১১:১১ পি.এম
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গ্রহণ করেছেন। এই পদত্যাগপত্রের পরেই বিষয়টি নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সোমবার (১ জুন) এই প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। এর আগে, আজ দুপুরে দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের খবর পাওয়া যায়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গৃহীত হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই পদত্যাগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমী উপলক্ষে আজ সারা দেশে বন্ধ স্বর্ণ বেচাকেনা
সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করেছেন এবং পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।
মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান তার পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পরবর্তী সময় থেকে শারীরিক জটিলতার কারণে ভুগছেন। তার শারীরিক অসুস্থতার জন্য মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনের সময়ে সমস্যা হচ্ছে। সরকারের উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে, তিনি পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন।
দীপেন দেওয়ান আইনজীবী হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করেন। তিনি সিনিয়র যুগ্ম জেলা জজ ছিলেন। চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়ে ২০০৫ সালে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। পরবর্তীকালে, তাকে রাঙামাটি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক করা হয়।
এক/এগারোর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর, ২০১৬ সাল পর্যন্ত দীপেন দেওয়ান জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে, তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আরও পড়ুন: আমি খুবই চিন্তিত: নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনে জয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন
তিনি ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন। তবে দলের অন্য প্রার্থী চূড়ান্ত মনোনীত হওয়ায়, তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে লড়েননি এবং দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।
২০২৫ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে, তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন দীপেন দেওয়ান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন