প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খুলনার লবণচরা থানার হরিণটানা আশিবিঘা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে ঘটেছে জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। মাত্র ২ ঘণ্টার ব্যবধানে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। র্যাব-৬ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, এবং জানায় যে, একটি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৬-এর অধিনায়ক নিস্তার আহমেদ বলেন, জোড়া খুনের মূল অভিযুক্ত হলো টুটপাড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী আলামিন হাসান সাইফি এবং তার সহযোগী রফিকুল ইসলাম রফিক। তাদেরকে শুক্রবার গোপালগঞ্জের মাঝিগাতি বাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সাইফির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খুলনার টুটপাড়া এলাকা থেকে সাগরে নামের আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় অভিযানের মাধ্যমে র্যাব তাদের কাছ থেকে ১টি শটগান, পিস্তল, গুলি, চাপাতি এবং বেশ কিছু দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
জানা যায়, জোড়া খুনের শিকার নাজমুল ও মঞ্জুরুল দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী সন্ত্রাসী গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রথমে নাজমুলকে আটক করে ভিডিও কলে রেখে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে রফিক ও তার সহযোগীরা। এর পর প্রতিশোধ নিতে সাইফির নেতৃত্বে ১৫-১৬ জনের একটি দল আশিবিঘা এলাকায় হামলা চালিয়ে বাবার সামনেই মঞ্জুরুলকে গুলি ও কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।
র্যাব-৬-এর অধিনায়ক জানান, গ্রেফতারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। মূলত অভ্যন্তরীণ কোন্দল, আধিপত্য বিস্তার এবং মাদক ব্যবসার কারণে এই জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন