০৬:৫৩ পি.এম
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নাক, কান, গলা (ইএনটি) ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে মারধর, রক্তাক্ত জখম ও চাঁদা দাবির অভিযোগে পল্টন থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার ফারহান শাহরিয়ার ওরফে ইভান (২২) কে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াস তদন্ত কর্মকর্তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এ বিষয়ে প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকনুজ্জামান বলেছেন, বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: কালিয়াকৈরে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তার ৫ লাখ টাকা ছিনতাই
আদালতে হাজির হয়ে আসামিপক্ষের কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেছেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ডের পক্ষে রায় দিয়েছে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত ১৭ আগস্ট রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে শান্তিনগর এলাকার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমান প্রাইভেট চেম্বার শেষ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন। এ সময় আসামিরা বেআইনিভাবে সিএনজির গতিরোধ করে তাকে জোরপূর্বক নিচে নামায়।
তিনি সিএনজি থামানোর কারণ জানতে চাইলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে মারধর করে তাকে রক্তাক্ত জখম করে। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, এতে তার ডান চোখ, মাথা ও দুই ঠোঁটের ওপরে গুরুতর আঘাত ও ফোলা জখম হয়েছে।
এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সুরঞ্জিতের নেতৃত্বে অভিজ্ঞতা নিয়ে আসিফ নজরুল ও সালাহউদ্দিন আহমদের মতভেদ
ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীদের সহায়তায় ‘জীবন ওরফে আদিল’ নামে এজাহারনামীয় এক আসামিকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভুক্তভোগী ডা. মো. আসাদুর রহমান বাদী হয়ে তার স্ত্রী শাহানা সারমিনের মাধ্যমে টাইপকৃত এজাহার পল্টন মডেল থানায় পাঠিয়ে ১৮ আগস্ট মামলা করেন।
এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার কিছুদিন আগে অচেনা নম্বর থেকে তার কাছে ১৫ হাজার ডলার চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
প্রযুক্তিগত সহায়তা ও তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত এজাহারনামীয় আসামি ফারহান শাহরিয়ার ওরফে ইভানকে গত ২১ আগস্ট গভীর রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ এলাকার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পল্টন থানা পুলিশ।
শনিবার তাকে আদালতে হাজির করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. আতিকুজ্জামান। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং গ্রেপ্তার আসামি অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আরও পড়ুন: মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে মা ইলিশ নিধনের মহোৎসব
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন