ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা


রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
রাজশাহীতে সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রতারণা ও পেশাবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়াসহ পেশাদার সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ভূমিমন্ত্রী ও রাজশাহী সদর-২ আসনের সংসদ সদস্যের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন রাজশাহীর পেশাদার সাংবাদিকদের একটি পক্ষ।
আবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিকতার পরিচয় ও মর্যাদা ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির ওপর প্রভাব বিস্তার, ভয়ভীতি প্রদর্শন, সুবিধা আদায় এবং ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রকৃত সাংবাদিকদের সঙ্গে এ ধরনের ব্যক্তিদের পার্থক্য নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থারও দাবি জানানো হয়েছে।
আবেদনে রাজশাহী প্রেসক্লাবের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও অভিযোগ তোলা হয়েছে। এতে বলা হয়, ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও বিতর্ক রয়েছে। গোলাম মোস্তফা মামুনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে সেগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার কথাও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা, বিভিন্ন মামলায় আসামি থাকা এবং অতীতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এসব অভিযোগের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট মামলার নথি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্যের ভিত্তিতে যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজশাহীতে নির্দিষ্ট কয়েকজন সাংবাদিককে লক্ষ্য করে মোটরসাইকেল শোডাউন, চিৎকার-চেঁচামেচি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন ও সংঘাত তৈরির আশঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
আবেদনকারীরা বলেন, কোনো ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তার দায় পেশাদার সাংবাদিক সমাজের ওপর বর্তায় না। একই সঙ্গে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার যাতে কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
আবেদনে সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহার করে অপরাধ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদাবাজি বা প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি কোনো ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের সাংবাদিক কি না, তা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও স্বীকৃত সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রেস কার্ড, পরিচয়পত্র কিংবা গণমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে কেউ যাতে অনৈতিক বা আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড চালাতে না পারেন, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ারও অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় প্রকৃত সাংবাদিকরা যাতে হয়রানি, ভয়ভীতি বা বাধার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন। এ জন্য রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) ও পেশাদার সাংবাদিক সংগঠনগুলোর মধ্যে নিয়মিত মতবিনিময় সভা আয়োজন এবং অপ-সাংবাদিকতার অভিযোগ মোকাবিলায় একটি সুস্পষ্ট সমন্বয়ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের দায় কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বা সাংবাদিক সংগঠনের ওপর না চাপিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আবেদনকারীরা মনে করেন, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি পরিচয়ের অপব্যবহার বন্ধ করা গেলে রাজশাহীতে গণমাধ্যমকর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
আবেদনের অনুলিপি বিভাগীয় কমিশনার, রাজশাহী, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, জেলা প্রশাসক, আরএমপি কমিশনার এবং রাজশাহী মহানগর বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।#
 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় বিপর্যস্ত থাইল্যান্ড, প্রতিটি জেলায় জারি সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


বন্যায় বিপর্যস্ত থাইল্যান্ড, প্রতিটি জেলায় জারি সতর্কবার্তা

বর্ষাকালে হঠাৎ ভারী বৃষ্টির কারণে ব্যাংককের রাস্তায় পানি জমা হওয়া নতুন কিছু নয়। থাইল্যান্ডের রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকার অনেক উঁচু ভবন ঘেরা স্থানগুলোতে কখনও কখনও রাস্তাগুলো নদীর মতো হয়ে যায়। তবে এবার বৃষ্টির তীব্রতা স্বাভাবিক মাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে। মাত্র দুই দিনের মধ্যে শহরের কিছু এলাকায় প্রায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি লন্ডনের গড় ছয় মাসের বৃষ্টিপাতের প্রায় সমান। ফলে ব্যাংককের অনেক এলাকা রাস্তাঘাট নয়, বরং বিশাল স্থির পানির জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান শনিবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার কারণে বিভিন্ন ঘটনায় প্রায় ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন পানিতে ডুবে এবং কয়েকজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। শহরের ২৩০টির বেশি আশ্রয়কেন্দ্রে হাজারো মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

৭৩ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা সুলিমাস কুরাংকুল জানিয়েছেন, তার বাসার নিচতলার সিঁড়ি এখনও পানির নিচে রয়েছে। তিনি বলেন, "গত সপ্তাহান্তের বৃষ্টি স্বাভাবিক সন্ধ্যার ঝড়ের মতো ছিল না বরং সারাদিন-সারারাত অবিরাম বৃষ্টি হয়েছে।"

উত্তর-পূর্ব ব্যাংককের ১৯৭০-এর দশকে নির্মিত খালং চান আবাসিক এলাকা এখন দুর্যোগের প্রতীক হয়ে উঠেছে। ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, বাদামি পানির মধ্যে ভবনগুলো দাঁড়িয়ে আছে। পার্ক করা গাড়ির ছাদও পানির ওপর সামান্য দেখা যাচ্ছে। তবে বৃহস্পতিবারের মধ্যে কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির সবচেয়ে খারাপ অংশের পানি অনেকটা সরিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

চাও ফ্রায়া নদীর বিশাল বন্যাপ্রবণ সমভূমির ওপর গড়ে ওঠা ব্যাংকক শহরের পানি নিষ্কাশনে খাল, পাম্প ও বাঁধের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু কংক্রিটের অবকাঠামো নির্মাণের ফলে শহরের খাল ব্যবস্থার বড় অংশ নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে অতিরিক্ত পানি সামাল দিতে শহরটি হিমশিম খাচ্ছে।

ব্যাংককের ৫০টি জেলার সবকটিতেই বন্যা দুর্যোগ ঘোষণা করেছে সরকার। কিছু এলাকায় অস্বাভাবিক দৃশ্য তৈরি হয়েছে। কেউ ফোলানো প্লাস্টিকের পুলে চড়ে বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, আবার কোথাও ভাসমান ফ্রিজকেও নৌকার মতো ব্যবহার করতে দেখা গেছে। প্রধান সড়কে জেটস্কি চালানোর অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বন্যার কারণে ব্যাংককের প্রধান সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে। একপর্যায়ে থাই এয়ারওয়েজের প্রায় অর্ধেক কর্মী কাজে যেতে না পারায় হাজারো লাগেজ জমে যায় এবং কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়। অনেক স্কুল বন্ধ রয়েছে। রাজধানীর বেশির ভাগ এলাকায় তীব্র যানজটের কারণে তুলনামূলক কম ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষও ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন।

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, উত্তরের দিক থেকে আসা বন্যার পানির কারণে ব্যাংককের মহানগর এলাকা এখনও ঝুঁকিতে রয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে একটি জরুরি নিয়ন্ত্রণকক্ষও গঠন করা হয়েছে। দেশটির আবহাওয়া সংস্থা আগামী সপ্তাহে আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চরম বন্যার প্রবণতা ইতোমধ্যেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর কারণে পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ায় ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। উষ্ণ সমুদ্র থেকে বেশি পানি বাষ্পীভূত হয় এবং উষ্ণ বাতাস বেশি জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে। ফলে ভারী বৃষ্টিপাত আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাংককের বন্যা সহনশীলতা নিয়ে গবেষণায় যুক্ত পরামর্শক নাইম লায়েনি বলেছেন, কয়েক দিন ধরে চলা বৃষ্টির তীব্রতা কর্তৃপক্ষ সম্ভবত অবমূল্যায়ন করেছিল। ব্যাংককের পানি নিষ্কাশন খালগুলো সাধারণত ঘণ্টায় প্রায় ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টির পানি সামলাতে পারে। উন্নত কিছু অংশে এই সক্ষমতা ৮০ মিলিমিটার পর্যন্ত। কিন্তু স্থানীয়ভাবে এর চেয়েও বেশি বৃষ্টি হয়েছে এবং পরপর বৃষ্টির কারণে পানি সরানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিআরটিএর মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


বিআরটিএর মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরযানের যাবতীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা সম্প্রসারণ করা হয়েছে জরিমানা ছাড়া।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জরিমানা ব্যতীত মূল কর ও ফি জমা দিয়ে সকল ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র যেমন ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন এবং রুট পারমিটসহ ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করা যাবে।

বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের শেষবারের মতো সুযোগ দিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে সব কাগজপত্র হালনাগাদ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

এর আগে, এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল যে, মোটরযান বিক্রয়ের পর মালিকানা পরিবর্তন না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী, কোনো মোটরযান বিক্রয়ের পর তার মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক। তবে সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে যে, অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি সড়ক বা মহাসড়কে ব্যবহার করছেন। এর ফলে বিক্রেতাদের বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মালিকানা পরিবর্তন না করার কারণে পুরনো মালিককেই নির্ধারিত অগ্রিম আয়কর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০% অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে। এটি বিক্রেতার জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সেবা সহজীকরণের লক্ষ্যে বিআরটিএ জানিয়েছে, বর্তমানে মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত করা হয়েছে। এখন অনলাইনে (bsp.brta.gov.bd) আবেদন করার পর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ড-হেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক যাচাই করে একই দিনে মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্রেতা বা নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক প্রদান করতে পারছেন।

এ অবস্থায়, সংশ্লিষ্ট সকল মোটরযান মালিক ও ক্রেতাদের দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য বিআরটিএ অনুরোধ জানিয়েছে। অন্যথায়, নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

একই সঙ্গে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ কঠোরভাবে কার্যকর করার লক্ষ্যে মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তন শুরু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

এ বিষয়ে বিআরটিএ জানায়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা-১১ (১) অনুযায়ী প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ১২টি পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। আইন অমান্য বা বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে অতিরিক্ত দোষসূচক পয়েন্ট কর্তন করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চোটের গুঞ্জন উড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নামছেন মেক্সিকোর বিস্ময়বালক মোরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


চোটের গুঞ্জন উড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নামছেন মেক্সিকোর বিস্ময়বালক মোরা

মেক্সিকোর ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ড সেনসেশন গিলবার্তো মোরার চোট নিয়ে তৈরি হওয়া সব নাটকীয়তা ও গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়েছেন দলটির প্রধান কোচ রাফায়েল মার্কেজ। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে আসন্ন হাইভোল্টেজ ম্যাচে খেলার জন্য মোরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং ফিট।

সম্প্রতি কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অভিষেকে গোল করে মেক্সিকোর ত্রাতা বনে যান এই তরুণ তুর্কি। তবে ঠিক তার পরের ম্যাচে পেরুর বিপক্ষে তাকে সাইডবেঞ্চে বসিয়ে রাখায় ফুটবলপ্রেমীদের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়।

এরপর অনুশীলনে তাঁর গোড়ালির চোটের কারণে এমআরআই করাতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হওয়ার আগে মেক্সিকো শিবিরে বড় দুশ্চিন্তার মেঘ দানা বাঁধে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফিনিক্সে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মোরাকে সব ধোঁয়াশা দূর করে কোচ রাফায়েল মার্কেজ বলেন, ‘গিলবার্তোর গোড়ালিতে সামান্য অস্বস্তি থাকায় কিছু রুটিন পরীক্ষা বা টেস্ট করানো হয়েছিল। তবে সে ইতিবাচকভাবে সেরে উঠছে এবং পরবর্তী ম্যাচে খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।"

মার্কেজ আরো স্পষ্ট করেন যে, পেরু ম্যাচে মোরাকে কোনো গুরুতর চোটের কারণে নয়, বরং কাজের অতিরিক্ত চাপ থেকে এই টিনেজারকে সুরক্ষিত রাখতেই সম্পূর্ণ বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। বার্সেলোনা যেভাবে তরুণ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামালকে আগলে রেখে তৈরি করেছে, মোরাকে নিয়ে সেই একই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোনো হচ্ছে।

শনিবার রাতে অ্যারিজোনায় কনকাকাফ ক্লাসিকোতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হচ্ছে মেক্সিকো। মেক্সিকোর সবচেয়ে বড় ‘টেকনিক্যাল অস্ত্র’ মোরা স্কোয়াডে ফিরলেও, তিনি শুরুর একাদশে থাকবেন নাকি বদলি হিসেবে নামবেন—তা ম্যাচ শুরুর আগে কৌশলগত কারণে গোপনই রেখেছেন মেক্সিকান বস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পায়ুপথ দিয়ে ঢুকে জেলের শরীরে ‘বাসা বাঁধল’ বাইম মাছ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


পায়ুপথ দিয়ে ঢুকে জেলের শরীরে ‘বাসা বাঁধল’ বাইম মাছ

২০২৪ সালে বাংলাদেশের ৫৫ বছর বয়সী এক জেলের শরীরে জীবন্ত বাইম মাছ প্রবেশের একটি ঘটনা আন্তর্জাতিক চিকিৎসা মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। মাছটি তার পায়ুপথ দিয়ে প্রবেশ করে অন্ত্রের দেয়াল ফুটো করে মারাত্মক সংক্রমণের সৃষ্টি করে। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব সার্জারি কেস রিপোর্টস-এ এই বিরল ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

জার্নালে প্রকাশিত কেস রিপোর্ট অনুযায়ী, মাছ ধরার সময় ওই ব্যক্তির পায়ুপথ দিয়ে একটি জীবন্ত বাইম মাছ শরীরে ঢুকে যায়। তিনি প্রথমে লজ্জায় কাউকে বিষয়টি জানাননি। মাছটি নিজে থেকেই বের হয়ে যাবে— এ আশায় ছিলেন তিনি। পরে তীব্র পেটব্যথা ও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি হাসপাতালে যান।

বাংলাদেশ ও নেপালের চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিক্যাল টিম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে পায়, মাছটি অন্ত্রের দেয়াল ভেদ করেছে এবং পেটে গুরুতর সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। জরুরি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কোলন থেকে প্রায় ২৬ ইঞ্চি লম্বা জীবন্ত বাইম মাছটি বের করে আনেন চিকিৎসকরা।

গবেষণায় যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশের চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী মবিন ইবনে মকবুল, সৌমিক রায়, অমর্ত্য নারায়ণ রায় ও মোস্তফা নওয়াজ এবং নেপালের বিজ্ঞানী অমৃতা শ্রেষ্ঠা। তাদের কেস রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, বাইম মাছের মতো জীবন্ত প্রাণীর কারণে মানুষের অন্ত্রের দেয়াল ছিদ্র হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল।

অস্ত্রোপচারে দেখা যায়, রোগীর সিগময়েড কোলনে প্রায় ৫ সেন্টিমিটার বা ২ ইঞ্চি আকারের একটি ছিদ্র তৈরি হয়েছে। এর ফলে প্রাণঘাতী পেরিটোনাইটিস হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের পাশাপাশি কোলস্টমি করেন। এর ফলে রোগীর অবস্থার দ্রুত উন্নতি ঘটে এবং চার দিন পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

এর আগে ২০০৪ সালে হংকংয়ে একই ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছিল। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উদ্দেশ্যে এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মলদ্বারে বাইম মাছ প্রবেশ করালে তারও গুরুতর জটিলতা দেখা দেয়।

চিকিৎসকেরা বলছেন, রোগীরা অনেক সময় লজ্জা বা অস্বস্তির কারণে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চিকিৎসকদের কাছে গোপন করেন। এতে সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা ব্যাহত হতে পারে। তাই তীব্র পেটব্যথা বা অস্বাভাবিক উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক কারণগুলোকেও বিবেচনায় রাখা জরুরি। দ্রুত রোগ নির্ণয় ও অস্ত্রোপচার না হলে এ ধরনের ঘটনায় মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বেড়ে যেতে পারে। সূত্র: লাইভ সায়েন্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%