০৫:২৮ পি.এম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য বিজ্ঞানীদের বাজেট নির্ভর না হয়ে খাদ্যের পুষ্টিগুণ, নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে মৌলিক, উদ্ভাবনী এবং মানসম্পন্ন গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। তাই গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।
বুধবার ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে কনফারেন্স কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেছেন।
মন্ত্রী গবেষণার প্যাটেন্ট গ্রহণের পাশাপাশি কৃষিকে যুগোপযোগী করতে উৎপাদনশীল প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কৃষি এগিয়ে গেলে দেশও এগিয়ে যাবে। যদি আমরা আমাদের নিজস্ব দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি, তবে দেশ আরও অনেক এগিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: ‘ক্ষমতা বাড়লো বা কমলো, তার চেয়ে জরুরি শিক্ষা-স্বাস্থ্যের সংস্কার ও কর্মসংস্থান’
তিনি আরো বলেন, পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদনের অভাব নেই, তবে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের অভাব রয়েছে। এজন্য সরকার নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, ভেজাল ও নিম্নমানের খাবারের কারণে মৎস্য ও কৃষি খাতের উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, মাছের খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল নিরাপদভাবে উৎপাদন করা জরুরি। বিশ্ববাজারে স্বাদুপানির মাছের চাহিদা কমে যাচ্ছে। তাই নিরাপদ উপায়ে উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে পরবর্তীতে রপ্তানি করা হবে।
এর আগে, মন্ত্রী সকালে বিএফআরআইয়ে অবস্থিত বিভিন্ন হ্যাচারি পরিদর্শন করেন। তিনি সুবর্ণ রুই, মেকং পাঙ্গাশ, মহাশোল, ছোট মহাশোল, স্বাদুপানির মুক্তা, খোকসা মাছ, ঢেলা মাছ, দেশি সরপুটি, বাইন মাছ, ভাগনা মাছ, দেশি তিত পুঁটি, ঘাউড়া, মনোসেক্স তেলাপীয়া, গুঁড়া চিংড়ি, গলদা চিংড়ি, কুচিয়া মাছের হ্যাচারি এবং খাঁচায় শিং, গুলসা, পাবদা ও মাগুর মাছের চাষ পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট শাখাকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন