কাঠি হিসেবে কাজ করেছে।

সাম্প্রতিক জাতগুলোয়ও বৈচিত্র্য দেখা যাচ্ছে। ব্রি ধান১১৪ ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী। ব্রি ধান১১৫ ভিটামিন-ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। ব্রি ধান১১৬ গড়ে হেক্টরপ্রতি ৮ দশমিক ৬ টন ফলন দেয়। লবণসহিষ্ণু ব্রি ধান১১৭ উপকূলে হেক্টরপ্রতি ৮ দশমিক ৬ টন ফলন দিতে পারে এবং সম্পূর্ণ জীবনচক্রে ১০ ডিএস/মি. লবণাক্ততা সহ্য করে। হাওরাঞ্চলের জন্য ঠান্ডাসহিষ্ণু ও আগাম জাত ব্রি ধান১১৮ উদ্ভাবিত হয়েছে। এ বছর আগাম বন্যায় প্রায় ১৪-১৫ লাখ টন বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই জাতের গুরুত্ব আরো বেড়েছে। হাইব্রিডের মধ্যে ব্রি হাইব্রিড ধান৮ হেক্টরপ্রতি ১০ দশমিক ৫ থেকে ১১ টন এবং লবণসহিষ্ণু ব্রি হাইব্রিড ধান১০ অনুকূল পরিবেশে ৯ দশমিক ৭ থেকে ১০ দশমিক ৭ টন ফলন দিতে সক্ষম।

ব্রি বর্তমানে ধানের জাত উদ্ভাবনে প্রজনন কর্মসূচিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। ৩২টি টার্গেট প্রোডাক্ট প্রোফাইল তৈরি হয়েছে এবং প্রজনন চক্র সাড়ে ৩ থেকে চার বছর কমানো হয়েছে। প্রায় চার হাজার জেনোটাইপের পূর্ণ জিনোম ফিঙ্গারপ্রিন্টিং সম্পন্ন হয়েছে। চার লাখেরও বেশি ফিক্সড লাইন উদ্ভাবিত হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ জাতের ভান্ডার হিসেবে কাজ করবে।

ব্রির দানাদার ইউরিয়া প্রয়োগযন্ত্রে ৩০-৩৫ শতাংশ সার সাশ্রয় হয়, ফলন ৫-১২ শতাংশ বাড়ে এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে। সেচে সেন্সর ও স্বয়ংক্রিয় এডব্লিউডি ব্যবস্থা কৃষকের খরচ সাশ্রয় করছে।

কৃষিযান্ত্রিকীকরণে ব্রি এ পর্যন্ত ৫৪টি যন্ত্র উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বীজ বপন, রোপণ, আগাছা দমন ও মাড়াইযন্ত্র এবং কম্বাইন হারভেস্টার। বীজ বপনের পাওয়ার সিড সোয়ারের দাম প্রায় ৮০ হাজার টাকা এবং এটি দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহার করে দেশীয় কারখানায় তৈরি হচ্ছে। এতে কৃষিযান্ত্রিকীকরণে আমদানিনির্ভরতা কমেছে। যন্ত্র উৎপাদনে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের যুক্ত হওয়ার সুযোগও তৈরি হয়েছে।

ডিজিটাল সেবায়ও ব্রি অনেকদূর এগিয়েছে। মাঠের পোকামাকড় ও রোগ পর্যবেক্ষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক মনিটরিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। রয়েছে ধানের জাতের স্মার্ট প্রোফাইলিং অ্যাপ ও বাংলাদেশ রাইস নলেজ ব্যাংক।

ভালো জাত মাঠে পৌঁছাতে চাই মানসম্পন্ন বীজ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ব্রি ১৩০টি জাতের নিউক্লিয়াস বীজ সংরক্ষণ করেছে এবং ২৩২ টন ব্রিডার বীজ উৎপাদন করেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১২৫টি সিডনেট অংশীদারকে প্রায় ২০০ টন বীজ প্রতিবছরই বিতরণ করা হচ্ছে। ধানবিজ্ঞানের আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে গত পাঁচ বছরে ব্রি মোট ৫১ হাজার ৪২০ জন অংশীজনকে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দিয়েছে, যার মধ্যে কৃষক ৪২ হাজার ২০৪ জন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ব্রি মোট ২৯টি পুরস্কার ও পদক অর্জন করেছে। ব্রির অবদান অর্থনৈতিক বিচারেও লাভজনক। ধান গবেষণায় বিনিয়োগের প্রতিদান নিয়ে পাঁচটি গবেষণা হয়েছে। সেগুলোর হিসাবে, প্রতি এক টাকা বিনিয়োগে ফেরত এসেছে ২৬ থেকে ৫৪ টাকা।

দেশের জনসংখ্যা বাড়ছে বছরে ১ দশমিক ১ ২ শতাংশ হারে, আবাদি জমি কমছে শূন্য দশমিক ২ ৪ শতাংশ হারে, আর তাপমাত্রা বাড়ছে প্রতি দশকে প্রায় শূন্য দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ব্রির ভাষায়, খাদ্যনিরাপত্তা কোনো স্থায়ী অর্জন নয়; একে টেকসই করতে নিরন্তর প্রচেষ্টা দরকার।

ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তা সুসংহত করার জন্য ব্রি কয়েকটি কৌশল হাতে নিয়েছে। কৃষকের গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৫ টন ধরে দেশের চাহিদা মেটাতে অন্তত ৬ দশমিক ২৯ মিলিয়ন হেক্টর নিট আবাদি জমি রক্ষার কৌশল নিয়ে কাজ করছে ব্রি। গবেষণার অগ্রাধিকারে রয়েছে স্পিড ব্রিডিং, জিনোমিক প্রেডিকশন ও হ্যাপলোটাইপভিত্তিক প্রজননের মতো আধুনিক কৌশল। এ ছাড়া রয়েছে পুষ্টিসমৃদ্ধ ও স্বাস্থ্যকর জাত, জলবায়ুসহিষ্ণুতা, যান্ত্রিকীকরণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সম্প্রসারণ। চলমান গবেষণায় সি৪ রাইস, জিনোম এডিটিংয়ের মাধ্যমে লবণাক্ততা-সহিষ্ণুতা ও ব্লাস্ট প্রতিরোধ এবং টু-লাইন হাইব্রিড প্রজনন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। উচ্চ আয়ের জন্য মূল্য সংযোজিত ধানজাত পণ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাইস ভ্যালু চেইন গড়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

দিনে দিনে প্রতিষ্ঠানটির পরিধিও বাড়ছে। বর্তমানে ১৯টি গবেষণা বিভাগ এবং সদর দপ্তরের বাইরে ১১টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে। এছাড়া দিনাজপুর, টাঙ্গাইল, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার, নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জে আরো ছয়টি আঞ্চলিক কার্যালয় এবং ছয়টি স্যাটেলাইট স্টেশন স্থাপনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এতে স্থানভিত্তিক ধানের জাত উদ্ভাবন ও কৃষকের সমস্যার সমাধান আরো সহজ হবে।

তবে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এর মধ্যে অপর্যাপ্ত জনবল, পদোন্নতি ও চাকরির মেয়াদ-সংক্রান্ত জটিলতা এবং গবেষণা বরাদ্দের অপ্রতুলতা উল্লেখযোগ্য। ব্রির অনুমোদিত ৩১৮টি বিজ্ঞানী পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ২৭১ জন। যে প্রতিষ্ঠানে প্রতি টাকা বিনিয়োগে বহুগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়, সেখানে গবেষণা ও জনবলে বিনিয়োগ বাড়ানোই দূরদর্শী সিদ্ধান্ত।

লেখক : কৃষিবিদ ও কৃষি সাংবাদিক

[email protected]

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%