ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র লাশ উত্তোলনে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ


চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র লাশ উত্তোলনে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

চিত্রনায়ক সালমান শাহের (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) লাশ কবর হতে উত্তোলনের উদ্দেশ্যে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

গত ২২ জুন সিলেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা এই বিষয়ে এক অফিস আদেশ জারি করেছেন। এই অফিস আদেশের একটি অনুলিপি আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে। উক্ত অফিস আদেশটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ মে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশ অনুযায়ী মামলার ভিকটিম মৃত চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৭৬(২) ধারা মোতাবেক কবর থেকে লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত থেকে ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল দায়িত্ব পালনের জন্য সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. পারভেজকে নিয়োগ করা হলো।

আরও পড়ুন: সাত মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চীনের তিব্বত

রমনা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক শাহ আলম আজ বিকেলে বাসস’কে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২০ মে সালমান শাহ’র মৃতদেহ (লাশ) কবর থেকে উত্তোলনের জন্য আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা গত ২৪ মে হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলনপূর্বক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতি দেন।

এরপর গত ২৩ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলার বাদি মোহাম্মদ আলমগীর (কুমকুম) লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নিছিদ্র নিরাপত্তায় দুর্গাপূজা, ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি পরিদর্শন করলেন শতাধিক মণ্ডপ

মামলার আসামিরা হলেন- সালমান শাহ’র স্ত্রী সামিরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মে ফেয়ার বিউটি পার্লারের রুবি, আবুল সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহ’র মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদিপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর সালমান শাহ’র মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নীলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন। কিছু সময় পর প্রোডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। তখন দ্রুত তারা বাসায় ফিরে দেখেন, সালমান শয়নকক্ষে নিথর পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামিরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন।

সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। তারা সালমান শাহকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।

আরও পড়ুন: ঢাকায় আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ইমাম সম্মেলন

মোহাম্মদ আলমগীর এজাহারে আরও দাবি করেছেন, সালমানের পিতা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী তার মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। সেখানে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ ও সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান। সালমানের পিতার মৃত্যুর পর তিনি তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন।

মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ করে থাকলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন। এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালতলীতে বন বিভাগের মামলায় ৫ জন কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


তালতলীতে বন বিভাগের মামলায় ৫ জন কারাগারে

বরগুনার তালতলীতে বন বিভাগের মামলা অনুযায়ী ৫ জন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

 বন বিভাগের মামলা অনুযায়ী, বরগুনার তালতলীতে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধভাবে প্রবেশ, গাছ কাটা, বনভূমির ক্ষতি এবং মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রেক্ষিতে ৫ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

রবিবার (৫ জুলাই) আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ইফতি হাসান ইমরান এই আদেশ দেন।

বন বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, তালতলী উপজেলার ছকিনা বিট অফিসের আওতাধীন নিদ্রারচর ডিসি পয়েন্ট এলাকায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ইউপি সদস্য মো. শহিদ আকনের নেতৃত্বে মাসুদ খান, সবুজ ফকির, কুডি মোল্লা ও মোহাম্মদ নেকিয়ার হোসেন অনধিকার প্রবেশ করেন। অভিযোগ রয়েছে, তারা বনাঞ্চলের গাছ কেটে ফেলে সেখানে বেঞ্চ তৈরি করেন এবং মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণ করে বনভূমির ক্ষতি সাধন করেন।

এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল ছকিনা বিট অফিসার মাহিদুল ইসলাম জুয়েল বাদী হয়ে বন আইনে পাঁচজনকে আসামি করে টেংরা মামলা নং-১/২০২৬ দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা রবিবার আদালতে হাজিরা দিতে গেলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী ও ছকিনা বিট অফিসার মাহিদুল ইসলাম জুয়েল বলেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অনধিকার প্রবেশ, গাছ কেটে বেঞ্চ নির্মাণ এবং মাটি কেটে রাস্তা তৈরির অভিযোগে মামলাটি করা হয়। রবিবার আসামিরা আদালতে হাজির হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জয়পুরহাটে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২১ পি.এম


জয়পুরহাটে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু

জয়পুরহাটের তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) জনগণের জীবনমান উন্নয়ন লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ ও গাভি পালন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।

রবিবার দুপুরে কালাই উপজেলা প্রশাসন মিলনায়তনে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। জয়পুরহাট জেলা পরিষদের অর্থায়নে এবং কালাই উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আরা-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার মোহাম্মদ রায়হান, কালাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মনিরুজ্জামান, কালাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন ফকির, যুগ্ম আহ্বায়ক মওদুদ আলম, এবং জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মনজুরে মওলা পলাশ।

অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেছেন, অবহেলিত হিজড়া জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আধুনিক পদ্ধতিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ ও গাভি পালনের মাধ্যমে তারা নিজেরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে সক্ষম হবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কালাই উপজেলার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া তৃতীয় লিঙ্গের জনগণের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের মধ্যে কোনো প্রতিহিংসা নেই : শামসুজ্জামান দুদু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


তারেক রহমানের মধ্যে কোনো প্রতিহিংসা নেই : শামসুজ্জামান দুদু

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বৃহস্পতিবার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে কোনো ধরনের প্রতিহিংসা নেই।

রবিবার অনুষ্ঠিত হওয়া জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

দুদু বলেন, অসুস্থ তিন প্রবীণ জননেতা মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান ও ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের দ্রুত সুস্থতার কামনায় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য আয়োজকদের তিনি ধন্যবাদ জানান।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির ছোট-বড় নেতাকর্মীরা বিগত ১৮ বছর ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শুধু নেতাকর্মীরা নয়, তাদের পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা চাকরি পাওয়ার কথা ছিল, তারা শেখ হাসিনার আমলে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এ কারণে কিছুটা অস্থিরতা তৈরী হতে পারে। তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণ করতেই হবে।

দুদু বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে যারা অন্যায়ের শিকার হয়েছেন, বর্তমান সরকার তাদের বিষয়ে সহানুভূতির সঙ্গে আচরণ করছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকার। তার মধ্যে সত্যিই কোনো প্রতিহিংসা নেই। অথচ এই পরিবারটি সবচেয়ে বেশি প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে।

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বলেন, ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন এবং দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে তিনি নেতৃত্ব অর্জন করেছিলেন। একইভাবে, ১৮ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের পর তারেক রহমান জনগণের সমর্থন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেছেন।

তিনি বলেন, কিছু লোক জনপ্রিয়তার দাবি করেন। আমি কাউকে ছোট করার চেষ্টা করছি না, কিন্তু দেশের জনগণ গণ-অভ্যুত্থানের প্রধান শক্তি হিসেবে বিএনপিকে নির্বাচিত করেছে। কারণ, ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে তারা বিএনপিকেই ভোট দিয়েছে।

দুদু বলেন, এক-এগারোর নির্যাতনে তারেক রহমান নিহতও হতে পারতেন, কিন্তু আল্লাহ তাকে রক্ষা করেছেন। এবং বেগম খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, এমনকি চিকিৎসাও দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ তখন হিংস্র নেতৃত্বের অধীনে ছিল। আমাদের সে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক দেশে রূপান্তরিত করতে হবে।

সরকারকে দক্ষতা ও ধৈর্যের সঙ্গে সমর্থন দেওয়ার উদ্দেশ্যে দুদু সম্প্রতি একটি মহলের সম্পর্কে সতর্ক করেন যারা বিভিন্ন স্থানের ছোটখাটো ঘটনাকে বড় করে উপস্থাপন করতে চায়। তিনি সকলকে অবগত করেন যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দলের সভাপতি সালাউদ্দিন খান পিপিএম, এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন সরদার।

অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, কৃষক দলের সাবেক দফতর সম্পাদক এস কে সাদি, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কেএম রকিবুল ইসলাম রিপনসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাগর উত্তাল, মাছ শিকার বন্ধে দুর্দশায় জেলেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


সাগর উত্তাল, মাছ শিকার বন্ধে দুর্দশায় জেলেরা

 

বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বরগুনার পাথরঘাটার চরদুয়ানি খালে মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে জেলেরা আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। শনিবারের এই পরিস্থিতি কালের কণ্ঠের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

গভীর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবেই সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। ফলে পায়রা সমুদ্র বন্দরের কর্তৃপক্ষ ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে। এর ফলে বরগুনার পাথরঘাটাসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় শত শত মাছ ধরার ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

এদিকে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে গভীর সাগরে জেলেরা মাছ শিকার প্রায় বন্ধ করে দিয়েছেন। এই অবস্থায় জেলে এবং ট্রলার মালিকরা আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছেন।

শনিবার স্থানীয়ভাবে ঘুরে দেখা যায়, পাথরঘাটার বিএফডিসি (নতুন বাজার) খাল, পদ্মার খাল, বাদুরতলা, জিনতলা, কাকচিড়া খালসহ বিভিন্ন জলাশয়ে শত শত মাছ ধরার ট্রলার নোঙর করে রাখা হয়েছে। শুধু পাথরঘাটা নয়, দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকার ট্রলারগুলোও ইতিমধ্যেই এসব জলাশয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছে।

জেলেদের কাছে জানতে বাতিল হয়, গত ১১ জুন সাগরে মাছ ধরার জন্য ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তবে এরপর থেকেই ইলিশ ও অন্যান্য মাছ আহরণের ক্ষেত্রে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এই কারণে অধিকাংশ ট্রলার লোকসানের মধ্যে পড়েছে। পরে ধারদেনা করে আবার সাগরে গেলেও বৈরী আবহাওয়া তাদের দুই-তিন দিনের মধ্যেই ফিরে আসতে বাধ্য করেছে। তাদের অভিযোগ, একটি ট্রলার সাগরে পাঠাতে এক থেকে চার লাখ টাকা ব্যয় হলেও এবার সেই অর্থের সিংহভাগেরই প্রত্যাবর্তন হয়নি।

পাথরঘাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ট্রলার এফবি মাহাদীর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, ‘সাগরে মাছ শিকারে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর দুই দফায় ট্রলার সাগরে পাঠিয়েছি। তবে দুইবারই লোকসান হয়েছে। পরে ঋণ নিয়ে আবারো ট্রলার সাগরে পাঠালেও উত্তাল ঢেউয়ের কারণে মাত্র দুই দিনের মাথায় ফিরে আসতে হয়েছে। বর্তমানে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি হওয়ায় নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।’

চট্টগ্রামের ট্রলার এফবি মাসুম ৩- এর মাঝি সোনা মিয়া বলেন, ‘সাগর এতটাই উত্তাল যে, সেখানে অবস্থান করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। তাই নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য পাথরঘাটায় এসে ট্রলার নোঙর করেছি।’

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী মন্তব্য করেন, ‘নিষেধাজ্ঞা শেষে কাঙ্খিত মাছ না পাওয়ায় ট্রলার মালিকরা লোকসানে ছিলেন। তার মধ্যে বৈরী আবহাওয়ার পরিস্থিতি তাদের জন্য আরও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে জেলেরা আবার সাগরে যেতে পারবেন বলে আশা করছি।’

পাথরঘাটা উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক জানান, ‘বৈরী আবহাওয়ার কারণে শত শত ট্রলার ও হাজারো জেলে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছেন। জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তার স্বার্থেই তাদেরকে উপকূলে থাকতে বলা হয়েছে। যখন আবহাওয়া অনুকূলে আসবে তখন তারা আবার সাগরে যেতে পারবেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%