ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রযুক্তি উদ্ভাবনেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব অর্জন সম্ভব: ববি হাজ্জাজ


প্রযুক্তি উদ্ভাবনেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব অর্জন সম্ভব: ববি হাজ্জাজ

বাংলাদেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, যদি কোন একটি দেশ কেবল প্রযুক্তি কিনে ব্যবহার করে, তাহলে সে দেশ সবসময় অন্যের ওপর নির্ভরশীল থাকবে। তবে যে দেশ STЕM (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিল্পকলা এবং গণিত) শিক্ষার মাধ্যমে প্রযুক্তিকে বোঝে, নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযোজিত করে এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সক্ষম মানবসম্পদ তৈরি করতে পারে, সেই দেশ প্রকৃত অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব অর্জন করে।

তিনি বলেন, ইতিহাসে জাপান সেই পথ দেখিয়েছে। বাংলাদেশও প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই STЕMভিত্তিক দক্ষতা তৈরি করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

আজ জাপানের ওসাকায় অনুষ্ঠিত আরটেক জেনারেল এক্সিবিশন ২০২৬- এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টারে মানবপাচার চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার এমন একটি STЕM শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করতে চায়, যেখানে বিজ্ঞান বা প্রযুক্তি শেখানো একমাত্র লক্ষ্য নয়। বরং শিশুদের প্রশ্ন করতে শেখানো, সমালোচনামূলকভাবে চিন্তা করা, ধারণাকে গভীরভাবে বোঝা, সমস্যা বিশ্লেষণ করা এবং মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে বাস্তবভিত্তিক সমাধান তৈরির সক্ষমতা গড়ে তোলাই হবে মূল উদ্দেশ্য।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে শ্রমশক্তি ৭ কোটিরও বেশি এবং বিপুল সংখ্যক শিশু প্রাথমিকে পড়ালেখা করছে। কিন্তু দেশের অর্থনীতি এখনও তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। একটি বহুমুখী, জ্ঞানভিত্তিক ও উচ্চ মূল্য সংযোজনকারী অর্থনীতি তৈরি করতে হলে প্রাথমিক স্তর থেকেই STЕM শিক্ষার শক্ত ভিত নির্মাণ করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় জাপানের ইতিহাস এক গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা। মেইজি পুনর্গঠনের সময় কিংবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পর উভয় ক্ষেত্রেই জাপান শিক্ষা, প্রযুক্তি, শৃঙ্খলা এবং উদ্ভাবনে বিনিয়োগের মাধ্যমে নিজেদের নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বাংলাদেশও সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে চায়।

ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক শিখন সংকট মোকাবিলাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। শিশুরা সাক্ষরতা, সংখ্যাজ্ঞান এবং মৌলিক দক্ষতা শক্তিশালী করার মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি দৃঢ় শিক্ষাভিত্তি তৈরি হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ইসরাইল নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অধরাই

তিনি বলেন, STЕM শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য ব্যয়বহুল প্রযুক্তির প্রয়োজন হয় না সবসময়। একটি শিশুর লাগানো একটি গাছই জীববিজ্ঞান শেখার ল্যাবরেটরি হতে পারে। স্থানীয় পানির মান পরীক্ষা করে দেখা, বৃষ্টিপাত পরিমাপ করা, কাগজ দিয়ে সেতু নির্মাণ করা অথবা নিজ এলাকার রাস্তা ও ড্রেনেজ সমস্যার সহজ প্রকৌশলভিত্তিক সমাধান খুঁজে পাওয়া, এসবই শিশুদের জন্য কার্যকর STЕM শিক্ষার অংশ হতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ পর্যায়ক্রমে গণিত ল্যাব, বিজ্ঞান ক্লাব এবং মৌলিক রোবোটিক্স শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে চায়। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে STЕM শিক্ষা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

তিনি বলেন, আরটেক জেনারেল এক্সিবিশনে প্রদর্শিত শিক্ষা উপকরণ ও শেখানোর পদ্ধতিগুলো অত্যন্ত সহজ, মডুলার, ব্যবহারিক এবং সাশ্রয়ী। এসব উদ্ভাবনী মডেল বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সহজেই অভিযোজিত করা সম্ভব। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ব্যয়সাশ্রয়ী ও বিস্তৃত পরিসরে বাস্তবায়নযোগ্য শিক্ষাসমাধানই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা এমন হওয়া উচিত যা শিক্ষার্থীদের শুধু তথ্য মুখস্থ না করায় বরং সমস্যাকে শনাক্ত করতে, বিশ্লেষণ করতে এবং বাস্তবসম্মত সমাধান উদ্ভাবনে সক্ষম করে তোলে।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে, লিকুদ পার্টি এগিয়ে

তিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তন, নদীভাঙন, দ্রুত নগরায়ণ, খাদ্য নিরাপত্তা, অটোমেশন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো বড় বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বাংলাদেশ। তবে এসব চ্যালেঞ্জ শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। তাই এসব মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় এবং উদ্ভাবনী চিন্তার বিকল্প নেই।

বক্তব্যের শেষে প্রতিমন্ত্রী আরটেক, অক্টোব্রেইন, অনুষ্ঠানের আয়োজক, অংশগ্রহণকারী এবং আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আগামী প্রজন্মের শিক্ষায় বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা আরও সহনশীল, উদ্ভাবনী এবং সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়ে তুলতে পারি।

অনুষ্ঠানে ওসাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষা প্রশাসনের প্রতিনিধিবৃন্দ, শিক্ষা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক অতিথি এবং আরটেক ও অক্টোব্রেইনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বৈঠক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিতাড়িত ফ্যাসিবাদের আর ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া যাবে না: রাবি উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৯ পি.এম


বিতাড়িত ফ্যাসিবাদের আর ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া যাবে না: রাবি উপাচার্য

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, আজকে আমরা যখন বিজয় উৎসব পালন করছি, ঠিক সেই সময়ে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পায়তারা করছে। বিতাড়িত ফ্যাসিবাদ ও তাদের দোসররা যেন কোনোভাবেই বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখার সাহস না পায়, আজকের দিনে এই অঙ্গিকার ব্যক্ত করছি।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই-আগস্ট ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয়বর্ষ পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করতে হবে। আগামীর বাংলাদেশ গঠনে সকলের দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করেন তিনি।

দিবসটি উপলক্ষে বেলা ১০ টায় সিনেট ভবনের সামনে আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও ডকুমেন্টরির উদ্বোধন করা হয়। একই স্থান থেকে বিজয় শোভাযাত্রা নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করা হয়। বেলা ১১ টায় 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান: রং তুলিতে মুক্ত স্বদেশ' উদ্বোধন শেষে সিনেট ভবনে আলোচনা সভা শুরু হয়।

এদিকে, রাকসুর উদ্যোগে শহিদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে রক্তদান কর্মসূচি চলছে। এরআগে, রাকসুর উদ্যোগে কয়েকশো শিক্ষার্থী নিয়ে ভিক্টরি রান কর্মসূচি পালিত হয়।

এ ব্যাপারে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, এদিন ফ্যাসিবাদকে চূড়ান্তভাবে দমনের দিন। এই বিজয় ছাত্রজনতা ছিনিয়ে এনেছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ বিতাড়িত হয়েছে। এই ভিক্টরি রানে তাদের দৌড়ানির কথা মনে করিয়ে দেই। যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করবে, তাদের এভাবেই এদেশের মানুষ দৌড়ানি দিবে।

উল্লেখ্য, দিবসটি উপলক্ষে দুপুরে আবাসিক হলগুলোতে বিজয় ফিস্টের আয়োজন করা হয়েছে। বিকেলে কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়ার ব্যবস্থাও আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাভাবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ পি.এম


মাভাবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

টাঙ্গাইল, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার আবহে টাঙ্গাইল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে পালন করা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস।

 

বুধবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা এবং বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

 

শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।

 

শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগের চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।

 

শোভাযাত্রার উদ্বোধনকালে উপাচার্য বলেন, জুলাই আমাদের চেতনা। আমাদের বুকে জুলাইয়ের আদর্শ ধারণ করে আগামী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন সমাজ নির্মাণ করব। আগামী প্রজন্ম বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

 

তিনি আরও বলেন, আজকের এই আনন্দ শোভাযাত্রার উদ্দেশ্য হচ্ছে আমরা সবাই মিলে এই বিশ্ববিদ্যালয়টিকে গড়ে তুলব এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সমাজের মানুষের জন্য কাজ করে যাব।

 

তিনি এটাও বলেন, জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের রক্তের প্রতি আমরা কোনো দিন বেইমানি করব না। আজকের এই দিনে আমরা জুলাইয়ের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

 

এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ‘আমরাই গড়বো স্বপ্নের বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন এবং শিক্ষার্থীদের হলসমূহে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শরীয়তপুরে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৫ পি.এম


শরীয়তপুরে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান

শরীয়তপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। এতে জুন মাস প্রান্তে অনুষ্ঠিত হওয়া নানা কর্মসূচির মধ্যে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়। মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, আলোচনা সভা এবং জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

সকালে ‘৩৬ জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা হয়। সেখানে জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিনা বেগমের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তানভীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ প্রশাসন, শরীয়তপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফজলুল হক, শরীয়তপুর প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ, সাপ্তাহিক শরীয়তপুর পত্রিকার সম্পাদক মজিবুর রহমান, জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পরে ‘জুলাই চেতনায় গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শরীয়তপুর পৌরসভা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মকাণ্ডে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তানভীর হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আবু রাসেল, সিভিল সার্জন ডা. রেহান উদ্দিন, সাপ্তাহিক শরীয়তপুর পত্রিকার সম্পাদক ও বাসস প্রতিনিধি মজিবুর রহমান, জেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. সিরাজুল হক মোল্লা, শরীয়তপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আবুল হোসেন সরদারসহ জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জেলার ১৪ জন জুলাই শহীদের পরিবার এবং আহত ৮৮ জন julio যোদ্ধাকে সম্মাননা ও সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলোরা ইয়াসমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে বেনাপোলে আমদানি-রফতানি বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ পি.এম


জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে বেনাপোলে আমদানি-রফতানি বন্ধ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে সরকারি ছুটির কারণে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল থেকে দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে দুই দেশের (বাংলাদেশ ও ভারত) মধ্যে সব ধরনের আমদানি-রফতানিসহ বন্দরের ও কাস্টমসের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত অন্যান্য দিনের মতো স্বাভাবিক রয়েছে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে পুনরায় আমদানি-রফতানি কার্যক্রম চালু হবে এবং কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম চলবে।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে আজ বুধবার আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে সরকারি ছুটি থাকায় আজ বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রফতানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হবে। তবে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক আছে। বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালাস করা ভারতীয় খালি ট্রাক ফিরে যেতে চাইলে যেতে পারবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%