০৬:৫৮ পি.এম
বাংলাদেশে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা বারবার ব্যাহত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি বারবার আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে দেশকে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: মাদারীপুরে ইসলামী আন্দোলনের জেলা মজলিসে শুরার বৈঠক অনুষ্ঠিত
মঈন খান বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসের এক ক্রান্তিলগ্নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের হাল ধরেছেন। দেশের সমস্যাগুলো সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণভাবে অবগত।
এসব সমস্যা দূর করে বাংলাদেশকে একটি গতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং বিশ্বের বুকে দেশের সুনাম পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি কাজ করছেন।’
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষ যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিল এবং স্বাধীনতার জন্য উপযুক্ত সময় এসেছিল, তখন একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি দাবি করেও দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছিল। সেই সময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।’
নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধ ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা বারবার ব্যাহত হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাড়িতে ফিরল সৌদিতে নিহত সাহেদের নিথর দেহ, স্ত্রী-সন্তানের আহাজারি
বিএনপি বারবার গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও দেশকে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।’
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, ‘১৯৮১ সালের পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর সংকটময় পরিস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়া রাজপথে একজন আপসহীন নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। পরে ১৯৯১ সালে জনগণের ভোটে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।’
তিনি বলেন, ‘সেই ধারাবাহিকতায় আজ ২০২৬ সালে এসে আবার নতুন করে জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এই দেশকে গড়ে তুলব।’
এ সময় তাঁর সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সিলেটে হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ২০০
পরে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এরপর তিনি স্মৃতিসৌধের দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন