মাসফিকুল হাসান, বেরোবি প্রতিনিধি;
০৪:১৩ পি.এম
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এবং কে. মুশতাক অ্যান্ড হাসনা ইলাহি ফাউন্ডেশন, রংপুর-এর মধ্যকার সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৪ জন মেধাবী নারী শিক্ষার্থীকে এককালীন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ প্রদান করা হয়েছে| আজ বুধবার (০১ জুলাই ২০২৬) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সিন্ডিকেট কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে এই বৃত্তির চেক ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়|
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃত্তির চেক ও সনদ বিতরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী| এ সময় তিনি বলেন, নারী শিক্ষার প্রসার ও মেধার মূল্যায়নে এই ধরনের বৃত্তি প্রদান অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ| এই বৃত্তি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করবে এবং ভবিষ্যতে তারা সমাজ ও দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে| উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়নে সমাজের সর্বস্তরের গুণীজন ও ফাউন্ডেশনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান|
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কে. মুশতাক অ্যান্ড হাসনা ইলাহি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. কে মুশতাক ইলাহি| তিনি বলেন, মেধাবী নারী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করাই এ বৃত্তির মূল লক্ষ্য| ভবিষ্যতেও ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন|
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন| উল্লেখ্য, এ বছর সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের চারজন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়| তারা হলেন— অর্থনীতি বিভাগের মোছাঃ ফিরোজা আক্তার (সিজিপিএ ৩.৮৬), অর্থনীতি বিভাগের উর্মি রানী রায় (সিজিপিএ ৩.৮৬), গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের নাহিদা হাসান দীপা (সিজিপিএ ৩.৭৮) এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের মারজানা আক্তার ইতি (সিজিপিএ ৩.৬৭)|
এদিকে বৃত্তির চেক ও সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে বেরোবি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের জার্নাল অব স্যোশাল সায়েন্স (ভলিউম-৮, সংখ্যা-২) এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়|
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের নতুন টরকী বাজারে এক নারীসহ আটকের ঘটনার জেরে দায়ের করা অভিযোগকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক দাবি করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার, বাজারের ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় এলাকাবাসী।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে নতুন টরকী বাজার সংলগ্ন প্রধান সড়কে আয়োজিত মানববন্ধনে বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ব্যানার হাতে অংশ নেন। পরে তারা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি রাশেদ বেপারী তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এক নারীকে নিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে আটক হন। পরে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও সামাজিক সমালোচনা এড়াতে তিনি উল্টো এলাকার নিরীহ ও সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে থানায় একটি মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা তারেক পাইক বলেন, “রাশেদ বেপারী নিজে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ধরা পড়ার পর এখন নিরীহ মানুষকে আইনি হয়রানির মাধ্যমে চাপের মুখে ফেলছেন। তার দায়ের করা অভিযোগের কারণে এলাকার সম্মানিত ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীরা সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।”
নতুন টরকী বাজারের দোকান মালিক মো. সোহেল বেপারী প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাশেদ বেপারীর দায়ের করা অভিযোগের নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করতে হবে। অভিযোগটি মিথ্যা প্রমাণিত হলে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানির দায়ে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তিনি।
বক্তারা আরও বলেন, প্রশাসন দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নতুন টরকী বাজারের সভাপতি দিদারুল ইসলাম টিটু বেপারী, মো. জামাল বেপারী, আখতার বেপারী, নাসিরউদ্দিন রাড়ী, রহিম খা, কামাল বেপারীসহ বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অন্যদিকে, নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাশেদ বেপারী। তিনি বলেন, “আমি কোনো অনৈতিক কাজ করিনি। দোকানে আমার শালিকে বসিয়ে রেখেছিলাম। ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি আইনগতভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করছি।”
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের বক্তব্য সামনে এলেও অভিযোগগুলোর সত্যতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের পনছড়ি সীমান্তবর্তী এলাকার একটি ছোট খালের ওপর স্থায়ী সেতু না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের তৈরি অস্থায়ী সাঁকো পার হয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বাজার ও কর্মস্থলে যাতায়াত করতে হচ্ছে শতাধিক মানুষকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে খালটির ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখনো বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। ফলে এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে তৈরি করা বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাঁকোটি পিচ্ছিল ও দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে প্রতিদিন দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়েই পথ চলতে হয় শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমিক, নারী ও বৃদ্ধদের। অনেক সময় সাঁকো থেকে পিছলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে জানান স্থানীয়রা।
শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রতিদিন বই-খাতা নিয়ে এই সাঁকো পার হতে তাদের আতঙ্ক কাজ করে। বৃষ্টির দিনে অভিভাবকের সহায়তা ছাড়া অনেকেই পার হতে পারে না। নিরাপদ একটি সেতু নির্মাণ হলে বিদ্যালয়ে যাতায়াত অনেক সহজ হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ হলে শুধু শিক্ষার্থীদের নিরাপদ চলাচলই নিশ্চিত হবে না, কৃষিপণ্য পরিবহন, জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং দৈনন্দিন যোগাযোগও অনেক সহজ হবে। এতে এলাকার সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এ বিষয়ে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সমীরণ চাকমা বলেন, এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে। এলজিইডির কাছে সেতু নির্মাণের আবেদন পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন মিললে দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মনির হোসেন বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করা হবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এ দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হবে। এতে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোর ওপর নির্ভরশীলতা কমবে এবং শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতের আমির এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমেছে, জনগণ সেগুলোর বাজারে প্রতিফলন দেখতে চায়। তাহলেই প্রমাণিত হবে এবারের বাজেট জনবান্ধব।
আজ বুধবার, জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট পরবর্তী মতবিনিময় সভায়, তিনি এই মন্তব্য করেছেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, জনগণ সংবিধান সংস্কারের ম্যান্ডেট দিয়েছে, কিন্তু সংশোধনের ক্ষেত্রে নয়। তিনি বললেন, দলের স্বার্থের দিকে নজর দিয়ে আইন প্রণয়ন করা উচিত নয়। সংস্কার হলে, দেশে সুস্থ গণতান্ত্রিক ধারা ফিরে আসার আশা রয়েছেন।
বাজেট সম্পর্কে বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, এবারের বাজেটের সঙ্গে ধারণা করা সূচকের কিছু তুলনা হয়েছে। বড় বাজেট প্রদান করা অপরাধ নয়; তবে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বাস্তবায়নের সক্ষমতা ও দুর্নীতি। এই জায়গাগুলোতে সংস্কার না আনা গেলে, বাজেটের সুফল জনগণ পাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৮ ও ২০২২ এর পর আবারও কি ফাইনাল খেলতে চলেছে ফ্রান্স? এই প্রশ্নটি বর্তমানে খুব জোরেশোরেই উঠে আসছে। চলমান বিশ্বকাপে ফ্রান্স যে রকম অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে, তাতে টুর্নামেন্টের মাঝপথেই তাদের হাতে শিরোপা তুলে দিতে রাজি অনেকেই। কিন্তু নকআউট পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামার আগে ফ্রান্সের উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন স্পেনের তারকা লামিন ইয়ামাল। তার মতে, দিদিয়ের দেশামের ফ্রান্স মোটেও স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয়। অন্যদিকে, তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, উত্তর আমেরিকায় চলমান বিশ্বকাপের ট্রফিটি শেষ পর্যন্ত স্পেনই জিতবে।
বার্সেলোনার ১৮ বছর বয়সী এই উইঙ্গার মনে করেন, গ্রুপ পর্বে পারফরম্যান্সের তারতম্য থাকলেও স্পেনের সামর্থ্য নিয়ে তার কোনো সন্দেহ নেই। তার বিশ্বাস, দলটি ধীরে ধীরে নিজেদের সেরা ছন্দে ফিরে এসে ইতিহাসের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিততে সক্ষম হবে।
গ্রুপ পর্বে শতভাগ সাফল্য পাওয়ায় অনেকেই ফ্রান্সকে শিরোপার অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে দেখছেন। তবে ইয়ামাল এতে মোটেও বিচলিত নন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২৪ এর ইউরোতে স্পেন ফ্রান্সকে হারিয়েছিল। তাই ফরাসিদের অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে রাখার কোনো কারণ তিনি দেখছেন না।
কোপ–এর তিয়েম্পো দে খুয়েগো অনুষ্ঠানে ইয়ামাল বলেন, "এমন কোনো দল নেই, যাকে হারানো অসম্ভব। ফ্রান্স আমাদের চেয়ে ভালো নয়। ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে তারা আমাদের হারাতে পারেনি। এখানে কোনো ফেভারিট নেই। কেউই আমাদের চেয়ে এগিয়ে নয়। কোনো টুর্নামেন্ট শুরু হলে আমি সবসময় ভাবি, আমরাই জিতব। এখন আমার মাথায় একটাই চিন্তা; আমরাই বিশ্বকাপ জিতব।"
মাঠে দুর্দান্ত প্রতিভার পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তারও পরিচয় দিয়েছেন ইয়ামাল। তিনি জানান, অতীতে চোট পেয়ে কিংবা মাকে কাঁদতে দেখে তিনি কেঁদেছেন। কিন্তু তিনি বলেন, বিশ্বকাপ জিতলেও তার চোখে পানি আসবে না।
তিনি বলেন, "আমি খুব সহজে আবেগপ্রবণ হই না, কাঁদিও না। চোট পেলে কিংবা মাকে কাঁদতে দেখলে কেঁদেছি। কিন্তু যদি বিশ্বকাপ জিতি, তবুও কাঁদব না। এটা অসম্ভব।"
বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি হিসেবে ট্যাটু করাবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ইয়ামাল বলেন, "আমি মুসলিম, তাই ট্যাটু করতে পারি না। আর করলেও কারও ছবি ট্যাটু করতাম না।"
উত্তর আমেরিকায় স্পেনের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা হলেও ইয়ামালের মতে, আসল লড়াই এখনই শুরু। তার বিশ্বাস, নকআউট পর্বে সুন্দর ফুটবলের চেয়ে জয়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দলের খেলাও আরও উন্নত হবে।
তিনি বলেন, "অনেকে বলছে আমরা আরও ভালো খেলতে পারি। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য হলো শান্ত থাকা এবং আগে ম্যাচ জেতা। এরপর আমাদের পারফরম্যান্স আরও উন্নত হবে। আমরা এখন যে মানের ফুটবল খেলছি, তার চেয়ে অনেক ভালো খেলতে সক্ষম। তবে আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জয়। ভালো খেলতে হবে, জিততেও হবে। আমাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। গ্রুপ পর্ব এখন আর কোনো গুরুত্ব বহন করে না।"
এখন স্পেন রাউন্ড অব ৩২-এ অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হবে। সেই বাধা পেরোতে পারলে সেমিফাইনালে স্পেন-ফ্রান্স মহারণ হতে পারে। তখনই হয়তো ইয়ামালের এই আত্মবিশ্বাসী মন্তব্যের প্রকৃত পরীক্ষা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ